Pierwsze 200 wierszy.
অনুবাদকঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
THE CLOSET
চার সপ্তাহ হয়ে গেল, তোমাকে একটা বুয়া খুঁজতে বলছি।
কিন্তু যদি "দেখছি" বলতে থাকো... তাহলে কী করব আমি?
না, কতবার বলেছি... টাকা বেশিও যদি লাগে, কোনো সমস্যা নেই।
আমার চাকরির কারণে একটু জলদি দরকার।
দয়াকরে এবারে একটা খুঁজে দাও।
ইনা, আমাদের নতুন বাসা...
অনেক শান্ত, আর আবহাওয়াটাও সুন্দর।
ডাক্তার বলেছে এখানটায় থাকা তোমার জন্য ভালো হবে।
একবার উঠে পড়লে, ধীরে ধীরে ভালো লাগতে শুরু করবে।
সোনা।
ঐ পুতুলটা,
লিমিটেড এডিশনের।
আমি খুব কষ্টে পেয়েছি।
আব্বুকে ধন্যবাদ জানানো উচিত তোমার।
ইনা!
ইওন ইনা!
ইনা!
সোনা!
এভাবে না বলে আসতে পারো না, তোমাকে কত খোঁজাখুঁজি করেছি।
ইনা, এটাই আমাদের নতুন বাসা।
পছন্দ হয়েছে?
তোমার আরও আগে আসা উচিত ছিল।
ইনাকে পুরষ্কার নিতে দেখা মিস করে গেছ।
আমার নতুন প্রজেক্টের ব্যাপারে তো জানোই।
হাতে মোটেও সময় নেই।
ওকে জন্মদিনে কী দিয়েছিলে সেটা মনে আছে?
এই নেকলেসটা দিয়েছিলে।
নেকলেসটা তুমি দিয়েছ বলার পর থেকে ও এটা রোজ গলায় দেয়।
সোনা!
কয়েকদিন বিশ্রাম নিলেই প্যানিক অ্যাটাক ঠিক হয়ে যাবে না।
এর জন্য নিয়মিত যত্ন দরকার।
নাহলে আবারও এরকম হবে।
এলার্ম লাগিয়ে নিয়মিত ওষুধ খাও।
আমি নিজের খেয়াল রাখতে পারব, কিন্তু ইনার কোনো উন্নতি হচ্ছে না।
ওর পরিস্থিতি কি ভালো না?
ও তো আমার চোখের দিকেও তাকায় না।
পরিষ্কার আবহাওয়ায় ও ঠিক হয়ে যাবে। "আর্কিটেক্ট অব দ্য ইয়ার"
তুমি জায়গা বদলেছ একটা কারণে।
খুবই বিরক্ত লাগছে, কিন্তু যতটা পারি করছি।
শেষ রিসর্টটা আর্ট ক্যাম্প হবে যেমনটা আমি বলেছিলাম,
কিন্তু তোমরা দুইজন আলাদা হয়ে পড়বে, তাই সেটার পরামর্শ দিব না।
তোমারও চিকিৎসা চলছে, যার জন্য আমার চিন্তা হচ্ছে।
আমি ইনাকে নিয়ে বেশি চিন্তিত।
বাবা, দেখো আমি দৌড়াব!
আচ্ছা, আমার ছোট্ট সোনা, একদম ফাটিয়ে দাও!
হ্যাঁ, শোনো।
কনসেপ্ট থেকে শুরু করে ফিনিশিং পর্যন্ত সব আমার সামলানোর কথা ছিল না?
কিন্তু তুমি তো এখানে ছিলেই না।
আসবো না তো আর বলিনি!
আমার বাচ্চাটার জন্য এমন হচ্ছে!
শোনো, তুমি একতরফাভাবে চুক্তি বাতিল করছ।
ভুল বলেছি কি?
আচ্ছা, সামনা-সামনি কথা বলা যাক, আমি সাইটে আসবো।
হ্যাপি বার্থডে টু ইউ!
ডিয়ার ইনা,
হ্যাপি বার্থডে টু ইউ!
