Pierwsze 200 wierszy.
সাবটাইটেল পরিবেশনায় “অনুবাদে অনুরণন”
অনুবাদ ও সম্পাদনায় মাকসুদুল্লাহ আল তুহিন (আল মাকসুদ)
KING AND THE CLOWN
কোরিয়ার চোসান রাজবংশ, চতুর্দশ শতাব্দীর শেষদিকে উদিত হয়, বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিক পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
৫০০ বছরের অধিক স্থায়ী হয়, ২৭ রাজার অধীনে রাজত্বের অনন্যতা দুনিয়ার ইতিহাসে এখনো তুলনাহীন।
প্রতিটা রাজা আলাদা সেক্রেটারি নিয়োগ দিত যাদের কাজ ছিল রাজার হয়ে কাহিনী লেখা।
রাজা যাওয়ার পর, দরবারের ইতিহাসবেত্তারা এই সমগ্র রেকর্ড উত্তরপুরুষদের জন্য লিখতো, পরবর্তী রাজাদেরটা সহ।
এই লেখা সমগ্র রেকর্ড যার নাম "চোসান রাজবংশের রাজকীয় ইতিহাস" এখনো বলবৎ আছে।
এই গল্পের রাজা, ইতিহাস বলে, অত্যাচারী ছিল : এর আগের বা পরের কোনো রাজা এর সীমা পেরোয় নি।
তারপরেও, রেকর্ড তার সংবেদনশীলতা আর বুদ্ধিমত্তার পরিচয়ই দেয়।
যখন সে বাচ্চা ছিল, তার মা দরবারের কুমন্ত্রণায় পরে আত্মহত্যার আদেশিত হয়।
তার মৃত্যু ভবিষ্যৎ এর রাজার মনে ক্ষতের সৃষ্টি করে। সন্দেহ নেই, এই ক্ষত তার চরিত্রের অবক্ষয়ের পেছনে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেপ্টেম্বর ২, ১৫০৬ এ, সে গণ্যমান্য লোকেদের বিদ্রোহে সিংহাসনচ্যুত হন।
এখানে, কোলাহল থেকে অদূরে,
আমার পাখনার মত পা উড়ে বেড়াবে!
আহোয়! অদূরে কোন ফুল দেখিতে পাই পরিস্ফুট হতে?
তারপরেও মহামতিকে চিনতে পারছি না!
তো এটাই! মহামতি!
গোলাপের পাপড়ির মত ঠোট!
ও বন্ধু,
ফুল তুলতে তুলতে তোমার তবলায় করো আঘাত।
হি হ!
ওহে, ওহে, আসছে বোকা, বেপরোয়া আর অহংকারী!
শুনেছেন কী এমন বোকার কথা যে নিজের অবস্থান বোঝে না!
হো! অশান্ত জবান তার!
এ বাড়ির কর্তা আমি, লাগাতে এসেছিস বাজি!
ফাঁসিকাঠে ঝোলানো চোদনাই দেখতে পাচ্ছি আমি।
দিয়ে আনফিট কোট লুকাচ্ছে গায়ে পরে ঘা!
ওহ কণ্টকিত গোলাপ, রংধনু কী আমার জন্য নয়?
খুলে দাও দ্বার, আর দেখ আমি রাজার ভঙিমায় হাটছি।
ওহ, সত্যিই!
স্বর্গের দোহাই!
ভেবেছিলাম হাটবে তুমি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।
কিন্তু দৌড়ানোর চেয়ে কম ছিল না সেটা মোটেও!
শোনো শোনো দেশবাসী শোনো দিয়া মন,
বিচিতে টান ত লাগবেই আজ!
আর এখন, এই মেয়ে
বিস্মিত নয়নে দৌড়াচ্ছে।
ভয়ে নিজের মুখ লুকিয়ে, চেংড়ি মেয়ে।
ভেবেছিলাম ত নিচে পরে ভাঙবে পাজরের হাড্ডি।
কিন্তু খারাপ না!
