Pierwsze 200 wierszy.
সেখানে পৌঁছেই..
..আপনাকে সেখানে স্থানীয় থানায় রিপোর্ট করতে হবে।
শুধুমাত্র দুই দিনের জন্য ছাড় পেয়েছ। পরের দিন তাকে ফিরিয়ে আনবে।
ঠিক আছে, স্যার
কেউ চা কফি খেতে চাইলে খেয়ে নাও
এরপর আর বাস থামবে না।
গাড়ি যদি না থামে তাহলে আমরা কিভাবে নামব?
চল চা খেয়ে আসি।
হায় ঈশ্বর!
তার অপরাধ কি স্যার?
আগে তাড়াতাড়ি চা বানিয়ে আন।
ভয়ংকর বৃষ্টি! ওয়াইপার ও কাজ করছে না।
একটা আলু কেটে দাও সেটা দিয়ে গ্লাস পরিষ্কার করব।
এই নাও।
কি হলো?
একবার দেখো! ব্যাজটি ছিড়ে গেল।
জলদি লাগিয়ে নাও নইলে তোমার চাকরি হারাবে!
একটি সুই পেতে পারি?
এটা চায়ের দোকান, দর্জির দোকান নয়।
তুমি কি দেখে চলতে পারো না?
তোমার রেডিওতে ভালো গান নেই কেন?
গান্ধীকে হত্যার মাত্র দুদিন হলো তাতেই।
শুধু এই কয়েকদিন জন্য এই গানই চলবে।
দেখো! ভেঙ্কটেশ একাই গিয়ে বিয়ে করে তার স্ত্রী নিয়ে আসলো।
পাত্রী দেখতে খুব সুন্দর।
সে সুতির শাড়িতে কেন? রেশমের শাড়ি কোথায়?
পাঁচ বছর বয়স থেকেই তুমি পুরো গ্রামে এক কথাই বলেছ...
তুমি যখন বিয়ে করবে, তখন তোমার স্ত্রীকে রেশমের শাড়িতে নিয়ে আসবে।
কি হলো? আমি ভেবেছিলাম তুমি কোন জমিদারের মেয়েকে বিয়ে করবে।
এই বুড়ির আর কোনো কাজ নেই।
তার অন্তত তোমাকে আশীর্বাদ করা উচিত।
সে মরেও না অথবা মুখও বন্ধ রাখে না।
একজন রেশম তাঁতি শুধুমাত্র রেশম বুনতে পারে, কিন্তু তা পরতে পারে না।
আমরা সময়মত পৌঁছেছি
ভিতরে আসো। - আগে তোমার ডান পা রাখ।
বাবা
বউদি ভিতরে আসুন। ওই ব্যাগটা নিয়ে এসো।
কেমন লেগেছে?
সে দেখতে দেবীর মতো।
তোমার না সকালে আসার কথা ছিল
তোমার দেরী হল কেন?
- কি হলো? - রাস্তায় গাছ পড়েছে।
কত সময় লাগবে?
বলতে পারব না। গাছটি সরানো প্রয়োজন।
বেচারা কি এক জীবন কাটিয়েছে।
কেন, ভালই তো ছিল।
মনে হয় গ্রামপ্রধান তাকে সাহায্য করছিলেন।
সে রাজার জন্য একটি শাড়ি বুনেছিল এবং তার জন্য তিনি প্রশংসিত হয়েছিলেন।
যেমন বাপ তেমন ছেলে।
আমি তো বলব ছেলে বাপের থেকে এক কদম এগিয়ে আছে।
শরীরে পড়ার জন্য রেশম কোথায়?
আমাদের বিশ্বাস অনুযায়ী,
মরদেহের শরীরের উপর রাখা রেশমের কারনে একজন মানুষের আত্মা স্বর্গে ভ্রমণ করে।
তার সারা জীবন, তিনি রেশমের গজ বোনে গেছেন ..
..তবুও আজ তার মৃত্যুতে,
তার শরীর ঢেকে রাখার জন্য এক টুকরো রেশমের কাপড়ও নেই।
এটাই আমাদের ভাগ্য।
আমি শপথ করছি।
-সত্য কথা বল, - আমি চুরি করিনি।
আমাকে ছেড়ে দাও!
তুমি যদি সত্য না বল, আমরা তোকে ছাড়ব না!
