Pierwsze 200 wierszy.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
কারা এরা?
এদিকে তাকাও!
যদি এত ভয় পাও...?
তু...
কী?
গাড়িতে কী হচ্ছে?
তু...
জোরে বলো! শুনতে পাচ্ছি না!
তুই একটা... নর্দমার কীট!
প্রেসিডেন্ট সাহেব! প্রেসিডেন্ট সাহেব!
বং সু! বং সুক!
ম্যাডাম!
ঠিক আছ?
আমাকে বাঁচান!
বং সুক, আমার দিকে তাকাও।
- বংসু! - হু..?
এখন পরিস্থিতি বেশ গরম, তাই না?
হ্যাঁ, তাই...
একজন সাংবাদিক হিসাবে আমার মন বলছে, "এই সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না।" তাই, প্রস্তুত হও।
হু..? প্রস্তুত হব?
গাড়ির চাবি আছে তো?
আহ, চাবি..আছে।
আমরা দৌঁড়ে গাড়ির কাছে যাব...
তুমি আলোর বেগে গাড়ির কাছে গিয়ে গাড়িটা চালু করবে আর আমিও সেই বেগে গাড়িতে উঠে
দরজা বন্ধ করে দিব, আর মারব ছুট, তুমি প্রস্তুত?
একটু পরিবর্তন করা যাক। আপনি গাড়ি চালাবেন আর আমি...
সামনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিব...
যদি আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সই থাকত, তাহলে তোমায় কেন আনলাম?
- প্রস্তুত? - প্রস্তুত।
- চলো - চলো.. চলো...
আমরা এখন চলে যাচ্ছি। রাস্তা ফাঁকা কর।
- ধর ওকে। - না! না!
আমার গাড়িতে একটা আঁচড় পড়লে, এক্কেবারে কাইট্টালামু! দাঁড়া।
দাঁড়া হালার পুতেরা।
এই আমার গাড়ি চালাবি না!
দাঁড়া।
বেরই তো হতে পারছি না। কয়েকটাকে গাড়ির নিচে চাপা দিব নাকি?
আহ, ধুর।
আমার গাড়ি থেকে নাম!
ঘিরে ফেল! যেতে দিবি না।
গাড়ির চাবি দে।
এই! আবার কে?
আরে শালারে ধর!
এটা না ব্যে সং সুর গাড়ি?
দেখলে? এটা ব্যে সাং সু... না?
হচ্ছে কি?
ভাই! দয়া করে আমাদের পুলিশ স্টেশনে নিয়ে চলুন!
ঐ লোকগুলো... আমাদের
বং সু, কী হয়েছে? ব্যথা পেয়েছ?
এই ব্যাটা...দাঁড়া।
সকাল সকাল...অস্ত্র নিয়ে, কী করা হচ্ছে?
শা** মা**
গালির সাথে হুমকিও দিচ্ছিস... আবার দিয়ে দেখা।
এই শা** তো..
ডিটেকটিভ ইয়ুন, কেমন আছেন...
আপনি এখানে?
কী খবর? এখানে কী করস, নষ্ট মাল?
এরা সব তোর লোক?
আপনি ডিটেকটিভ?
আহ! হ্যাঁ, আমি পুলিশ সাইবার ক্রাইম ইউনিট থেকে, ওন ডং ইয়ুন।
কী যেন বলছিলে?
আমারও কিছু প্রশ্ন আছে।
আহ! হ্যাঁ....
বং সু! বং সু?
কোথায় গেল?
এখন কোথায় সে?
দ্যে ইয়ং এখন আন্ডারপাসের দিকে যাচ্ছে।
ওকে এক্ষুনি গুদামের দিকে যেতে বলো।
দ্যে ইয়ং, শুনতে পাচ্ছিস?
আজ তুই শেষ।
...গাড়ি থামা!
থামাবি না?
আমি তো গুদামের সামনে, ভাইয়া, তুমি কোথায়? এখন কোনদিকে যাব?
থামব নাকি চালাতে থাকব?
আহ! কথার উত্তর দাও না কেন?
কে তুই?
- তুই মেয়ে! - ভাইয়া
কখন আসবে? তাড়াতাড়ি আসছ না কেন!
শালী পাগল নাকি...
চুপ কর! চুপ কর!
আহ! সত্যি, আমাদের শক্তির অপচয় করার কী দরকার।
আমি শুধু কিছু কথা বলে চলে যাব।
তুই তো হিলার, তাই না?
