Our Planet

Our Planet

Download Bengali ondertitel

Seizoen 1

Release informatie

Our Planet 2019 S01E02 FROZEN WORLDS 1080p NF WEBRip DDP5 1 x264-NTb
Een commentaar door Sayeem Shams
সম্পূর্ণ সহজ ও সাবলীল বাংলা সাবটাইটেল। এটি আমার ২৭তম বাংলা সাবটাইটেল। 💣 Google drive: https://bit.ly/3bDsHwh 💣 টরেন্ট ডাউনলোড : https://bit.ly/2VcOeGp

Tags

webrip
web
x264
720p
720
BRip
1080
Web-DL
web-dl
WEB-DL
Gepubliceerd op: 2020-04-24
Downloads: 65
Slechthorend: No

Voorbeeld van Bengali ondertiteling

De eerste 150 regels.

মাত্র ৫০ বছর আগে...

...আমরা অবশেষে চাঁদে পা রেখেছিলাম।

প্রথমবারের মতো, সেখান থেকে আমাদের পৃথিবীকে দেখেছিলাম।

বর্তমানে পৃথিবীর জনসংখ্যা, তখনকার দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

এই সিরিজে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলোকে তুলে ধরা হবে...

...এবং জানাবে মানুষ ও প্রকৃতির জন্য আমাদেরকে কী কী রক্ষা করতে হবে।

আমাদের পৃথিবী ::: বাংলা সাবটাইটেল ::: সাঈম শামস্

মেরু অঞ্চলকে আমাদের নাগালের বাইরে বলে মনে হতে পারে...

...কিন্তু ওগুলো আমাদের প্রভাবের বাইরে নয়।

আমরা নিজেদের অজান্তে এই বরফ রাজ্য বদলে দিচ্ছি।

আর এই পরিবর্তন শুধু মেরু অঞ্চল নয়...

...পুরো পৃথিবীর ক্ষতি করছে।

::: পর্ব ২ ::: বরফ রাজ্য

অ্যান্টার্কটিকা।

পৃথিবীর একদম দক্ষিণ প্রান্ত এবং সবচেয়ে শীতল অঞ্চল।

৩০ মিলিয়ন বছর ধরে এটা বরফাচ্ছন্ন হয়ে আছে।

এটার কেন্দ্র ৪ কি.মি পুরু বরফে ঢাকা।

এর নিচে পুরো পাহাড়ের সারি রয়েছে।

এখানে এত ঠাণ্ডা যে প্রতি শীতে...

...১৯ মিলিয়ন স্কয়ার কি.মি সাগর বরফ হয়ে যায়।

আকারে বরফ ক্যাপের দ্বিগুণেরও বড়।

কিন্তু যখন বসন্তকালে সাগরের বরফ গলে...

...তখন এখানকার সৈকতে আবার প্রাণ ফিরে আসে।

উত্তর থেকে দক্ষিণ আমেরিকার দিকে যে উপদ্বীপ চলে গেলে...

...সবার আগে সেটা শীতের কবল থেকে মুক্তি পায়।

সাগরের বরফ ভাঙ্গতেই...

...প্রাণীরা ফিরে আসে।

অ্যান্টার্কটিকার অন্য জায়গার চেয়ে এখানে প্রাণীদের বৈচিত্র বেশি।

জেন্টু পেঙ্গুইন অধিকাংশ সময় সমুদ্রে থাকে।

কিন্তু এখন বসন্তে তারা বাচ্চা দিতে সৈকতে এসেছে।

তারা পানিতে সবচেয়ে দ্রুতগামী পেঙ্গুইন।

কিন্তু স্থলে তাদের গতি কম।

তাদের বাসায় যেতে খাঁড়ি বাইতে হয়...

...কিন্তু পেঙ্গুইনরা হাল ছাড়ে না।

হাজারো ছোট ছোট পা ফেলে তারা যে পথে এগোয়...

... তা অ্যান্টার্কটিকার বিরল স্থানে নিয়ে যায়।

বেয়ার রক।

অ্যান্টার্কটিকার ১% এর কম বরফ-মুক্ত...

...আর এই পাথুরে স্থান...

