Pierwsze 200 wierszy.
অ্যাসল্ট ইউনিট এসে গেছে।
ঠিক আছে, আমি একটা ঠিকঠাক অপারেশন চাই।
সাসপেক্টদের কাছে অস্ত্র আছে আর ওরা খুবই ভয়ংকর।
ঠিক আছে, যাও, যাও, যাও! প্রথম তলা, ক্লিয়ার।
প্রতিটা তলা সার্চ করো আর বের হবার পথ চেক করো।
চলো!
দ্বিতীয় তলা, ক্লিয়ার।
প্লিজ...
এক, দুই...
চলো! চলো, চলো!
পুলিশ!
কর্নেল, আপনি ঠিক আছেন?
আমার স্ত্রী... আমার স্ত্রী...
লুইস...
আমার কতক্ষণ ধরে জ্ঞান ছিল না?
জানি না। কয়েক মিনিট হবে।
ও অ্যালিসিয়া সিয়েরা। ওর সাথে একটা বাচ্চা আছে।
বিল্ডিং থেকে কেউ বের হয়নি।
তাহলে প্রতিটা অ্যাপার্টমেন্ট চেক করো। যদি দরজা না খুলে, ভেঙে ফেলবে।
অপারেশন কেজ শুরু করো।
দুই কিলোমিটারের মধ্যে যেন কেউ বাইরে যেতে বা ভেতরে ঢুকতে না পারে।
ব্রাভো ৪১, সব ইউনিট এখানে আসো।
অপারেশন কেজ। এলাকা, চামবেরি। লিমিট, ভালডেবেবাস ও কানিলাস।
আবারও বলছি, ব্রাভো ৪১, সব ইউনিট এখানে আসো।
আমার কথা শুনুন, ম্যাম।
সব ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু আপনি চেঁচাতে পারবেন না।
বাচ্চাটা আমাকে দাও।
আর আমার চশমা। আমার চশমাটা লাগবে।
- দরজা খুলো! - পুলিশ!
তোমার অনেক রক্ত বের হচ্ছে। তুমি যাচ্ছ না তো?
আমার যাওয়াই লাগবে।
আমি শেষ চালটা চালার জন্য প্রস্তুত।
কিন্তু একটা কথা দিতে পারি,
যে এটাই হবে আমার শেষ চাল।
আর্মিকে ডাকো।
দেশে এখন জরুরি অবস্থা শুরু হয়েছে।
আমরা পুরো এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্চ করব।
না।
শান্ত হও।
দরজা খুলো!
দরজা খুলো!
শশ!
চলো! আমার পিছনে আসো! চলো!
শুভ রাত্রি।
- কী হচ্ছে? - সামনে থেকে সরো।
একদন না।
পুলিশ!
দরজা খুলো! আমরা পুলিশ!
- খুলো! - আমার বাচ্চা। বাচ্চা!
ও ঘুমাচ্ছে।
শশ!
আমার বাচ্চা। বাচ্চা...
বাচ্চা ঠিক আছে।
শুভ সন্ধ্যা।
চলো, চলো!
ক্লিয়ার!
ওরা জানালা দিয়ে নেমে গেছে।
- চশমা। - কী?
- এতা সানগ্লাস। আর এখন রাত। - তো? কার কী আসে যায়?
- খুলে ফেলো বলছি। - চুপ করো।
ওরা আসছে।
- ওরা আসছে। - চুপ থাকো।
ওরা আসছে। আসছে। আসছে।
ওরা রাস্তায় আছে। রেস্টুরেন্ট থেকে বামে গেছে।
আমার মনে হয় মেট্রো নেওয়াই সবচেয়ে ভালো হবে।
প্রফেসর?
প্রফেসর, আপনি শুনছেন?
চুপ থাকো।
- প্রফেসর? - প্রফেসর?
- বেনজামিন, আমি মার্সেইল বলছি। - বলো, শুনছি।
প্রফেসর ধরা পড়েছেন।
কী?
আমার মনে হয় অ্যালিসিয়া সিয়েরা ওনাকে আবার কিডন্যাপ করেছে।
আমার লোকেরা এসে গেছে। এখন কী করব?
প্রফেসর যেমনটা করতে বলেছিলেন। নিজের হাতে দায়িত্ব নাও।
আমি তিনটা গাড়ি স্ট্রমওয়াটার ট্যাংকের কাছে নিয়ে যাচ্ছি।
কোনো ভুল করা যাবে না।
কী?
