200 baris pertama.
এই ২১ শতকের শুরুতে কারো বিশ্বাস করার কথা নয়,
আমাদের পৃথিবীর উপর আমাদের চেয়েও বুদ্ধিজীবী প্রাণীর নজর রয়েছে.
তারা খেয়াল করল আর বুঝল,
মানুষ তার নিত্য জীবন নিয়েই ব্যস্ত.
তারা আমাদের উপর এমন নজর রেখেছে যেমনটা
একটা মাইক্রোস্কোপে জীবাণু কে আমরা পর্যবেক্ষন করি.
মানুষ নির্দ্বিধায় এই দুনিয়ায় ঘোরাফেরা করে,
এই বিশ্বাস নিয়ে, যে এই দুনিয়ায় শুধু তাদেরই শাসন রয়েছে.
কিন্তু অন্তরীক্ষের ওপারে,
বিশাল আর ভয়ংকর কিছু প্রাণী
এই দুনিয়াকে হিংসা ভরে দেখছিল.
আর ধীরে ধীরে অনেক বিশ্বাসের সাথে
আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছিল.
তাকে বল এটা কার্গোতে পাঠাতে.
এটা আসছে.
রে.
ফেরিয়ার. ওহ.
তোমাকে ১২ এর বদলে ৪ ঘন্টার মধ্যে ফিরতে হবে, দুপুরের ভিতর আধা কোরিয়ার মাল এখানে আসছে.
না, না, না, আমি পারব না. টেডেস্কো কে খবর দাও.
আরে, টেডেস্কো ১ ঘণ্টায় ৪০ কন্টেইনার তুলতে পারবেনা.
আমার এমন কাউকে দরকার যে অল্প সময়ে ডবল তুলতে পারবে.
পারলে সাহায্য করতাম, Sal. ইউনিয়নের নিয়মওতো মানতে হবে.
আরে, আমি তো এখানে ফেসে গেছি, রে.
ইউনিয়নের নিয়ম তোমার মনে আছে তো, সেল.
তুমি জানো, তোমার সমস্যাটা কী?
আমার সমস্যা তো কিছু মেয়েরাও বের করতে পারেনি.
সাড়ে আট? বলেছিলাম কিনা?
আটটার কথা ছিল.
হেই, এটাতো...
আসলেই ফাটাফাটি একটা গাড়ি, টিম.
-অভিনন্দন রইলো. - ধন্যবাদ.
আট টায়?
আমরা রবিবার সাড়ে নটার মধ্যে ফিরব যদিনা জেমে পরি.
নাও, এসে গেছে সে.
বুক মেলাবে?
হেন্ডশেকই সই? গালিও তো দিতে পারো?
দরজা বন্ধ.
এখনো আদবকায়দা শেখাচ্ছ?
হেলো, বাবা.
হেলো, রেচেল.
স্টেন, জলদি কর. আমাদের কাজে যেতে হবে.
দাঁড়াও সোনা, আমি এটা ভিতর পর্যন্ত দিয়ে আসছি.
-দরজা বন্ধ. -জান, আমাকে দাও.
-ব্যাপার না. সমস্যা নেই. -হেই, সে বলছে তো সে পারবে.
- এটা ভারি অনেক. -সে বলেছে সে পারবে.
এটার তো চাকা আছে. টেনে টেনে নাও.
হ্যাঁ, কিন্তু সিঁড়ি দিয়ে তো আর গড়িয়ে নেয়া যাবে না, তাইনা?
আচ্ছা, এখান থেকে আমি উঠিয়ে নিচ্ছি?
এটা 302 V8. এটা...
সামনের সপ্তাহে নিয়ে যাবে এখান থেকে.
জেমে পরার আগেই তোমার বের হওয়া উচিত, তাইনা?
দুধ তো শেষ.
কিছুই নেই দেখছি.
হ্যাঁ. দরজাটা বন্ধ করবে, প্লিজ?
কারন ফ্রিজটা আমার.
আমি বাইরে অপেক্ষা করছি.
ঠিক আছে সোনা. কিছুদিনের মাঝেই ফিরে আসছি আমি.
বায়, টিম.
-আমি উপরে নিয়ে যাচ্ছি এটা. -আমি নিচ্ছি... আমাকে দাও...
-মা, মা, মা. -মেরি আন...
-আচ্ছা, আচ্ছা. -মা, মা.