এক্কেবারে অরিজিনাল পিস।
তাহলে, তুই-ই সেদিন "একদিন" পত্রিকার রিপোর্টারকে বাঁচিয়েছিলি। তাই না?
একদম ঠিক বলেছিস।
মাদা**র মতো কাজ করেছিস...
একজন কোম্পানির "সিইও" হয়ে...
এসব খারাপ কথা মুখে আনতে লজ্জা করে না?
মেয়েটার সাথে মেলামেশা করছি কারণ...
ওকে টোপ হিসাবে ব্যবহার করছি।
- টোপ! - তোর সাথে দেখা করতে চাইছিলাম তাই।
জানতাম, তুই রিপোর্টারকে ফলো করছিস।
তাই আমিও মেয়েটিকে ফলো করা শুরু করলাম।
আর দেখলি! তুই ধরা পড়ে গেলি।
শালা মাদা**.. আমার সাথে দেখা করতেই চাচ্ছিলি যখন, আমার অফিসে আসলেই তো পারতিস।
কী করছিস?
রোজ এই ফোন ব্যবহার করিস!
- এই না! এই! - হাসবি না ফহিন্নি।
ভিআইপি মাল, মনে হচ্ছে ফিংগারপ্রিন্ট লক আছে।
লক প্যাটার্ন কী?
ভাবছিস এতো সহজেই বলে দিব?
আহ, খোদা!
তোর সাহস তো...
দেখা যাক! তোকে হাতকড়ায় কেমন দেখায়।
এখন তোর হোমপেজে আপলোড করব। তোর ফলোয়ারদের নিশ্চয়ই এটা পছন্দ হবে।
শিরোনাম, "হিলারের কাছে ধরা খেলো..."
- সামনে! সামনে! সামনে তাকা! দয়া করে সামনের দিকে দেখবি কি?
একটু সময় খরচালেই প্যাটার্ন ডিকোড করতে পারব, কিন্তু এত ভ্যাজাল করতে চাচ্ছি না বলে তোকে জিজ্ঞেস করছি।
একটু আগেই যে ছবিগুলো তুললাম
সেগুলো ডাবল এস গার্ডের হোমপেজের গ্রাহক সাইটে আপলোড করব?
প্যাটার্নটা বলে দে....
V1, আগে V, তারপর 1..
V1...
হয়ে গেছে...।
তোর কন্ট্যাক্ট লিষ্টে মাত্র একজনের নাম্বার..! "বস্ "
- ওটা আমার প্রমিকা... কেন? কী হয়েছে? - রেকর্ডিং....
ওয়াও, এই তো! এটাই তো আশা করছিলাম। তাহলে তুই এভাবে ব্যবসা করিস।
সবসময় গ্রাহকদের কথোপকথন রেকর্ড করিস।
অন্য কথায়, বাইরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট। সাম্প্রতিক রেকর্ডিং গুলো শোনা যাক তাহলে...
আপনি একটা কাজ দিয়েছিলেন।
ঐ কুরিয়ার বয় হিলারকে খুঁজে, ওর ব্যবস্থা নিতে বলেছিলেন।
মনে হয় ও রিপোর্টারের সাথে কানেক্টেড। - এই...এই..!
আরে, আমরা একই ফিল্ডে কাজ করি। ব্যবসার নীতিমালা বলেও তো কিছু আছে!
তা ঠিক, অবশ্যই। কিন্তু আমার এসব নেই।
ব্যাটা তুই পুরাই নষ্ট মাল। এই, মদনা
তোর নাম হিলার আর তুই এই অন্ধকার জগতে বিখ্যাত...তাই না?
আর আমাকে হুমকি দিচ্ছিস...
তুই কি কাপুরুষ? হু..?
যু ইয়ন হি কোথায় আছে বের করেছ?
আমরা নিশ্চিত ঐ রিপোর্টার জানে সে কোথায় আছে।
- আমরা এখনই সেটা খুঁজে বের করব। - হিলারের কী করবে?
যেহেতু আমরা এখন জানি ওকে কীভাবে টোপ গিলাতে হবে, সেহেতু ওকে সেভাবেই শায়েস্তা করব।
করো, তাহলে। কাজ শেষে ফোন কোরো।
এই লোকটা...কে?
কেন? না বললে কী করবি?
তাদের একজন, তাই না?
যদি ওর ব্যাপারে না বলিস,
তোর বসকে কল করে সরাসরি জিজ্ঞেস করব.....
আর এখনই ছবিগুলো পাঠিয়ে বলব....
"হ্যালো, আমি হিলার"
"সাং সু'র থেকে শুনলাম,"...
