Pierwsze 200 wierszy.
Batman vs Superman: Dawn of Justice বাংলা অনুবাদেঃ সাবটাইটেল হাট
একটা সময় ছিল...
অনেক দিন আগের কথা...
জীবন ছিল নিপুণ, নিখুঁত...
হীরকের মত স্বচ্ছ...
কিন্তু সময় পালটে যায়...
এই নশ্বর পৃথিবীতে...
যা হারিয়ে যায়...
- ...তাকে আর ফেরানো যায় না - মাস্টার ওয়েইন। ব্রুস!
ব্রুস, ঠিক আছে!
ব্রুস, শোনো!
অনুবাদকঃ সাদমান, মশিউর, ইয়াকিন, ইশরাক, রাফাত, সাজ্জাদুর, তূর্য, ইউসুফ সম্পাদকঃ তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান, মিনহাজুল ইসলাম শাওন, মশিউর শুভ, রাফাত শামস
মার্থা
আমার স্বপ্নে, তারা আমায় আলোর পথ দেখিয়েছে...
...একটি চমৎকার মিথ্যে!
- জ্যাক। - ব্রুস।
জ্যাক, মন দিয়ে শোনো
তুমি সবাইকে নিয়ে এক্ষুনি বিল্ডিং ত্যাগ করো
বুঝতে পেরেছ?
চল, সবাই বিল্ডিং থেকে পালাও....
যাও যাও, সবাই বের হও। বস আদেশ করেছে, তার কথামত চলো
তাই জলদি করো সবাই।
জ্যাক! জ্যাক!
''দুঃখিত, এই মুহূর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা''
''দয়া করে কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন।''
হায় খোদা!
আকাশ এবং ভূমির সৃষ্টিকর্তা, মহান অধিপতি....
...দয়া করো...
জ্যাক!!!
সবাই হাত ধরে থাকো।
এভাবে আসো সবাই।
শক্ত করে ধরে হাত ধরে রাখো।
- যাও.. - মিঃ ওয়েইন! মিঃ ওয়েইন!
আমার পা অনুভব করতে পারছি না।
- আমার পা অনুভব করতে পারছি না! - এদিকে আসুন, সাহায্য লাগবে।
আমায় সাহায্য করুন। আমার পা অনুভব করতে পারছি না।
সব ঠিক হয়ে যাবে। চিন্তা করোনা!
ওয়ালেস, সবাই তোমাকে কি নামে ডাকে? ওয়ালি?
আপনি সত্যিকারের বস, বস্!
ধীরে ধীরে তুলুন...
এই তো!
আল্লাহ! পা নাড়াতে পারছিনা!
তুমি ঠিক আছো মা মনি? ঠিক আছো তো?
তুমি ভয় পাচ্ছ? আমরা তোমার মাকে খুঁজে বের করবো
কোথায় তোমার মা?
লাল বায়ু দুর্ভাগ্যের প্রতীক।
রক্তাভ আকাশ!
ওই তো উনি...
মিস লেইন...
মিস লেইন... জিমি ওলসেন, ফটোগ্রাফার, নিশ্চয়ই
হীরন কোথায়?
আহ...বর্ডার পার হতে একটু ঝামেলা হয়েছে।
তো...আপনি এটা বাগালেন কিভাবে?
মানে, আমাজাঘ এর আগে কখনই ইন্টার্ভিউয়ে যায় নি।
তুমি জানো, আমাদের একসাথে কাজ পড়লে হীরন কী বলে?
টু শব্দও করেনা!
এজন্য ওর সাথে কাজ করে মজা।
চল এবার...
পাসপোর্ট...ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস... মোবাইল, ক্যামেরা।
তোমাদের লোক বলেছিল জেনারেল ছবি তোলার অনুমতি দিয়েছেন।
আপনি কি জঙ্গি, জেনারেল?
ওরা বলে নি আমার সাক্ষাতকার একজন মহিলা নিবে।
মহিলা আমার পরিচয় না, আমি একজন সাংবাদিক।
আমি এমন একজন মানুষ, যার কাছে তার নিজের লোকদের প্রতি ভালোবাসা ছাড়া অন্য কিছুই নেই!
এত নিরাপত্তা রক্ষীদের খরচ দেয় কে, জেনারেল?
রাতে আমাদের মাথার ওপর উড়ে যাওয়া ড্রোনের খরচ চালায় কে?