অ্যাপার্টমেন্ট ২বি।
চলো।
ওখানে।
কেউ নেই।
খুল।
কেউ নেই।
বাল, বিড়াল ছিল।
"গাছগুলোকে, সপ্তাহে দুইবার পানি দিও। বিড়ালটাকে, দিনে একবার খেতে দিও।"
"ধন্যবাদ, হারমিনিয়া।"
গাছগুলোকে আজই পানি দেওয়া হয়েছে।
তো হারমিনিয়া কালকের আগে আসবে না।
সরকার দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।
আমরা আপনাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এসেছি।
প্লিজ স্পেনের সুরক্ষার খাতিরে আমাদের কাজে সহযোগিতা করুন।
- চলো, চলো, চলো! - যাও, যাও, যাও, যাও!
মনে হচ্ছে জায়গাটা যুদ্ধের ময়দানে পরিণত হয়েছে।
ওরা প্রতিটা বাসা সার্চ করবে।
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
এই। কাছে আসো৷ কাছে আসো। হুম?
আমার অসুখের কারণে কি তোমার উপর কোনো প্রভাব পড়েছে?
হুম? পড়েছে?
না।
- না। - আচ্ছা।
আসলে তোমার প্ল্যান আমার পছন্দ হয়েছে,
সোনা চুরির এই জোশ প্ল্যান।
কিন্তু তারপরও কিছু বিষয় আছে যা...
- যা কী? - বেশ, উম...
- উদাহরণসরূপ, সোনা বের করবে কীভাবে। - ছোট ছোট দানায় রূপান্তর করে।
আমরা ৯০ টন সোনা চালে পরিণত করব।
আর তারপর, এটা ফিনকির মতো সামনে আগাবে।
হ্যাঁ। প্রেশার পাম্পের সাহায্যে সবটুকু সোনা বের করে দিব।
- প্রেশার পাম্পের সাহায্যে? - হ্যাঁ।
- পাইপলাইন দিয়ে? - হুম।
ব্যাংক অব স্পেনের ভেতর প্রেশার পাম্প আছে?
- না, নেই। - নেই!
আমাদের নরওয়ে গিয়ে অয়েল প্ল্যাটফর্ম থেকে চুরি করতে হবে।
কেমন হবে?
মানে, সৌদি আরবেও একটা ছিল।
- কিন্তু অতদূর যাওয়াই মুশকিল। - তা তো অবশ্যই।
সার্জিও, গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে,
যে আমরা পাইপ দিয়ে সোনা বের করব।
এতে ভুল হবার কোনো সুযোগই নেই।
আন্দ্রেস, পুরো প্ল্যান, আর তোমার বলা সব কথাই একটা মস্তবড় ভুল।
পাইপগুলোর বয়স কত? পঞ্চাশ বছর? সত্তর বছর?
কত বয়স?
একশো।
আর তোমার মনে হয় ওরা ১০০ বছর আগে সোনার চাপ
সামলাবার মতো করে ওগুলো বানিয়েছিল?
না, কিন্তু ওগুলো সামলে নিবে!
খুব ভালো। সোনা গিয়ে পৌঁছাবে কোথায়? কোনো নর্দমায়?
না!
আমার এটা খুব পছন্দ।
গিয়ে পৌঁছাবে ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্ট্রমওয়াটার ট্যাংকে।
স্ট্রমওয়াটার ট্যাংকে? আর বৃষ্টি হলে?
বৃষ্টি শুরু হলে কী করবে? সব বয়ে চলে যাবে, তাই না?
আর বৃষ্টির কারণে তোমার প্ল্যান, তোমার পুরো জীবন,
সব জলে চলে যাবে।
আন্দ্রেস, না, এটা বিজ্ঞান নয়, এটা... এটা তোমার আশা...
এটা বৈজ্ঞানিক আশাবাদ!
কী যা-তা বলছ?
- এটা আশাপূর্ণ বিজ্ঞান। - মানে, বলছে কে?
সেই মস্তিষ্ক যা একটা ডাকাতি প্ল্যান করছে নাকি কোনো বাচ্চার মস্তিষ্ক? মানে পারোও!