"আপনি নাকি আমার ব্যবস্থা নিতে বলেছেন"।
ফোন করব? আহ! সরি রে, মনে কষ্ট নিস না।
কী করব বল?...
তোকে আবার হুমকি দিব?
...সাং সু?
হ্যাঁ?
ওহ! আচ্ছা..
ওরা পুলিশ স্টেশনে পৌঁছে গেছে।
সে যে, যু ইয়ন হি এতে কোনো সন্দেহ নেই।
আমি মিডিয়া-সাংবাদিকদের কাছে বিবৃতি প্রচারের কথা বলেছি।
রিপোর্টটি প্রথমে অনলাইন সাইটগুলোতে প্রকাশ পাবে।
এটা প্রথম বা দ্বিতীয়বার নয়, তাই কাজটা তারা ঠিকঠাকভাবেই করবে।
- নাও..। - ধন্যবাদ।
প্রেসিডেন্ট হোয়াংয়ের বাড়িতে গিয়েছিলে
তার ইন্টারভিউ নিতে, তাই তো?
হ্যাঁ, কিন্তু সেখানে গিয়ে...
দেখলাম সে তার কোম্পানির এক অভিনেত্রীকে মারছিল।
আমিও প্রায় এর শিকার হতে চলেছিলাম।
সেখানে তো তাহলে অনেক মানুষ থাকার কথা, তাদের কাউকে চিনতে পারোনি?
আহ! ঠিক। এর মধ্যে, কিছু শয়তান আমাকে অপহরণ করতে চেয়েছিল।
অপহরণ? - ওদের একজন, একটা খেলনা নিয়ে সারাক্ষণ খেলে। এইভাবে, ঐ লোকটা।
সেই লোকটাই গতকাল আমাকে আক্রমণ করেছিল।
আসলে, আমি একটি রিপোর্ট দায়ের করেছিলাম।
কিন্তু, ঠিক বুঝতে পারিনি, তারা কারা ছিল।
এখন তাদের চিনতে পেরেছি। আমি কৃতজ্ঞ থাকব যদি আপনি এই ব্যাপারটা সামলে নেন।
আপনি তো হোয়াং জে গুকের আন্ডা পান্ডার ঠিকানা জানেন।
তোমার কথাগুলোর সত্যতা দিতে পারে, এমন কেউ আছে?
অবশ্যই, আমার সহযোগী সবকিছু দেখেছে। সে আমার সাথে ছিল।
সে তো মাইরও খায়ছে।
মার খেয়েছে? কোনো মেডিকেল রিপোর্ট আছে?
- আহ, ঐ ... - তুমি কি সেই লোকের কথা বলছ যে আমার গাড়িটা নিয়ে গেছে?
অহ, হ্যাঁ, ও তো একটা ভেজা বিড়াল।
ওর বদঅভ্যাস আছে, ভয় পেলেই কোথাও পালিয়ে যায়।
পুরাই বাচ্চাদের মতো।
আচ্ছা কোনোভাবে...
গো সেওং ছুলকে চিনো?
কে?
চিনো না?
কোনো হিন্ট দিতে পারবেন...
যাইহোক, রিপোর্টার ছে ইয়ং সিন, তুমিই তো কিছুদিন আগে
এই আর্টিকেলটা লিখেছিলে, তাই না?
হ্যাঁ, তা ঠিক।
পরবর্তী আর্টিকেল লেখার জন্যই প্রেসিডেন্ট হোয়াংয়ের সাথে দেখা করতে গেছিলাম।
আর ভিক্টিম J এর পূর্ণরূপ যু ইয়ন হি, তাই না?
বাহ! ডিটেকটিভ, আপনার তদন্ত দক্ষতা তো অসাধারণ।
আমার প্রশংসা করতে হবে না।
এই মহিলার উপর মামলা করা হয়েছে।
আর হোয়াং জে গুক এই মামলাটা করেছে।
হোয়াং জে গুক, ঐ শয়তানটা? সে করেছে মামলা?
কেন? কীসের জন্য?
সে একদিন পত্রিকার বিরুদ্ধেও মামলা করেছে।
রিপোর্টার ছে ইয়ং সিন, তোমার প্রধান সম্পাদক সহ সবাই এতে সম্পৃক্ত।
দাঁড়ান আগে সব খোঁজ নিয়ে দেখি।
হোয়াং জে গুক যু ইয়ন হি
"পুলিশ সিভিল অভিযোগ ডেস্ক"
এই যে শুনছেন..
শুনছেন.. আমাদের আর কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে?
No comments yet. Be the first to leave one.