Pierwsze 200 wierszy.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - ফিহাদ আর-রহমান জ্যোতির্ময় সজ্জন অনন্য দেবনাথ
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - আল মাকসুদ রফিকুল রনি
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - তানভীর রহমান নকিব সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
- সাবটাইটেল সম্পাদনায় - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
তাং রাজবংশের সম্রাট তাইজংকে "রণদেবতা" বলা হত।
তিনি গোগুর্যেও রাজ্য আক্রমণে দুই লক্ষ সৈন্যকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
তাইজংয়ের সৈন্যের তোপে সীমান্তের অনেক দূর্গই...
নিমেষেই ভেঙ্গে পড়েছিল।
মাউন্ট জুপিল ময়দানে গোগুর্যেও সেনানায়ক ইয়ন...
দেড় লাখ যোদ্ধা পাঠান তাইজংয়ের মোকাবেলায়।
এটা ছিল গোগুর্যেওর ভাগ্য-নির্ধারণী যুদ্ধ!
ক্যাডেট বাহিনী! পিছিয়ে পড়ো না!
"মাউন্ট জুপিল ময়দান"
তীরন্দাজ বাহিনী!
ছোঁড়ো!
ঢাল সাজাও!
গোগুর্যেও অশ্বারোহী বাহিনীর দম আছে দেখছি!
কী বলেছিলাম?
দেবতারা আমাদের পক্ষে!
সম্রাট, এমন চলতে থাকলে তো আমাদের সৈন্যবাহিনী সমূলে নিপাত যাবে।
না, ওরা ঠিকই টিকে থাকবে।
আটকাও ওদের!
আটকাও!
রক্তের বন্যা বইয়ে দাও!
আক্রমণ!
শত্রুর দল...
পেছন থেকে আসছে!
ফাঁদে পড়ে গেছি।
ওরা পেছনে লুকিয়ে ছিল।
এখনই সময়!
সবদিক থেকে হামলা চালাও!
গুঁড়িয়ে দে...
বিক্ষিপ্ত হয়ো না!
দলের মাঝেই থাকো সবাই।
তুই ঠিক আছিস?
পিছু না হটলে আমাদের সব সৈন্যের প্রাণ যাবে!
শেষ পর্যন্ত ভবিষ্যদ্বাণীই সত্যি হলো!
সামুল!
আমাদের পিছু হটার নির্দেশ এসেছে, সবার এবার ফেরার পালা।
সামুল!
না!
কিচ্ছু হবে না তোর, ঠিক হয়ে যাবি...
আমাদের দেড় লাখ সৈন্যের বেশিরভাগই প্রাণ হারিয়েছে।
বেঁচে আছে দশ হাজারেরও কম।
আরেকটু সহ্য কর, আরেকটু...
সেনানায়ক ইয়ন...
ঘাড় থেকে ওকে নামাও।
সমস্যা নেই, আমি নিয়ে যেতে পারব।
ও আর বেঁচে নেই।
কে এই সুন্দরী?
আমাদের পাকড়াও করা গোগুর্যেও দূত।
সে নাকি জ্যোতিষচর্চায় ওস্তাদ!
ছুঁবেন না!
ওগুলো গোগুর্যেওর পবিত্র সম্পদ।
গোগুর্যেও রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা যুমং ব্যবহার করত এগুলো।
বিজয়ের চিহ্নস্বরূপ যুদ্ধে নিয়ে এসেছিল মেয়েটা।
তীরের ফলা কাঁচের তৈরি...
লোহার চেয়ে হালকা, তাই উড়বে ভালোই।
মহারাজ, শুনেছি এই ধনুক একমাত্র যুমংই চালাতে পারত।
গোগুর্যেওর রাজধানী আক্রমণে আর কোনো বাঁধা?
শুধু আনসি দূর্গ বাকি, সম্রাট।
আনসি দূর্গ?
সেটা দখল করতে বোধহয় রক্তপাতের প্রয়োজন হবে না।
কেন?
শুনেছি ইয়ং নাকি আনসির সেনাপতিকে কুচোখে দেখে।
গোগুর্যেওর রাজাকে মারার পর ইয়ন যখন...
