Prehistoric Planet

Prehistoric Planet

Download Bengali ondertitel

Release informatie

Prehistoric Planet (Episode 04) by Shanto Kumar Das
Prehistoric Planet (Episode 04) Bangla Subtitle
প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবী (পর্ব ০৪) বাই শান্ত কুমার দাস
প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবী (পর্ব ০৪) বাংলা সাবটাইটেল
Prehistoric Planet (Episode 04) BSUB
Een commentaar door Shanto_Kumar_Das
❄পর্ব ০৪ 🔰রানটাইমঃ ০০ঃ৪১ঃ১৬ 🌨️ মাতৃভাষায় উপভোগ করুন অ্যাপেল প্লাসে রিলিজপ্রাপ্ত এই চোখ ধাঁধানো ডকুমেন্টারি সিরিজটি।.......ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না............

Tags

other
Gepubliceerd op: 2022-06-04
Downloads: 64
Slechthorend: No

Voorbeeld van Bengali ondertiteling

De eerste 136 regels.

« অনুবাদ ও সম্পাদনায় » ۞ ⦿ শান্ত কুমার দাস ⦿ ۞

নিঃসন্দেহে, অস্তিত্ব ছিল এমন প্রাণির মধ্যে,

এবং নিশ্চিত রুপে অন্য প্রাণিদের মধ্যে এক অন্যতম প্রাণি হলো ডাইনোসর।

টিরানোসোরাস রেক্স।

এমন এক প্রাণি যা আমাদের কল্পনাকে চরম শিখরে পৌঁছে দেয়।

এটা কোন ধরনের প্রাণি ছিল?

এটা দেখতে কেমন ছিল? কীভাবে বাস করতো এটা?

এখন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এই সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে।

আর কেবলমাত্র টি-রেক্সের ব্যাপারেই নয়,

সাথে সাথে এর সাথে সহাবস্থান করা অন্য প্রজাতিগুলোর ব্যাপারেও।

আর সর্বশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে, আমরা তাদের সকলের জীবন চিত্রণ করতে পারি।

পৃথিবী গ্রহ, ৬৬ মিলিয়ন বৎসর পূর্বে....

আসমান ছেয়ে আছে উড়ন্ত দানবদের দ্বারা।

সমুদ্রের গভীরে পরিভ্রমণ করে বিশালাকার সরীসৃপ।

আর স্থলে, প্রতিটি প্রজাতির ডাইনোসর,

সংঘর্ষ করছে টিকে থাকার জন্য।

এখন আমরা সেই দুনিয়ার ব্যাপারে অনেক কিছু জানি যে দুনিয়ায় রাজত্ব করতো ডাইনোসররা।

এ হলো তাদের গল্পগাঁথা।

..:: P R E H I S T O R I C P L A N E T ::.. প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবী

🌨️হিমানীর জগৎ❄

পৃথিবীর সুদূর উত্তর ও দক্ষিণে...

জীবন তার কঠোরতম রূপ নেয়।

কিন্তু ডাইনোসররা সেই মেরু অঞ্চলে বসবাস করার জন্য মানিয়ে নিতে সফল হয়েছে।

আমেরিকার সুদূর উত্তরে, এই ছোট্ট শিকারী, একটা ড্রোমিয়াসোর,

টানা তিন মাস ঘোর অন্ধকারে টিকে থাকতে সফল হয়েছে।

আর এখন, অবশেষে, বসন্তের আগমন ঘটেছে।

তার শরীর পালকে আবৃত,

কারণ সে তার দেহে তাপ উৎপন্ন করতে সক্ষম,

এবং তাকে এই তাপ ধরে রাখতে হয়।

যা এই ঠান্ডা অঞ্চলের সমস্ত ডাইনোসরের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।

তুষারে ছেয়ে যাওয়া ভূমির উপর দৌড়াতে দৌড়াতে,

সে সেইসকল জায়গায় ঢুঁ মারে, যেখানে সে অতীতে খাবার খুঁজে পেয়েছিল।

এই বরফময় দুনিয়ায়, কোনো ছোট্ট সুযোগও উপেক্ষা করার মতো না।

আর প্রতিবারের মতো সফল হওয়ার জন্য,

সঠিক সময়ে আক্রমণ করা অনিবার্য।

যদিও পৃথিবীর ইতিহাসে এই সময়,

মেরু অঞ্চলসমুহে অপেক্ষাকৃত উষ্ণতা বিরাজমান,

কিন্তু তাও, এই ভূমিতে মরশুমে অনেক পরিবর্তন আসে।

যখন প্রায় তিন মাস পর সুর্য ওঠে,

প্রতিটি প্রাণীকে অবশ্যই দিনের আলো এবং...

