Pierwsze 200 wierszy.
মুভি: দ্য ভিলেনেস (২০১৭)
::অনুবাদক ও সম্পাদনায়:: Robiul Hossain Sujon®
কে রে?
কোন বাল রে?
কী রে!
কে রে এটা?
এহ?
একা এসেছ তুমি?
পাগলা কুত্তি!
হারামজাদি!
হাত তোলো! নইলে গুলি করব!
থামো! ওখানেই থাকো!
"THE VILLAINESS"
পার্ক আর তার সংগঠন, যাদের আমরা ট্র্যাকিং করে যাচ্ছিলাম,
এই মেয়েটা সবাইকে শেষ করে দিয়েছে।
দেখো!
ওটা কে?
আমরা এখনো খোঁজ চালাচ্ছি।
কিন্তু সৌভাগ্যবশত, সে শুধু ড্রাগগুলির পিছে ছিল।
ড্রাগ?
মানে সে এগুলো কিছু না জেনেই নিয়ে গেছে।
তাহলে মেয়েটা আর ওর মধ্যে কী সম্পর্ক?
আমরা এখনো এটা তদন্ত করছি।
যেভাবেই হোক হার্ড ড্রাইভটা ফিরিয়ে আনো!
যদি এটা ফাঁস হয়, রক্তবন্যা বয়ে যাবে!
আর এই মেয়েটা..
ও একটা সম্পদ হতে পারে।
তাই না?
সোক-হিই, জেগে উঠ!
সোক-হিই! ফিরে এসো!
হেই, থামো!
হেই, বিচ্ছু! থামো ওখানে!
নতুন নিয়োগ নাকি এটা?
তার তেজ অন্য লেভেলের।
তুমিও তার মতো ছিলে।
- অপোষ্য! - হেই! আস্তে যাও, ওকে?
তুমি সময়মতো বেরুবে।
এটা মজা হচ্ছে, ওকে থামিয়ো না।
আস্তে সামলাও!
তুমি যে কোনভাবে বেরুতে পারবে!
কিছু একটা করো!
দরজাটা খোলো!
টু বি!
অর নট টু বি!
এই হারামজাদীটাও এত প্রশ্ন করে!
বের হবার রাস্তা কোথায়?
আমি জানি, আমাকে নাও তোমার সাথে!
এইদিকে, এখান দিয়ে যাও!
এটা কোন জায়গা? উত্তর দাও আমাকে!
এসবের সময় নেই, তোমাকে লাফাতে হবে!
কী?
নয়ত তোমাকে এখানে মরতে হবে।
এইযে এখানে সে! থামো!
স্যার।
চীফের কারিশমা আজ অন্যরকম মনে হচ্ছে।
সে কি জেল থেকে বেরিয়েছিল?
সে নিজেই পুরো একটা গ্যাংকে কুপোকাত করে দিয়েছিল।
আমাদের মধ্যে কার ঘাড়ে দেয়া হবে ওর দায়িত্ব?
যদিও ভাল সুযোগ আর প্রমোশ হবে,
তবু আমি ওকে বেছে নেব না।
প্রমোশন হয়ে যাবে?
ধুরো, তাকাও নিজের দিকে।
প্রমোশন পেয়ে আমাদের বস হবে?
তুমি এটা নিয়েই আছ?
বেশ, তোমাদের দুটোকে সাইজ করতে আমি একাই যথেষ্ট ।
এই কাবিলটার কথা শুনো।
একটা সম্পর্ক করো আর প্রমোশন পাও, এটাই লক্ষ্য!
ওরা ঐ অ্যাসাইমেন্টগুলো ফ্রিতে দেয়া না।
এখানে অনেকে আছে যারা চেষ্টা করতে গিয়ে মরেছে।
সে আসছে।
ও অনেক কিউট।
আসলেই সে এমন।
প্লাস্টিক সার্জারিটা ভালভাবেই হয়েছে।
হতে পারে এটা নিয়ে শুরুটা ভালোই হলো।
"অচেনা কোরিয়ান-চাইনিজ গুপ্তঘাতক আত্মহত্যা করেছে।"
এখন তোমার কোন অস্তিত্ব নেই।
কিন্তু আমরা তোমার পুনরুত্থান করতে পারি,
যদি তুমি আমাদের পরিবারে যোগ দাও।
আমি বাঁচতে চাই না, আপনার আমাকে মেরে ফেলা উচিত।
মেরে ফেলো আমাকে!
মেরে ফেলব তোমায়?
তুমি মরতে পারো না।
তোমার একটা নতুন মেহমান আসছে।
তোমার কি মনে হয় তোমার বাচ্চাটাও মরতে চায়?
বেঁচে থাকো!
শুধু নিজের বাচ্চাটার জন্য হলেও।
আপনি কী চান আমার কাছে?
একটা স্বাভাবিক জীবন কাটাও।
একটা স্বাভাবিক জীবন?
আমাদের ১০টা বছর দাও,
তারপর পেনশন আর মুক্তি পাবে
তোমার বাকি জীবনের জন্য।
প্রথমে, একটা ব্যক্তিত্ব যাচাই পরীক্ষা দাও আর কাজ খুঁজে নাও।
এরপর তুমি একজন স্লিপার সেল হবে আর মিশন সম্পন্ন করবে।
আরেকবার....
ওয়াও! এটা দারুণ দেখাচ্ছে!
আমি চেষ্টা করতে পারি?
