200 baris pertama.
এই সিনেমা নির্মাণে কোনো প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
কী সুন্দর দিন!
হাইকিংয়ে গিয়ে পাহাড়ে ঘুমাতে ইচ্ছে করছে।
রাখ তো।
- ভাই। - কী?
মনে হয় না আমাকে প্রফেসর হওয়া থেকে বাদ দিয়েছে।
চুপ কর।
খোদারই ইচ্ছা হয়তো।
কচুর খোদা! সব ডীনের ইচ্ছা।
ও-ই বাদ দিয়েছে তোকে।
তুই বড় মাথামোটা।
খুং-মিন তোর জায়গা নিয়েছে।
অথচ চেয়েছিলি তুই।
তোর লজ্জা হওয়া উচিত!
- ওই, ইয়ুন-জু? - হ্যাঁ, বলো।
কুত্তা-টুত্তা পালিস নাকি?
- তুমিও শুনতে পাচ্ছো? - হ্যাঁ।
- খোদা, পাগল হয়ে যাচ্ছি। - হায়রে জীবন!
দাঁড়া বজ্জাত!
শুকনো মুলা পছন্দ করো?
কী?
হ্যাঁ, করি।
মুলা শুকানো উচিত রোদে।
রোদের দেখাই নেই।
BARKING DOGS NEVER BITE
আমার সিটে বসুন।
ওটায় বসুন।
Directed by Bong Joon-ho
- না, ১৫ বরাবর। - হ্যাঁ, ১৫ বরাবর।
'বিনিময়'।
কী? 'পারস্পরিক'?
তুই একটা গাধী!
আমার তা মনে হয় না।
কাগজ শেষ হয়ে গেলে বোলো।
মানে ১৫ বরাবর?
সেটার মানে জানিস না, তাই তো?
- না। - কেমন অগা রে তুই!
- পারস্পরিকের মানে জানি তো। - পারস্পরিক নয় 'বিনিময়'।
সিগারেট খেতে হবে।
বৃষ্টি হচ্ছে। ছাদে সিগারেট খেতে পারছি না।
বাথরুমে গিয়ে খা।
- বাচ্চা নই আমি। - এমনিতেও তো হাগতে যাবি।
ভাবিস আমি শুধু খাই আর হাগি?
মোটেই না! ব্রেকফাস্টও করিনি।
জায়গাটাই আমাকে মোটা বানিয়েছে।
ওই? হিউন-নাম?
শালী একটা!
স্ট্যাম্প করে দিন।
স্ট্যাম্প করিয়ে না নিলে, দারোয়ানরা ছিঁড়ে ফেলে দিবে।
সেজন্যই তো এখানে এলাম।
যাইহোক... তোমার বয়স কত?
ফার্স্ট গ্রেডে পড়ি।
তোমার স্কুলে না থাকার কথা?
স্কুলে কী করবো? আমার কুকুর নিখোঁজ।
পড়াশোনাই করবো না।
না।
এগুলো আমি সবখানে লাগিয়ে দেবো।
তুমি স্কুলে যাও।
ওকে খুঁজে না পেলে, আমি খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়ে, মরে যাবো একেবারে।
ও, এসে গেছো।
খিদা লেগেছে।
ডিনার বানিয়ে দিচ্ছি।
ডিনার খাবো না।
এগুলো খাবো।
নিচতলার লোকেরা শুনতে পাবে।
মানুষের মস্তিষ্কের মতো দেখতে।
রাতে একটু বাইরে যাবো।
কোথায়?
একটা ডিপার্টমেন্ট মিটিং হচ্ছে। জুন-ফিও ইনভাইট করেছে।
- জুন-ফিও? - হ্যাঁ।
আবার ড্রিংক করবে?
না, করবো না।
সত্যি বলছি।
তাহলে, সবগুলো ভেঙে দাও।
সবগুলো?
খোদা, একশো'র বেশি আছে।
বড়জোর ৫০টা হবে।
মোটেই না!
তাহলে এটা ভর্তি করে দিলে যেতে পারবে।
জলদি আয়! ট্রেন চলে এসেছে!
ধুর, বাসায় যাবো কখন?
জলদি আয়! আমি ট্রেনে উঠছি!
পরের স্টপে আমার জন্য দাঁড়াস!
আবার হিসু করবি?
কোক দিন!
- গতরাতের খবর দেখেছিস? - হ্যাঁ!
খবরটা সেরা স্বামী নিয়ে। ১ম আর ২য় স্থানে কারা আছে জানিস?
ডাক্তার আর লয়াররা। আর ৪৮তম স্থানে আছে...
- খনির শ্রমিকরা! - হ্যাঁ।
৪৯ হলো কৃষকরা আর ৫০...
- কারা? - মানবিকের ছাত্ররা।
- আমরা লিস্টের শেষে? - কী লজ্জা!
- বেশি লাল হয়ে গেল নাকি? - এটা আমাদের ডিপার্টমেন্টের শার্ট।
আবারও! আরেকটা ন্যাকড়া!
সুন্দরই নেই।
- এটার জন্য টাকা দিতে হবে? - হ্যাঁ। ৮ ডলার।
আমাকে ফ্রি দেয়া যায়?
ড্রিংকের বিল সহ।
- আমি দিচ্ছি তোমারটা। - কালারটা সুন্দর না।
জুন-ফিওকে দেখেছিস?
আজ রাতে দেখলাম না ওকে।
বন্ধ কর!
- জুন-ফিও? - ইয়ুন-জু নাকি?
হ্যালো?