মোমবাতিগুলো নিভিয়ে ফেলো,
নাকি আমি নিভিয়ে ফেলব।
না!
- তো কী চাইলে? - বলা যাবে না!
- আমাকেও বলবে না? - না!
ইনা!
কী হয়েছে, সোনা?
চিৎকার করছিলে?
কই না তো।
সব ঠিক আছে?
হ্যাঁ।
একটু ভেতরে আসা যাবে?
হ্যাঁ।
অদ্ভুত তো।
তুমি সত্যিই চিৎকার করোনি?
না।
পুতুলটা কোত্থেকে পেলে?
এটার মধ্যে ছিল।
- তাই? - হ্যাঁ।
দেখি।
যে পুতুলটা কিনে দিয়েছিলাম মনে আছে?
সেটার সাথে খেললে বোধহয় বেশি মজা পাবে।
আব্বু, পুতুলটাও কি রাখতে পারি?
এটার সাথে অন্য কেউ খেলেছে, খুব নোংরা হয়ে আছে।
আমাকে দাও, আমি বাইরে ফেলে দিব।
আমি দুইটা পুতুলের সাথেই খেলতে চাই।
তুমি সত্যিই ঠিক আছ?
হ্যাঁ।
ঠিক আছে।
জলদি ঘুমিয়ে পোড়ো।
আচ্ছা।
খাবারের জন্য ধন্যবাদ।
আব্বু, আমার ঘরে গিয়ে খেলতে পারি?
অবশ্যই।
বাসাটা আমার পছন্দ হয়েছে।
একটা বন্ধুও বানিয়েছি।
দারুণ, ইনা, ধন্যবাদ।
এর মধ্যে হিউন-সাং ঢুকলো কী করে?
ডিজাইন শেয়ার করলে, পুরো কনসেপ্ট তালগোল পাকিয়ে যাবে।
ও গ্যালারির ব্যাপারে কী জানে?
ও তো কখনো দুতলা কেবিনও বানায়নি।
যখন তুমি ছিলে না, তখন ও জেজুতে একটা গ্যালারি বানিয়েছিল।
ও খুব ভালো কাজ করছে, যেমনটা তুমি তোমার সেরা সময়ে করেছ।
সত্যি বলতে,
সবাই ব্যস ওকে চাচ্ছিল, কিন্তু আমি তোমাকে সঙ্গে রাখতে বলেছি।
কি একটা অবস্থা...
বস বলেছে,
একজন আর্কিটেক্ট সাইটে না থেকে কীভাবে ডিজাইন করতে পারে।
আমাদের তো এমনটাই কথা হয়েছিল!
একটা বুয়া খুঁজে পেলেই এসে পড়ব!
সেটার একমাস হয়ে গেছে।
আমাদের হাতে সময় নেই।
ও এখানে কী করছে?
হ্যাঁ, অদ্ভুত তো।
হিউন-সাং এখানে কী করছে? পায়চারি করতে বের হয়েছে নাকি?
তো সব ঠিক হয়েই গেছে।
নারে, ভাই।
আমি পরে আসছি, ওকে ভাগাও এখান থেকে।
কী?
এই সাইটে আমি রিপোর্ট করব!
থামো এবার!
এমন কোরো না!
দাঁড়াও।
ইনা, কী করছিলে?
তোমার জন্য একটা গান বানাচ্ছিলাম।
শুনবে?
ইনা।
তোমার সাথে একটু কথা ছিল।
টংয়্যেওংয়ে একটা জাদুঘর ডিজাইন করছি বলেছিলাম, মনে আছে?
সেই কাজটা শুরু হতে যাচ্ছে,
তাই আমাকে সাইটে কিছুদিন কাজ করতে হবে।
এখানে তোমার সাথে একজন বুয়া থাকবে।
কতদিনের জন্য?
২ মাস মতো?
কিন্তু প্রতি সপ্তাহে তোমার সাথে দেখা করতে আসব।
তোমার সাথে যেতে পারি?
