Pierwsze 200 wierszy.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - ফ্ল্যামি তুহিন রাকিব হোসেইন
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - আল মাকসুদ রফিকুল রনি
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - তানভীর রহমান নকিব জ্যোতির্ময় সজ্জন আরমান আল মাহমুদ
- সাবটাইটেল সম্পাদনায় - আল মাকসুদ আরমান আল মাহমুদ
আর বরদাস্ত করতে পারছি না।
আন্নাম শহরের এক পুলিশ আমি,
শহরটা বজ্জাত লোকে ভর্তি।
বর্তমানে শহরকে উন্নত করার পাশাপাশি,
সবাই একে অপরের গলায় ছুরি বসাতেও উদগ্রীব।
তারপর আছে আন্নামের মেয়র, পার্ক সুং-বে।
সে শহরের পুরোটা একাই খেতে চায়।
এতে অবশ্য তার বিপক্ষের লোকেরা চুপ করে থাকছে না।
প্রতিদিন এখানে শুধু যুদ্ধই চলছে।
আমার কথা বললে, আমি জয়ী লোকদের সাথেই থাকি।
তাই আমাদের মেয়র চুপিসারে কল দেয় আমাকে।
সে আমাকে তার ভাড়াটে খুনি ভাবে।
এটা আমি নই... সত্যি আমি নই।
তাহলে কে সে? তোর বাপ?
এই, তুই কি কচি খুকি নাকি?
আনপিউং গার্লস স্কুলে সিনিয়র হই।
ধুর!
ধর।
কাছে আয় বাল।
দেখা।
রিং হচ্ছে।
এখান থেকে পড়।
হ্যালো, আমি বলছি।
- ফোঁপাবি না। - কোথায় তুমি?
আমি দুঃখিত, আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারব না।
প্রসিকিউটরকে আগে দেওয়া আমার তথ্য
সবটাই মিথ্যা ছিল।
প্রসিকিউটরকে বলবে আমাকে ক্ষমা করে দিতে!
দারুণ। দারুণ একটা কাজ করেছিস।
আয় তোকে চুমু দিই।
গত আগস্টে সরকারি নির্বাচন আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত হওয়ায়
মেয়র পার্ক সুং-বেকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হত।
কিন্তু আজকের আপিল শুনানির সময় হাইকোর্ট ওনাকে নির্দোষ বলে রায় দেয়।
ঘটনাচক্রে, প্রসিকিউশন একজন সাক্ষী দাঁড় করিয়েছিল,
কিন্তু আজ সকালে তিনি হঠাৎ সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।
এখন আমরা মেয়রের কথা শুনব।
বিচারকবর্গের বিচার সবসময় ন্যায় হয়।
কিন্তু প্রসিকিউশন থেকে এইরকম আক্রমণ, তাও আবার বিনা সাক্ষীতে...
কোন ধরণের ফাজলামি?
ব্যাপারটা আন্নামের ৪৮০,০০০ বাসিন্দাদের সম্মান ও গর্বের অপমান!
উনি ঠিক বলেছেন!
একটু সর তোমরা।
যাচ্ছি।
প্রসিকিউটর ওহ, ভালো একটা চেষ্টা করেছিলেন।
তো আপনি জানেন সাক্ষী কেন সাক্ষ্য দিল না?
কোনো ধারণাই নেই, সম্ভবত মিথ্যা বলতে তার বিবেকে বেঁধেছিল।
হঠাৎ সে কল করে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
কারণ আপনি আইন শাসনকে নিজের বাপের সম্পত্তি মনে করছেন।
তো ভাবছেন নিজের চেয়ার বাঁচিয়ে নিবেন?
ওয়াও, প্রসিকিউটর এখন হুমকি দিচ্ছে?
আমার চেয়ারের চিন্তা আমি করে নেব।
- অনেক হয়েছে! - ওরে শালা ছোটলোকের বাচ্চা!
স্যার, সবাই দেখছে।
চুপ করুন!
জনগণের নির্বাচিত মেয়রকে টার্গেট করছিস?