এখন একটু ব্যস্ত আছি। পরে কল দিচ্ছি।
ছিলে কোথায়? বাসায় চলে যাচ্ছিলাম।
ভাগ্য ভালো এসেছিস। একটু টিস্যু দে তো।
দাঁড়াও।
নাও।
ভেবে দেখেছিস?
খুং-মিন জার্মানিতে পড়াকালীন ডীনকে ঘুষ দিয়েছিল।
সেজন্যই ও আজ প্রফেসর।
আমি ভালো লবিস্ট নই।
জানিস তাহলে?
যেদিন রাতে ও...
মজার ঘটনা না আসলে। হাসা ঠিক হবে না।
ও ডীনের সাথে ড্রিংক করছিল।
ডীন আবার পাগলের মতো মদ গিলে।
একেবারে মাতাল হয়ে থামে।
খুং-মিন ড্রিংক করে না।
কিন্তু সে রাতে মাতাল হয়েছিল।
হুইস্কি-টুইস্কি খেয়ে।
তারপর ও সাবওয়ে নিতে যায়।
সেখানে রেললাইনে বমি করে ভাসিয়ে ফেলে।
খোদা!
এদিকে সাবওয়ে আসছিল।
পিএইচডি-ধারীর মাথাও ট্রেন থেকে বাঁচতে পারেনি।
ধুম!
ভয়ঙ্কর না?
সত্যিই ভয়াবহ!
বিদেশ থেকে পড়াশোনা করে এসেছে। সব জলে গেল।
তবে এতে তোরই লাভ হলো।
কী?
ওর পজিশনটা খালি হয়েছে।
ঠিকমতো খেল দেখাতে পারলে, ওটা তোর হয়ে যাবে।
ডীনের সাথে গিয়ে দেখা কর।
দেখা করবো?
১০,০০০ ডলার রেডি করে ফেল।
- ১০, ০০০ ডলার? - আরে, এটা কোনো টাকাই না।
রেডি করে ফেল। টাকা লাগবে।
বেশি তো।
এটাই শেষ সুযোগ। হাতছাড়া করিস না, কেমন?
চল ড্রিংক করি।
উন-সিল!
উন-সিল!
কেমন মেয়ে দেখো।
ক্লান্ত? তাহলে কাজ ছেড়ে দাও।
বাসায় থেকে মা হও।
সামান্য ক'টা টাকার জন্য কাজ করো না।
১০,০০০ ডলার?
একে ঘুষ বলা যায় না আসলে।
প্রয়োজনীয় ব্যবসায়ী খরচ ভাবতে পারো।
এক বুড়ো লোকের জন্য সামান্য সম্মানী।
এতে সমস্যা কী?
বাবু, তোমার বাবা প্রফেসর হবে।
শুনতে পাচ্ছো?
ধুর!
গলায় অপারেশন হওয়ায় ডাকতে পারে না
কেমন?
মাফ করে দিস রে।
এখানে নেই?
বিপ দেয়ার পর মেসেজ রেকর্ড করুন।
১০ মিনিটের মধ্যে বাসায় আসো নয়তো খবর আছে।
কী অবস্থা?
এখানে কী করছেন?
দারুণ ঘ্রাণ তো।
একা একাই খাওয়া হচ্ছে?
অফিস নোংরা করতে চাইলাম না আরকি।
- কীসের স্যুপ? - কিছুর না।
তা এখানে কেন এসেছেন?
সেদিন এখানে কয়েকটা ছোকরা গাঁজা খেতে গিয়ে ধরা পড়েছিল।
তাই নাকি?
- আপনি শুনেননি? - না।
আসল সমস্যা কী জানেন?
বাসিন্দাদের প্রতিনিধি আমার অফিসে হানা দিয়ে...
আমাদের দারোয়ানদের দোষ দিয়ে গেল।
বাল্বটা বোধহয় ফিউজ হয়ে গেছে।
রান্না হয়ে গেলে, অফিসে নিয়ে যাবো।
জানেন তো?
এই বেজমেন্টে এলে কীসব জানি শব্দ শুনতে পাই।
পাইপের শব্দ নিশ্চয়ই।
বয়লার কিমের নাম শুনেছেন কখনো?
বয়লার কিম?
১৯৮৮ সনে, কনস্ট্রাকশনের ধুম পড়ে গিয়েছিল।
দ্রুত ও বেপরোয়াভাবে নির্মিত হয়েছিল সব।
এই অ্যাপার্টমেন্টটা তখন নির্মিত হয়।
মানুষজন উঠার পর,
হিটিং নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়।
তাই সেটা ঠিক করতে আমরা বেশ কয়েকজন লোককে ডাকি।
কিন্তু কী সমস্যা হয়েছে কেউ বলতে পারছিল না।
তাই শেষপর্যন্ত বয়লার কিমকে ডাকি আমরা।
এই কাজে ওর বেশ নাম-ডাক ছিল।
ও সেই মকফো থেকে এখানে আসে।
এসে সবকিছু একবার দেখে মুখ টিপে টিপে হাসতে শুরু করে।
তারপর কাজে লেগে পড়ে।
১০ মিনিট পর, ওটা ঠিকঠাক কাজ করতে শুরু করে।
তখন সে বলে উঠে, "বয়লার ঘুরছে।"
ঘুরছে?
মকফোতে এভাবেই বলে। এটা ছিল ওর ট্রেডমার্ক।
বয়লার ঠিক করার পর, ও মানুষকে বলে, "বয়লার ঘুরছে"।
No comments yet. Be the first to leave one.