Pierwsze 200 wierszy.
একটু বিশ্রাম করে নাও, ছোট ভাই।
গত দু-রাত হলো এক মিনিটও ঘুমোওনি।
এই নাও।
বলছি, এই অগ্রগতির জন্য আমি খুব খুশি।
আমরা খুব কাছাকাছি।
এটা তো সবে শুরু, স্যার।
এখন শুধু আমদের অন্তহীণ ডেটার প্রবাহ চাই।
যদি তা সম্ভব হয়,
তখন এই মেশিন মানুষের ব্যবহার...
তার আচরণ, তার ইচ্ছা এবং তার ভাবনা সবকিছুর ভবিষ্যদ্বাণী করবে।
ব্রহ্মার মতো সময়ের আগে দেখতে পাবে।
আমার একটা উদ্বেগ সবসময় ছিলো।
এই প্রযুক্তি একটা দ্বি-ধারী তলোয়ার।
যদি এটা কারও আচরণের পূর্বাভাস দিতে পারে,
তাহলে ম্যানিপুলেট করতেও সক্ষম।
ভুল হাতে...
এটার কতটা বিপদজনক হতে পারে আমারা কল্পনাও করতে পারবো না।
সুতরাং, আমাদের একটা ফেল-সেফ নকশা তৈরি করতে হবে।
তা ছাড়া এটাকে সম্পূর্ণরূপে চালু করা
বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।
একটা কাজ করি।
আমার উপর একটা পরীক্ষামূলক সিমুলেশন ট্রায় করা যাক।
চলো, দেখি আমার ভবিষ্যতে কি আছে।
মেশিনে আমাদের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অবজারভেশন রয়েছে।
আমাদের ভবিষ্যৎ ভবিষ্যদ্বাণী খুব সহজেই হয়ে যাবে।
দেখা যাক।
ফালতু।
একটু বিরতি নাও।
সর্বানন্দ, এই মেশিন...
এখনও নিখুঁত থেকে অনেক দূরে।
একটু আগে এর ভবিষ্যদ্বাণী দেখলে না?
আমাদের লক্ষ্য কী?
মানুষের সম্ভবব ভবিষ্যত জেনে
সমাজে হওয়া অপরাধ, সহিংসতা
এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ থামানো।
বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা
যাতে আমরা সমাজটা পরিবর্তন করতে পারি।
কিন্তু সহানুভূতি এবং নৈতিক উপলব্ধি ছাড়া,
এটা সম্ভব না। একদম না।
আমারও লক্ষ্য এটাই।
কিন্তু পথ ভিন্ন।
নৈতিকতা আমার কাছে শো-অফ ছাড়া কিছু নয়।
আপনি মানবজাতির উন্নতি করতে চান।
তবে উন্নতি তখনই সম্ভব
যখন বাস্তবতা স্বীকার করবো।
আমি এক নতুন বিশ্ব সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছি।
এই মেশিনের সাহায্যে পরিকল্পনাটি সফল করা সম্ভব।
- আমি তো মানবতার সেবা করতে চাই। কিন্তু তুমি... - অধ্যাপক রাও,
বিশ্বের নতুন অর্ডার প্রয়োজন।
আর আপনি তা থামাতে পারবেন না।
এর মধ্যে কী?
গুরুদক্ষিণা।
আপনি কলীকে তার অদম্য অস্ত্র দিয়েছেন।
গুরুদক্ষিণায় আপনাকে মুক্তি তো দিতেই পারি।
বঙ্গানুবাদে : আরুশ আরিয়ান সম্পাদনায় : সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক
- দুঃখিত, নুসরাত। - জয়া, প্লিজ।
আমি এই মামলায় থাকার অনুমতি আমি দিতে পারবো না।
প্লিজ, জয়া। আমার প্রয়োজন...
দেখো, তোমার বিরতি প্রয়োজন।
এই মামলা থেকে কয়েকদিন দূরে থাকো।
- এতেই তোমার ভালো হবে। - ভালো হবে?