পরবর্তী উষ্ণ দিনগুলির সুবিধা নিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

যদি তাদের কোনো বড় শিকার করতে হয়,

তাহলে এই ছোট্ট ড্রোমিয়াসোরদের একত্রে কাজ করতে হবে।

আর এই এসে গেল তাদের এই মরশুমের প্রথম সুযোগ।

হ্যাড্রোসরদের একটি পাল।

এই হংসচঞ্চুওয়ালা ডাইনোসররা প্রতি বছর এই অঞ্চলটি অতিক্রম করে।

এই যাযাবররা সন্ধানে আছে বসন্তের সাথে আগমন ঘটা সজীব উদ্ভিদের।

তারা বিশাল।

ড্রোমিয়াসোররা একমাত্র তখনই সফল হবে যখন তারা দল বেঁধে কাজ করবে।

সামনে একটি নদী, যা এই পালকে পার করতে হবে।

আর ড্রোমিয়াসোররা জানে যে, কয়েকজন এটা করতে গিয়ে মারা পড়বে।

যেই শীত কমতে শুরু করে, গলিত পানি প্রচন্ড জোরে প্রবাহিত হতে শুরু করে।

এই পালকে এই গভীর, দ্রুত প্রবাহমান পানিকে অতিক্রম করতে হবে পাঁয়ে হেঁটে।

দলনেতা পার হওয়ার জন্য সবচেয়ে সুরক্ষিত জায়গা সন্ধান করার চেষ্টা করে।

পাল সাবধানতার সাথে তাকে অনুসরণ করে।

ছোট শাবকেরা তাদের মা-বাবার কাছাকাছি থাকে।

এখানে একটি ভুল পদক্ষেপ তাদের জীবন কেড়ে নিতে পারে।

নিজেদের পালা পর্যন্ত অপেক্ষারত বয়স্করা, ভয়াতুর হতে শুরু করে।

আর এই সংকীর্ণ পথ ড্রোমিয়াসোরদের একটা সুযোগ করে দেয়।

তাদের লক্ষ্য হবে ঐ শাবকটা।

পালের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে শুরু করেছে।

যে অতিক্রমণ সুশৃঙ্খল হওয়া উচিত ছিল, তা বিশৃঙ্খলায় মোড় নেয়।

শাবক ও মা-বাবার মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে যায়।

সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছে।

পালের সদস্যরা পুনরায় সারিবদ্ধ হয়ে তাদের যাত্রা অব্যাহত রাখে।

ড্রোমিয়াসোররা তাদের সুযোগ হারিয়েছে বলে মনে হচ্ছে…

কিন্তু তাদের হয়ে কাজটা নদী করে দিয়েছে।

কিছু হতাহতের ঘটনা সর্বদাই ঘটে।

এটা একটা ভোজ। আর এই শিকারীরা পুরো শীতকালে যতটা না খেয়েছে, এটা তার থেকেও বেশি খাবার।

বরফের দুনিয়ায়, মৌসুমি সুযোগ খুব কম সময়ের জন্যই পাওয়া যায়।

বসন্ত অল্পসময়ের জন্য স্থায়ী হয়, আর গ্রীষ্ম জলদিই শেষ হয়ে যায়।

শীতের চ্যালেঞ্জগুলো পুনরায় ফিরে আসে, এর আগে অনেক কিছু করা বাকি আছে।

স্রোতবরাবর, নদী যখন চওড়া ও প্রবাহ ধীর হতে শুরু করে,

তারা তীর বরাবর পলি জমাতে শুরু করে,

এবং একটা দ্বীপপুঞ্জ উন্মোচিত হতে শুরু করে।

কিছু প্রাণী বসন্তের ক্রিয়াকলাপের জন্য..

জড়ো হতে শুরু করে দিয়েছে।

অবশেষে, বসন্ত সত্যিই এসে পড়লো।

কয়েক ডজন পুরুষ অর্নিথোমাইমাস...

বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

উটপাখির মতো দেখতে এই অদ্ভুত ডাইনোসররা গর্ত খননের জন্য...

এই নিরাপদ দ্বীপগুলি বেছে নেয়, যা বাসা বাঁধার প্রথম পর্যায়।

যখন নারীরা আসে,

তারা সেরা বাসা তৈরি করা পুরুষদের সঙ্গম করতে বেছে নেবে।

যারা দেরিতে আসে তারা পর্যাপ্ত জায়গা খুঁজে পায় না।

শুধু দ্বীপের কিনারায় জায়গা অবশিষ্ট আছে।

বাসা বাঁধার জায়গা খুঁজে পাওয়া মাত্র শুরু।

যখন ডিমগুলি শেষ পর্যন্ত পাড়া হয়,

তখন সেগুলোকে উদ্ভিদের বিছানায় উষ্ণ রাখতে হবে।

পর্যাপ্ত বাসা বাঁধার উপাদান খুঁজে পাওয়া সহজ নয়...