... পেঙ্গুইনদের ডিম পাড়ার একমাত্র উপযুক্ত জায়গা।

৩০ মিনিটের দীর্ঘ পরিশ্রম।

সে প্রায় ওপরে চলে এসেছে, যেখানে তার সঙ্গী অপেক্ষা করছে।

সে সঙ্গীকে একটি পাথর উপহার দেয়।

বাসা ও মন ভাল করার জন্য।

সময় মতো ফিরে এসেছে।

খাওয়ার জন্য নতুন মুখ যোগ হয়েছে।

জেন্টু পেঙ্গুইনদেরকে অ্যান্টার্কটিকার এই অংশে দেখাই যেত না।

কিন্তু এখন তাপমাত্রা বাড়ায় এখানে তাদের উপস্থিতি বাড়ছে।

সাগরের বরফ দেখতে সমতল ও প্রাণহীন মনে হতে পারে...

...কিন্তু এর নিচে অন্য এক জগত আছে।

বরফ গলতেই আলো ভেতরে যায়...

যে শ্যাওলা পুরো শীতকাল বরফে আটকে ছিল তা মুক্তি পায়।

এই নিচের দুনিয়া হলো...

... গ্রেট গ্রাসল্যান্ডের মেরু সংস্করণ।

এই বরফ হলো মাটি যেখানে প্রাণের গাছ বড় হয়...

...এবং শীঘ্রই খাদকরা চলে আসে।

অ্যান্টার্কটিক ক্রিল।

কয়েক ট্রিলিয়ন ক্রিল অ্যান্টার্কটিকের সাগরে সাঁতার কাটে।

তারা সূর্যের আলোতে শ্যাওলা খায়, আর ওপরের বরফ তাদেরকে রক্ষা করে।

কিন্তু এত সুখ বেশিদিন টেকে না।

বরফ গলে যেতেই ক্রিলরা নিরাপত্তা হারায়...

...এবং শিকারিরা হাজির হয়।

পেঙ্গুইনরা হয়তো তাদের ওড়ার ক্ষমতা হারিয়েছে...

কিন্তু তারা এখনো পাখির মতো ডানা ঝাঁপটাতে পারে।

বেশিক্ষণ পানির নিচে থাকলে...

...শ্বাস নিতেও বেশি সময় লাগে।

পালক ঝাঁপটে নিলে বেশি বাতাস আটকানো যায় ফলে ওদের শিকারে সুবিধা হয়।

শেষবার শ্বাস নিয়ে...

...পুরো দল একসাথে পানির নিচে ডুব দেয়।

জেন্টু পেঙ্গুইনরা ২০০ মিটারেরও বেশি গভীরে গিয়ে ক্রিল ধরে।

ওরা একবার ডুব দিয়ে যা পায়...

...তা আরেকজনের একবার মুখ খোলার সমান।

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় হাম্পব্যাক তিমি ৮ হাজার কি.মি সাঁতরে এখানে এসেছে।

এটা একাই খাচ্ছে।

এই কৌশল : একটু ঝাঁপ, একটু ছোঁ মারা...

...তখনই কাজ করে যখন ক্রিল ওপরের দিকে থাকে।

আরো তিমি এলে, তারা দলীয়ভাবে কাজ করতে শুরু করে।

একসাথে ঝাঁপ দেয়...

...একজনের মুখ ভরে গেলে বাকিটা আরেকজনের মুখে যায়।

কিছু তিমি নিয়মিত আরো সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে।

ক্রিল যখন গভীরে চলে যায় তখন তারা কাজে নামে।

জায়গামতো গিয়ে তারা নাক দিয়ে বাতাস ছাড়ে।

ওরা দলীয়ভাবে...

...শিকারের চারপাশে বুদবুদের পর্দা তৈরি করে।

বুদবুদের ক্ষেত্র কমালে ক্রিলরা কাছাকাছি চলে আসে।

আর তখনই তিমিরা ওপর দিকে ঝাঁপ দিয়ে নিজেদের মুখে ঢোকায়।

দক্ষিণের প্রায় সব হাম্পব্যাক তিমি...

...অ্যান্টার্কটিকের ক্রিল খেতে আসে।

বাণিজ্যিকভাবে তিমি শিকার বন্ধ হওয়ায় ওদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।

কিন্তু ওদের খাবার সংস্থান এখন হুমকির মুখে।

বিগত ৫০ বছরে...

...তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে বরফ গলে যাওয়ায়...

...দক্ষিণ সাগরের এই অংশে ক্রিলের সংখ্যা...

...অর্ধেকের নিচে নেমে গেছে।

অন্য সামুদ্রিক শিকারিরা এখানে ক্রিলের চেয়ে বড় শিকার ধরতে আসে।

অ্যান্টার্কটিকার সেরা শিকারি।

অর্কা, শিকারি তিমি।

পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশি অর্কা এই পোলার সমুদ্রে শিকার করে বেড়ায়।

এই দলটি বিশেষভাবে পেঙ্গুইন শিকারে দক্ষ।

ওরা চুপি চুপি এগোয়।

ওরা শব্দ করে না, যাতে ওদের শিকার আওয়াজ না পায়।

একটি পেঙ্গুইন একটি শিকারি তিমিকে ফাঁকি দিতে পারলেও...

