200 baris pertama.
মুভির নাম:- B. Tech (2018) অনুবাদক:- মাহির মুনিম ও জয় কিষান
বি. টেকে...
প্রধানত...
মেক, সিএস, ইসি, সিভিল আর ইলেক্ট্রিক্যাল আছে।
তারপর হলো ইনফরমেশন সাইন্স, বায়োটেকনোলজি, টেলিকম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল...
ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন।
এরকম আরো অনেক অগুরুত্বপূর্ণ শাখা আছে।
যদি এ্যারোনটিক্যাল চান, তাহলে অন্য কোনো কলেজে যেতে হবে।
ভবিষ্যৎ জায়গা কোথায় হবে?
আইবিএন, বশ, ইনফোসেস, উইপ্রো, অ্যাক্সেনচার...
চিন্তা করবেন না, এই কোম্পানীগুলো এখানে আসার কথা ভাবেও না।
সব মিলিয়ে প্রায় ৮ সেমিষ্টার।
ইয়ার আউট না হওয়া পর্যন্ত তুমি ঠিক থাকবে।
- ইয়ার আউট? - হ্যাঁ।
১ বছরে ৫টার বেশি বিষয়ে পাশ না করলে, ইয়ার আউট হবে।
বুঝেছ?
তুমি চিন্তা করো না।
এরকম অনেক পুরোনো জিনিস আছে, যারা অনেক বছর ইয়ার আউট হয়েছে।
আরেকটা পথ হলো।
যে টাকা আপনি এখানে দিচ্ছেন সেটা দিয়ে দেবানাহালিতে জমি কিনতে পারেন।
আঙ্গুর, অমরনাথ, রাঙ্গাআলু, কচু, কলা এসব চাষ করেন।
এগুলো চাষ করলে,
অন্তত কিছু টাকা রোজগার করতে পারবেন।
আব্দু।
চা দে। ২টা কড়া আর ১টা হালকা।
সাঈদ ভাই।
গতকাল আমি ঠিক করেছি যে তোমার সাথে আর ঘুমাব না।
খুব বেশি নাক ডাকে।
পুরোনো ডিজেলের জীপ পাহাড়ি রাস্তায় উঠতে না পেরে যেভাবে আওয়াজ করে, ঠিক সেভাবেই।
ঠিক আছে, আমি দিনের বেলায় ঘুমিয়ে পুষিয়ে নেব।
- এই, মুখ বন্ধ করে লাকড়ি নিয়ে আয়। - জ্বী, মাস্টার মশাই।
তাহলে এই ছেলের ভাগ্য ছাপা হয়ে গেছে।
ভাই, কত টাকা?
- সতেরশো চুয়াল্লিশ। - প্যাতোরেশ পুলিশ হয়ে গেছে?
সাঈদ ভাই, ৫০০ টাকা দেন।
মামণি...
ভেতরে যাও।
আয়, মা।
৫০ সমুচা, ৫০ পাফ।
মোট ১০০ টাকা।
এটাও এর সাথে যোগ করে নিও।
ঠিক আছে।
এই ভাষা যে কবে শিখব।
ভালো...
কি করবেন ভেবে সিদ্ধান্ত নিন।
ফেশ্রার ডে শুরু হলে, সব চটজলদি হয়ে যাবে।
থাম।
মার্সি, মার্সি।
সরে যাও।
এসব তো পাগলামী।
আমাদের রিপোর্ট করতে হবে।
চলো।
- মনোজ, তুমি ঠিক আছ? - আমি ঠিক আছি।
তুমি ঠিক আছ?
সাঈদ ভাই, ওরা তোমার সব লাকড়ি নিয়ে যাচ্ছে।
এই লাকড়ি দিয়ে এক সপ্তাহ চলতে হবে। ওগুলো রেখে যা।
নিয়ে যা। দূর হ।
সাঈদ ভাই, ওরা তোমার সব লাকড়ি নিয়ে যাচ্ছে।
আমার লাকড়ি রেখে যা, হারামীর দল।
এত মারপিট করার পরও ওরা বিরক্ত হয় না?
তোমার বাড়ি কোথায়?
