Pierwsze 200 wierszy.
অনুবাদেঃ Funds Of Bangla Subtitle
টি-মাইনাস ১৫ সেকেন্ড।
অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ।
১২, ১২, ১০, ৯...
চালুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হলো।
৬, ৫, ৪,
৩, ২, ১...
শূন্য। সমস্ত ইঞ্জিন চলমান।
উত্ক্ষেপণ। অ্যাপলো ১১ উত্ক্ষেপণ হয়েছে।
ফুয়েল ও অক্সিজেন স্থির আছে।
কেবিন টিকে আছে। পাওয়ারের অবস্থা ভালো।
উচ্চতা, এখন চার মাইল।
বেগ, প্রতি সেকেন্ডে ২১৯৫ ফুট।
বাজ অল্ড্রিন: রাডারের তথ্য ভালো।
উচ্চতা এখন, ৩৩৫০০ ফুট।
কী অবস্থা তোমাদের? সব সিস্টেম ঠিক আছে?
ঠিক আছে। শক্ত হয়ে বসো।
পাওয়ার কমানোর অনুমতি দেওয়া হলো।
হিউস্টন, একটু ওঠা-নামা দেখতে পাচ্ছি আমি।
আর, ইগল, হিউস্টন, তথ্য সঞ্চালন কমে আসছে।
অল্ড্রিন: তিন ফুট নেমেছি, আড়াই। হালকা ধুলা কুড়াচ্ছি।
আচ্ছা। ইঞ্জিন থামাও।
ইগল অবতরণ করেছে।
অনুবাদ আয়োজনেঃ Funds Of Bangla Subtitle
"Hurry, boy, it's waiting there for you"
it's gonna take a lot to drag me away from you
there's nothing that a hundred men or more
could ever do
I bless the rains down in Africa
gonna take some time to do the things we never had...
"আফ্রিকায় বৃষ্টি মিস করি আমি" এইটার মানে কী?
গানের পঙ্কতিটা হলো "আফ্রিকার বৃষ্টিকে আশীর্বাদ করি আমি।"
কী? না, মোটেও না।
হ্যাঁ, এটাই।
তাহলে তো আরো মাথার উপর দিয়ে যায়।
আমার জানার কথা, কারণ আমার বিয়েতে বাজিয়েছিলাম এটা।
আচ্ছা, নিশ্চয় মিস করেছিলাম গানটা।
মুডে ছিলাম আমি। নাচের মঞ্চে ফাটিয়ে ফেলছিলাম।
নেচে জীবন বাচাতে পারবে না তুমি।
কেউ কখনও তোমাদের বলেছে যে তোমরা বুড়ো দম্পতির মতো ঝগড়া করো?
তার কারণ ও আমার কর্মস্থলের বউ।
কাজে লেগে পড়ো, আনাড়ি।
Could ever do
I miss the rain down in Africa
আমাদের সাথে মহাকাশে হানিমুন করার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ দিতে চাই।
মহাকাশ কিংবা ইটালিতেই করতাম।
কিন্তু ইটালিতে তো এমন দৃশ্য নেই।
I miss the rains
down in Africa
ব্রায়ান। ও, খোদা।
I miss the rains down in Africa
ওইটা কী জিনিস?
ব্রায়ান!
- মার্কাস! - সাহায্য করো।
অক্সিজেন হারাচ্ছি আমি। আমি অক্সিজেন হারাচ্ছি।
ব্রায়ান!
- জো। ফাউলার, সাড়া দাও। - সাহায্য করো।
মার্কাস!
ও, খোদা।
আচ্ছা, দাঁড়াও।
মার্কাস। মার্কাস, সাড়া দাও।
মার্কাস।
মার্কাস। ধুত্তেরি।
কাজ কর।
কাজ কর।
না। মার্কাস...
তোমাকে বাড়িতে পৌঁছাবো আমি।
আমাদের দর্শকদের হয়তো মনে আছে
১৮ মাস আগে এক নিয়মিত স্যাটেলাইট মেরামতির মিশনে একটি দূর্ঘটনা ঘটে।
আজ, ডিসির এক আদালত সাবেক-নভোচারী ব্রায়ান হার্পারের
নাসার বিরুদ্ধে দায়ের করা অবৈধ মামলার চূড়ান্ত রায় প্রদান করেছেন।
আমরা নাসার ভিতরের এক আলোচনার ফূটেজ হাতে পেয়েছি
যেখানে হার্পার দাবি করেন দূর্ঘটনাটি
এক রহস্যময় যান্ত্রিক মহাকাশীয় অসঙ্গতির ফলে ঘটেছে।
তো, এই তথাকথিত "ঝাঁকটি" শাটলে আঘাত হানে?
