Pierwsze 200 wierszy.
Subtitle Translated By M
Subtitle Translated By Ma
Subtitle Translated By Mam
Subtitle Translated By Mamu
Subtitle Translated By Mamun
Subtitle Translated By Mamun A
Subtitle Translated By Mamun Ab
Subtitle Translated By Mamun Abd
Subtitle Translated By Mamun Abdu
Subtitle Translated By Mamun Abdul
Subtitle Translated By Mamun Abdull
Subtitle Translated By Mamun Abdulla
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
মাঝে মাঝে আমি ঘুম ভেঙ্গে নিজেকে কাঁদতে দেখি।
যে স্বপ্নটা আমি দেখেছি তা আর মনে পড়ে না।
- কিন্তু... - কিন্তু...
আমি টের পাই একটা কিছু হারিয়েছি
ঘুম থেকে জাগার পর দীর্ঘক্ষণ আমি গড়িমসি করি।
আমার সবসময় মনে হতে থাকে কাউকে অথবা কোন কিছুকে আমি যেন খুঁজে চলেছি।
এই অনুভূতিটা আমাকে আচ্ছন্ন করে আছে সেদিন থেকে...
যেদিন আকাশ থেকে তারা খসে পড়েছিল।
- দেখে মনে হচ্ছিল... - যেন কোন স্বপ্নের দৃশ্য।
কোন অপূর্ব দৃশ্যের তুলনায় কোন অংশে কমও না, বেশিও না।
তাকি। তাকি।
আমায় চিনতে পারছ না?
আমার নাম... মিতসুহা!
মিতসুহা, কী করছ?
উম, একেবারে আসল লাগছে...
কী? মিতসুহা?
এখনও ঘুম ভাঙেনি? নাস্তা কবে করবে? জলদি ওঠো!
কী? কী?
- গত রাতের বাসি খাবার খাবে? - ওটা তুমিই খাও।
- শুভ সকাল। - শুভ সকাল।
মিতসুহা, দেরী করে ফেলেছে!
আমি কাল নাস্তা বানাব।
বেশি নিয়ে নিলাম নাকি?
তাই তো।
- আজকে তোমায় স্বাভাবিক লাগছে। - কাল তুমি পাগলামি করেছিলে।
পাগলামি করছিলাম মানে?
শুভ সকাল সবাইকে।
এই ঘোষণাটি দেওয়া হচ্ছে ইতোমরি টাউন হল থেকে।
মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী মাসের ২০ তারিখ, নির্বাচন কমিশন...
"ধূমকেতুটি প্রতি হাজার বছরে একবার পুরো মাস জুড়ে পৃথিবীর কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করে।
ধূমকেতুটি খালি চোখে কয়েক দিন দেখা যাবে।
- ওর সাথে ব্যবস্থা করে ফেল। - এটা বড়দের ব্যাপার।
...হাজার বছরে একবার হওয়া এই মহাজাগতিক শো দেখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
ধূমকেতুটি সবচেয়ে কাছে চলে আসবে ৪ অক্টোবর।
আমরা যাচ্ছি!
মন দিয়ে পড়বে!
মিতসুহা।
- মর্নিং, সায়াকা, টিসি। - মর্নিং।
- নামবে না। - কেন?
- তুমি খুব ভারী। - তুমি এমন কেন!
তোমরা দুজন একসাথে আসো।
আমরা আসব না!
- আজ তো তোমার চুল ভালই দেখাচ্ছে। - কী?
- হ্যাঁ, নানী তোমার ভূত তাড়িয়েছে নাকি? - ভূত?
তোমাকে তো ভূতে ধরেছিল!
ভূতপ্রেত কিছু না। মিতসুহা একটু চাপের মধ্যে ছিল। বুঝলে?
আ? চাপের মধ্যে ছিলাম মানে?
তোমার মনে নেই?
আর সবার আগে, শহরের অর্থনীতি চাঙ্গা করার জন্য কোষাগারে কাঁচা টাকার পরিমাণ বাড়াতে হবে।
এগুলো বাস্তবায়ন করলে একটি নিরাপদ এবং সুদৃঢ় সমাজ গঠন করতে পারব!
ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসাবে...
এমনিতেও উনি আবার মেয়র হবেন।
আমি শুনেছি উনি ফ্রিতে মাংস বিলোবেন।
- হাই, মিয়ামিজু। - মর্নিং।
তাহলে মেয়রের মেয়ে আর কনট্রাকটরের মেয়ে একসাথে স্কুল যাচ্ছে।
মিতসুহা!