- কেরালা। - আমি তামিলনাড়ু থেকে।
সুন্দর আমার নাম, রেড্ডি আমার স্ত্রীর নাম।
তাই সুন্দর রেড্ডি।
শৃঙ্খলা, উপস্থিতি, ফল।
এই তিনটেই আমি চাই!
৪ বছরে শেষ করে চলে যেও।
টেনে ১০ বছর করো না, বাবা।
এসব নৃশংসতা আর আমি এতে ক্লান্ত।
মনোজ,
- তুমি ছুটিতে যেতে পারো। - স্যার, জোকসের সময় নেই।
এরকম চলতে থাকলে, একদিন আমাদেরও মারবে ওরা।
৮ বছর হয়ে গেছে এখানে কোনো অনুষ্ঠান হয়েছে।
স্যার, এখানে স্টুডেন্ট থেকে গুন্ডা বেশি।
আনন্দকে বের করে দিতে হবে।
যে এমনিতেই বাইরে আছে, তাকে কি করে বের করব।
তাহলে জেরিকেও বের করে দেন।
সেটা সম্ভব না।
কেন স্যার? কেন সম্ভব না?
একজন কলেজ ডিরেক্টরের ছেলে।
আরেকজন কালেক্টরের ছেলে।
অন্যজন পুরোপুরি কলেজের বাইরে।
আমি সত্যিই চাই তিনজনকেই কলেজ থেকে বের করে দেয়া হোক।
কিন্তু ওরা তো বের হতে চায় না।
তোমরাও ওদের পাশ করে বের হতে দাও না।
আমি কি করব?
মার্সি, উনাকে বুঝিয়ে বল।
স্যার, আসলে সমস্যার কারণ শুধুমাত্র আনন্দ নয়।
- এমনকি জেরিও... - মার্সি, তোমার কেন ঐ বদমাশ গুলোকে বাঁচাতে হবে?
- বাবা.. - কেন?
তুমি তো স্বাক্ষর করেছ, না? তুমি যেতে পারো।
কোন ইয়ার?
- স্যার, ফার্স্ট ইয়ার। - কোন ব্রাঞ্চ?
- ইলেকট্রনিক্স & কমিউনিকেশন। - এটা খোলো।
বেরিয়ে যাও।
এসব কি সেটা তো আমাকে বুঝিয়ে বলতে হবে না, তাই না?
- এসব এখানে চলতে পারবে না। - ঠিক আছে, আমি একমত।
হোস্টেল রুম পূর্ণ হয়ে গিয়েছে।
ভাড়ার ব্যাপারে তুমি....
- এই! - কে উনি?
ও হচ্ছে...
একটা রুম আছে। এসো।
এসো।
"ডিম নেই, ডিম নেই, ডিম নেই ডিম কারিতে নেই কোনো ডিম"
- আমার লাকড়ির টাকা কে দেবে? - জেরির বাবা দেবে।
ওদের কেন মারতে গেলি?
স্বাভাবিক ভাবেই...
স্বাভাবিক ভাবেই "ডিম নেই, ডিম নেই, ডিম নেই, ডিম কারিতে নেই কোনো ডিম"
চুপ কর, ব্রয়লার মোরগেরা।
১০ টাকার ঝোলে আমিই ২ টা ডিম পেড়ে দিব, তখন চাইলে খেও।
লাসের ভাই, সকালে ৫টা ডিম পেড়ে রাখলেই সব সমস্যা শেষ হয়ে যাবে।
কিন্তু ও তো মোরগ।
লাসের ভাই, আমার ক্ষুধা লেগেছে হাফ প্লেট চিকেন বিরিয়ানী দাও।
- আজ কোনো বিরিয়ানী নেই। - নেই কেন?
পানি ছাড়া বিরিয়ানী বানানোর কোনো টেকনোলোজি শিখিনি, সেজন্যে।
মা, মোটর কাজ করছে না। তাই পানি নেই।
- তাহলে এগুলো? - গতকাল পানি ছিল।
তোকে বলেছিলাম না?
তোর জন্যেই তো? ঠিক আছে।
খুব ক্ষিদে লেগেছে। থাকতে পারছি না।
আব্দু, ২ কাপ চা।
পানি নেই।
পানি নেই?
ছেলেটা কে, জোসেফ?
আজকেই ভর্তি হয়েছে।
থাকার জায়গা নেই।
সেজন্যে এখানে এসেছি।
হ্যালো?