আমাকে মারবেন না।
আমি চুরি করিনি।
তুমি আমার কাজ কর আর তুমিই আমার রেশম চুরি করেছ।
আমি আমার বাচ্চাদের শপথ করে বলছি, আমি কোনো রেশম চুরি করিনি।
তুমি তিনটি শাড়ি বুনতে যথেষ্ট রেশম নিয়েছ এবং এনেছ মাত্র দুটি ।
বাকি রেশম কোথায়?
তুনি অপরাধ স্বীকার কর, সে তোমার অন্নদাতা।
প্রদত্ত সিল্ক দিয়ে, আমি কেবল দুটি শাড়ি বুনতে পেরেছি।
সিল্কের ওজনে নিশ্চয়ই ভুল হয়েছে।
আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছ?
তোমার সামনেই রেশম ওজন করেছি। তখন চুপ ছিলে কেন ?
যে পাত্রে খাবার খাও আবার সেই পাত্রেই ছিদ্র কর।
মালিক, দয়া করে আমাকে ভুল বুঝবেন না।
কখনও কখনও সিল্ক যথেষ্ট কিনা তা আমরা আন্দাজ করতে পারি না।
সে চোর নয়।
ভুল কোথাও না কোথাও হয়েছে।
তুমি কি তাকে সমর্থন করছ?
থানায় নিয়ে যাও, তাহলে সত্যি বলবে।
দয়া করে তাকে পুলিশের কাছে নিয়ে যাবেন না। তাকে এবারের মত ক্ষমা করে দিন।
তুমি ভিতরে আসো।
আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি বলি এবার।
আমি এবং ব্যবসায়ীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে...
...আজ থেকে তোমাদের কেউই সিল্ক বুনতে বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবেন না।
সমস্ত বয়ন মন্দির চত্বরে তৈরি করবে, বুঝলে?
ভেঙ্কেশ, স্যার আপনাকে ডাকছেন।
-তাকে বলুন, আমি এর চেয়ে বেশি কিছু করতে পারব না। - হ্যাঁ
আমার মেয়ের বিয়ে হচ্ছে মাঘ মাসের ১৬ তারিখে।
আমি চাই তুমি ওর জন্য একটা বিয়ের শাড়ি বুনাও।
এটা আমার জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার।
এখানে সবাই বলে তুমিই সেরা।
আমি চাই তুমি এমন একটি শাড়ি বুনন কর যা আগে কেউ দেখেনি।
হয়ে যাবে মালিক।
আম, বা ময়ূর
নয়তো তোমার মত রাজহংসী।
আমার মত?
তোমার মত।
আমরা সবসময় এইরকম শাড়িই তো বুনি।
তুমি কি জান আমি হুজুরের মেয়ের শাড়ির জন্য কি রকম পরিকল্পনা করেছি?
কি রকম?
আমি সমুদ্রের ঢেউ বুনে যাচ্ছি, যেন একে অপরকে ছাপিয়ে যাচ্ছে।
তাহলে শাড়ির রং কি হবে?
ভগবান কৃষ্ণের সুরের সুর শুনে জঙ্গলের প্রতিটি গাছপালা নেচে ওঠে।
কৃষ্ণের নীল পাখি সব ভুলিয়ে দেয় ।
সমুদ্রের গভীর নীল ঢেউ তীরকে স্পর্শ করে।
তাহলে শাড়ির রং কি হবে? সমুদ্র নাকি বনের মতো?
সমুদ্র ও বন দুটিই থাকবে।
মানে?
রং বলা যাবে না, দেখতে হবে।
ভেঙ্কেটেশ !
পরমেশ্বরের ছেলের ফাঁসি লাগিয়েছে!
সাব ইন্সপেক্টর আসলেই আমরা কাজ শুরু করতে পারব।
আমার এই অভিশপ্ত জিভ আমার ছেলেকে রেশম চোর বলেছে।
আমি কখনো ভাবিনি সে এমন কিছু করবে।
আমার ছেলে আমাকে ছেড়ে চলে গেল।
এখন আমি কি করব?
আমার বৃদ্ধ বয়সের অবলম্বন চলে গেল।
এখন আমি কি করব?
চমৎকার!
অসাধারন!
এটি আসলেই সুন্দর!
তিনি বলেন, শাড়িটি খুব সুন্দর।
এটা সম্পূর্ণ হাতে তৈরি করা হয়েছে।
ছয়শত বছর পর্যন্ত এটি একই রকম থাকবে। বল তাকে।
এই শাড়িটি হাতে তৈরি।
এর মেয়াদ ৬০০ বছর।
জলবায়ু পরিবর্তন হলেও এর কোনো ক্ষতি নেই।
এর দাম কত?
