MacGyver

MacGyver

Muat Turun Sari Kata Bengali

Musim 1

Maklumat siaran

MacGyver 01x01 Bengali Subtitle by Mohammad Yousuf
ম্যাকগাইভার ০১x০১ বাংলা সাবটাইটেল বাই মোহাম্মদ ইউসুফ
Ulasan oleh TAIBIISMAIL
সিজন ০১, এপিসোড ০১। মাতৃভাষায় উপভোগ করুন আইএমডিবিতে ৭.৭ রেটিং প্রাপ্ত আমাদের শৈশবের এক টুকরো ভালোবাসা "MacGyver"। গুগল ট্রান্সলেটেড সাব হতে সাবধান! আজেবাজে সাবটাইটেল দিয়ে মুভি/সিরিজ দেখে বাংলা সাবটাইটেলের বদনাম করবেন না। ভালো লাগলে ভালো রেটিং দেবেন। ডাউনল

Tag

other
Diterbitkan pada: 2019-10-30
Muat Turun: 73
Masalah Pendengaran: No

Pratonton sari kata Bengali

200 baris pertama.

অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ

বিষয়টা কিছুটা হাস্যকর জানেন?

কাজে গভীরভাবে যখন আপনি মগ্ন ঠিক সেই সময়টাতেই অদ্ভুত কিছু ভাবনা মাথায় আসা!

একটা ঘোড়ার কথা মনে পড়ে, উজ্জ্বল স্বর্নালি দেখতে।

বুড়ো ম্যাকগিনি ওকে নিলামে কিনেছিল, যা মনে হয়।

আমার বয়স তখন নয় কিংবা দশের বেশি হবে না।

কিন্তু, তখনই মনস্থির করে ফেলেছিলাম ঘোড়াটার পিঠে আমি চড়বোই।

অবশ্য বুড়ো ম্যাকগিনিকে আগে সেজন্য রাজী করাতে হতো।

উনার একটা কুকুর ছিল, নাম হ্যাক্টর!

হ্যাক্টরের মতো দুরন্ত কিংবা চঞ্চল কুকুর সেই সময় তেমন দেখিনি।

যখনই ঘোড়াটাকে দেখতে লুকিয়ে লুকিয়ে আস্তাবলে ঢুকতাম...

বুড়োর ইশারায় হ্যাক্টর তুমুল গতিতে আমার দিকে ছুটে আসতো!

হ্যাক্টরের কাজই ছিল ওটা।

আমার যতটুকু মনে পড়ে...

সেই ঘোড়াটা বোধহয় আস্তাবলের ভেতর থেকে আমাকে দেখতো...

এক বুক গর্ব নিয়ে অথবা রাগত চোখে।

পিছু হটতে যদি হতো, এটাই ছিল সেরা সময়।

কিন্তু, উপরওয়ালা আগেই নিশ্চয়ই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছিলেন।

আমাদের ভাগ্য একই সুতোয় সেদিন গাঁথা ছিল...

কারণ, দৌড়ানো বন্ধ করিনি আমি।

দূর থেকে দেখতে সেই ঘোড়াটাকে হয়তো দারুন লাগতে পারে।

কিন্তু, ওর পিঠে চড়াটা...

হ্যাঁ, এই কাজটা আসলেই বেশ কঠিন ছিল।

ওকে দেখতে যতটুকু মনে পড়ে আগের চেয়েও বিশাল মনে হচ্ছিল।

না, সেই ঘোড়াটার পিঠে চড়ার চেয়েও চড়ার সিদ্ধান্ত নেয়াটা ছিল দুঃসাহসিক।

কেউ যে বেঁচে থাকতে পারে সে সম্পর্কে তারা আমাকে কিছুই বলেনি।

মিসাইলটা, কোন তাঁবুতে?

সময়টা ভালোভাবে কাটাতে চাইলে একটু কাটাকুটি করতে পারো।

হেই, মনে করে ছুড়িটা ফেরত দিয়ে দিয়ো!

সবসময় শুনে এসেছি, ঘোড়ার চালকের উপর নয়, ঘোড়ার ওপর বাজী ধরা হয়।

কিন্তু, ঘোড়াটার পিঠে তখনও চেপে বসিনি আমি।

চালক ছাড়া আসলে ঘোড়ার তেমন মূল্য নেই।

ঘোড়ার পিঠে চড়াটা কিন্তু তেমন কঠিন নয়।

যদি তাড়াহুড়ো করে উঠার চেষ্টা করেন...

তাহলে, ভয় পেয়ে হয়তো ঘোড়াটা আপনাকে নিয়ে...

রকেটের গতিতে ছুটবে!

হয়ে গেছে!

