Pierwsze 200 wierszy.
আগের চাকরিটা কি দুমাস আগে ছেড়েছেন?
সেখানে ৮ বছর ধরে কাজ করেছি। সম্প্রতি কাজটা ছেড়েছি।
বেশ কয়েকবছর সেখানে ছিলেন। তো ছেড়েছেন কেন?
সত্যি বলতে,
কোম্পানিটা পুনর্গঠন হচ্ছিল, তাই স্বেচ্ছায় রিজাইন করেছি।
তাদের সাথে ৮ বছর কাজ করেন... একই পজিশনে ছিলেন?
হ্যাঁ।
আপনার বয়স...?
জ্বী, ৩২!
সম্প্রতি চাকরি ছেড়েছেন?
আসলে, স্বেচ্ছায় ছেড়েছি...
বুঝেছি... আর বলা লাগবে না।
সুজিন।
একটা কথা বলি?
হ্যাঁ।
ক্যাফেটা বিক্রি করে দিবো ভাবছি।
তাই নাকি?
বোধহয় তোমার আগ্রহ আছে?
বাইরের লোককে দেয়ার চেয়ে তোমাকে দিলে বেশি ভালো হতো...
নিজের দোকানের জন্য অনেকদিন তো অপেক্ষা করেছো, নাকি?
বেশ... আমার বাগদত্তার সাথে কথা বলতে হবে...
অবশ্যই, সময় নিয়ে জানাতে পারো।
ঠিক আছে।
এসেছিস?
খেয়েছিস?
আপু, কিছু টাকা হবে?
গত সপ্তাহে না একশো দিলাম।
এরমধ্যে খরচ হয়ে গেছে?
একশো ডলারে কী হয়?!
ইয়ন-উও! এভাবে টাকা নষ্ট করতে পারিস না!
বেশ, লাগবে না তোমার টাকা।
খাবি না?
এতো তাড়াতাড়ি চলে এলে! কাজ থেকে তাড়াতাড়ি ফিরেছো?
হুম? হ্যাঁ...
- ঠাণ্ডা না? - খুব একটা না।
এই!
আবারও বাইরে যাচ্ছিস?
কেমন আছো?
ভদ্রতা বলতে কিছু নেই?!
স্যরি...
কী ব্যাপারে কথা বলতে চাও?
দোকান?
হ্যাঁ! কিছু টাকা জমিয়েছি...
আর তুমি কিছু লোণ নিলে, হয়ে যাবে...
দারুণ সুযোগ...
এখন... না।
প্লিজ, ভেবে দেখো?
না, আমি চাই না...
সুজিন... পরে কেনা যাবে।
আমাদের বিয়ের জন্য আগে প্রস্তুত হতে হবে...
পরে...
কিন্তু, মিনসু...
না... বারণ করলাম তো!
বুঝেছি...
ঠিক আছে।
কয়েকদিন বাদে না কর্মচারী পাল্টাবে?
হ্যাঁ।
এবার নিশ্চই প্রমোশন পাবে!
তা নিয়ে ভাবতে হবে না...
স্যরি আমার বাগদত্তা চাচ্ছে না এখন...
স্যরি বলতে হবে না...
যদিও তোমার দুর্ভাগ্য...
তোমাকে কম দামে দিয়ে দিতে চেয়েছিলাম...
হ্যাঁ, অফারের জন্য ধন্যবাদ...
স্বাগতম।
দুমাস আগে চাকরি ছেড়েছেন?
হ্যাঁ। আসলে এর জন্য...
৮ বছর কাজ করেছেন... কিন্তু, কোনো প্রমোশন পাননি?
আপনার পরিস্থিতি বুঝতে পারছি...
কিন্তু, আমি পারবো না।
ইদানীং ব্যাপারটা জটিল। এই মুহূর্তে কেউ নিয়োগ দিচ্ছে না।
হ্যাঁ, জানি।
কিন্তু এজন্যই আপনার সাহায্য চাচ্ছি।
বিষয়টা এতো সহজ নয়...
প্লিজ, স্যার...
আসলে, ডেভেলপমেন্ট টিমে একটা ফাঁকা জায়গা থাকতে পারে...
দেখি কী করতে পারি। তবে, আশাহত হবেন না।
ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ লাগবে না।
কবে নাগাদ ব্যবস্থা হবে?
সর্বোচ্চ এক কি দুই মাসের মধ্যে।
দুই মাস?
তার আগে সম্ভব না?
দুমাস লাগলেও আপনার কপাল খুলে যাবে!
একটা এপয়েন্টমেন্ট আছে।
জানাবো আপনাকে, ঠিক আছে?
অপেক্ষায় থাকবো!
হ্যাঁ?
রিয়ালটি থেকে এসেছি...
হ্যালো। মালিক...?
ভিতরে আছে।
আসুন।
ঠাণ্ডা।
এখানে একটু বেশিই ঠাণ্ডা। বিল্ডিং কি পুরনো?
আমরা খুব কম দাম চাচ্ছি।
এইযে, বর্তমান দর দেখুন...
আমার মনেহয় আপনি পুরোটা দেখতে পাচ্ছেন না।
মালিক নিজের হাতে সম্পূর্ণ ক্যাফে সাজিয়েছে।
এইযে দেখুন... ম্যাম...?!
ম্যাম?