দেখো, এটা শুধুমাত্র মামলা নয় আমার জীবন।
সিবিআই অফিসার রসুল শেখ মামলার খোলাসা
এবং তার মৃত্যু পর,
সিবিআইকে সবাই সন্দেহের চোখে দেখছে।
সরকারি সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা দিন-দিন কমে যাচ্ছে।
যেকোন প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বাস করা কঠিন,
- আর্থিক কিংবা... - বাজারের পতনের সাথে,
সিবিআই ঘোষণা করেছে এই সপ্তাহ বাজার বন্ধই থাকবে।
পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আগামী সপ্তাহে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অনেক পুলিশ কর্মকর্তার মতে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
সরকার কে 'ইমার্জেন্সি' জারি করতেই হবে।
বিপর্যস্ত বাজারের কারণে ১০০ জনেরও বেশি আত্মহত্যা করেছে।
সর্বত্র মৃত্যু।
সম্ভবত আমাদের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকার সময়।
আমি এই ব্যর্থতার সম্পূর্ণ দায় নিতে প্রস্তুত।
- আমি পদত্যাগ করতে প্রস্তুত, স্যার। - কেউ পদত্যাগ করবে না।
হুম?
আমরা হেরে গেছি, স্যার।
সব শেষ।
একদম ঠিক।
আমরা পরাজিত। আমরা হেরে গেছি।
আমরা বন্ধু-বান্ধব হারিয়েছি,
সহকর্মী, আমাদের পরিবার...
কিন্তু এখন,
আমাদের জয়ের পালা।
কারণ আমাদের হারানোর কিছুই নেই।
আর যখন হারানোর কিছুই থাকে না, তখন একমাত্র জয় আমাদের নিশ্চয়তা।
আমরা এটা করতে পারি।
চলো, আমরা ভুল করেছি।
সেই ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিবো।
এটা হবে আমাদের সেরা শট।
কি মনে হয়, আমরা কোথায় ভুল করেছি।
স্যার, আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
শুভ আগে থেকেই সবকিছু জেনে যায়।
ইতিমধ্যেই ভবিষ্যদ্বাণী করে ফেলেছে।
তাকে হারাতে হলে আমাদের তার থেকে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে হবে।
আমরা কি করছি সে জানার আগে সে কি করছে আমাদের জানতে হবে।
শুভ ভবিষ্যত জানার জন্য, সে আমাদের ডাটা ব্যবহার করে।
একদম। তার কাছে আমাদের সকল তথ্য আছে, কিন্তু আমাদের কাছে নেই।
আছে।
আমাদের কাছে ডাটা নেই।
তবে অ্যাকশন আছে।
এসবের ভিত্তি-তে তার দৃষ্টিভঙ্গি জানা যাবে।
তার কাজ শুধুমাত্র মানুষ হত্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
সে তার কুৎসিত সত্য সমাজে উপস্থাপন করতে চায়
বিশ্বকে দেখাতে চায় যে প্রিন্সিপালকে সে দেখতে পারে না,
তারা কতটা শূন্য।
তার প্রতিটা আক্রমণ একেকটা প্যাটার্ন।
যদি প্যাটার্ন অনুসরণ করা যার, তাহলে আমরাও অনুমান করতে পারব
কি তার পরবর্তী পদক্ষেপ।
তো, আপনি বলছেন
অসুর বা শুভ যাই হোক আমাদের ভাবনা, কি করব
আগে থেকে জানতে পারে?
এই লোক আমাদের গণতন্ত্রের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে।
আর আপনি তার জাদুর গুণ গান গায়ছেন!
- আমাদের কি কিচ্ছু করার নেই! - স্যার,
ইতিহাসে যখনই কোনো সভ্যতার পতন ঘটে
তা একই প্যাটার্ন হয় নৈরাজ্যের পাঁচটি পর্যায়।
প্রথম পর্যায়, অস্বীকার।
রাষ্ট্র ঝুঁকির অবমূল্যায়ন।
সে নতুন যুগের টেরোরিস্ট।
শুভকে
সিরিয়াল কিলার বা টেরোরিস্ট ভাবা ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল।
আদি!