সোজা হয়ে দাঁড়াও!
- পরিবারের লোককেও ছাড় দেয় না। - ভোট তো আমি উনাকেই দিব।
- সবার সামনে নাক কাটা গেল। - মান-সম্মান সব শেষ।
মিতসুহা।
সবার সামনে...
"কে তুমি?"
"তাসোকারে"
"তাসোকারে", মানে হলো "কে তুমি?" শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে "তাসোগারে-গোকি" থেকে।
গোধূলি হলো এমন একটা সময় যা দিন না, আবার রাতও না।
যখন পৃথিবীর বুকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে, তখন মানুষ নয় এমন কারও মুখোমুখি হওয়া।
প্রাচীন শব্দ "কারেতাসো-ডোকি" যোগ করে।
"কারেতাসো/কাওয়াতারে = কে তুমি?
প্রশ্ন! "কাতাওয়ারে-ডোকি" হবে না?
কাতাওয়ারে-ডোকি"? আমার মনে হয় এটা স্থানীয় ভাষা।
আমি শুনেছি ইতোমরির মুরুব্বিরা এখনও এই পুরনো ভাষা ব্যবহার করে।
কে তুমি?
আমরা তো এমনিতেও আদিম।
"কে তুমি?"
এরপর, মিতসুহা।
হ্যাঁ।
আজ তাহলে নিজের নাম মনে আছে।
তোমার মনে থাকে না?
গতকাল তুমি নিজের ডেস্ক আর লকার চিনতে পারছিলে না।
তোমার চুল এলোমেলো ছিল, আর ফিতাও ছিল না।
কী? হতেই পারে না! সত্যি?
মনে হচ্ছিল তুমি সব ভুলে গেছ।
আমার শুধু মনে হচ্ছিল... আমি বুঝি কোন অদ্ভুত স্বপ্ন দেখেছি।
নিজেকে অন্য আরেকজন মনে হওয়ার স্বপ্ন? স্পষ্ট মনে করতে পারছি না।
আমি জানি! ওটা তোমার আগের জন্ম ছিল!
কিংবা হয়ত তোমার অবচেতন মন অন্য আরেকটা জগতের সাথে জুড়ে গিয়েছিল।
একদম বাজে বকবে না।
ও! টিসি, তুমিই তাহলে আমার খাতায় লিখেছিলে?
কিছু না।
কিন্তু মিতসুহা, তুমি গতকাল আসলেই কিছুটা অদ্ভুত ছিলে।
তোমার খারাপ লাগছে নাকি?
ভীষণ অদ্ভুত, তবে আমি ভাল আছি।
মানসিক চাপের কারণে হয়ত। অনুষ্ঠান চলে এলো, তাই না?
ওহ, আর মনে করিয়ে দিও না। এই শহরে আমি থাকতে পারব না।
ছোট্ট একটা শহর যেখানে সবাই আত্মীয়। আমি টোকিওতে গ্রাজুয়েশন করতে চাই।
নিজের দোষ দিও না। এই শহরে আসলেই কিছু নেই।
দুই ঘণ্টা পরপর ট্রেন আসে। ৯'টার সময় দোকান বন্ধ হয়ে যায়।
বুক স্টোর নেই। ডেন্টিস্ট নেই।
কিন্তু কোন রকমে দুটো পাব (Pub) আছে।
- চাকরী নেই। - নতুন বউ নেই।
সন্ধ্যাটাও জলদি নামে।
- একটু থামো! - কী?
মানে... কোনো ক্যাফের জন্য থামলে কেমন হয়?
- ক্যাফে? - সত্যি?
কোথায়?
হ্যালো।
হ্যালো।
এটা কেমন ক্যাফে?
তুমি আগেই জানতে ক্যাফে নেই।
মিতসুহাও বাড়ি চলে গেল।
দিনগুলো ওর খারাপ যাচ্ছে।
ওর, মিডল স্টেজ চলছে।
হ্যাঁ।
- অই, টিসি। - কী?
গ্রাজুয়েশনের পর কী করবে তুমি?
কী? তুমি দেখি আমার ফিউচার প্ল্যান জানতে চাইলে।
তেমন কিছু না। খুব সম্ভবত এই শহরে আমি সাধারণ জীবন যাপন করব।
- আমিও করব। - তুমি এখনও শিখোনি, ইয়তসুহা।
সুতার আওয়াজ শোনো।
এভাবে যখন বুনতে পারবে, তোমার মনও সুতা আর তোমাকে অনুসরণ করা শুরু করবে।
সুতারা কী কথা বলে!