ঘোড়াটার পিঠে বেশ চমৎকার ভাবেই বসেছেন!

এখন কী করবেন?

বদমাশগুলো এখানে দ্রুত চলে আসবে!

এখনই সময়!

ঈশ্বর, উঁচু জায়গা ঘৃণা করি আমি।

- কী করছ তুমি? - রকেটের সলতেতে আগুন জ্বালাচ্ছি!

আমাদের প্ল্যানটা কী?

পরে বলবো!

আরে, ম্যাক! এর আগে বড় ভাইদের সাথে থেকেছি আমি।

ওদের কেউই এরকম জায়গায় থাকেনি!

বেশ আরামদায়ক জায়গা। আমি এটাকে ঘর বলি।

তোমাকে বুঝলে বেশ স্বাভাবিক মানুষ বলে মনে করতাম।

মানে, এটা কোনো থাকার জায়গা হলো? অদ্ভুত!

তোর চেয়ে লম্বায় বড় অনেকেই এর আগে একই কথা বলেছে।

- আমার কাছে এটা ইন্টেরেস্টিং! - আচ্ছা, এটা ইন্টেরেস্টিং!

শুক্র গ্রহটা দেখতে পারি?

আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে দেখতে পারবি।

ততক্ষণে কিছু খেয়ে নিলে কেমন হয় বলতো?

আচ্ছা।

স্টেট ডিপার্ট্মেন্ট ভেহিকল জে১ ৭৬৫

কিভা লেভেল ওয়ানে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছি।

অনুমতি দেয়া হলো। লেভেল ওয়ানে প্রবেশ করুন।

মাফ করবেন, প্লিজ?

হ্যাঁ, বুঝতে পারছি বিষয়টা। হ্যাঁ, বেশ।

সেটাই ভালো হবে, ওকে।

ড. মার্লো, আমাদের ডিরেক্টর ড. বার্ক আসতে দেরি করায়...

ড. স্টুবান্স এবং স্যানড্রেক্স কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে...

কিভা ল্যাবরেটরিতে আসার জন্য আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।

- ধন্যবাদ আপনাকে। - ওহ, আমি বারবারা স্পেন্সার।

ওহ, হ্যাঁ!

উনার সহকারী। চিঠিতে আপনার নাম উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

ড. স্টুবান্স থার্ড লেভেলে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছেন।

আমার পিছু পিছু আসুন। লিফট এদিকে।

এই বৃত্তের মাঝে কিছুক্ষণ দাঁড়ালে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে কয়েক সেকেন্ড লাগবে।

যান, স্টেশন বি। স্ক্যানিং সম্পন্ন হয়েছে।

ঠিক আছে। লেভেল বিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

স্পেন্সার, বারবারা টি, জিএল৭৭৩, লেভেল থ্রিতে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছি।

নিরাপত্তার যে বহর দেখছি, কতক্ষণ লাগতে পারে?

কিছুটা সময় তো লাগবেই।

স্যানড্রেক্স কর্পোরেশনে কিভাতেই রয়েছে সবচেয়ে আপগ্রেডেড নিরাপত্তাব্যবস্থা।

একটা সুঁইও চোখ এড়িয়ে ঢুকতে পারে না কারণ সবকিছুই নজরদারীর আওতায় রয়েছে।

সিডনি, কী অবস্থা?

ভালোই আছি। দেখা হয়ে ভালো লাগলো, কার্ল।

উনাকে জায়গাটা ঘুরিয়ে দেখাবো?

না, সিদ্ধান্ত পালটেছি।

ওর সাথে মুখোমুখি কিছু সিরিয়াস কথাবার্তা বলবো।

যতদূর মনে পড়ে, তোমার সর্বশেষ চাল ছিল...

রাণীকে নিয়ে।

হ্যাঁ, ঠিকই বলেছ।

তুমি রাজাকে চেকম্যাট দিয়েছিলে।

আত্মহত্যার শামিল ছিল, কিন্তু তোমাকে থামাতে এটা করতেই হতো, কার্ল।

- তোমার পালা, কার্ল। - জানিরে ভাই!

আমি দুঃখিত, সিডনি।

অ্যাসিডের ক্ষরণ হচ্ছে, লেভেল থ্রিতে।

ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

অ্যাসিডের ক্ষরণ হচ্ছে, লেভেল থ্রিতে।

ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

আপনি আমার সাথে দেখা করতে ছুটে চলে আসেন শুধুমাত্র খারাপ খবর থাকলেই!

তোমার সাথে দেখা করার জন্যই ছুটে চলে এসেছি আর..

ভেতরে গিয়েই নাহয় খারাপ খবরটা বলি!