তারা বড় হয়ে গেছে, এক কামরায় থাকবে কি করে?
-তারা তো অভিযোগ করছেনা. -না, আমিই করছি.
রবিকে ফ্রান্স আর আলজেরিয়ার লড়াই সম্পর্কে লিখতে হবে,
যা শুরু হতে যাচ্ছে.
আমাদের ফেরার আগে যদি সে সেটা করে ফেলে
তাহলে রবিবার রাত আর তার জাগতে হবে না.
-শুধু টাইপ করতে হবে মা. -না.
-তোমাকে প্রথমে লিখতে হবে খোকা. -লাভ ইউ মা.
আই লাভ ইউ.
বাবার কথা শুনো.
বিছানায় জুতো নিয়ে উঠনা.
আমরা আমার মায়ের বাসা বোস্টনে থাকব,
কিন্তু ফোন দিও না সেখানে, আসলে তুমি জানো ব্যাপারটা...
আমার কাছে মোবাইল আছে,
তাই কোন কাজ বা প্রশ্ন থাকলে আমার মোবাইলএ ফোন দিও.
বিশ্বাস হবে কিনা জানি না, দেখবে ঠিক সামলে নেবো আমি.
-আমার মোবাইল খোলা থাকবে. -মেরি আন.
এই অবস্থায়ই তোমাকে খুব সুন্দর লাগে.
তাই?
হুম.
বাচ্চাদের খেয়াল রেখ.
মেরি আন, চিন্তা করার কিচ্ছু নেই.
শোন, তোমার মাকে বলো, তাকে আমি অনেক ভালবাসা পাঠিয়েছি.
ঠিক, এটা শুনে অনেক ভালো লাগবে তার.
ইউক্রেন, যেখানে প্রায় ৫২ মিলিয়ন মানুষের বসবাস,
সেখানে আজ রাত অন্ধকার ছেয়ে গেছে
পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেখানে গত এক সপ্তাহে
বেশ কয়েকবার অদ্ভুত রকমের বজ্রপাত হয়েছে,
যাতে জন জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে.
...ইলেক্ট্রো মেগ্নেটিক পালস, যা কিছুক্ষনের জন্য
ভূমিতে বজ্রপাতের প্রভাবকে রুদ্ধ করে দেয়.
যেটা ঘটেছে ইউক্রেনে, তাছাড়া বজ্রপাতের প্রভাবে
ভূপৃষ্ঠের কিছু জায়গায় ভূ কম্পন দেখা গিয়েছে,
রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬.৫ পর্যন্ত. এই...
-বেস বলের সিজন তো শেষ. -মাত্র ৫ মিনিট খেললে মরে যাবে না নিশ্চই.
তো এসে গেছ.
বোস্টন?
এখন অইখানের হয়ে গেলে নাকি?
এটাই হওয়ার কথা ছিল?
-থ্রো সামলাও দেখি. -ব্যাপার না, রে.
তোমার মা বলল তোমার নাকি রিপোর্ট পেশ করতে হবে,
তাই, খেলার পর তুমি পড়তে বসবে.
হাঁ, আমি অনেকটা শেষ করে ফেলেছি. এখন শুধু টাইপ করার পালা.
হাঁ, ফাও কথা.
হাঁ? তুমি কি জানো, রে?
সবকিছুই. শোননি তুমি? আমাদের দুই ভাইয়ের কথা,
সবই জানি আমরা.
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী কি?
এটা আমার ভাই জানে.
তোমার এই ভুয়া জোকস শুনে কি প্রতিবারই আমাদের হাসতে হবে?
রিপোর্টটা ভালো ভাবে শেষ কর.
রেজাল্ট খারাপ করার জন্য স্কুলে পাঠাই না তোমাকে.
স্কুলের বেতনতো তুমি দাও না, দেয় টিম.
এটা আস্তেই মারলাম.
অসহ্য. এই জায়গাটাই সহ্য হয়না আমার.
বেয়াদপের মত আচরন করছ কেন?
কী?
তুমি এইভাবে তার মন পাবে না.
-যদি তাকে কথা শোনাতে চাও তো... -তুমি কী, আমার বৌ না আমার মা?
-যাচ্ছো কোথায়? -ঘুমোতে যাচ্ছি.
বেঁচে থাকার জন্য কাজ করতে হয় আমাকে.
-আমরা খাবো কী? -তুমিই জানো, অর্ডার দাও.
৩ আর ২...
-ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ঝড়... -ঝড়ের উৎস খুঁজে পাওয়া গেছে...
কি হয়েছে?
কিছু একটা বিঁধেছে.
কিভাবে হল? এদিকে আসো দেখি.
তোমার বাড়ান্দা থেকে.
তুমি কি চাও...কী? কী করতে? তুমি চাও আমি...
-এটা বের করি? -অবশ্যই না.
এদিকে আসো, দেখতে দাও আমাকে.
বাবা.
-শুধু দেখ, ধরো না, বাবা. -রেচ.
-আমি পারবোনা. তুমি ওটা সরিয়ে নিচ্ছ. -আচ্ছা, শুধু দূর থেকে দেখ, টাচ করোনা.
ইনফেকশন হয়ে যাবে তো.
-না, সেটা হবে না. -নিশ্চিত ইনফেকশন হবে.
না, হবে না.
এটা পেকে গেলে, আমার শরীর থেকে এমনিতেই বের হয়ে যাবে এটা.
-বের হয়ে যাবে, হুম? -আমি বইয়ে পড়েছি.
তোমার TIVO আনা উচিত.
-টিম আমার রুমের জন্য একটা এনে দিয়েছে. -TiVo?
দারুন.
আমি হোম ওয়ার্কের পর সব শো দেখি.
হ্যাঁ, আমার একটা লটারি লাগলে নিশ্চয়ই এনে দিব.
রবি? রবি.
কী এটা?
হামাস.
-হামাস? -হেলথ ফুড থেকে.
গতবারই তাদের একটা ম্যানূ রেখে দিয়েছিলাম.
তুমিই তো অর্ডার করতে বললে.
আমি খাবারের কথা বলেছিলাম.
রবি কই?
-বাইরে গেছে. -বাইরে কোথায়?
আমি জানি না. সে তোমার গাড়িটা নিল আর বেরিয়ে গেল.
কে কথা বলল? কে অইখানে?
সিঁদেল চোর.
স্টিভেন, দেখো.
-ব্যাপার কী? -ভালো করে দেখ!
এরকম কিছু জীবনে দেখেছ?
সম্ভবত বসন্ত কালে. বছরের এই সময়ে না.
আসো, বাড়ির পেছন থেকে আরো পরিষ্কার দেখা যাবে.
এই জিনিসটা দেখা দরকার তোমার!
-এটাতো খুব আজব ব্যাপার. -কী?
বাতাস ঝড়ের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে.
আসলেই আজব.
হেই, দেখো!
রেচেল, মজার কিছু দেখার ইচ্ছা আছে?
কিছু হয়নি.
-আমি ভিতরে যাব. -সমস্যা নেই.
ভিতরে যাব আমি.
আচ্ছা, সামনে আগাও.
এমনটা আর আগে দেখিনি কখনো.
আমি একা যেতে পারবোনা.
-মজা লাগছে, তাই না? -না.
-দেখ না, যেন বিজয়ের আতশবাজি. -না, সে রকম না.
ঐ রকমই তো...
ভয়ের কিছু নেই. কিছু হয়নি.
-আমাদের ঘরের পিছনে পড়েছে সেটা. -হাঁ, আসলে এটা...
এখানে দ্বিতীয়বার আর বজ্র পরবে না, ঠিক আছে,
কারন একই জায়গায় ২বার বজ্রপাত হয় না.
ধুর!
রবি কোথায়?
জানি না তো.
রবি ঠিক আছে তো?
তুমি ঠিক আছো?
কোথায় পড়ছে এই বাজ?
এটা থামছে না কেন?
শেষ হয়ে গেল নাকি?
কোথায় যাচ্ছো তুমি?
একটু... দেখি সব ঠিকঠাক আছে কিনা. দাঁড়াও এখানে. একটুখানি.
-আমাদের কিছু হবেনা তো? -জানি না.
-জানো না তুমি? -না, মানে, আমি শুধু...
রেচেল, প্লিজ.
এসব বেহুদা প্রশ্ন বন্ধ কর. এইখানে অপেক্ষা কর.
সবকিছু বন্ধ করে রাখো.
সবই তো বন্ধ.
মরার কপাল, একটাও চালু করতে পারছি না.
অবিশ্বাস্য, তাই না, রে? প্রত্যেকটা গাড়ি দেখ.
জেসাস. জেসাস, জেসাস, জেসাস.
No comments yet. Be the first to leave one.