সব সেনাপতির সাথে সভা ডাকে, আনসির সেনাপতি তাতে সাড়া দেয়নি।
সে ইয়নকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখানোর সাহস করেছিল?
গোগুর্যেওর একজন সিপাহির থেকে শুনেছি...
এই মেয়ের নাকি সেই সেনাপতির সাথে বিশেষ সম্পর্ক আছে।
কেমন সম্পর্ক?
দূত হওয়ার আগে মেয়েটার ওই সেনাপতির সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছিল।
তাই নাকি?
এ তো সুলক্ষণ!
আর কে ঠেকায় আমাদের!
চলো এবার আনসি দূর্গের দিকে!
সম্রাটের জয় হোক!
ইয়াং মানচুনের সাথে কখনও দেখা হয়েছিল তোমার?
আমাদের দুজনেরই বাড়ি আনসিতে...
কিন্তু আমার ছোটবেলায় উনি যুদ্ধে থাকতেন সবসময়...
উনি যুদ্ধ থেকে যখন ফিরেছিলেন...
আমি তখন রাজধানীতে চলে গিয়েছিলাম, কখনও দেখা হয়নি তাই।
তবুও...
তার গুণকীর্তন নিশ্চই শুনেছ?
একসময় দিগ্বিজয়ী বিখ্যাত যোদ্ধা হিসেবে নাম ছিল তার।
কিন্তু এখন তো একজন বিশ্বাসঘাতক ছাড়া আর কিছুই না।
আমার লক্ষ সৈন্যের রক্তে আজ ভেসে গেল এই ময়দান...
আর ওদিকে ইয়াং নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে!
আমাকে অবমাননা করেও তার মন ভরেনি...
এতবড় যুদ্ধ থেকেও পালিয়ে বসে আছে।
তোমার কী মত?
এই বিশ্বাসঘাতকতা ক্ষমার অযোগ্য।
এজন্যই তোমাকে এখানে ডেকেছি।
আনসি তোমার জন্মভূমি জেনেও...
তোমাকে ক্যাডেট ইউনিটের প্রধান বানিয়েছি।
কারণ তুমি বিশ্বস্ত, মোটেও ইয়াং মানচুনের মতো না।
নিশ্চই, সেনানায়ক।
সামুল, তোমাকে আনসি যেতে হবে।
মানে...
তুমি ওখানে গিয়ে ইয়াং মানচুনকে হত্যা করবে।
কিন্তু তাং সেনারা তো আনসিতেই যাচ্ছে...
আনসি দূর্গ গুঁড়িয়ে ফেলা তাং সেনাদের কাছে ডালভাত!
এর চেয়ে কত বড় বড় দূর্গ ওরা ধূলোয় লুটিয়েছে!
গোগুর্যেওর সাথে আনসির কোনো সম্পর্ক থাকবে না।
কিন্তু আনসির সাধারণ মানুষ...
ওরা যতদিন ইয়াংয়ের রাজত্ব মেনে চলবে, ততদিন ওরাও বিশ্বাসঘাতক।
আমরা এবার রাজধানীতে যাব।
জীবিত সেনাদের এক করে নিয়ে তাংদের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধের প্রস্তুতি নিব।
প্রতারকটাকে মেরে তুমি রাজধানীতে চলে এসো।
পারবে তো?
নিজের মাথার দিব্যি দিতে পারি!
আপনার নির্দেশ আমি পালন করবই।
কে তোমরা?
তরবারি নামান, আমরা গোগুর্যেও সেনা।
আপনি তাহলে আনসি যাচ্ছেন?
আমরাও যেতে চাই।
তাং সেনারাও ওদিকেই যাচ্ছে।
যুদ্ধ না জিতে বাড়ি ফিরে গেলে সবাই আমাদের কাপুরুষ বলবে।
আমরা আবার লড়ব, দয়া করে নিয়ে চলুন।
আস্তে, আস্তে....
আস্তে।
ওইতো আনসি দূর্গ।
এবার পাহাড়ি রাস্তা পাড়ি দিতে হবে।
- জোরে টান... - টানছি তো।
এইযে শুনছেন?