কেমন দিন আসলো তোদের মতো মাস্তানদের ক্ষমতাও দেখতে হবে আমার?
- মাস্তান? - স্যার, দয়া করে চলুন এখন।
ওনাকে নিয়ে যাও।
তোমাকে ছাড়া একদম একা হয়ে যাব।
তোমাকে তো প্রতিদিন স্যুট পরে থাকতে হবে।
অস্বস্তিকর লাগবে না?
চেষ্টা করে দেখব।
ব্রো।
সেক্ষেত্রে, পার্ল গ্রে স্যুট দেখতে পারো।
বাসায় গিয়ে ঘুমা।
ইয়েস, স্যার।
সাক্ষী ফিলিপাইনে পৌঁছানোর পর কল দিতে বলেছিলাম।
শালা মটকু বহুত জ্বালিয়েছে, যেতেই চাচ্ছিল না।
প্লেনে ওঠাতে অনেক জোর করতে হয়েছিল।
তো, সে গতকাল পৌঁছেছে?
আজকে গেছে। ব্যাটাকে ড্রাগ দিতে হয়েছিল আমার।
আজকে?
তুই পরিকল্পনা বদলেছিস?
ব্যাপারটা আমি দেখে নিচ্ছি। আমার উপর ভরসা রাখেন।
আরামে দাঁড়া! সোজা হ।
নিজেকে মানুষ ভাবিস তুই?
তুই শালা একটা শুয়োর, তা জানিস?
হ্যাঁ, স্যার।
নাক মোছ।
সাক্ষীটার ব্যবস্থা তোকে করতে হবে, বুঝলি তো?
কী, এখন আবার টাকা গুণবি?
ওহ্, ঠিক তো।
বাইরে অপেক্ষা করতে বলেছিলাম।
জানতাম, চাকরি ছেড়ে দিতে যাওয়া লোকটা একটা তো ঝুঁকি নিবেই।
তুমি এখানে কেন আসলে?
ওই নেশাখোর, তুই এখনো ফিলিপাইনদের ওখানে যাস?
বছরখানেক আগে বেচা-বিক্রি ছেড়ে দিয়েছি, তাহলে সেখানে যাব কেন?
আমার দিকে ওভাবে তাকাবি না, শালা মাথামোটা!
দাঁড়াও, হোয়াং! সমস্যা কী?
মেয়র ভাল আছে তো?
কী?
ওরে শালা, সবকিছু একা খাওয়ার চেষ্টা কোরো না।
আমি জানি এখানে কী হচ্ছে।
কীসের কথা বলছো তুমি?
সাক্ষীর।
ব্যাপারটা তুমি আর ও মিলে সামলেছ না?
আইনের কাজ না করে আমাকে গ্রেপ্তার করাটা কি বেআইনি নয়?
কী বললি রে তুই?
হোয়াং, প্লিজ।
আমার কথাটা তো একটু শোন।
দেখ, ওকে গ্রেপ্তার করলে, আমার লাভ হবে কিছু?
- আচ্ছা, বুঝলাম। এখন ওর হাতকড়া খুলে... - ব্রো!
সার্জেন্ট হোয়াং? স্যার!
কী রে?
ওরে শালা!
হোয়াং, এক মিনিট দাঁড়াও!
আমি ধরছি ওকে!
এই, এই, এই, সুন-মো!
এই, সুন-মো!
ওই শালা আবার এখানে আসতে গেল কেন?
নেশাখোরের গায়ে হাত দেওয়া তো চলবে না, শালার!
ধুর, কোথায় লুকালো শালা?
এই, নেশাখোর!
নেশাখোর।
জানি তুই এখানেই আছিস।
দেখো একবার শালাকে!
এরকম করছিস কেন তুই, হ্যাঁ? তোর পিছনে একজন পুলিশ লেগেছে।
চুপ থাক।
শালার নেশাখোর।
আমি এখানেই আছি! সব শালার পুলিশদের ডাক!
আরে চুপ কর তুই।
পেয়েছ ওকে?
সুন-মো...
ওর সমস্যা কী?
