De eerste 200 regels.
- বাংলা সাবটাইটেল পরিবেশনায় - °•.•°.•° Team FEAR HUNTER °•.°•.•°
- অনুবাদকগণ - মৃদুল সরকার এইচ জি হিমেল অল মুভি লাভার রহস্যময় পরিব্রাজক ইয়াচ্ছের ইউলাদ সীমান্ত মোঃ আলাউদ্দিন রাসেল
- সম্পাদনায় - ইয়াচ্ছের ইউলাদ সীমান্ত রহস্যময় পরিব্রাজক
লক্ষ্মী ছেলে!
অও!
আস্তে! আস্তে!
ফ্রাঙ্ক, এরকম করে না।
- ২-৪ টাকা থাকলে দাও, বাবা! - মাফ করবেন, চাচা...
আমার কাছে টাকা নেই।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
স্যরি, ব্রো!
দেখে চলো, ভাই।
বৈশ্বিক উষ্ণতা বন্ধ করতে চাও?
দুঃখিত ম্যাম, আমি ইংরেজী পারি না।
- ওকে! - অত্যন্ত দুঃখিত।
বন্ধ কর!
সে আবার এসেছে?
- বের হ। - আমি আর গাড়িতে ঘুমাতে পারব না।
- গন্ধে আমার দম বন্ধ হয়ে যায়! - যা ব্যাটা!
আমি শুধু জাইঙ্গাটা পরিষ্কার করব।
এই রুমে আমারও হক আছে।
কি?
রায়ান, দোস্ত। ওহ ঈশ্বর!
জলদি এখানে আয়! পুরো মাথানষ্ট অবস্থা।
ওরে খোদা! তুই বিশ্বাসই করতে পারবি না।
আরে গাধা, কি বলছিস কিছুই বুঝতে পারছি না।
তাড়াতাড়ি আয়, ব্যাটা।
কোথায়?
- দোস্ত! দোস্ত! - কি?
- এক্ষুনি ভিতরে চল। - হুহ!
- ভাল কিছু যেন হয়। - ভাল কিছুই।
আয়, আয়!
- ওয়াহ! - বলেছিলাম না?
পয়েন্ট ৭ মিলিনিউটন শক্তি।
ঈশ্বর। এটা, মানে, প্রচুর।
- কখন হয়েছে? - গতকাল রাত ১২টা ১মিনিটে।
আরে, এটা তো মাথানষ্ট ব্যাপার।
হ্যাঁ, কিন্তু, রায়ান, আমাদের কোন ধারণা নেই যন্ত্রটা কিভাবে চালু হলো।
যেহেতু ল্যাব বন্ধ ছিল।
মনে হচ্ছে এটা নিজে নিজেই চালু হয়ে গিয়েছিল।
হয়েছে, অনেক সহ্য করেছি।
ধুর, বাল!
ওই! তোরা কোথায় যাচ্ছিস?
- ক্যাফেটেরিয়াতে আজকে চুরো ডে। - নম, নম! (চুরো ডে - আমেরিকায় পালিত দিবস। এদিন কিভাবে চুরো বানাতে হয় তা বাসায় অনুশীলন করা হয়)
ডীন ব্রনসন, হাই।
টাইটা অনেক সুন্দর! ওগুলো কি বিড়াল?
টার্কিশ এ্যাঙ্গোরা। কথা ঘুরাবেনা। (Turkish Angora - Ankara'র একধরনের বিড়াল। এমনিতে Angora মানে ছাগল বিশেষ।)
- কি কথা? - ওটা!
এই নিয়ে টানা চারবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে,
ইলেক্ট্রিক সার্কিট জ্বলে গেছে,
আর পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে ভাঙ্গা বাল্বের ছড়াছড়ি।
আর এসব হয়েছে তোমার এই ফালতু সায়েন্স প্রজেক্টের জন্য।
- এটা আমার থিসিস প্রজেক্ট। - এটা একটা বাজে ধরনের ব্যর্থ প্রজেক্ট।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ,
সেসব অগ্রগামী চিন্তাধারার প্রসারে কাজ করায়...
...স্বনামধন্য, যেগুলো কিনা ফলপ্রসূ।
যেগুলো কিনা প্যাটেন্ট আনতে সক্ষম।
এসব কিভাবে চলে তোমার ধারণা আছে?
তাহলে সবকিছু শুধু টাকার জন্যই?
হ্যাঁ, মি. প্যান!
আমি তোমার স্বপ্নভঙ্গ করতে চাই না...
কিন্তু কাউকে না কাউকে তো এখানকার আশার আলো জ্বালিয়ে রাখতে হবে...