হ্যাঁ, এই নিয়ে ৫০বার বললাম।
মারি ক্রিসিয়ামে আঘাত হানে ওটা।
কমান্ডার ফাউলার, পাশ দিয়ে যাওয়া কোন গ্রহাণু বা সৌর ঝড়
এমন সমস্যা ঘটাতে পারে, ঠিক?
জানেনই তো, আমি অচেতন ছিলাম, কিন্তু...
হ্যাঁ নাকি না?
কোন সৌর ঝড় শাটলের ভিতরের সিস্টেমে এমন সমস্যা তৈরি করতে পারে?
সম্ভবত, হ্যাঁ, টেকনিক্যালি। করতে পারে।
মশকারি করছো?
ওইখানে আমার বন্ধুকে হারিয়েছি আমি।
গাফিলতির কারণে।
হার্পার একসময় সকল ইলেকট্রনিক সম্পূর্ণরুপে নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও
এনডিভার স্পেস শাটলের নায়কোচিত অবতরণের জন্য প্রশংসিত ছিলেন।
হার্পারের আইনী অপশন শেষ হয়ে এসেছে
এবং এটি পরিষ্কার হয়ে গেছে যে দূর্ঘটনাটি মানুষের ভুলের কারণে ঘটেছে।
আজকের হার তার জনসম্মুখে চালানো আইনি লড়াইয়ের সর্বশেষ ধাক্কা ছিল।
হেই, সানি।
আবারও এইসব দেখার কি দরকার আছে?
তুমি কি জানো?
নানু তোমাকে দেখে খুবই খুশি হবে।
বাবা আসছে না, তাই না?
তোমার বাবা এই মুহুর্তে অনেক কিছু সামলাচ্ছে।
জানি। সেইজন্যই বাড়িটা হারিয়েছি আমরা।
হয়তো থ্যাংকসগিভিংয়ে দেখা করতে আসবে সে।
তাতে খুশি হবে?
আমি বাড়ি ছাড়তে চাই না।
নিউ জার্সি আমার পছন্দ না।
স্যরি, স্যার। আমার মা সবসময় বলতেন
"অনুমতি চাওয়ার চাইতে মাফ চাওয়াই উত্তম।"
ও, বাল৷ লাল নাকি নীল ছিল ওটা?
প্লিজ কেউ বলো নীল ছিল।
চিলি প্রজাতন্ত্রের অবজারভেটরি।
- এস্তেবান? - জ্বী?
- প্রফেসর অ্যারোউড বলছি। - ওহ!
আমাদের টেলিস্কোপে লগ-ইন করছেন দেখতে পাচ্ছি, প্রফেসর।
ও, হ্যাঁ। এখনও চাদের কক্ষপথ ট্র্যাক করছি আমি।
গতকাল রাতের স্ক্যানগুলো কি পাঠাবে?
তোমাকে অন্য যে ই-মেইলটা দিয়েছিলাম সেটায় দিও, স্কুলেরটায় না।
অবশ্যই, স্যার।
আমাকে যেতে হবে। আম...
- চিয়াও। - আদিওস।
হ্যালো ভদ্রমহোদয়াগণ।
হ্যালো।
সাড়ে সাত মিনিট দেরি করেছ তুমি। এটা লিখে রাখতে হবে।
- হ্যালো। - হাই।
কী দিবো আপনাকে?
একটা প্যাস্ট্রমী ম্যাডনেস নিবো...
আর আরেকটা কথা জিজ্ঞেস করতে চাই, ডিয়ার,
প্যাস্ট্রমীর সাথে কী কী সস দাও?
ও, হ্যাঁ। আমাদের কাছে বার্বিকিউ, হানি মাস্টার্ড, র্যাঞ্চ...
কীরে বাল!
শেষেরটা কী বললে?
একটা ম্যাডনেস নিয়ে আসছি।
- ফোন বন্ধ রাখার কঠোর নিয়ম আমাদের। - ১০ মিনিট বিরতি নিতে পারি?
হ্যালো। আমার নাম ড. কেসি হাউজম্যান, আর আমি যা উন্মোচন করেছি
তা হয়তো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।
এখনই নাসার ডিরেক্টরের সাথে কথা বলিয়ে দিন আমাকে।
সোনা, আমি টি-শার্ট আর খেলনা বিক্রি করি।
কাস্টমার সার্ভিসে লাইন দিয়ে দিতে পারি।
প্লিজ ধরে থাকুন।
হ্যালো?
