Pierwsze 195 wierszy.
(এডওয়ার্ড): পাউডার।
-কোকেনের দিকে তাকালে এসবই দেখবে তুমি।
-কিন্তু আরেকটু গভীরভাবে তাকালে একটা বিশাল নেটওয়ার্ক দেখতে পারবে
-ক্রেতা, বিক্রেতা, দালাল আর ব্যবহারকারীরা
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে অদৃশ্য ভাবে জড়িত।
আমরা পছন্দ করি বা না করি।
তুমি কি ভালবাসায় বিশ্বাসী?
ভালোবাসার পরিসমাপ্তি ঘটে।
-তোমার হৃদপিণ্ডে কি তোমার বিশ্বাস আছে?
তোমার হৃদপিণ্ড কাজ করা থামিয়ে দেয়।
ভালোবাসাতেও নেই আর হৃদপিণ্ডতেও নেই?
-তো তুমি "কনো"য় বিশ্বাস করো, তাই না? পুসিতে।
-এমনকি পুসিও শুকিয়ে যায় কিছুক্ষণ লাগানোর পরে।
তুমি তোমার স্ত্রীতে বিশ্বাস করো?
যেইমাত্র টাকা ফুরিয়ে যায়, সে বলবে তুমি তাকে অবহেলা করছো।
তুমি তোমার বাচ্চাকাচ্চাতে বিশ্বাস করো?
যে মাত্র তুমি তাদের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেবে,
তারা বলবে তুমি তাদেরকে ভালোবাসো না।
তুমি তোমার "মাম্মা"তে বিশ্বাস করো?
তুমি তার দেখভাল না করলে, সে বলবে তুমি তার অকৃতজ্ঞ ছেলে।
এখন শোনো আমি তোমাকে কি বলছি
তোমার দেওয়ার কিছুই থাকবে না যখন, কি ঘটবে?
তোমার দেওয়ার কিছুই থাকবে না যখন।
যখন তোমার আর কোন দরকার থাকবে না।
শুভ সকাল ডন।
-আদাব, ডন মিনু। -আদাব।
: এখন আর আজীবন, হেইল মেরি!
ডন স্টিফানো...
স্টিফানো... চিন্তা করবেনা।
স্টিফানো, কেমন আছো তুমি?
-কেমন আছো তুমি? -ভালো।
-নিজের জন্য তুমি সবকিছু ঠিকঠাকই করেছো। -আমার নতুন জ্যাকেট থেকে হাত সরাও।
খুবই কোমল। কখন নিয়েছো তুমি?
হেই, স্টি'...
ডন স্টিফানো।
-নিকোলা, কেমন আছো তুমি? -ভালো
হাই।
ডন স্টিফানো।
আমার সম্মান নেবেন।
আমার শুভেচ্ছা নেবেন।
ডন স্টিফানো।
বাবা এখন যাবে।
গোফ।
কিস।
-হাই, স্টিফানো। -হাই, দাদা।
তোমার ছেলে কেমন আছে?
সে ভালো আছে।
এটা রাখো। বাচ্চাকে একটা খেলনা কিনে দিও।
দাদা আমার মনে হয়না আপনার যাওয়া উচিত।
-আমার যেতে হবে। -কেন?
যাতে যারা আমার সাথে ছিল আমার পিছনে ছোরা ঢোকাতে না পারে।
এমনটা কখনোই ঘটবেনা,
গতকাল পর্যন্ত আমাকে দেখা মাত্রই সবাই তাদের প্যান্ট নষ্ট করে ফেলত।
কিন্তু আজকে অনেকগুলো পরিবারই যেমন দিনকাল যাচ্ছে তাতে সন্তুষ্ট না।
একটা জিনিস মনে রাখবে স্টিফানো, হতাশা ক্ষমা চাইতে দেয় না।
চলো যাই।
আমি এখানে এসেছি
কারণ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আলোচনা করা দরকার।
তোমরা দেখতে পাচ্ছ আমি অর্ধ অন্ধ,
কিন্তু যা হচ্ছে তা আমি খুব পরিষ্কারভাবে দেখতে পারি।
আমাদের সব লোকদের পেট ভরানোর জন্য
আমাদের অনেক টাকা-পয়সা দরকার।
আগে যেমনটা আসতো টাকা, এখন তেমন আসছে না।
এটা আমার দোষ...