তাই কিছু অর্নিথোমাইমাস চুরিতে লিপ্ত হয়।

দেরিতে পৌঁছানোর একটি সুবিধা হল...

প্রতিবেশীরা ইতিমধ্যেই ক্লান্তিকর কাজ করে ফেলেছে।

নিরাপত্তাহীন নীড় শক্তিশালী প্রলোভনের উৎস।

এই ধরনের বসতিতে, চুরির ঘটনা এতটাই সাধারণ যে...

বাসা তৈরির কিছু উপাদান হয়তো কোনো না কোনো সময়ে...

দ্বীপের প্রায় প্রতিটি বাসার অংশ ছিল।

কিন্তু চুরি করা ঝুঁকিপূর্ণ।

সে হাতেনাতে ধরা পড়ে গেল।

একজোড়া হ্যাড্রোসর পাশ দিয়ে যাচ্ছে।

তারা পাতাভর্তি ডাল খাবে।

তাই, আপনাকে আপনার সম্পদ রক্ষা করতে সক্ষম হতে হবে।

নিখুঁত বাসা তৈরিতে দক্ষ হতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

তবে সাফল্য কেবল অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে না।

একটি জনাকীর্ণ বসতিতে, সবসময় একজন না একজন সম্ভাব্য ভিক্টিম থাকবেই।

অর্নিথোমাইমাসের জন্য, এই নদীসৃষ্ট দ্বীপগুলি...

ডিম এবং ডিম ফুটে বের হওয়া ছানাদের আশ্রয় দেবে।

আরও উত্তরে, তাপমাত্রা অতি নিম্ন এবং পরিস্থিতি আরো বিপদসংকুল।

তবুও এই বিশালাকার ঝুঁটিওয়ালা হ্যাড্রোসররা...

একটি নির্দিষ্ট জায়গার সুবিধা নিতে সেখানে যাচ্ছে।

এমন একটি জায়গা যেখানে তারা বিশেষ কিছু খুঁজে পাবে।

এই ডাইনোসরদের লম্বা ঘাড় খুব সুন্দর এবং..

এর থেকেই তাদের নামকরণ করা হয়েছে।

ওলোরোটাইটান, "দৈত্য রাজহাঁস।"

তাদের ডাক তাদের মাথার ফাঁপা ঝুঁটি দ্বারা উচ্চতর করা হয়।

তারা বিশ্বের বৃহত্তম আগ্নেয় ক্ষেত্রগুলির একটির দিকে এগিয়ে চলেছে।

এটি একটি বিপজ্জনক এবং প্রতিকূল জায়গা।

কিন্তু ওলোরোটাইটানরা বছরের পর বছর এখানে ফিরে আসে,

কারণ আগ্নেয়গিরি মাটিকে উষ্ণ রাখে।

তাই তারা এখানে বাসা বানায়।

গরম আগ্নেয়গিরির বালি তাদের ডিমগুলিকে ফোটানোর জন্য ইনকিউবেটরের কাজ করে।

পাল আসার কয়েক সপ্তাহ পর, ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়।

হ্যাড্রোসররা সাবধানে তাদের বাচ্চাদের দেখাশোনা করে।

তাদেরকে খাওয়ানোর জন্য মুখ ভরে গাছপালা নিয়ে আসে।

প্রতিটি নীড়ে ২০টি পর্যন্ত শাবক থাকতে পারে।

শাবকেরা অল্প সময়ের মধ্যে তবে প্রচন্ড গ্রীষ্মে জন্মেছে।

সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে অস্ত না যাওয়া সুর্য থেকে পাওয়া শক্তি গ্রহণ করে,

এখানকার হর্সটেইলগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পায় যা...

যা পুরো পালের ক্ষুধা মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত।

এই গাছগুলিতে বেশিরভাগ সবুজ ঘাসের চেয়ে বেশি পুষ্টি থাকে।

এবং গ্রীষ্মের দীর্ঘ দিনগুলিতে, হ্যাড্রোসর শাবকগুলি দ্রুত বেড়ে ওঠে।

তারা তাদের প্রথম বছরে প্রাপ্তবয়স্কদের অর্ধেক আকারে পৌঁছাতে পারে।

এই মুহূর্তে, এই আগ্নেয়গিরির জলাভূমিগুলি...

এই গ্রহের সবচেয়ে উৎপাদনশীল স্থান।

পানির উপরিভাগে…

এবং তলদেশে উভয় স্থানেই।

More Bengali subtitles for Prehistoric Planet

Opmerkingen

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left