- ব্ল্যাক, দুই চামচ চিনি। - ও, মন পড়ে ফেলেছ। ধন্যবাদ।
- এতো সকালে উঠে কী করছো? - আমিও একই প্রশ্ন করতে পারি।
সব ঠিকঠাক আছে?
হয়ে যাবে। তো রাতের মধ্যেই বাসায় চলে আসবো।
না আসলে, খেয়াল রেখো জিমি যাতে বাড়ির কাজ করে,
- গোসল করে... - বেশি চিন্তা করো তুমি।
- সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে আমার। - ঠিক। শীঘ্রই কথা হবে।
আচ্ছা, সবাই একসাথে বলবে না।
চাদের কক্ষপথ সরে গেছে।
স্যরি?
ওটার কক্ষপথের ব্যাসার্ধ কমছে।
- সেটা তো অসম্ভব। - আমরাও তাই ভেবেছিলাম,
তাই হিসাবনিকাশ করে তিনবার করে তথ্য যাচাই করেছি।
তাহলে, চাঁদ শতকোটি বছর ধরে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরছে,
আর এখন বলছো ওটা দিক পরিবর্তন করেছে?
এটা কিন্ডারগার্টেন না, বলো।
আচ্ছা, হ্যাঁ। তো, ওটার শেষ আবর্তনে,
আমাদের মহাকাশ পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা অদ্ভুত একটা জিনিস ধরেছে।
- কী ওটা? - জানি না।
ভিতর থেকে গ্যাসীয় বর্ণালী বিচ্ছুরিত হবার ছবি পেয়েছি আমরা।
কোথায় এটা?
মারি ক্রিসিয়াম।
আপনাকে কতোবার বলতে হবে?
আমার এখনই ডেপুটি ডিরেক্টর ফাউলারের সাথে কথা বলা দরকার।
কিন্তু ব্যাপারটা জরুরি।
নিষেধাজ্ঞার আদেশ কিভাবে কাজ করে জানি,
কিন্তু নাসার লোকজন যদি আমার কথা না শুনে,
তাহলে কিভাবে আমি...
হ্যালো?
এলোন হলে কী করতো?
ও, ফাজ অল্ড্রিন।
তোকে কতোবার বলেছি লিটার বক্স ব্যবহার করতে?
ও, খোদা।
"নভোচারী দিবস।" ওটা তো আজকে।
ফাজ, তুই একটা জিনিয়াস!
বাড়তি আদর পরে পাবি।
আমাদের টিচার বললো আপনি একটা জাত মাতাল।
উনি একজনের কাছে অভিযোগ করছেন।
আপনাকে দেখে তো আসলে নভোচারী লাগে না।
তো, আমাদের মহাকাশ সম্বন্ধে শিখাবেন নাকি শিখাবেন না?
ব্রায়ান!
ব্রায়ান!
বালের দরজা খুলো। তোমার তিনমাসের ভাড়া বাকি!
শিট।
তোমার গলার আওয়াজ পাচ্ছি।
- ও, শিট! - ব্রায়ান!
স্পষ্টভাবে বললে, চাঁদ একটি মেগাস্ট্রাকচার।
বুঝেছ? বিশাল আর কৃত্রিম!
যেই এই অবিশ্বাস্য জিনিসটা বানিয়েছে সে নিশ্চিত আমাদের বলদ প্রজাতি ভাবে।
তবে চন্দ্রগ্রহণের কথা আর নাই বলি।
ওইগুলি কেবল সম্ভব হয় চাঁদ সূর্যের চেয়ে ঠিক ৪০০ গুণ ছোট বলে,
আর পৃথিবীর ঠিক ৪০০ গুণ নিকটবর্তী বলে।
এটা কিভাবে হলো কেউ জানো?
- চাঁদ একটা মেগাস্ট্রাকচার বলে? - হ্যাঁ, কেউ একজন কথা শুনছে!
শুনো বাচ্চারা একটা কথা বলি।
অ্যাপোলো ১২ যখন তাদের খালি ফুয়েল ট্যাংকটি ফেলে দেয়,
তার প্রভাবে চাঁদ ঘন্টির মতো বেজে উঠেছিল।
বং!
অনেকক্ষণ বেজেছিল এটা। কেন বেজেছিল জানো?
কারণ চাঁদ পুরাটাই ফাঁপা।
এটা মাথায় ঢুকিয়ে চিন্তা করো।
হ্যালো। আমি ব্রায়ান হার্পার। আজ আমার এইখানে কথা বলার কথা।
ও!
আমি ড. কেসি হাউজম্যান, মেগাস্ট্রাকচারবিদ। সত্যিই সম্মানিত বোধ করছি।
No comments yet. Be the first to leave one.