কারণ তারা আমাকে মাটির তলায় এক গর্তে থাকার জন্য জোর করেছে।
কিন্তু এখন আমি বের হয়ে এসেছি।
প্রথম যে কাজটা আমি করতে চাই সেটা হচ্ছে আমার ফিরে আসাটা দেখানো।
৯০০ মিলিয়ন দিয়ে তোমাদেরকে ডুবিয়ে দেওয়া।
সবকিছু আগের মত করার জন্য টাকা ঢালা।
আর তোমাদের বিশ্বাস ফিরে পাওয়া।
আমি ৫০০০ কেজি অর্ডার করেছি।
১ কিলোর জন্য ২৭০০০।
আমার পরিবারের টাকা দিয়ে কেনা হবে,
কিন্তু সবার জন্য যাবে।
সর্বকালের সবচেয়ে ভালো মূল্য।
তারা কি সবাই অংশ নিচ্ছে?
তোমার দাদাই ভাল জানে।
অনেকে তাকে পেছন থেকে ছুরি মারতে চেয়েছিল।
এই চালানের মাধ্যমে অনেকের হাত থেকে ছোরা সে কেড়ে নিয়েছে।
-ঈশ্বর, ঠান্ডায় সে মরে যাবে! -চুপ!
তোমার কি একই ট্রাক আছে?
হ্যাঁ। আমার বাবা তোমার বয়সে যখন ছিলাম তখন দিয়েছিল।
ঘুমাও।
এটা আমার শেয়ার আর আমার কাজিনের শেয়ার।
তোমার কাজিনের এখনো রেস্টুরেন্ট আছে?
হ্যাঁ, অবশ্যই আছে।
তাকে বলো আমার মেয়ে প্রথম কথা বলেছে।
সে কি আমাকে ঠিকঠাক মত দেখবে?
আমাদের পরিবার সবসময় তোমাকে মর্যাদা দিয়েছে আর তুমিও সেটা জানো।
আমি পরের সপ্তাহে আসছি। দেখা হবে।
হেই, ম্যান, কি হয়েছে?
হেই, লুসিয়ানো। সবকিছু ঠিকঠাক মত আছে?
হ্যাঁ। তুমি কি ভেঙে পড়েছো?
এসবের জন্য দুঃখিত।
গাড়ি থেকে বের হও লুসিয়ানো, ট্রাংকের ভিতরে গিয়ে ঢোকো।
নিকোলা...
তুমি বড় একটা ভুল করছো।
-সাবধানে। -সব ঠিক আছে।
আমরা কি নিশ্চিত?
স্টিফানো!
যে মাত্র আমি তাকে শুয়োরের ঘরে ঢোকালাম,
তার চিৎকার শুনে কি যে মজা লাগলো...
-শুয়োরগুলো তাকে খায়নি। -তাই আমরা তাকে ভিতরে ঢোকালাম।
সে তার উপর ঝাপিয়ে পড়ল। তার মাথাটা টেনে ছিড়ে ফেলা আমি নিজ চোখে দেখলাম।
সে সেটা গিলে ফেলল।
তার যাওয়াটা দেখো। চান্দি ছোলা বান্দির পোলা!
দেখলে তাকে?
এখন তাকে কিছুদিন না খাইয়ে রাখো।
কেন?
যখন আমি আমার দাদাকে খাওয়াবো সে যেন ক্ষুধার্ত থাকে।
যখন আমরা তোমার দাদাকে তাকে দিয়ে খাওয়াবো।
যখন আমরা আমার দাদাকে তাকে দিয়ে খাওয়াবো।
Translated by Maksudullah Al Tuhin (আল মাকসুদ)
: -নিয়মগুলো আইন নয়।
আইন কাপুরুষদের জন্য।
নিয়ম পুরুষদের জন্য।
ঠিক সে কারণেই আমাদের নিয়ম আছে।
নিয়ম তোমাকে ভালো হওয়ার জন্য বলে না।
শুধু ন্যায়পরায়ণ হতে বলে।
কিভাবে ব্যবহার করতে হবে তা বলে।
তুমি যদি টাকা করতে চাও, অনেক উপায় আছে।
মানুষ হত্যা করতে চাও, মোটিভ আছে।
আর আছে মেথড।
দাঁড়াও।
-হ্যালো? : -আমার সোনা।
-মামা, তুমি এই নাম্বারে কল করতে পারবে না। -হ্যাঁ কিন্তু একটা ইমার্জেন্সি আছে।
-বাচ্চারা কি ঠিক আছে? -তারা ঠিক আছে, চিন্তা করবে না।
ইমারজেন্সিটা কি?