যাইহোক, পা দুটো আমার প্রতিভাধর,
কিন্তু আসল খেলোয়াড় ত আমার ছোটভাই।
আর খেলা দেখাবো আজরাতে!
মাস্টার সালাম জানিয়েছে।
জমজ ডিম, ভেঙেছে, নাকি ফাটল ধরেছে?
জমজ ডিম ভাঙা এত সহজ নারে পাগলি...
গোড়ায় একটু চুলকোচ্ছে!
কিন্তু এখন, মুততে হবে আমার।
খেল দেখানোর আগেই!
কেন, গেয়ো ভুত!
তো তাহলে, করে দেখা যাক!
সুন্দর আইডিয়া! মানতেই হবে!
খাবারের কথা দিয়েছিলে।
আমরা কাঠবিড়ালি না!
শুকরিয়া করো যে গলাধাক্কা খাওনি!
যেও না, গং-জিল!
কিছু জিনিস বেচা উচিৎ না!
ছাড়ো। চলো!
এ কেমন জীবন?
জনাব বালের ধার্মিক, এহ!
থামো!
ছাড়! ছাড়!
গং-জিল যেতে চায়,
তো তোর কী সমস্যা?
গং-জিলকে চেতানো বন্ধ করো।
শালারপুত! বালের বাচ্চা!
না খেয়ে মারতে চাস?
নিজেই লাগা গে,
আর তোর বালের কথা বন্ধ কর এখন।
দেবো না!
হেই, দুনিয়ায় জোর যার মুল্লুক তার।
নিজের চরকায় তেল দাও।
তুই... তুই...
বেরোও।
কেউ সাহায্য করো!
ওঠো।
ছাড়ো।
ঠিক আছে, ভালো। একসাথে মরা যাক।
শুয়োরদের ধর! এখন!
পিছে যা!
পিছে যা!
খারাপই করছিস।
যেতে দাও আমাদের, প্লিজ।
ধরো তাদের।
পায়ে পরছি, যেতে দাও আমাদের।
শালারপুত। মুখ বন্ধ কর।
হারামী!
ছাড়, চোদনা!
হাটিস কীভাবে দেখি।
না!
হাত দাও।
ঠিক হবে?
কুত্তাটার মরাই উচিৎ।
আউচ... আউ...
হেই, দেখো কোথায় যাচ্ছো!
হেই, দেখো কোথায় যাচ্ছো!
চোখের মাথা খেয়েছ নাকি?
চোখ না, পা যাচ্ছে পাহাড়ের উপর দিয়ে।
হেই, খাং কানার মত কথা বলছো!
আর বং কানার মত দুর্গন্ধ আসছে!
ভালো! সুপ্রভাত কাকা!
আসো, আমি এখানে, আর তুমি ওখানে?
না, আমি এখানে, আর তুমি ওখানে।
না,আমি এখানে, আর তুমি ওখানে?
আমি এখানে। তুমি ওখানে।
- কোথায়? কোথায়? - এই যে। এই যে।
চলো সিওল যাই।
দুনিয়ার সবচাইতে সেরা খেলাটা দেখাবো এবার!
আউচ, অউ, আউ...
কী ব্যাপার?
অনেকদিন খাই না।
মাথা ঘুরাচ্ছে
আর চোখে দেখছি সরষে...
আর পারবো না।
-তো এটাই। -কী বলো বাছারা?
এই বোকা বলে,
টাকা নাই, খেলাও নাই।
আজকের মত শেষ করবো?
এই শহরের সেরা খেলোয়াড় আমরাই,
পেটের জন্য কাজ করছি মাত্র।
ধন্যবাদ, জনাব, ধন্যবাদ, ধন্যবাদ।
এই বালছালের জন্য সম্মানী আশা করো?
আসল জিনিস দেখতে চান নাকি আপনারা?