সত্যিই তোমাকে আমার সাথে নিয়ে যেতে চাই,
কিন্তু জায়গাটা একটা কন্সট্রাকশন সাইট, তাই তোমার জন্য ভালো হবে না।
যদি আমার পরিস্থিতি বোঝো, আমার সাহায্য করো,
আমি তোমাকে গিফট কিনে দিব।
ঠিক করেই ফেলেছ যখন...
তাহলে জিজ্ঞেস করছ কেন?
সোনা।
আমার ইচ্ছেমতো ঠিক করিনি,
আমাদের দুজনের জন্যই একটা উপায় খুঁজার চেষ্টা করেছি।
কিন্তু সবসময় এমন মুখ করলে,
আমি কীভাবে কী করব?
আমার জায়গায় দাঁড়িয়ে একটু বোঝার চেষ্টা করবে কি?
আর আমি ভেবে দেখব তুমি কী চাও।
ইনা, আমরা পরে কথা বলব।
ইনা, অনেক রাত হয়েছে, এবার ঘুমিয়ে পড়ো!
"কাল থেকে আসবে কি আসবে না সিদ্ধান্ত নাও।"
আর্ট ক্যাম্প ট্রিটমেন্টটা কেমন?
ওরা আইসোলেশন ট্রিটমেন্ট দিয়ে শুরু করবে।
আমাকে ছাড়া, ও ঠিক থাকবে তো?
মা'টাও বেঁচে নেই।
সহজ হবে না, কিন্তু কী আর করবে?
তোমার উপর চাপ পড়ে যাচ্ছে।
ওরা ব্যস কয়েকটা বাচ্চা নিবে, তাই তোমাকে কিছু ডোনেট করতে হবে।
ভেবে দেখো।
কোথায় যাচ্ছ?
ইনা, আমি একটু সাইটে যাচ্ছি।
জলদি ফিরে আসব।
পরে কথা বলবে বলেছিলে।
বুঝতে পারছ না কী কিনে দিবে?
ইনা।
রাতে কথা বলা যাবে।
আর নিউইয়র্কের সেই পুতুলটা আমি অর্ডার দিয়েছি।
শীঘ্রই এসে পড়বে।
জানো আমার বয়স কত? ওসব আলতু ফালতু পুতুলের প্রয়োজন নেই আমার।
ইনা।
তুমিই বলেছিলে ঐ পুতুলটা তোমার পছন্দ।
নিজের বাবার সাথে এভাবে কথা বলছ কেন?
আমার পছন্দ অপছন্দের সিদ্ধান্ত তুমি কেন নাও?
তাহলে বলো তোমার কী পছন্দ!
কিছুই লাগবে না আমার।
- নিজেকে আবার 'বাবা' বলে... - কী?
- ইনা। - ছাড়ো!
ছাড়ো! ছাড়ো!
ছাড়ো!
ছাড়ো! ছাড়ো!
ছাড়ো! ছাড়ো!
আপনি কি বুয়ার জন্য বলেছিলেন?
হ্যাঁ, হ্যালো, আমি ব্যস বেরই হচ্ছিলাম।
দিনে ১৫০ ডলার।
ঠিক আছে।
ডু-হ্যুন, আর্ট ক্যাম্পের জন্য ডোনেশনের কথা বলেছিলে,
কতটুকু হলে যথেষ্ট হবে?
পয়সাকড়ি ভালোই আছে।
বাচ্চা নিজের ঘরে, যা খুশি করছে।
বউ নেই।
কে জানে, পালিয়েছে হয়তো।
বাসায় অনেক দামী দামী জিনিস আছে।
সব আমার পছন্দের।
এই।
ইনি পার্ক সাহেব।
- দারুণ কাজ। - দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
- ইনি কিম সাহেব। - দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
দেখা হয়ে ভালো লাগলো, স্যার।
- আমরা ভেতরে গিয়ে কথা বলতে পারি? - অবশ্যই।
নিজের ঘরে চেঁচাচ্ছে আর জিনিসপত্র ভাঙছে।
যা-ই বানিয়ে দিই না কেন, সে কিছুই খায় না।
No comments yet. Be the first to leave one.