Pierwsze 200 wierszy.
Bangla Subtitle By Fahad Ahmed
• • বাংলা অনুবাদে • • ফাহাদ আহমদ
সার্বিক সহযোগীতার জন্য ধন্যবাদ রাজু তালুকদার ভাই'কে
২০১৭ সালে, একজন একটা মোমবাতি নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল। ২০১৭ মোমবাতি প্রজ্জ্বলন
প্রথম সপ্তাহে ৫০,০০০ মানুষ,
তারপরের সপ্তাহে ৩ লক্ষ, এক সপ্তাহ পর সেটা ১০ লক্ষে দাঁড়ায়।
আমার বোকা বন্ধুর সাথে, হা হা ছবিটা বেশ হট দেখাচ্ছে
কনকনে ঠান্ডাও এই আন্দোলনকে থামাতে পারেনি, ১০ লক্ষ মোমবাতির ঐক্য
আর চার মাসের মধ্যে ১৬,৮৫২,৩৬০ জন রাস্তায় নেমেছিল।
আশার আলো একসাথে
এই সংখ্যাটা দক্ষিণ কোরিয়ার মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের সমান।
এর ফলস্বরূপ তখনকার রাষ্ট্রপতিকে পদচ্যুত করা হয়।
বিশ্ববিখ্যাত (গোপন) কোম্পানি রাষ্ট্রপতির দুর্নীতির সাথে..
তাদের সন্দেহজনক সম্পর্কের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিল।
এটা ছিল বিশ্বজুড়ে আলোচিত ঘটনা,
কেউ কেউ এটাকে গণতন্ত্রের যুদ্ধ বলেছিলো,
আবার কেউ কেউ বলেছিল দেশের মধ্যে একটা যুদ্ধ চলছে।
তবে এর মাঝেও কিছু উদ্বেগজনক দিক ছিল।
এমন কিছু ছিল, যা কোনো আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম গুরুত্ব দেয়নি:
“মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, প্রথম কে শুরু করেছিল?”
এই মুভিটি বাস্তব ঘটনার উপর ভিত্তি করে তৈরি।
১৯৯২ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ঘটা ঘটনাগুলোর পুনর্গঠন, যা সূত্র ও সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
মানহানি ও সম্মান লঙ্ঘনের মতো আইনগত সমস্যাগুলি এড়ানোর জন্য,
চরিত্র ও সংগঠনের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে, তবে বাকি সব সত্য।
মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের ডাক প্রথম অনলাইনে দেখা যায় ১৯৯২ সালে।
অর্থাৎ, ঠিক ৩১ বছর আগে এটা শুরু হয়।
তখন অনলাইনে ঢুকতে অনেক সময় লেগে যেত,
আর একবার ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ হয়ে গেলে, বাড়ির ফোন লাইন অকেজো হয়ে যেত।
তবুও, ভ্রমণ বিষয়ক আলোচনা সভা "পর্বতের ওপারে এবং জলপথে" এর..
ব্যবহারকারীদের সংখ্যা প্রায় ৫,০০০ পৌঁছেছিল।
এই BBS এত বড় হয়েছিল এক এডমিনের জন্য, যার ভ্রমণের জ্ঞান ছিল অসাধারণ।
এডমিনের ইউজারনেম ছিল "ডেভিল"। এডমিন: ডেভিল
কিন্তু কেউ জানতো না যে সে ছিল মাত্র ১৬ বছরের কিশোর।
সারাদিন কম্পিউটারেই বসে কাটাবি?
বাউন্ডুলে পোয়া।
- তোর কারণেই সারাদিন ফোন লাইন ব্যস্ত থাকে। - আমি মাত্র চালু করলাম।
তুমি "PC যোগাযোগ" সম্পর্কে শুনেছ?