একটু এদিকে আসুন।
একটু সাহায্য করুন।
ও খোদা!
আয় রে ভাই...
জোরে টান...
আর কত জোরে টানব?!
দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে?
অবশেষে উঠল!
ধন্যবাদ।
আপনারা আনসিতে থাকেন?
সেনাপতির সাথে আমাদের কিছু কথা আছে।
আমাদেরকে ওনার কাছে নিয়ে যাবেন?
তার প্রয়োজন নেই।
আমিই সেনাপতি।
আমি ইয়াং মানচুন।
এতটা অবাক কেন হলে?
সেনাপতি তোমাদের সামনে দাঁড়িয়ে বলে...
নাকি গোয়েন্দাগিরি করতে এসে ধরা পড়েছ বলে?
গুপ্তচর?
ওদের ঘোড়াগুলো পরীক্ষা করো।
গড়বড় নিশ্চই আছে।
যুদ্ধের সময় আমাদের যোদ্ধারা জরুরি সময়ের খাবার হিসেবে...
ঘোড়ার জিনের নিচে সিমের বিচি জমিয়ে রাখে।
কিন্তু এগুলো একদম ফাঁকা।
আমি তাইজং ছিনতাইকারী গুপ্তচরবৃত্তির কথা শুনেছিলাম যারা আমাদের ভাষা বলতে পারে।
এরা সেরকমই হবে।
মর শালা!
ছু! একজনকে তো জীবিত রাখতে...
ধুর বাদ দাও।
একজনকে জীবিত পেয়েছি।
আমি কোনো গুপ্তচর নই!
আমি ইউলবুল বংশের বড় ছেলে।
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে যুদ্ধে যোগদান করি আর শত্রুরা আমার পিছু নেয়।
ইউলবুল বংশ?
ঐ বংশ তো কিছুদিন আগেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল না?
না, এখনো অনেক লোক আছে যারা আমার পরিবারকে চেনে।
ও তাং গুপ্তচর না হলেও অন্যকিছু তো হবেই।
মেরে ফেলব নাকি?
জনাব?
ওকে জীবিত নিয়ে চলো।
জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে।
পরে কিছু হলে কিন্তু আমার দোষ নেই।
ও এখনো বাচ্চা।
বাচ্চার বয়স তো অনেক...
সেনাপতি ইয়াং এসেছেন! দরজা খোলো!
সেনাপতি, আমার ভাই ঘোড়ায় চড়া শিখে গেছে।
এত জলদি?
তুমি খুব তাড়াতাড়িই আমাদের অশ্বারোহী বাহিনীতে যোগদান করবে।
সত্যি? আমি যোগ দিতে পারব?
এভাবেই চালিয়ে যাও,
আমি ক্যাপ্টেনের সাথে কথা বলে তোমাকে একটা পদ দিয়ে দেবো।
মা!
মা!
তুমি সবসময় এদিক-ওদিক চলে যাও কেন?
তোমাকে সবজায়গায় খুঁজেছি...
ভ্রমনের সময় উনাকে পেয়ে গেলাম, তিনি নিরাপদ ও সুস্থই ছিলেন।
অনেক ধন্যবাদ, সেনাপতি। চলো।
ওকে বেঁধে রাখো।
আমি নিজে ওকে জিজ্ঞাসাবাদ করব।
হ্যাঁ, জনাব! চল রে।
সেনাপতি সেনাপতি!
বাজারে আপনাকে খুব দরকার।
কী হয়েছে?
দুই সহকারী...
আবার শুরু করেছে?
অনেক হয়েছে এখন!
ভেঙে ফেল ওটা!
তোরা তো অনেক দুর্বল রে!
গাধার দল!
বেজন্মাটার মাথা তো পাথরের তৈরি!
মোটেও ব্যথা পাইনি রে, শুয়োর!
এদিকে আয় শালা!
শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে?
তারা মোটেও আমার কথা শোনার অবস্থায় নেই।
No comments yet. Be the first to leave one.