হ্যাহ্?
তাই?
"আভি" সে কখন আসবে?
ঠিক আছে।
- সাঈদ ভাই, সব বুঝে নিয়েছি। - তাই নাকি?
- আভি আসছে। - কে?
ওরা বলেছে, "আভি আয়েগা।"
গর্দভ, এর মানে হচ্ছে ও এখন আসবে।
এটা সকাল থেকে বলে যাচ্ছে।
দাঁত বের করে হাসিস না।
এখানে অনেক ইঞ্জিনিয়ার বসে আছে।
গর্দভেরা একটা মোটর ঠিক করতে পারে না।
১ম বর্ষের ইঞ্জিনিয়ার নতুন ভর্তি হয়েছে, ও ঠিক করে দেবে।
তুমি ঠিক করতে পারবে?
ঠিক করবে বলছে।
বাবা, এই জালিয়ানউল্লাহ ব্যাগটা এখানে রাখো।
আর আমার সাথে এসো।
এই লোকটা একজন কিডন্যাপার।
কিডন্যাপার তোর বাবা।
ওদের বোকা বানিয়েছি।
গতকালও কোনো পানি ছিল না।
এই হচ্ছে জিনিস। সুইচ অন করলে, এটা চলে না।
কয়েকদিন ধরে স্ফুলিঙ্গ বেরিয়ে আসত।
আর তার পোড়া গন্ধ বেরুতো।
এটা টিপু সুলতান আমলের জিনিষ।
কিছু পানি দিতে পারবেন?
পানি?
পানি নেই বলেই তো তোমাকে ডাকলাম।
এখন ঠিক আছে, বাবা?
এখন কাজ করবে, তাই না?
চালিয়ে দেখুন।
ওহ মাতা মেরি! এই মোটর যেন এখন বিস্ফোরিত হয়।
এটা তো চলছে। ভালো।
দোস্ত, ও তো ঠিক করে ফেলল।
ইঞ্জিনিয়ার যে তার কাজ জানে।
ছেলেটা ভালো।
এই, জোজো।
মরে যেতে পারবি?
ঠিক করে পড়ো, ঠিক আছে?
জোসেফ ভাই, ঠিক আছে। আব্দু, চা।
তোর গায়েও লেগেছে?
- হ্যাঁ, দাগগুলো দেখ। - হ্যাঁ, দাগ আছে।
এই গোবেচারাটা কে?
গোবেচারা না, গোবেচারা কুমার।
দেখেছ তোমরা? পানি পড়ছে।
- না, আমি দেখিনি। - জোসেফ।
তুই বললি না ওর থাকার কোনো জায়গা নেই?
- ও এখানে থাকুক। - হ্যাঁ।
এটা ভালো হবে।
কিন্তু এখানে ওর থাকার জায়গা কোথায়?
ওর জায়গা আমি করে দেবো।
তোরা শুধু ৩ জনই তো? ও সহ থাকুক সেখানে।
সাঈদ ভাই, সেটা সম্ভব না। আমি ৮ বছর ধরে এক সাথে আছি।
কেন সম্ভব না?
ভাড়া দিয়েছিস কতদিন হয়ে গিয়েছে?
ভাড়া?
সাঈদ ভাই, এই জিনিসটা কি আমাদের মধ্যে দরকার আছে?
দরকার আছে।
এজন্যই তো বললাম ও এখানে থাকুক।
ও ফ্লোরে মাদুর বিছিয়ে ঘুমোবে।
ঠিক আছে, তাহলে।
জোসেফ ভাই, আমাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে।
পাশের দোকান থেকে আমার জন্য এক প্যাকেট সিগারেট নিয়ে আয়।
- ২ টা এগ পাফ ও নিয়ে আসবে। - হ্যাঁ, এগ পাফ।
কি খুঁজছিস?
গিয়ে বলো আনন্দের জন্যে।
সাঈদ ভাই, মনে হচ্ছে গরীব পরিবার থেকে এসেছে।
টাকা-পয়সা নাও থাকতে পারে।
' The morning sun is speeding towards the east '
' We're living in a night life'
' Oh God, turn west '
' All the nonsense that we do '
No comments yet. Be the first to leave one.