এটা এমন সার্ভিস, তারের মাধ্যমে ফোন তথ্য শেয়ার করে।
এই সার্ভিস পরের মাস থেকেই পেইড হতে যাচ্ছে।
একদিন,
একটা বড় অর্থনৈতিক পত্রিকা সম্পূর্ণ ফ্রি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক কিনে নিল,
এবং এটা পেইড করার ঘোষণা দিলো।
টাকা দিতে হলে কম্পিউটারই ভেঙে দেব।
খ্যাতা আমার।
খাবার টেবিলে ভদ্রতা দেখাতে জানিস না?
এই পত্রিকার বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার ছিল (গোপন) গ্রুপ,
কোরিয়ান শিল্প ফেডারেশনের প্রধান কোম্পানি।
FKI এমন একটা ফেডারেশন, শীর্ষ ২০টা কোম্পানী মিলে তৈরি হয়।
এবং তারা পত্রিকা কিংবা ইলেক্ট্রিক মিডিয়া চালাতো, যা জনমত নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করত।
এই কারণে রাজনীতিবিদেরা তাদের কাছাকাছি যেতেও ভয় পেতো।
এখন থেকে আমি (গোপন) গ্রুপকে "মানজুন" বলে ডাকবো।
মানহানি মামলা এড়ানোর জন্য, কিছু প্রকাশ করতে পারছি না।
কোরিয়াতে ওদের দিকে কেউ চোখ তুলে থাকাতো না। মানজুন অর্থনীতির প্ল্যাটফর্ম হতে যাচ্ছে
কিন্তু ডেভিলের আত্ববিশ্বাস ছিলো, সে যে কারো সাথে লড়তে পারবে এবং বিজয়ী হবে।
যদিও সে শত্রুকে চিনতো না।
হারামজাদা, টিয়ার গ্যাস ও তোর গায়ে লাগে না?
তখন প্রতিবাদের প্রতিক ছিলো 'আগুনের বোতল'।
- কম্পিউটার কী তোরে ভাত দেবে? - কিন্তু সে আরেকটা প্রতীক খুঁজে পেয়েছিলো।
তোর বাপকে বলবো আজই এই অভিশাপটাকে ভেঙে ফেলতে।
এটাই ছিল পৃথিবীর প্রথম 'মোমবাতির প্রজ্জলন'।
মাফ করবেন, আপনি কি ডেভিল?
হ্যাঁ।
বেশি লোক তখনো জড়ো হয়নি।
তখনকার ইন্টারনেট খুবই ধীর ছিল।
ইন্টারনেট ফ্রি করো
এক মাস পরে 'পিসি যোগাযোগ' পেইড সার্ভিস হয়ে যায়,
আর ডেভিলের BBS বন্ধ হয়ে যায়।
তার ২৪ বছর পরে,
প্রথম মোমবাতি যিনি জ্বালিয়েছিলেন, তিনি ছিলেন মি. লি সুং-চল।
তিনি ছিলেন সেই প্রতিবাদের আয়োজক, মোমবাতি সংস্কৃতি উৎসব
এবং BBS "ওভার দ্য মাউন্টেনস"-এর সাবেক অ্যাডমিন।
মোমবাতি সংস্কৃতি উৎসব
যিনি ওয়েবসাইট তৈরি করেছিলেন লোক জড়ো করতে,
তিনি ছিলেন লি সাং-চুলের ভাই, লি সাং-উক।
কথিত আছে, সাং-উক তার ভাইয়ের দ্বারা উৎসাহিত হয়েছিলেন।
মোমবাতি তুলে ধরো...