বেজন্মাটা ড্রাগ নিয়েছে!
চুপ কর!
মর শালা তুই।
ওখানে দাঁড়া!
সুন-মো, পিস্তল বের করেছিস কেন? ওটা সরিয়ে রাখ।
নড়বি না।
পিস্তলটা সরিয়ে রাখ, ভাই।
"নড়বি না। নড়বি না!"
সুন-মো, আমি দেখছি ব্যাপারটা।
শালা পাগলের বাচ্চা!
তুই আজকে মরবি!
দাঁড়া, সুন-মো!
শালার দিন যাচ্ছে একটা।
শালা হারামী!
এক শুয়োর আমাকে কাজ দেয়, আরেক শুয়োর পিছু নেয়।
মাথামোটা শালা!
থাম নয়তো গুলি করব, হারামী!
অত খুশির ঠ্যালা নেই। আমি জানি বন্দুকে গুলিই নেই।
এই গুলিগুলো আসল। আরেক পা আগালে গুলি করব।
এই, থাম।
ভালব বন্ধ কর।
আরেকটু আগে আসতে পারলে না?
এই, থাম। একটু দাঁড়া।
- ৯১১ তে কল করতে হবে আমাদের। - ধরতে পেরেছ?
একটু তল্লাশি নেওয়া যাক।
দেখ শালার কতগুলো টাকা।
হোয়াং!
ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলা যাক।
কথা কীসের আবার?
নেশাখোর তোমার, টাকা আমার, ঠিক আছে?
সুন-মো, ভাগ চাই তোর?
ধুর বাদ দে!
আরে ধুরো, হোয়াং...
- ছাড় ওটা! - ধুর শালা!
মারা খা, শালা বোকা*দা!
আমার উপর পড়ে আছিস কেন তুই?
কী, তোর উপর পড়ে থাকতে পারব না কেন?
আমি কী বাল করেছি বল?
চুরি করতে মানা করে কি দোষ করলাম?
মেয়রের কাছ থেকে তো সবসময় ভালোই টাকাপয়সা পাস।
আমার ভাগের জন্য আর কতবার বলব?
এই টাকা নিতে পারব না কেন? তুই পারবি আর আমি পারব না?
এটা তোর টাকা না। এ টাকা অন্যের।
- তাহলে তুই এর থেকে দূরেই থাক। - আরে ভাই ধুরো!
সুন-মো, ছবি তুলিস না। টাকাটা আমার সত্যিই দরকার।
কিন্তু আমাদের তো রিপোর্ট করতে হবে।
তাই না, হান?
তুই তাহলে মরতে চাস?
আমি কি মজা করছি?
পাগল হয়ে গেছিস তুই?
ছাড়, শালা!
ওকে কেন মারলি তুই?
মাদার*দ!
আরে বাল থামবি এবার?
বাল, থাম শালা!
ওরকম করিস না! ওটা ফেলে দে!
বাল, থাম শালা!
তো সার্জেন্ট হোয়াংয়ের ওখানে পৌঁছানোর ব্যাপারটা তুমি জানতে না?
কিন্তু সে বলেছিল তোমাকে সাহায্য করবে। ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না।
সেটা কেন বলেছিল, তা জানতে আমিও উৎসুক।
সহিংস অপরাধীদের ধরা কিন্তু, গোয়েন্দাদের কাজ নয়।
ঘটনাটা অনেক তাড়াতাড়ি ঘটে যায়। আমার কোনো উপায় ছিল না।
চলো আরেকবার শোনা যাক।
আবার?
শেষবার, সত্যি বলছি।
ফোনে সে আস্তে কথা বলছিল।
ভাবলাম, ব্যাটা ড্রাগ নিয়েছে। মাতাল হয়ে গেলে সে অনেক ভয়ংকর হত।
তাই কিছু হওয়ার আগেই ওকে ধরতে চলে গেলাম।
কোথায় আমি...?
একজন পুলিশকে মেরে ফেলেছিস?
একজন পুলিশকে মেরে ফেলেছিস তুই?
No comments yet. Be the first to leave one.