গ্যান্ট, গ্যান্ট।

ভণিতা না করে বলে ফেলুন।

বেশ।

ম্যাক্সিকোয় একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে।

একটা ল্যাবে সংখ্যায় অনেক গোপন রিসার্চ পেপার আছে।

হঠাত করে সেখানে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটেছে।

- পরিস্থিতি কতটা খারাপ? - বেশিরভাগ মানুষকেই নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে।

তবে, এখনও ২০ জনের মতো নিখোঁজ রয়েছে।

এদের মধ্যে মার্লো নামে একজন টপ ব্রিটিশ সায়েন্টিস্টও রয়েছে।

সে আমাদেরই একজন লোক, স্টুবান্সের সাথে দেখা করতে এসেছিল।

এই বছর তারা দুজনেই নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছে।

রাজ্য সরকার যেরকম প্রচারণা এই মুহূর্তে চাচ্ছে না।

তারা এখনো বেঁচে আছে?

বিস্ফোরণের ঘটনায় বেঁচে গেলেও এখনো তারা ল্যাবে আটকা পড়ে আছে।

মার্লো এবং স্টুবান্সকে উদ্ধারের সম্ভাবনা বলতে গেলে...

হুম, পরিস্থিতি তেমন ভালো নয়।

এই "ভালো নয়" অবস্থাটার মাত্রা বোঝাতে এক থেকে দশের মধ্যে কত রেটিং দেবেন?

মাইনাস থ্রি।

সেজন্যই তাদেরকে উদ্ধার কার্যে এখনও কাউকে নিয়োগ দেইনি।

তাই তোমার কাছে ছুটে আসলাম।

তাদের কাছে এটা ছাড়া আর কোনো অপশন আছে?

- তাহলে আমিই ঢুকছি? - হ্যাঁ।

দেখো ম্যাক, এই মিশনে তোমাকে যেতে আমি জোর করবো না।

ল্যাবে কল দিন, গ্যান্ট। ওদেরকে বলুন, আমরা রওনা দিয়ে দিয়েছি।

- অন্য মনিটরে দেখো তো। - আমি কোনো অজুহাত শুনতে চাই না!

- গ্যাসের চাপ স্থিতিশীল আছে। - সাহায্যকারী দল নিচে নেমেছে।

মনে হয়, আবারও খোঁজাখুঁজি শুরু করতে হবে।

ড. মার্লো, ড. স্টুবান্স, শুনতে পাচ্ছেন আমাদেরকে?

শুনতে পাচ্ছেন আমাদের কথা?

হ্যাঁ, অস্পষ্ট হলেও শুনতে পাচ্ছি।

মনে হয়, কার্লের আস্তে আস্তে চেতনা ফিরে আসছে...

তবে, একজন ডাক্তারের বেশ প্রয়োজন এখানে।

ড. মার্লো, হ্যালো?

আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন? হ্যালো?

- সরি স্যার, কানেকশন আবারও কেটে গেছে। - চেষ্টা করতে থাকো।

- কর্নেল কিয়েল! - গ্যান্টনার!

অ্যাটেনশন, প্লিজ।

প্রত্যেক সেক্টরে প্রবেশের জন্য অনুমতিপত্র লাগবে।

আপনার কাছাকাছি স্টেশনে যোগাযোগ করুন।

ওহ, এড! ইতোমধ্যেই কর্নেল কিয়েলের সাথে তাহলে কথা হয়েছে তোমার।

আমি বরং গোছগাছে মনোযোগ দেই। পরে আপনার সাথে কথা হবে।

- ঠিক আছে। - চার্লি বার্ক, উনি হচ্ছেন ম্যাকগাইভার।

- চার্লি এই ল্যাবের ডিরেক্টর। - আসার জন্য ধন্যবাদ।

- তাদের কী অবস্থা এখন? - আছে, মার্লোর অবস্থা ভাল।

স্টুবান্স কিছু সময়ের জন্য অচেতন থাকলেও একটু আগে তার জ্ঞান ফিরেছে।

তবে, বেশ কিছুক্ষণ ধরে তাদের সাথে কোনো প্রকার যোগাযোগ করতে পারছি না।

কীভাবে এসব ঘটলো জানতে পেরেছেন?

থার্ড লেভেলে একটা বিস্ফোরণের কারণে অ্যাসিড লিক হওয়া শুরু করে।

তাদের গবেষণাকার্যের সাথে এই দুর্ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে?

না, না। স্টুবান্স ওজোন স্তরে চুম্বকীয় তরঙ্গের চলাচল নিয়ে গবেষণা করছিল।

- বৃষ্টি ঘটানো? - হুম।

এটা যে একটা এক্সিডেন্ট আপনি নিশ্চিত?