শেষে, একজন মাধ্যমিক স্কুল ছাত্র ১,৬৮৫২,৩৬০ জনকে রাস্তায় নামায়।
কারণ এ সময় ইন্টারনেট যথেষ্ট দ্রুত ছিল।
মানজুন ক্ষমা চেয়েছে
অবশেষে, বৈশ্বিক শক্তিধর প্রতিষ্ঠান 'মানজুন' প্রকাশ্যে এসে ক্ষমা চায়।
আমি নিজে সব তদন্ত করেছি, আমার সাংবাদিকতার সততা বাজি রেখে।
হ্যাঁ, আমি একজন সাংবাদিক।
আর এই কাহিনী শুরু হয়েছিল এই লোকের ইঙ্গিত দিয়ে।
উসাং ডেটা ছিল একটা মাঝারি আকারের কোম্পানি,
এটাই ছিল একমাত্র বিক্রেতা, যারা পরবর্তী-প্রজন্মের হাই-পাস ট্রান্সপন্ডার নিয়ে প্রতিযোগিতা করছিল।
- কোন সমস্যা? - না।
আরেকবার চেক করো, ব্রো।
হ্যাঁ।
প্রতিবছর ৫০ মিলিয়ন ডলারের একচেটিয়া অধিকার হাতে আসার অপেক্ষায় ছিল।
পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে,
নিরাপত্তার জন্য হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ অপারেটিং গতি ১৫০ কিমি/ঘন্টায় বাড়ায়,
কিন্তু উসাং কোনো আপত্তি করেনি।
- কিছু হয়েছে? - জ্বী না, সব ঠিক আছে।
উসাংয়ের প্রযুক্তি ৩০০ কিমি/ঘন্টায় পর্যন্ত ধারণ করতে পারে।
সংকেতের জন্য অপেক্ষা করছে
সংকেত পাওয়া গেছে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত, পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত।
আমরা এই ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী, গতি ২৫০ পর্যন্ত তুলা যাবে?
এটা বিপজ্জনক হবে।
তাহলে ২০০ কেমন হবে?
যেমন খুশি।
ঠিক আছে।
২০০ দিয়েই করি। ২০০।
কী হয়েছে? সংকেত পাওয়া যায়নি
সংকেত হারিয়ে গেছে।
কী বলছো এসব? কী হয়েছে?
ফ্রিকোয়েন্সি হঠাৎ কমে গেছে।
কীভাবে?
চলো, লাঞ্চ করে আসি।
হ্যাডার ধোন...
কি হলো? কিছু নষ্ট করেছো নাকি?
শুনছেন?
আমরা কম গতি দিয়ে আবার চেষ্টা করতে পারি?
ঠিক আছে, তাই করুন।
শেষে, উসাং পরীক্ষায় ফেল করল।
সব ঠিক আছে?
তারা এমন এক বিক্রেতা, যাদের কোনো প্রযুক্তিই ছিল না,
ছয় মাস পরেই তারা পরীক্ষায় পাস করে কন্ট্রাক্ট পেয়ে যায়।
এই ছবিটা ট্র্যাকে তোলা হয়েছিল।
দেখি।
ওরা আমাদের ফ্রিকোয়েন্সি নষ্ট করছিল।
ওদের হাতে কিছু একটা ছিলো।
আর কোন ছবি আছে?
এটাই কষ্ট করে তোলেছি।
আপনার সাথে অন্যায় হয়েছে জানি,
আরো তদন্ত করে আপনাকে জানাবো।
এই প্রযুক্তি তৈরি করতে পাঁচ বছর লেগেছে।
যাদের কোনো প্রযুক্তি নেই, সেই কোম্পানি কীভাবে ছয় মাসেই এটা তৈরি করলো?
যে কাউকে জিজ্ঞেস করুন, এটা সম্ভবই না।
আমি নিজে এ নিয়ে তদন্ত করে আপনাকে জানাবো।
ওই বিক্রেতা মানজুনের সহযোগী।
ওরা আমার কর্মচারী আর প্রযুক্তি চুরি করেছে।
মানজুন?
গিয়ংবু এক্সপ্রেসওয়ে হাই-পাস ট্রান্সপন্ডার চুক্তি
আপনি জানেন, মানজুন নিয়ে লেখার দম কারোরই নাই।
আর কোন সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছেন?
না।
কখনোই না।
আমি বলছি না যে আমি লেখবো, আমি শুধু তদন্ত করতে চাই...
পারব না?
তুমি এমন কিছু নিয়ে তদন্ত কেন করবে যেটা নিয়ে লেখবে না?
- সংস্কৃতি বিভাগ। যে ফাইলটা চেয়েছিলাম দাও তো। - যদি কিছু পাই, তবে আমি লেখব।
R বিভাগের দুইটা টিকেট?