এক প্রশ্ন করতে গিয়ে আরেকটি বেরিয়ে আসে!
জি?
তো আপনি বলছিলেন...
এটা শুধুই একটা ক্যামেরা।
আমেরিকা তার নতুন শুনানিতে ঘোষণা করেছে,
আপনার দেশের গৃহযুদ্ধ নিয়ে তৈরি নিয়ম-কানুন রাজনীতিতে তারা নিষ্ক্রিয় থাকবে।
উহ, ওটা খুলবেন না...
না খুলেই ফেলেছেন...
এই ধরনের আমেরিকান গালগল্প এর আগেও শুনেছি!
ওটা আমার ক্যামেরার ফিল্ম
ক্ষমতাশীল মানুষেরা নিয়ম-কানুনের থোড়াই কেয়ার করে, মিস লেইন!
কেউই ব্যতিক্রম না
কেউই... নিরপেক্ষ নই!
সিআইএ
তারা আমদের পিছু নিচ্ছে ...
- তুমি সিআইএ? - কী? না..
তুমি তাকে এখানে নিয়ে এসেছ!
না, সে একজন ফটোগ্রাফার।
না!
উনি আমাদের কেউ নন।
আমরা শুধু তাঁর পরিচয়কে কভার হিসেবে ব্যবহার করেছি।
উনি কিচ্ছু জানেন না।
ভয় পেয়ো না, লোয়িস!
এসবের সমাধান আছে, জেনারেল।
আমি একটি প্রস্তাব নিয়ে এসেছি।
গুপ্তচর নিহত, স্যার!
পাইথন, আমাদের লোক হারিয়েছি। পুনরায় বলছি, আমাদের লোক হারিয়েছি।
কম্পাউন্ডে এখনও একজন বেসামরিক লোক আছে... আমরা ওনাকে বের করে আনব।
নেগেটিভ... আর পি দেয়া হল এঙ্গেজ করার ওপর।
তৈরি হয়ে কাজে লেগে পড়ো...
ব্লাস্ট জোনে অনেক সাধারণ মানুষ আছে...
ড্রোন নিক্ষেপ বাতিল করুন!
এটা একটা আদেশ।
- পাইথন? - চলো
আমি...
আমি জানতাম না।
অজ্ঞতা আর নিষ্পাপ হওয়া এক জিনিস না, মিস লেন।
ওঠো!
দাঁড়াও!
দ্রুত করো, সে আসছে।
২ মিনিটে আঘাত হানবে
পাইথনকে পেরিয়ে যাচ্ছে এখন
বেরোও!
- টার্গেট লকড - চালনা করার জন্য প্রস্তুত
নিশানা তাক, রেঞ্জের ভেতর...
তিন
দুই
এক
ড্রোন আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে...
কী দিয়ে?
আর এক পা আগালে, খুলি উড়িয়ে দিবো।
গ্রামের মহিলারা আচমকা একটা শব্দ শুনতে পেলো...
আকাশ ফেটে যেন শব্দ আসছে!
সে নেমে আসলো... তারপর চারদিকে আগুন জ্বলতে শুরু করলো!
তারপরে আরও বাজে ব্যাপার ঘটলো...
সরকারি বাহিনী আঘাত হানলো!
গ্রামের মানুষদের প্রতি কোন দয়াই দেখালো না।
আমার বাবা মা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলো...
পৃথিবী এতই বুঁদ হয়ে আছে সুপারম্যানের কীর্তি নিয়ে,
যে... কেউ প্রশ্ন করে না তার কী করা উচিত!
রেকর্ডটি জানিয়ে দিক... এই কমিটি মনে করে সে এই ঘটনার জন্য দায়ী।
সে কখনও তোমায় উত্তর দিবে না...
সে কারো কাছে জবাবদিহি করে না...
মনে হয়, ঈশ্বরের কাছেও না!
৫৮ বনাম শূন্য
মেট্রোপলিস আবারও উড়িয়ে দিল গোথামকে কেবল মাত্র কট্টর সমর্থকরাই গ্যালারিতে আছে...
ডিউটি ক্যাব ২৭, ১৯৩৯ হারবারওয়ের একটা খালি বাসা থেকে চিৎকারের শব্দ পাওয়া গেছে
মেট্রোপলিস : 58 গোথাম সিটি : 0
ডিউটি ক্যাব ২৭, সাড়া দাও। - শুধু হাঁটুতেই।
ডিউটি ক্যাব ২৭।
জিক বেকার অরক্ষিত! বেকার টাচডাউন ক্যাচ করল।
ডিউটি ক্যাব ২৭, শুনতে পাচ্ছ?