দেখাও কী বাল পারো।
সস্তা তিন নাম্বারী জিনিস, কিন্তু তারপরেও
প্রতিভাহীন নয়...
শহুরে ভাড় লক্ষ্য নিয়েই নেমেছে, দেখছি...
দু তিনটে জিনিস আমিও শিখাতে পারবো হয়ত।
দেখো আর শেখো, এহ?
খেলা হবে।
ওরকম প্রতিভাই অনেকদূর নিয়ে যাবে।
কিন্তু, বলতে কষ্ট হচ্ছে, এসবে হবে না
বাস্তববোধ সম্পন্ন দর্শক।
হয়তো অবসর নেওয়া উচিৎ।
তাই না?
এবার হবে যুগল-লম্ফ।
চোখের পাতা নাড়াবেন না নইলে মিস হয়ে যাবে, এহ?
কী অবস্থা, আমি ছয়রত্ন।
ও সপ্তধর আর ওটা অষ্ট মাথা।
বলো, সিওলের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনীর জায়গাটা কোথায়?
অনেকদিন হয়ে গেল তেমন নেই।
কেন?
জানো না বোলো না?
রাজা অর্ধেক শহর শুন্য করে দিয়েছে
তার শিকারের জায়গা দ্বিগুণ করতে।
আগের অর্ধেক জনগণ দিয়ে,
কোন মেলাটেলা হবে না।
কিন্তু আরেক ধরনের মেলা আছে...
গশ, হল কী! ৯ আছে আমার।
টাকা উড়াচ্ছি এমনভাবে
যেভাবে রাজা সতিদের সতীত্ব উড়ায়।
নাহ, অতটা এখনো পারি না।
এখন, দেখা যাক
ভবঘুরে নক-সুর মত আমি অতটা ভাগ্যবান নাকি।
কে নক-সু?
নক-সু মাগী?
মাগী রাজাকে স্কার্টের ভিতরে রাখে।
আগে, প্রতিটা ধনীকেই স্কার্টের ভিতরে রাখত।
যত ডাইমই আমি জিতেছি সোজা তার
থলিতে ঢুকেছে।
সেই ব্যাথাটা আবার পাবে!
৮ আছে!
তো আমার অংশ কোথায়?
কাল আবার করা যাক।
প্রথম খেলা মাত্র, তো, সর্দার ...
'সর্দার' ডাকলে রাগ করবেন?
তো, আজকের মত, আপনি...
কাল আরো টাকা বানাতে সাহায্য করলে...
আমি যা বলি করবে?
সর্দার, আদেশ দিতে শুরু করবেন না।
তো, প্ল্যানটা কী?
রাজার মজা লুটবো।
রাজার?
শোনোনি?
বেশ্যার সামনে, সব পুরুষই হাটু গাড়ে।
আমাদের সবার চাইতে রাজা ভালো?
রাজার বিছানা, সেখানেই বড় টাকা।
এক মিনিট।
নপুংসক খেলা খেলি না! বিচি আছে আমার!
বাজে কথা। ভুলে যাও, বাদ আমি।
- ওহ, মামা! - আরেহ!
না খেয়ে থাকার চেয়ে ভালো, মনে হয়।
যা!
দ্রুত!
"নেই।"
নপুংসক কিম,
বিচি নাড়িয়ে এত দ্রুত কোথায় যাওয়ার তাড়া?
হি হ!
নাড়াবো, ঘোরাবো! অবশ্যই, থাকলে ত আমার!
নাড়াতে নাড়াতে যাব!
অদ্ভুত ত,
আমি অবশ্যই বিচির শব্দ শুনেছি।
আমার বিচি ছিল, তাহলে?
ছিল না?
নক-সু, রাজার সঙ্গী।
- উনি কী রাজার সঙ্গী না? - অবশ্যই।
মেয়েটা করছেটা কী!
লোকে বলে,
নারী হয়েছে কিন্তু এখনো ঘোড়ার মত হাগে সে।
No comments yet. Be the first to leave one.