তিনি জিজ্ঞেস করছেন, এর দাম কত?
আমি এটা বিশেষ করে আমার মেয়ের বিয়ের জন্য বানিয়েছি।
এটা বিক্রির জন্য নয়।
তার মেয়ের বিয়ে। এটা বিক্রির জন্য নয়।
আমি যদি কিনতে চাই...
এর জন্য কত খরচ হবে?
কি?
যদি বিক্রি করতে চান তাহলে এর দাম কত হবে।
কত বলবো?
আটশ টাকা।
সে যদি বেশি কিনে তাহলে আমি দাম কমিয়ে দেব।
আপনার জন্য এর দাম ৮০০ টাকা।
আরও বেশি কিনুন। এতে খরচ কম হবে।
কে এই শাড়ি বুনেছে?
সে।
এটা অসাধারন কাজ। আমি এটার প্রশংসা করছি।
তিনি প্রশংসা করছেন।
আমরা সাধারণত একটি শাড়ি বুনতে কত টাকা দেই?
৭ টাকা।
তার কাছ থেকে শাড়ি নিয়ে ১ টাকা বেশি দিয়ে দাও।
আমার মেয়েকে আশীর্বাদ করবেন।
অনু!
তুমি আজ এত তাড়াতাড়ি ফিরলে?
-তুমি কি লুকাচ্ছ? ' - ঘুরো।
-আমাকে দেখাও। - ঘুরো।
চারপাশ ঘুরো।
- নড়াচড়া কোরো না। -আমাকে দেখাও।
চুপ হও।
নড়াচড়া কোরো না। এক মিনিট।
তুমি কি করছ?
-আমাকে তোয়ালে সরাতে দাও। - না।
আজ আমার বোনা শাড়ি দেখে সবাই অবাক হয়ে গেছে।
ইংরেজ বাবু এটা দেখে, সে আমার প্রশংসা করেছে।
আমি কিছুই বুঝিনি।
মালিক খুশি হয়ে আমাকে আমার বেতনের চারগুণ টাকা দিয়েছেন।
সবাই বলছে, এত সুন্দর শাড়ি তারা কখনো দেখেনি।
তোমার বোন এখানে আছে!
তাকে টাকা দিয়ে সার্কাসে পাঠিয়েছি!
- শোন... - হ্যা।
- শোন না... - হ্যা।
আমি কি শাড়িটি দেখতে পারি?
সম্ভব নয়। আমি শুধু বুনে দেই।
কে এটা কেনে? পরিধান করলে কেমন দেখায়?
এমনকি আমি কখনো দেখিনি।
কিন্তু আমি জানি।
যে পরবে তাকেই সুন্দর দেখাবে।
তাই আমি কি সেই শাড়ি দেখতে পাবো না?
আমরা বিয়েতেই কেবল দেখতে পাব।
কে আমাদের আমন্ত্রণ জানাবে?
ঘোড়ার গাড়িতে উঠতে হুজুরের মেয়েকে বাইরে বের হতে হয়।
আমরা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে এটি দেখতে পারি।
সত্যিই?
কি হলো?
আমি সত্যিই ক্লান্ত। আমরা কি কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারি?
আমরা যদি এখন সেখানে না যাই, কনে গাড়িতে করে চলে যাবে।
শুধু ছোট বিরতি।
এটা ধরো।
ভেঙ্কেশ, বউকে নিয়ে কোথায় যাচ্ছিস?
কেন আমি কি তোমার বউকে নিয়ে যাচ্ছি?
অনু ! কি হলো?
এইগুলি স্বাভাবিক জিনিস গর্ভবতীর জন্য তুমি তাকে বাড়িতে নিয়ে যাও ।
কি হলো? কিসের শব্দ?
কিসের মত শব্দ?
টায়ারটি পাংচার হয়ে গেছে।
সবাই নিচে নামুন, তবেই আমরা টায়ার পরিবর্তন করতে পারব।
তুমি এখানে বসো, তোমার বাচ্চাকে ভিজতে দিও না।
ছুড়ে মারো!
তুমি ধরতে পারবে?
হ্যাঁ, ছুড়ে মারো!আমি ধরে ফেলব!
ইডিয়ট! তুমি বলছিলে তুমি ধরবে পারবে।
এখন তুমি এটা নিয়ে আসো! অন্যথায় বাসটিকে এখানে থাকতে হবে।
আমাকে বলুন।
No comments yet. Be the first to leave one.