Pierwsze 123 wierszy.
২০০২ এর অস্কারজয়ী শিকাগো অনুবাদে সাবটাইটেল হাট
অনুবাদক - তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান, আতিকুল গনি রিপন শান্তনু মুখার্জী, কুদরতে জাহান
সম্পাদনায় - তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান, কুদরতে জাহান
কাজটি উৎসর্গ করছি আমাদেরকে নানা ধাঁচের মুভির অসাধারণ সব সাবটাইটেল উপহার দেয়া শান্তনু মুখার্জী দাদাকে
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দেবেন। আপনাদের উৎসাহই আমাদের অনুপ্রেরণা।
পাঁচ, ছয়, সাত, আট!
কেলি সিস্টারদের কেউ দেখেছেন?
এই যে তুমি, পাঁচ মিনিটে স্টেজে যেতে হবে।
- ভাংতিটা রেখে দাও, জো। - ধন্যবাদ।
ভেলমা, কোথায় ছিলে? ভেরোনিকা কোথায়?
- আজ ওর শরীর সুবিধার নয়। - দর্শকরা দুই বোনের নাচ দেখতে পয়সা দিয়েছে।
আরে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আমি একাই সামলে নেব।
ধ্যাত্তেরি।
এসো, ভেলমা, জলদি। তাড়াতাড়ি করো।
আচ্ছা বিপদে ফেলেছ।
ভদ্রমহিলা এবং ভদ্রমহোদয়গণ,
ওনিক্স ক্লাব গর্বের সাথে পেশ করছে, শিকাগোর
দুইজন জ্যাজ তরুণীর পায়ে পা মিলিয়ে নৃত্য।
বিখ্যাত কেলি সিস্টারস!
- চলো যাই, সোনা। - তোমার বন্ধুর সঙ্গে তো দেখাও হলো না।
- ওই ম্যানেজার লোকটা। - চিন্তা কোরো না, রক্সি।
- সব ব্যবস্থা করা হয়ে গেছে। - তুমি ওকে আমার কথা বলেছ?
হ্যাঁ, বাবু। সবকিছু করা হয়েছে।
ওহ্ !
- হ্যালো, মিস বোরুসেউইচ। - মিসেস হার্ট।
এ হলো ফ্রেড।
আমার ভাই।
আবার বলো, ফ্রেড।
তুমি একজন স্টার, সোনা।
আমার ছোট্ট শুটিং স্টার!
আবার বলো, ফ্রেড।
ইয়া আলী।
এত তাড়াহুড়োর কি আছে, হাহ? অ্যামোস মাঝরাতের আগে বাড়ি ফিরছে না।
ফ্রেডি?
ফ্রেড?
ভেবো না, আমি ঘ্যানঘ্যান করছি বা এমন,
কিন্তু ওনিক্সে তোমার যে বন্ধু আছে তার সঙ্গে আমার এবার দেখা করা উচিত না?
মানে, তুমি ওকে আমার কথা বলার পর এক মাস হয়ে গেল।
আমি জানি,
কারণ সেই রাতেই ভেলমা কেলি নিজের স্বামী আর বোনকে গুলি করেছিল।
জানো, লোকে বলে ও তাদের দুজনকে একসাথে বিছানায় দেখে ফেলেছিল।
আমি যদি কখনো অ্যামোসকে অন্য কারো সঙ্গে দেখতে পাই,
বুঝলে, আমি ওকে একটা পার্টি দেবো। একটা বিরাট বিদায়কালীন পার্টি।
দেরি হয়ে যাচ্ছে।
নিজের কাজ নিয়ে আমি অনেক ভেবেছি।
একটা ভালো আইডিয়া পেলে,
মাথা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আগেই ডায়েরিতে লিখে নিই।
জানো সেদিন হঠাৎ মনে হল,
সমস্ত দুর্দান্ত মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া অ্যাক্টেই
একটু আলাদা কিছু থাকে, বুঝলে?
নিজস্ব ভঙ্গিমা।
মনে হয় আমার অ্যাক্টে আমি একটু নির্লিপ্ত ভাব দেখাবো, বুঝলে?
ততটুকুই দেখাবো যতটুকু তাদেরকে উত্তেজিত আর ক্ষুধার্ত করে তোলে,
তারা সর্বদা আরও পাওয়ার আশায় অধীর হয়ে থাকবে।
একবার আমার নাম হয়ে গেলে, আমরা নিজস্ব একটা ক্লাবও খুলে ফেলতে পারি।
তুমি ক্লাবটা চালাবে আর আমি হব তার মুখ্য আকর্ষণ।
- এরকম করছ কেন? - জাগো, বাছা।
- তুমি কখনই কোনো অ্যাক্ট করবে না। - কে বলল?
তুমি দেখতে সুন্দর, ফুটে-কড়ির গায়িকা। আর আমি একজন ফার্নিচার বিক্রেতা।
হ্যাঁ, কিন্তু তোমার তো জানাশোনা রয়েছে।
- ক্লাবের ওই লোকটা। - সেরকম কোনো লোক নেই।
- সেই রাতে... - সেদিনই আমার প্রথমবার ওখানে যাওয়া।
ট্রম্বোন বাদকের কাছ থেকে বাজির টাকা নিতে গিয়েছিলাম।
তার মানে তুমি আমার ব্যাপারে কাউকেই বলোনি?