- S নেই? - শুধু R আছে।
আমি এক তথ্যদাতার সাথে দেখা করেছি, সে অন্য সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেনি।
আমরা যদি বসে থাকি তাহলে তারা প্রথমে খবরটা ছাপবে?
শালা তুমি তো লর্ড শান্তর মতো..
তোমার আগের প্রতিবেদনটা শেষ করেছো?
ওটা..
এই খবরটা বেশি ছড়াছড়ি হয়ে গেছে।
তাহলে তুমিও সরাসরি স্পষ্ট করে লেখো।
কঠোর পরিশ্রম করতে থাকো, সম্পাদক হও, যা খুশি লিখো।
যাও।
লিম সাং-জিন
সে একজন সাংবাদিক।
জ্বী।
ঠিক আছে।
যখন কেউ সাংবাদিক হয়, তখন সত্য-মিথ্যায়, মশলাপাতি লাগিয়ে অনেক কিছু লেখে।
কিন্তু সবার গল্প আর্টিকেল হয় না।
একটা আর্টিকেল হচ্ছে শেষহীন ধারাবাহিক উপন্যাসের মতো।
এগুলো আলাদা আলাদা গল্পের মতো, কিন্তু সবারই একটাই কাহিনী ও প্রবাহ।
সব গল্পের ভিত্তি হচ্ছে সংঘর্ষ।
কাদের মধ্যে সংঘর্ষ,
কে নায়ক, কে খলনায়ক?
খলনায়ক ছিল সেই শীর্ষ কর্মকর্তা, যিনি তথ্য শেয়ার করেছিলেন।
মানজুনের ঠিকাদাররা উওসাংয়ের পরীক্ষা এবং প্রতিযোগিতায় হস্তক্ষেপ করেছিল।
উওসাংয়ের সিইও এর ফলে ৪ মিলিয়ন ডলারের ঋণে পড়লেন।
কখনো এমন কিছু ফাঁস করেছেন, যা আপনি ছাড়া আর কেউ জানে না?
এই রোমাঞ্চ শুধুই সাংবাদিকদের জন্য।
একজন সাংবাদিকের যাত্রা একা এবং অন্ধকারময় কঠিন।
তবে তার সাহসই দুনিয়া বদলায়।
ছোট কর্পোরেট প্রযুক্তি
দুনিয়া বদলানোই সাংবাদিকদের লক্ষ্য।
২০ মিলিয়ন হারানোর পর একটা ছোট কোম্পানির সিইও-এর আর্তনাদ
মানজুনের বেপরোয়া শোষণ!
এটা লেখার অনুমতি কে দিয়েছে?
খবরটা খুব বড় ছিল, মিস করিনি..
আগেই একটু লিখে রেখেছিলাম।
তোমার প্রশংসায় আমার আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে...
আমি ভালোভাবে তদন্ত করেছি, প্রমাণও আছে।
- সব তথ্য যাচাই করেছো? - জ্বী।
- সত্যতা আছে? - জ্বী।
তুমি এর দায় নেবে?
দায় নেবো?
কেন, আত্মবিশ্বাস নেই?
ঠিক আছে, নেবো।
এটা বিশেষ কিছু?
না।
এটা তারচাইতেও বিশেষ।
মিস্টার পার্ক, এই খবরটি সকালেই প্রকাশিত হবে।
আমাকে ধন্যবাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
ফোন করেছি কারণ অন্য সাংবাদিকরাও আপনাকে ফোন করবে,
তাদের ফোন এড়িয়ে যাবেন।
না, তাদেরকে শুধু আমার নাম বলেন। তবে ইন্টারভিউয়ের জন্য মানা করেন।
এটুকুই করুন।
আর চিন্তা করার দরকার নেই।
আচ্ছা।
আমাদের খবর সারা দেশে ছড়িয়ে যাবে।
ভালো থাকুন, শুভরাত্রি।
শুভ রাত্রি।
শিন হোটেলের মাদক পার্টিতে ধরা পড়েছে
No comments yet. Be the first to leave one.