তোমার এই নাছোড়বান্দাগিরি থামানোর মাধ্যমে, নিশ্চিতভাবেই।
সোজা কথায়! অবিলম্বে এই হাস্যকর প্রজেক্ট বাতিল করা হলো।
- কি? - ঠিকই শুনেছ।
আমি ইতোমধ্যে প্রফেসর বৌনারকে জানিয়েছি।
এটা বোনার হবে।
আর তিনি আমার অনুরোধে সম্মতি জানিয়েছেন।
আমি তোমার এই বিদ্যুৎ অপচয়কারী ফালতু জিনিসটা...
...নিয়ে যাওয়ার জন্য সন্ধ্যা ৬টার দিকে লোক পাঠাব।
আপনি এটা নিয়ে যেতে পারেন না।
দেখই না! কোন কাজ বাকি থাকলে,
শেষ করে নিতে পারো, বুঝলে?
হ্যালো?
কিরে বাল?
হেই, বোকচোদারা!
তোরা এখানে লুকোচুরি খেলছিস, আর ওইদিকে আমাদের প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে গেছে।
আশা করি তোরা খুশি?
কি সমস্যা তোর?
- চোরের মত আমার পিছনে কি করছিলি? - আমি তোর জন্য একটা...
এটা এখন ব্যাকটেরিয়ার ভোগে গেল,
আমার দুই ডলার জলে গেল।
কেমন অকৃতজ্ঞ!
লক্ষ্মী ছেলে!
ফ্রাংক, না।
ও মারে!
আরে মিয়াঁ, কি সমস্যা তোমার?
মাফ করবেন, চাচা! আমি...
দুঃখিত!
হারামজাদা!
স্যরি, ব্রো!
বন্ধ কর!
বের হ!
রায়ান!
ভাইরে, আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
হ্যাঁ, সেটাই!
না, ভাই! আমি সত্যি বলছি।
আমার সাথে ওই জিনিসটা হচ্ছে।
কি বলে এটাকে? যখন কারো মনে হয় যে, সে আগেই এই সময়ের মধ্য দিয়ে গেছে?
- ডেজা ভু? - হ্যাঁ, সেটাই।
আমার মনে হচ্ছে, আমি ইতোমধ্যেই আজকের দিনটা পার করে এসেছি।
জলদি এখানে আয়!
ও ঈশ্বর, পুরো মাথানষ্ট অবস্থা!
আমি তোকে পরে কল করছি।
আচ্ছা, শান্ত হও।
শান্ত হও!
আমার কথা শোনো।
তোমার মৃত্যুর সাথেই দিনটি আবার শুরু হয়, তাই না?
হ্যাঁ! বেবী মাস্ক পরা একটা সাইকো আমার উপর হামলা করে।
কিন্তু এটা শুধু একটা স্বপ্ন, তাই না?
- টম্ব মারা গেছে! - লরিও মারা গেছে!
তাহলে এবার খুনী কে?
এই যে, কেউ কি আমাকে বলবে যে এখানে ঠিক কি হচ্ছে?
ঠিক আছে, অতীতে যাওয়া যাক।
আমি একই দিনের মধ্যে আটকা পড়ে যাই...
যেটা ছিল ১৮ তারিখ, সোমবার। একবার, তারপর আবার এবং তারপর আবার।
যতক্ষণ পর্যন্ত না বেফিল্ড বেবী মাস্ক পরা কেউ একজন এসে আমার জন্মদিনের রাতে আমাকে খুন করে।
খুনী সম্পর্কে আমার কোন ধারণাই ছিল না...
কারণ আমি ছিলাম একটা পাগলা কুত্তি,
যে কারনে আমার শত্রুর অভাব ছিলনা।
তাই, কার্টারের পরামর্শে, আমি সন্দেহভাজনদের একটা তালিকা বানাই।
আর ফলাফল বেরোয় সে ছিল আমার রুমমেট লরি,
সে হাসপাতাল থেকে একটা সিরিয়াল কিলারকে পালাতে সাহায্য করেছিল...
ভেবেছিল সবাই ভাববে সেই আমাকে খুন করে,
কিন্তু না, সবসময় এটা লরিই ছিল।
আর এসবের মূলে ছিল, কলেজের প্রফেসর গ্রেগরির সাথে আমার প্রেম...
যা লরী সহ্য করতে পারত না আর গ্রেগরি ছিল বিবাহিত।
হ্যাঁ, জানি! ব্যাপারটা লজ্জাজনক।
কিন্তু, যাইহোক...