: তোমার ভাই আবার বোকার মতো কাজ করছে।
সেটা কোন ইমারজেন্সি না।
তার সাথে কথা বলো, বাবা।
আমি পরে কথা বলবো, কাজের পরে।
-তুমি তার সাথে কথা বলবে? -হ্যাঁ,, এখানকার কাজ শেষ হওয়া মাত্রই।
-আমি তোমার পায়ে পরছি। -ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।
-হাই ন্যান্সি। -স্যার। -বল আমাকে।
গোল মরিচের ৫০০০ ক্যান ইতালির জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে।
ঠিক আছে, ভালো, পারফেক্ট। শোনো আমি এখন কিছু করতে পারবোনা।
তারা এখনো প্রথম পেমেন্ট পাঠায়নি।
শহরে নিরাপদ নয় বলে আমি এখানে ফেলে রেখে যেতে পারবো না।
আমার কোন বাল ছেঁড়া যায় না, গাধা। তাদেরকে নিরাপদ রাখা তোমার দায়িত্ব।
সেটা তোমার দায়িত্ব, তাই না?
তো বালছাল বকা বন্ধ করো ন্যান্সি।
হ্যাঁ, স্যার।
: -হ্যালো?
শোনো আমি একই কথা বারবার বলবো না।
-বলো। -নোট নেওয়ার মত কিছু আছে?
হ্যাঁ, বস, আমি হাতে ধরে রেখেছি।
বুড়ো লোকটার ফার্মে আমাদের অবশ্যই মরিচ জমা করে রাখতে হবে।
তুমি কি নিশ্চিত?
-কার কাছে বেশি তথ্য আছে, আমি নাকি তুমি? -যথা আজ্ঞা
ইতালিয়ানরা আমাদেরকে টাকা দেওয়ার আগে তাদের কাছে পাঠাতে পারবোনা।
-কতদিন আমাদের কাছে রাখবো? -আমি জানিনা
কিন্তু আমরা কখনো সেটা করিনি। সমস্যা একটা।
আমি জানি বিশাল ঝামেলা।
-তারা একটা সমাধান খোঁজার জন্য দেখা করতে যাচ্ছে।
একই সময়, তুমি মরিচ সাথে রাখবে।
গাধার বাচ্চা ঝামেলা করে ফেলো না।
বসের কাছ থেকে সেটা একটা অর্ডার, যদি ঝামেলা করে ফেলো, সে আমাদের মেরে ফেলবে।
সে করছে কি? সে তার ফোন ফেলে দিয়েছে।
সে কি আমাদেরকে লক্ষ্য করেছে?
কি বালটা হলো? তার পেছনে যাও।
কোকেনের কি হবে, কমান্ডো? -পরে বলছি। তার পেছনে যাও।
তাকে চোখের আড়াল হতে দিওনা। সে জানে মিটিংটা কোথায় হবে।
যাও, যাও! পেছনে যাও।
চোখের আড়াল হতে দিওনা! যাও, যাও!
আস্তে, আস্তে...
নড়াচড়া করবে না
তোমার চোখ বন্ধ করবে না, খোলা রাখো।
তোমার নাম কি?
আমার নাম মানুয়েল। তোমার নাম কি?
খোলা রাখো।
ঠিক আছে। আমার দিকে তাকাও। তুমি ঠিক হয়ে যাবে।
তারা তোমাকে সাহায্য করবে।
আমার দিকে তাকাও। চোখ বন্ধ করবে না।
দেখো, আমার দিকে দেখো, প্লিজ।
হেই! হেই!
ঈশ্বর...
ঈশ্বর এই ছোট পাখিটাকে আপনার রাজ্যে নিয়ে নিন।
-তারা কোথায় মিটিং করছে? -আমি জানি না।
-তারা কোথায় মিটিং করছে? -আমি জানি না।
বায়ারের সাথে মিটিং এর কথা তোমার কল থেকে শুনেছি আমরা।
আমি জানি না!
-ইন্দিও! -ক্যাপ্টেন।
ট্রিবলিনের বাড়িতে যাও, শুয়োরটাকে ধরো, আর এমপির কাছে তাকে চালান করে দাও।
স্কয়ারে আমরা যে সন্দেহভাজনকে ধরেছি সে হিসেবে।
কপি দ্যাট।
না! না!
তারা কোথায় মিটিং করছে?
তারা কোথায় মিটিং করছে?
: -সব মানবেরাই ক্ষুদ্র,
শুধুমাত্র ঈশ্বরই মহান।
প্রয়োজনীয়তা মানবজাতির একটা ভ্রম,
সাথে মহানুভবতাও,
কারণ ঈশ্বর এর সামনে আমরা সবাই মাথা নত করি।
আমি কি সেটা কোন কিছুই না,
No comments yet. Be the first to leave one.