সোনা, তুমি একটা গরম মাল।
তার একটু স্বাদ পেতে আমি যা খুশি তাই বলেছি।
আর এখন? এখন?
আমরা একটু মজা করেছি। তাতেই খুশি থাকি না হয়।
ফ্রে !
আমার সাথে এমন করতে পারো না তুমি।
ছাড়বে আমাকে?
আবার আমাকে ছুঁলে, তোকে বেহুঁশ করে দেবো!
দাঁড়াও!
তোর স্বামী ফিরল বলে। স্নান করে নে জলদি, মাগী।
- তুমি একটা মিথ্যাবাদী, ফ্রেড। - হ্যাঁ, তাতে কী?
তুমি মিছে কথা বলেছ।
এটাই জীবন, সুইটহার্ট। এটাই জীবন।
হারামজাদা। আস্ত এক হারামজাদা তুমি!
তুই হারামির বাচ্চা!
চিন্তার কি আছে, স্যাল? কেসটার তো সমাধান হয়েই গেছে।
শুনছি শহরে এটা একটা নতুন রেকর্ড।
খুন থেকে স্বীকারোক্তি, একদম এক ঘণ্টায়।
অস্ত্রটা কোথায় পেলেন?
আমি অন্তর্বাসের ড্রয়ারে একটা পিস্তল রাখি। যদি কোনো সমস্যা হয়, এইজন্য আর কি।
আচ্ছা ঠিক আছে। এইখানে সাইন করুন, মিস্টার হার্ট।
অবাধে আর আনন্দে, অবাধে আর আনন্দে।
আদালতে আবার বলেন না যে আমরা জোর করে এটা আদায় করেছি।
- আমি নিজের ইচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছি। - বেশ হাসিখুশি একজন খুনি মনে হচ্ছে না?
একজন চোরকে গুলি করা খুন নয়।
গত সপ্তাহেই একজন জুরি এক ব্যক্তিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
আইন জানা নাগরিকদের প্রতি আমি সবসময় কৃতজ্ঞ। ওই ঘরে যান।
আপনিও।
বসুন।
ঠিক আছে। প্রথম থেকে।
একজন মানুষের নিজের বাড়ি ও প্রিয়জনদের রক্ষা করার অধিকার রয়েছে।
অবশ্যই আছে।
আমি গ্যারেজ থেকে বাড়িতে আসি আর দেখি ও জানালায় চড়ছে।
উ-হুহ।
এদিকে আমার স্ত্রী রক্সি ওখানে শুয়ে ঘুমাচ্ছে, ছোট বাচ্চার মতো।
এটা কি সত্যি, মিসেস হার্ট?
ঈশ্বরের দোহাই, এটা সত্যি। এতে আমার স্ত্রীর কোন হাত ছিল না।
একটা পোকাকে আঘাত করারও ক্ষমতা নেই ওর।
আমার প্রথম গুলি ছোঁড়ার আগে পর্যন্ত তো ও নিজের চোখও খোলেনি।
ওর ঘুম খুব গভীর।
ও সেন্ট প্যাডি'স ডে প্যারেড চলার সময়েও ঘুমাতে পারে।
ভেবে দেখুন কি হত যদি সোজা বাড়ি আসার বদলে
একটা বিয়ার খেতে যেতাম? ভাবতেই অসুস্থ বোধ হচ্ছে।
প্রথম নিবেদনে, মিস রক্সি হার্ট প্রেম ও অনুরক্তির একটি গান
শোনাতে চান, তার প্রিয় স্বামী, অ্যামোসকে উৎসর্গ করে।
গুলি করার পরেও, ও আমার দিকে এগোতে থাকে, তাই আমি আবার ট্রিগার টিপি।
ধরুন ও যদি আমার স্ত্রীকে বলাৎকার বা তেমন কিছু করত।
- বুঝতে পারছেন কি বলতে চাইছি? বলাৎকার? - আমি জানি।
অথবা অন্যকিছু। সেটা কত ভয়ংকর হত ভেবে দেখুন।
ভালো হয়েছে যে ঠিক সময়ে এসেছি। সেটাই আপনাকে বলছি!
আমি আপনাকে বলছি তো!
- মৃতের নাম, ফ্রেড কেসলি। - ফ্রেড কেসলি?
ও চোর হবে কেন? আমার স্ত্রী ওকে চেনে। ওই তো আমাদের আসবাবপত্র বিক্রি করেছিল।
আমাদের ১০% ছাড় দিয়েছিল।
আমার বউ বলেছিল ও একজন চোর।
- যখন বাড়ি ফিরলে ও মারা গিয়েছিল? - আপাদমস্তক ঢাকা।
আমার স্ত্রী আমাকে এই চোর সম্পর্কে একটা মনগড়া গাঁজাখুরি গল্প বলেছিল,
আর বলেছিল, এটা করেছি বললেও আমি ছাড়া পেয়ে যাবো।
বলল "আমাকে সাহায্য কর, অ্যামোস," "আমার এই দুঃসময়ে।"
No comments yet. Be the first to leave one.