হ্যাঁ?
আমি কতো দিলে ক্যাফেটা ছাড়তে পারবেন?
স্যরি...
কিছু হয়েছে?
না...
তো, আজকে চুক্তিপত্রে সাইন করেছো...?
হ্যাঁ, তোমার নামে লোণ নিলে কাজ হয়ে যাবে...
আর সুযোগটাও বেশ ভালো...
আমাকে আগে বলতে পারতে...
সারাদিন তোমার ফোন অফ ছিল...
পরিষ্কার হয়ে আসি।
সুজিন।
তোমার সাথে কথা আছে।
চাকরি চলে গেছে?!
অপদার্থ...
- সাইন করলে কেন... - সারাজীবন চাকরানী হয়ে থাকবো?
চাকরি যাওয়ার কথা বলোনি কেন?
- আরেকটা জুটিয়ে ফেলছিলাম... - ব্যাস।
সুজিন!
বলেছিলে, তিন বছর জমালে হয়ে যাবে।
কিন্তু, পাঁচবছর হয়ে গেল। আমার কোনো বন্ধুর টাকার চিন্তা নেই!
তারা বিয়ে করে, শখের বাড়িতে থাকছে।
কখনো একটা ডিজাইনার ব্যাগ পর্যন্ত কিনে দিতে পেরেছো?!
হুঁশে ছিলাম না... এখন হুঁশে ফিরেছি।
সুজিন!
আমাদের মধ্যে যা ছিল সব শেষ!
চাকরি যাওয়ার কথা বলিনি বলে স্যরি!
কিন্তু কসম কেটে বলছি, ক্যাফের টাকা ম্যানেজ করে দিবো।
কী?
এই মাস শেষ হওয়ার আগে ৩ লাখ ডলার কীভাবে জোগাড় করবে?!
তুমি পঙ্গু হয়ে গেলেও সাথে থাকতে পারবো।
কিন্তু সর্বস্বান্ত হলে, সেটা সম্ভব নয়।
বলছি তো জোগাড় করে দিবো!
দাঁড়াও!
দেখি তো...
১৫০
১৫০? এটা তো একদম নতুন!
দাগ দেখছো না?
কোথায়? একেবারে ঠিক আছে...
তাহলে সেটা অন্য কোথাও নিয়ে যাও।
১৫০, ৫০,
৪০, ৩০
এই পুরনো মাল কোত্থেকে আনলে?
মশাই! আজকালকার দিনে সব জায়গায় সিসিটিভি থাকে।
তাছাড়া, আমি আপনার নিয়মিত লোক।
৫
সব মিলিয়ে...
৩০৫ ডলার।
সবগুলো ভালো মোবাইল। ৩০০ অসম্ভব।
কে বললো ৩০০? ৩০৫ বলেছি!
মশাই!
বেশ, অন্য খরিদ্দার খুঁজে নাও!
দরজা খুলে দাও!
তাড়াতাড়ি!
সমস্যা নেই, আসো। ও আমারই লোক।
যেখানে পার্ক করতে বলেছি সেখানে করেছো তো?
হ্যাঁ।
ভালো।
গাড়ি দেখে আজকের মধ্যেই জানিয়ে দিবো কত দেয়া যাবে।
- ঠিক আছে। - ভাল করেছো।
এই নাও, ৩০৫ ডলার।
গাড়ির ক্ষেত্রে কত দেন?
- স্বপ্ন দেখে যাও। - হ্যাঁ?
ভেবেছো যে কেউ গাড়ি চুরি করতে পারে?
তাও আবার তোমার মতো এক হাঁদারাম?
ক্যামেরা আছে, পুলিশ আছে...
ধরা খেয়ে যাবে।
- কত বলেন না? - বাদ দাও।
তোমার কারণে জেলে যেতে চাই না। মোবাইল চুরিতে মন দাও।
ভালো মানিয়েছে।
বোধহয় এরকম কাজ আগে কখনো করেননি...
কী করতে হবে বলুন, সাধ্যমতো চেষ্টা করবো।
ঠিক আছে, তাহলে। কাজে লেগে পড়ুন।
- এই বাবু! - জ্বী, স্যার।
ওনাকে কী করতে হবে দেখিয়ে দাও।
আমার সাথে আসুন...
মুরগির মাংসের গন্ধ?
এয়ার ফ্রেশনার কাজে দিবে।
ধন্যবাদ।
ড্রাইভার সার্ভিস।
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
ড্রাইভার চেয়ে কল করেছিলেন?
২০ না?
হ্যাঁ।
এক, দুই।
ধন্যবাদ।
ড্রাইভার সার্ভিস। ও, হ্যাঁ...
এভাবে হওয়ার কথা...
ইয়ন-উও!
কী করছো?
কিছু রয়ে গেছে ভিতরে? চাবি কোথায়?
তোমাকে ভাবতে হবে না।
সাহায্য লাগবে?
- আমাকে দাও। - না, ঠিক আছে!
দাও তো।
একটা বীমা কোম্পানিতে কাজ করতাম।
প্রায়ই ক্লায়েন্টরা চাবির কথা ভুলে যেতো। আমি খুলে দিতাম।
কীভাবে করলে?
আপু কোথায়?
তোমার ব্যক্তিত্ব বেশ সুন্দর।
No comments yet. Be the first to leave one.