নানী, "মনোযোগের" কথা বলেছে।
ইতোমরির হাজার বছরের ইতিহাস এই বুননের মাঝে গাঁথা আছে।
শোনো। ২০০ বছর আগে।
ঠাকুরমার ঝুলি খুলে গেছে।
মায়োগোরো মুচির গোসলখানায় আগুন লেগে পুরো এলাকা পুড়ে গিয়েছিল।
মন্দির আর পুরনো পুঁথি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল আর এই দুর্ঘটনাটা পরিচিত
মায়োগোরো প্রকাণ্ড অগ্নি কাণ্ড নামে।
আগুনেও নাম পেয়েছে? আহারে মায়োগোরো।
সেজন্যই আমাদের উৎসবের কারণ অজানা থেকে গেছে আর আমরা টিকে গিয়েছি।
কিন্তু যতই ভাষা হারিয়ে ফেল, ঐতিহ্য পরবর্তী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হয়।
মিয়ামিজু মন্দিরে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটিই আমরা করি।
কিন্তু বোকা জামাই বাবাজী
শিন্তোর এই পুরোহিতগিরি করে তার পোষাল না,
এখন রাজনীতি? আস্ত অপদার্থ।
আরেক পেগ নাও, বন্ধু।
তোমার সুবিধায় আমি হিসাব রাখছি।
ওটা আমার হাতে ছেড়ে দাও। কাদোইরি আর সাকাগামি জেলার ভোট তুমিই পাবে।
- মেয়েটার খবর কী? - কঠিন চীজ মাইরি।
আমি দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছি।
বাজে বোকো না।
এই, আমাদেরও সাকি দাও।
আচ্ছা।
কাতুশিকো, ছুটির দিনেও কারখানায় কাজ করছ।
বোমা বানানো শিখছ নাকি।
- শুনোনি কী বললাম? - হ্যাঁ।
আমরা দুজনেই দুরন্ত, তাই না?
ইয়তসুহা না? বড় হয়ে গেছে তো।
দুজনই একেবারে মায়ের মতো দেখতে হয়েছে।
- হাই। - হাই।
এটা হলো দুনিয়ার সবচেয়ে পুরনো সাকি।
ভাত চিবিয়ে, মুখ থেকে ফেলা হয়, এরপর খামিরটা রেখে দিলে তা অ্যালকোহল হয়ে যায়।
- "কুচিকামাসাকি" এঁটো ভাতে বানানো সাকির অর্ঘ্য দেবতারা গ্রহণ করে? - অবশ্যই করে।
ঐ দেখো। মিয়ামিজু।
ইহ! দেখেই তো গা গুলিয়ে উঠছে!
ওর লজ্জা লাগছে না?
আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না।
মিতসুহা, কয়েকটা ক্লাস মেট দেখেছে তো কী হয়েছে?
তোর পাকা পাকা কথা শুনলে আমার গা জ্বলে।
তুমি কুচিকামিসাকি বিক্রি করে টোকিও চলে যাচ্ছ না কেন?
এই বুদ্ধি কীভাবে এলো তোর মাথায়?
ওগুলোর ছবি-ভিডিও বিক্রি করবে। নাম দিবে "মন্দিরের কচি মেয়ের সাকি"
অনেক পয়সা কামাবে!
"মন্দিরের কচি মেয়ের সাকি"
না। মদ বানানো বেআইনি কাজ।
এটা কোন সমস্যা নাকি?
এই শহর আমি ঘৃণা করি! এই জীবন আমি ঘৃণা করি!
পরের জনমে আমাকে টোকিওর কোন হিরো বানিয়ে দিও।
আস্ত গাধী...
আউ!
উফ...
কোথায়?
কী এটা...
আ!
তাকি! উঠেছিস তুই?
আজ তোর রান্নার দিন ছিল। সময় মতো জেগে উঠবি।
আমি স্যরি।
আমি বেরুচ্ছি। মিসো সুপ সবটুকু খাবি।
আচ্ছা।
দেরী হলেও স্কুল মিস দিস না। আমি আসি।
দেখে শুনে যাবেন।
কী আজব স্বপ্ন!
"সুকাসা: দৌড়া, দেরী করে ফেলেছিস!"
কী? কে? সুকাসা? সে আবার কে?
আমাকে বাথরুমে যেতে হবে।
একেবারে বাস্তব লাগছে।
No comments yet. Be the first to leave one.