খুন, ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধের মাধ্যমে,
সমাজে সন্দেহ ছড়িয়েছে।
এতটা বড় হামলার পরিকল্পনা করেছিল যাতে মামলার দায়িত্ব এটিএফ নেয়।
দ্বিতীয় পর্যায়, প্রতিশোধ।
আমরা তাকে ধরার জন্য আক্রমণাত্মক পদ্ধতি-তে চেষ্টা করেছি।
কিন্তু এসব তার পরিকল্পিত ইভেন্ট ছিল।
শালিনী। হরিবংশ।
আকবর মির্জা। আর সবশেষে অর্জুন ভাল্লা।
সে আমাদের মাধ্যমেই আমাদের আর্থিক ব্যবস্থার পতন ঘটিয়েছে।
তৃতীয় পর্যায়, আলোচনা।
এখন আমি দশটা গুনবো।
যদি আমি অ্যাক্সেস না পাই...
নুসরাতের মামলায় আমরা তার সাথে আলোচনা করার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সেটা ছিল ফাঁদ।
রাসুলের মৃত্যু নিশ্চিত ছিল, কিন্তু এজন্য আমাদেরকে খলনায়ক বানানো হয়েছে
যাতে মানুিষের আমাদের...
- স্যার! স্যার! - ...সরকার
...আর বিচার ব্যবস্থা থেকে বিশ্বাস উঠে যায়।
চতুর্থ পর্যায়, যুদ্ধ।
আমরা এখন এরমধ্যে আছি। মানুষ একে অপরের শত্রু হয়ে গেছে।
সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলা।
এবং
পঞ্চম পর্যায়?
নৈরাজ্য।
এটাতে হয় শুভ জিতবে নয়তো রাজ্য।
আমাদের পক্ষে উভয় দিক সামলানো সম্ভব নয়।
কারণ যুদ্ধের জন্যই রাষ্ট্রে নৈরাজ্যের সৃষ্টি হয়।
সুতরাং, এখান থেকে
কে হারালো তাতে কিচ্ছু যায়-আসে না,
নৈরাজ্যের জয় হবে।
- চিয়ার্স! - চিয়ার্স!
"শুভ জন্মদিন!"
"শুভ জন্মদিন!"
এই!
- হ্যালো। - মনোযোগ দিয়ে আমার কথা শোনো, পল।
আমি ৫০ জনকে জিম্মি করে রেখেছি।
কিন্তু এই ৫০ জনের বাঁচা
বা মরার সিদ্ধান্ত
তোমাদের হাতে।
তুমি কে? কী চাও তুমি?
আমি কে
তাতে কিচ্ছু আসে-যায় না।
আমি কি চাই, সেটা শোনো।
আমি সেই ব্যক্তির সাথে কথা বলতে চাই
যে এসকল সমস্যার মূল।
ধনঞ্জয় রাজপুত।
ব্রেকিং নিউজ!
এক নতুন পরিস্থিতি সৃষ্টি।
প্রায় ৫০ জনকে জিম্মি করেছে ছয়জন অস্ত্রধারী
দিল্লির কনট প্লেস এলাকায় ক্যাফে রোজমেরি-তে।
সূত্রে জানা গেছে, ছয়জন শিশু-ও রয়েছে
এবং ১৫ জন মহিলা।
জিম্মিরা এখন নিরাপদ।
আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি, কিন্তু
তাদের নেতা বলছে, সে শুধুমাত্র আপনার সাথে কথা বলবে।
- ধনঞ্জয় রাজপুত বলছি। - ধনঞ্জয় রাজপুত!
তবে তুমি নিজের নাম যমরাজও রাখতে পারতেন।
যেখানেই যাও মানুষ মারো।
কী চাও?
অর্জুন ভাল্লা।
আপাতত শুধুমাত্র 'সে'।
বাকি দাবিগুলো পরে জানাবো।
চেষ্টা করবো, গ্যারান্টি দিতে পারছি না।
অর্জুন ভাল্লাকে হেফাজতে রাখা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলতে হয়।
নিজের মন্ত্রণালয়কে বলে দাও, যদি আমরা তিন ঘণ্টার মধ্যে অর্জুন ভাল্লাকে না পাই,
আমি এখানে মানুষ মরা শুরু করব।
চুপ!
ধনঞ্জয় রাজপুত, তিন ঘণ্টা আছে তোমার কাছে।
এটিএফকে বলো, অপহরণকারীর অর্জুন ভাল্লাকে চাই।
তাদের দাবি আমরা এতো সহজে মানতে পারি না।
আমরা দাবি মানছি না।
ভাবার সময় দরকার।
দেখুন, মিলিয়ন বার বলেছি।
No comments yet. Be the first to leave one.