অবশেষে আমি লরির পাছায় লাথি মেরে জানালা দিয়ে ফেলে খুন করি,
যাতে সেই লুপটা ভেঙ্গে যায়, অন্তত আমি তাই ভাবছিলাম।
কিন্তু এখন মনে হচ্ছে লুপটা তোমার কাছে চলে গেছে।
আর যতক্ষণ না আমরা এটা বন্ধ করার উপায় খুঁজে পাচ্ছি...
ততক্ষণ তুমি এই দিনটাতে আটকে থাকবে।
অবশ্যই!
আমি এখনও স্বপ্ন দেখছি।
মানে?
ইনসেপশন মুভির মতো।
স্বপ্নের মধ্যে স্বপ্ন।
তুই স্বপ্ন দেখছিস না।
- রায়ান, আমরা... - চুপ!
আমি নিজেকে জাগানোর চেষ্টা করছি।
এইতো, দেখেছিস? তুই স্বপ্ন দেখছিস না।
আমার ধোনে থাপ্পড় মারলি কেন?
এত কাহিনি করছিস কেন?
তুই আমার ধোনে থাপ্পড় মেরেছিস, শালারপুত।
- হালকা ধরেছি শুধু। - ঠিক আছে!
কোথায় মরেছিলে, সেখানে চলো।
ওখানে, আলমারিটাতে।
ওটা আমাকে দাও।
আমি সামলে নিতে পারব।
তুমি অনেকবার মারা গেছ।
হুম!
- একদম মাথায় মারবি। - চুপ!
- সামার, বলদচোদা। - তুই আমাকে মারলি কেন?
তুই চোরের মত আমার পিছনে দাঁড়িয়েছিলি কেন?
মনে হয়, আমার মুখের হাঁড় ভেঙ্গে গেছে।
কি হচ্ছে এখানে?
রায়ান আমার মুখের হাঁড় ভেঙ্গে দিয়েছে।
- ও মেরেছিল তোমাকে? - না।
আমি মারা যাওয়ার সময় ও এখানেই ছিল।
কী?
মাস্কটা কোথায় পেয়েছ?
গলির মধ্যে পড়ে ছিল।
কেউ ফেলে গেছে হয়তো।
হয়েছে! যথেষ্ট সহ্য করেছি!
দাঁড়া! তোরা কোথায় যাচ্ছিস?
- ক্যাফেটেরিয়াতে আজ চুরো ডে। - নম, নম!
এই নিয়ে টানা চারবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে...
ইলেক্ট্রিক সার্কিট জ্বলে গেছে আর ক্যাম্পাসে ভাঙ্গা বাল্বের ছড়াছড়ি।
আর এসব হয়েছে তোমার এই ফালতু সায়েন্স প্রজেক্টের জন্য।
এক সেকেন্ড...
কিসের সায়েন্স প্রজেক্ট?
দি সিসিপাস কোয়ান্টাম কুলিং রিয়েক্টর।
আমরা এটাকে সংক্ষেপে সিসি বলি।
এগুলো দেখছ?
এগুলো প্রোটন লেজার।
যখন এগুলো জ্বলে উঠে, তখন কেন্দ্রীয় অংশের তাপমাত্রা...
এক ন্যানো-কেলভিনের নিচে নেমে আসে।
মূলত আমরা প্রমাণ করার চেষ্টা করছি যে,
আনবিক অবস্থায় সময়কে মন্থর করা যায়।
যদিও এটা এখনও কাজ করেনি কিন্তু যন্ত্রটি নিজে থেকে চালু হওয়ার পর...
আমরা কিছু আশাপ্রদ ডাটা পেয়েছি।
কখন?
গতকাল রাত ১২টা ১মিনিটে।
১৮ তারিখ, সোমবার।
হুম!
কী?
তুমিই টাইম লুপটা তৈরি করেছ, বলদ।
এটা অসম্ভব।
সিসি এটার জন্য বানানো হয় নি।
তোমাকে কি বলব বুঝতে পারছি না।
বেশ, মনে হচ্ছে আমরা শুধু এটার সত্যিকার কার্যক্ষমতা আবিষ্কার করছি।
একটা অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া ফলে।
আমরা ভেবেছিলাম, আমরা সময়কে মন্থর করছি...
কিন্তু কি হবে, যদি তার বদলে গতি বাড়িয়ে দিয়ে থাকি?
এখন তুমি এই দিনটাতে আটকে পড়েছ।
অভিনন্দন!
যাইহোক, এখন তুমি শুধু মরতে থাকবে আর মরতেই থাকবে।
কার্টার, তোর গার্লফ্রেন্ডকে বল আমাকে ভয় না দেখানোর জন্য।
No comments yet. Be the first to leave one.