১০-৪, খেলা এগিয়ে যাচ্ছে
এবং লড়াই শুরু হয়ে গেছে
গোথাম শহর, বুঝতেই পারছেন। তারা তাদের ফুটবল টিম নিয়ে কী বলছে
কুৎসিত কিছু ঘটতে পারে এই শহরে আজ রাতে..
যাও।
এটা আমাদের বাঁচিয়েছে
একটি অপদেবতা।
ঠিক হয়ে যাবে।
সব ঠিক হয়ে যাবে। আমরা সাহায্য করতে এসেছি।
- আমরা সাহায্য করতে এসেছি। - ওটা আমাদের বাঁচিয়েছে
আমরা তোমাদের মুক্ত করতে এসেছি।
ঠিক আছে?
সে এখনো আছে!
ঠিক বুঝলাম না!
আমি জানি না কে সে!
আহ!
হায় রে..
আমি তাকে দেখেছি...
তাকে আগে দেখি নি কখনও.... আমি জানতাম না...
আমার চেহারাই উড়িয়ে দিতে আরেকটু হলে!
এরপর থেকে ভাল মানুষদের গুলি করো না..
খাইছে রে
ওকে চিহ্নিত করা হয়েছে!
- হেই - হেই
আমি রান্না করতে যাচ্ছিলাম। তোমাকে চমকে দিতে।
যা হয়েছে তার প্রেক্ষিতে শুনানি করেছে তারা।
- তারা বলছিলো... - আমার কিছু আসে যায় না।
তারা কি বলছে আমি তার পরোয়া করি না...
আমার ভালোবাসার মানুষটি বোমা কিংবা গুলিতে মরতে বসেছিল
- ভাবো, কী হতে পারত - আচ্ছা, ভাবো কী হয়েছে।
আমি মানুষগুলোকে হত্যা করি নি, তারা যাই ভাবুক না কেন।
তুমি তাই বলছো?
আমি বুঝতে চাই, কী হয়েছে
আমি বলছি, আমার জীবন বাঁচাবার জন্য ধন্যবাদ।
আমি বলছি, যা হয়েছে, তার জন্য মূল্য দিতে হবে।
বুঝতে পারছি না, এটা কি সম্ভব?
কী সম্ভব?
আমাকে ভালোবেসে তোমার তুমি হয়ে থাকাটা।
ক্লার্ক।
ক্লার্ক, তুমি পুরো বাড়ি ভাসিয়ে ফেলবে
উম্মম-উম্মম
এখনো কাজ করছ?
বুড়ো বয়সে ধীর হয়ে যাচ্ছ, আলফ্রেড।
সবাইকে বুড়ো হতে হয়, মাস্টার ওয়েইন।
এমনই আপনিও জোয়ান বয়সে মরার তুলনায় বয়স্ক হয়ে গিয়েছেন
চেষ্টার কোনো ত্রুটি যদিও রাখেন নি
১-২-৩-মাইক টেস্টিং! ১-২-৩-মাইক টেস্টিং!
মাইক্রোফোন একদম ঠিক আছে।
বর্মের এই নতুন স্তরটি ঝামেলা পাকাচ্ছে...
তারের সংযোগ নতুন করে সাজাতে হবে।
তো... গত রাতে কাজের কিছু পেলেন?
নাহ...ব্যাটার গণ্ডি অল্প, তেমন কিছুই জানে না।
এই লোকের কিছু জানা থাকতে পারে।
আনাতোলি নায়াযেভ, রাশিয়ান।
সারা দুনিয়া জুড়েই কাজ নেয়, কিন্তু তার মূল আস্তানা গোথামে।
অস্ত্র ও মানব পাচার...
তো, "শ্বেত পর্তুগিজ" একজন রুশ, এটাই তাহলে থিওরি... .
না!
থিওরি হচ্ছে, এই রাশিয়ান আমাকে মূল হোতার কাছে পৌঁছে দিবে।
যদি আসলেই 'মূল হোতা' বলে কেউ থেকে থাকে।
এটাও জানা নেই, তার অস্তিত্ব আসলেই আছে কী না! হতে পারে সে একটা ভুত!
যে ভুত গোথামে বোমা নিয়ে আসে?
No comments yet. Be the first to leave one.