কিভা ল্যাবরেটরির নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করলে এ ছাড়া আর অন্য কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

আচ্ছা, বুঝলাম। এ নিয়ে বিস্তারিত কারো সাথে কথা বলা যাবে?

অ্যান্ডি কোলসন অপারেশন্সের চিফ।

আচ্ছা, উনাকে নিয়ে আসুন। পরবর্তী ১০ ঘন্টায় অনেক কিছু ঘটে যেতে পারে।

কোলসনকে নিচে আসতে বলো।

বাইরে থেকে ড্রিল করে গর্ত করা শুরু করলেও থামিয়ে দিতে হয়েছে কাজটা।

- কেন? - সালফিউরিক অ্যাসিডের কারণে।

বিস্ফোরণে নিশ্চয়ই আমাদের অ্যাসিডের কোনো একটা ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে...

অ্যাসিড চুইয়ে চুইয়ে মাটিতে পড়ছে।

- অ্যাকুফিয়ারে কি পৌঁছে গেছে অ্যাসিড? - এটা কী?

অ্যাকুফিয়ার, ভূতলের পানির স্তর এটা।

সেক্ষেত্রে, এটা রিওর দিকে ধাবিত হচ্ছে।

যদি, অ্যাসিড নদীর পানির সাথে মেশে...

টেক্সাস আর মেক্সিকোয় মড়ক লেগে যাবে।

- এটা থামাতে হলে কী করতে হবে? - শোধন প্রক্রিয়া চালাতে হবে।

তবে সেটা করতে হলে...

পুরো কমপ্লেক্স সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড দিয়ে ভর্তি করতে হবে।

সেটা আবার কী?

মনে করুন, কংকাল থেকে রক্ত মাংস আলাদা করতে যে কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় সেরকম কিছু।

মজা করছ?

- এরকমই কিছু? - হ্যাঁ।

ট্যাংকারের একটা বহর ইতোমধ্যেই রওনা দিয়েছে এখানে।

তাহলে, আমাদের হাতে ১০ ঘন্টা সময়ও নেই।

না, অ্যাসিডের প্রবাহের মাত্রা হিসাব করলে...

আপনাদের হাতে ৫ ঘন্টারও কম সময় আছে।

খেলার মজা এভাবে কেড়ে নিচ্ছেন কেনো?

- ট্যাংকটা কোথায় দেখাতে পারবেন - ঠিক এখানেই।

থার্ড লেভেল, মাটির ৩০০ ফুট নিচে।

- আপনি কোলসন? - ঠিকই ধরেছ।

- তুমিই নিশ্চয়ই সেই স্ক্রু ঢিলা লোক? - অ্যান্ডি, বাদ দাও তো!

এখন আসলে প্রত্যেক লেভেলে গিয়ে চেক করার সময় নেই।

যদি আমার কোমরে দড়ি বেঁধে নিচে নামান, তাহলেই তল্লাশি চালাতে পারব।

প্রথম সমস্যাটা হচ্ছে, নামবো কীভাবে?

কোনো উপায় ভেবেছেন?

প্রথম লেভেলে নামার একমাত্র উপায় হচ্ছে...

লিফট, তবে সেটার আশা ছেড়ে দেওয়াই ভালো।

পুরো ফ্লোর লেজার দিয়ে রক্ষিত।

- ইনফ্রারেড নাকি গ্যাস? - গ্যাস।

CO2, ১০০০০ ওয়াট।

লিফটের বাইরে বিকল্প কিছু ভাবার প্রয়োজনই মনে করেননি!

- একটা সিগারেট দেয়া যাবে? - অবশ্যই।

- ধন্যবাদ আপনাকে। - পুরো প্যাকেটটাই নাও না?

- লাইটার লাগবে? - না, ধন্যবাদ। আমার কাছে ম্যাচ আছে।

এবার এখানে নামা যাক।

লিফটের খাত ধরে নিচে নামতে হবে, তাই না?

হ্যাঁ, হবে। শুরুতেই একটা চুল্লি আছে।

কাটা গায়ে নুনের ছিটা দিচ্ছি। এখানেও লেজারের হল্লা আছে।

মুসিবত তো থাকবেই। ভেতরে নিয়ে যাবেন আমাকে?

তুমি কিন্তু লেজার দেখতেও পারবে না।

- আপনি পারবেন? - হ্যাঁ, ভেতরে নিয়ে যেতে পারবো।

তবে, ওই পর্যন্ত পৌঁছাতে হলে তোমার ঐ ছোট্ট ব্যাগে আরো অনেক কিছু বহন করতে হবে।

Komen

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left