বাচ্চার মস্তিষ্ক।
এবং গর্বের সাথে।
- আমি পিটার প্যানের মতো। - হ্যাঁ।
কেউ আমার উদ্যম কমাতে পারবে না, না তুমি, না অন্য কেউ।
কারণ,
একটু ছেলেমানুষি না থাকলে,
বড় কিছু অর্জন করা যায় না।
কিছু... কিছু জিনিস আছে, উহ,
যা, সচেতন, সিরিয়াস মানুষরা, কখনোই অর্জন করতে পারবে না। না।
তারা এমনটা কল্পনাও করতে পারবে না কারণ তারা একটু বেশিই সচেতন!
আর আমরা যারা ভেবেচিন্তে কাজ করি তাদের জন্য কি কিছু আছে তোমার কাছে,
পোক্ত কিছু?
আছে?
কারণ আমার... যাচাই করতে ভালো লাগে।
দেখো, মার্টিন এসব ব্যাপারে কাজ করেছে...
এমনকি ছোট ছোট ব্যাপারেও।
আর ও তো খুশি হবে তোমার সাথে শেয়ার করতে।
হাত চালাও, বন্ধুরা!
ওয়াটহুইল সব শেষে যাবে। হাত চালাও!
ওয়াটহুইল সব শেষে যাবে।
বেনজামিন, এখনও ওখানে আছ?
জি। বলুন, মিস লিসবন।
প্রফেসর উধাও হয়ে গেছে।
এক মিনিট, এক মিনিট, এক মিনিট।
"প্রফেসর উধাও হয়ে গেছে" মানে?
ও কি বারমুডা ট্রায়াংগেলে মারা দিচ্ছে?
আমি কি জানি? আমি কিছু জানি না।
ওহ, খোদা দোহাই লাগে...
এখন জরুরি ব্যাপার হচ্ছে যে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তো আমরা সোনার কী করব?
মাফ কোরো, প্রিয়, তুমি কি এখানে ভোট করার কথা ভাবছ?
কারণ আমার এসব চোদার টাইম নেই, ঠিক আছে?
সোনা তো বাইরে যাবেই।
এটা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের কিছু নেই।
আর যখন তর্ক-বির্তকের কথা উঠে, আমরা তখন সবাই পিস্তল বের করে বসি।
তো আমিই আগে বের করছি। কোনো চুদুর-বুদুর শুনব না, ঠিক আছে?
আর যদি স্ট্রমওয়াটার ট্যাংকে আগে থেকেই পুলিশ থাকে?
পুলিশ সেখানে নেই।
আমাদের প্ল্যান এখনো লাইনে আছে, বুঝা গেছে?
কিন্তু যদি তাই হয়ে থাকে, তবে আমরা ইতিহাসের সবচেয়ে বোকামিতে ভরা ডাকাতি করব।
৯০ টন সোনা গলিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিব।
বললাম তো পুলিশ স্ট্রমওয়াটার ট্যাংকের কাছে নেই,
আর এখানে আমাদের কাছে সোনার কোনো মূল্য নেই। বুঝা গেছে, প্রিয়?
সোনা আমাদের জিম্মিতে আছে।
জোশ ব্যাপার।
আমরা সোনাগুলো নিয়ে, তামায়োকে প্রস্তাব দিব, দিয়ে সমঝোতা করব?
এই তোর মাস্টারপ্ল্যান? তুই তো দেখি সত্যিকারের জিনিয়াস।
হ্যাঁ, প্রিয়, আমি জিনিয়াসই।
আর নিচে বড় একটা মেশিন আছে যা এটা প্রমাণ করবে, তাই প্যারা নিস না।
তুমি কি ব্যস এটাই পরোয়া করো?
যাতে তোমার অসাধারণ প্ল্যান কাজ করবে সেটা প্রমাণ করতে পারো?
হ্যাঁ, সাথে তোমাদের জীবন বাঁচানোও।
আর তার জন্য, আমাদের সোনা এখান থেকে বের করতে হবে।
পালের্মো ঠিক বলেছে।
বাইরে মাত্র দুজন মানুষ আছে
যারা বলতে পারবে সোনা কীভাবে বের করা হবে।
এক, প্রফেসর, যে বলবে না,
দুই অ্যালিসিয়া সিয়েরা।
ও নিজের নাম থেকে সব অভিযোগ সরাতে এই তথ্য দিয়ে সমঝোতা করার চেষ্টা করবে।
আর আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি
No comments yet. Be the first to leave one.