...এক দল তিমিকে ফাঁকি দেওয়া কঠিন।

এটা দেখতে নিষ্ঠুর মনে হলেও...

...প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই শিকার অভিযান চলে আসছে।

শিকারি তিমি থেকে ক্রিল...

...সবার জীবন অ্যান্টার্কটিকার সাগরের বরফের ওপর নির্ভরশীল।

যে সমুদ্রগুলো অ্যান্টার্কটিকাকে ঘিরে রেখেছে সেগুলো পৃথিবীর সবচেয়ে বৈরী সমুদ্র।

এই গতিশীল পানি সাগরের গভীর থেকে পুষ্টি উপাদান নিয়ে আসে...

...এবং আলবাট্রসদের মতো পাখির জন্য মাছের ব্যবস্থা করে দেয়।

ঢেউয়ের নিচ দিয়ে জোয়ার অ্যান্টার্কটিকা থেকে দূরে যাচ্ছে...

...পৃথিবী জুড়ে পুষ্টি উপাদান ছড়িয়ে দিচ্ছে, সাগরকে উর্বর করছে...

...এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছে।

দক্ষিণ জর্জিয়ার দ্বীপ।

উত্তর থেকে অনেক দূরে...

...গভীর শীতেও এখানকার সাগরে বরফ জমে না...

...এবং এখানে বছর জুড়ে অনেক প্রাণী অবস্থান করে।

আলবাট্রসের বাচ্চাটি পুরো শীত এই বাসায় বসে আছে...

...এবং সে শুধুমাত্র বাবা-মায়ের এনে দেওয়া খাবারের ওপর নির্ভরশীল।

খাবার পেতে কয়েকদিন কিংবা কয়েক সপ্তাহও লেগে যায়।

তবে অপেক্ষার প্রহর শুধু সে একা গুনছে না।

আলবাট্রসের বাচ্চাদের বড় হতে পুরো ১ বছর লাগে।

তারপর তারা আকাশে ওড়ার জন্য প্রস্তুত হয়।

স্থলে ফেরার আগে তারা কয়েক বছর সাগরে কাটায়।

৩ মিটার ডানায় ভর দিয়ে নামতে অনুশীলন প্রয়োজন।

আলবাট্রসদের তো প্লেনের মতো ইঞ্জিন নেই।

বাচ্চাটি এই মায়ের প্রথম সন্তান।

মা ৬ মাস ধরে ওকে বড় করছে আরো ৬ মাস করতে হবে।

স্বাভাবিকের তুলনায় বাচ্চাটি আকারে ছোট...

...কারণ ওর বাবা খাবার নিয়ে আসতে পারেনি।

হয়তো সে অনেক পাখির মতো মাছ ধরার লাইনে আটকে মারা গেছে।

দক্ষিণ জর্জিয়া হলো পাখিদের বাচ্চা বড় করার আদর্শ স্থান।

কিন্তু এখন অনেক বাবা-মা আর ফিরে আসছে না।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে...

...ওদের জন্মের হার ৪০% কমে গেছে।

আপাতত বাসায় অপেক্ষারত বাচ্চাটি নিরাপদ।

এখানকার স্থলে কোনো শিকারি প্রাণী নেই।

কিন্তু দক্ষিণ জর্জিয়ার সাগরের দৃশ্যটা আলাদা।

এখানকার বরফ মুক্ত পানিতে বড় বড় শ্যাওলা জন্মে।

ওৎ পাতার জন্য উপযুক্ত জায়গা।

লেওপার্ড সিলরা অ্যান্টার্কটিকার বরফ সাগর থেকে বাঁচতে এখানে আসে।

এতদিনে ওদের দক্ষিণে ফিরে যাওয়ার কথা...

...কিন্তু এবছর ওরা এখনো রয়ে গেছে।

অবশ্য এর পেছনে উপযুক্ত কারণও আছে।

এখানে রাজ পেঙ্গুইন আছে।

একটা খেলেই পেট ভরবে...

...যদি ধরা যায়।

বাচ্চাদের কাছে ফিরতে...

...এই পেঙ্গুইনদের সামনে আর কোনো নেই।

ওরা সাধারণত এভাবে সাঁতার কাটে না।

Opmerkingen

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left