এটা অদ্ভুত?
তুমি আসলে কীসে ভালো?
এখানে সারা জীবন পচে মরতে চাও নাকি?
ধ্যাত্তেরি!
বের হওয়ার পথ কোথায়?
তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলার আগে বলো আমাকে!
যাও!
মিস! আমাকে নিয়ে যাবেন?
আমি বের হওয়ার রাস্তা কোথায় জানি!
আমাকে নিয়ে চলো!
পিছে এসো আমার!
ও হ্যাংলার মতো কথা বলছে কেন?
ও একদম হাদারাম!
আর তুমিও।
এই দারুণ চেহারা দিয়ে অভিনয় করলে কেমন হয়?
একজন নিষ্পাপ লোককে মারলে তুমি,
আর এমনকি বাচ্চাদেরও, যারা কোনমতে বেঁচে গিয়েছিল!
এই দুনিয়ায় সবচেয়ে ভয়াবহ জিনিস হচ্ছে,
নিজের হাতে মারা কারো লাশ দেখা।
এই হাত!
এই দাগগুলো যা ধুলেও যাবে না।
দাগগুলো ধুয়ে ফেলার পরও রয়ে যায়।
চলে যাও!
রক্তের ঘ্রাণ....
হ্যাঁ,
হাতটা ডুবাও আর ধুয়ে নাও।
বয়ে যাওয়া পানি পৃথিবীর যে কোনকিছু শুষে নিতে পারে।
হে নদী, তুমি কি আমার হাতগুলো ধুয়ে...
আর আমার শরীরকে পরিষ্কার করবে?
ইয়ুন-হাই,
আমি তোমার রক্ষা করব।
ঠিক আছে।
পিকাবু!
এখানে।
পিকাবু!
দারুণ!
গুড জব।
থামো!
থামাও এসব, মেরে ফেলবে ওকে!
কিম-সান!
- বেশ! ঠিক আছে! - এসো!
রক্ত দেখেছে, এটাই যথেষ্ট।
তুমি মেরে ফেলবে ওকে।
হেই, ইয়ানবিয়ান।
শুনলাম তরবারি নাকি ভালো চালাও।
বাচ্চার মা'র সাথে খেলি চলো।
এত ভাব নিস কেন রে!
কী ফালতু রে!
আমি ভয় পেয়ে গেছি।
হয়ত ও আসল টক্কর দিতে চায়।
কিম-সান! ওকেও আলু ভর্তা বানাও!
সো-হিই কোন হাতের মোয়া নয়।
সামলাতে পারবে তাকে?
হুয়ুন-সু তার একমাত্র টিকে থাকার প্রেরণা।
- বন্ধ করো এটা। - দুঃখিত।
শুভ জন্মদিন!
শুভ জন্মদিন!
শুভ জন্মদিন, প্রিয় ইয়ুন-হাই!
শুভ জন্মদিন!
আপনাকে ধন্যবাদ।
তোমার বাচ্চাকে তোমার মতো জীবন দিতে পারো না।
এই ট্যাটু...
বিশ্বাস করবে না আমি এটা কতখানি চেয়েছিলাম।
এখন আমিও তোমার মতো হয়ে গেছি।
তুমি আমাকে বলতে পারবে
তোমার বাবাকে কে মেরেছিল?
কসম বলছি, আমি নিজেই তাকে মেরে ফেলতে যাচ্ছি।
আমরা এখনো বেঁচে থাকার একমাত্র কারণ হলো এটি।
সোক-হিই!
এসো না! প্লিজ!
সোক-হিই!
সব আমার দোষ!
পিছিয়ে যাও! প্লিজ! সোক-হিই! সোক-হিই!
তোমাকে পিছিয়ে যেতে বলেছিলাম!
আমার সোনামণি, খুব খারাপ লাগছে।
তোমার বাবার খুনী আমি নই।
মানে কী তোমার?
আমরা ভাইয়ের মতো ছিলাম,
এটা আমি আমার নিজের হাতে করতে পারতাম না।
গিয়ে দেখে আয়!
শুরু করো!
তুই এখনো বাঁচতে চাস?
তাহলে মেয়েটা মারার আগে, তুই মেরে ফেল ওকে।
তোর বাঁচার এটাই একমাত্র উপায়।
তুই চাস আমি এটা বিশ্বাস করি?
শুরু করো!
প্রথমবারের মতো মরে গেছো তুমি।
নিজেকে মৃত ভাবো, আর আমার জন্য বাঁচো।
ধরা খেলে, প্রত্যেককে ৫০ ডলার করে।
বলদ হারামজাদী একটা, ওর সব প্রশিক্ষণ গোল্লায় গেলো।
আমার মানিব্যাগ কোথায়?
ধরা খেলে।
এটা কী?
সোক-হিই'র প্রিয় রং, খাবার, ঘুমানোর অভ্যাস!
ছাড়ো! ছাড়ো!
টয়লেট যাওয়ার সংখ্যাও!
এই ব্যাটার দিকে দেখো।
প্রমোশনের জন্য নাকি এসব, হুহ?
আশা করি প্রথম মিশনেই মারা পড়বে না তুমি।
তুমি এটা বললে কেন? এটা দূর্ভাগ্য।
আমরা মজা করছি, পাজামায় গিট্টু বাঁধিয়ো না।
রেগো না!
তার জন্য কিছু আছে নাকি তোমার?
No comments yet. Be the first to leave one.