Pierwsze 200 wierszy.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
অনুবাদে : Flamy Tuhin এবং সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায় : সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
জিয়ান! জিয়ান!
জিয়ান! জিয়ান!
তুমি ঠিক আছ?
কিছু হয়নি তো?
কথা বলো!
স্যার...
হ্যাঁ, আমি। তাকাও আমার দিকে।
আমাকে ছাদে আসতে বলেছিলেন
তাই আমি ছাদে আসার চেষ্টা করছিলাম
লিফটটা ভাঙা ছিল।
ক্ষণিকের জন্য মনে হয়েছিল মৃত্যুর দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছি।
ঐ... ঐ লোকটা।
ঐ লোকটা হঠাৎ উদয় হয়ে আমার জীবন বাঁচালো।
ওর চেহারা দেখিনি।
ঐ লোকটাই, ঐ লোকটাই হিলার। জানেন?
হ্যাঁ।
আর ভয় নেই।
আমাকে বাঁচাতে গিয়ে হয়ত ঐ লোকটা মারা যেত।
মারা যেত...
হাটতে পারবে?
চলো।
আমার সাথে এসো।
কী হলো?
ছে ইয়ং সিন।
আমার, আমার মোবাইল।
কী?
আমার মোবাইল, ওটা আমার মায়ের মোবাইল ছিল।
মোবাইলটা হারাতে পারব না।
মোবাইল টা নিশ্চয়ই লিফটের মধ্যে কোথাও আছে।
আগে চলো। মোবাইলের ব্যাপারে পরে ভাবা যাবে।
চলো।
নিশ্চয়ই কেউ লিফটে ফাঁদ পেতে রেখেছিল।
লিফট ভেঙে পড়ার সময় দেখে মনে হচ্ছে, মালটা আশেপাশেই কোথাও ছিল।
*দারটোষ্টটা... ছে ইয়ং সিনকে দেখার পর সত্যিই মারার জন্য ওৎ পেতে বসেছিল।
ঠিক আছে, আমি ঐ জায়গার CCTV ক্যামেরাগুলো চেক করছি।
আর সাথে কিম মুন হো এখন কোথায় আছে সেটাও ট্র্যাক করো।
মানে সে ছে ইয়ং সিনের সাথে কোথায় যাচ্ছে সেটা ট্র্যাক করতে বলছিস, এই তো?
ঠিক আছে। তাহলে এখন আমি কিম মুন হো'র ফোনে "বেবিস" সেট করে দিচ্ছি। এতে আর কোনো সমস্যা হবে না।
কিন্তু হিলার?
হ্যাঁ, কী? - এরপর তুই কী করবি?
ও, আমি
আমাকে কিছু খুঁজতে হবে।
কীসের আওয়াজ? হিলার?
হিলার?
হ্যালো?
হ্যাঁ, আমি
পড়ে গেছিলাম।
পড়ে গেছিলি? তুই?
যে ছেলেকে কেউ কোনোদিন ধাক্কা মেরেও ফেলতে পারেনি, সে আজ এমনিতেই পড়ে যাচ্ছে?
আর তোর মর্মস্থল এরকম করছে কেন? তোর হার্টবিট...
ছে ইয়ং সিন।
নাড়ির ষ্পন্দন চেক করতে জানেন?
আমার বাড়িতে একজন অসুস্থ মানুষ আছে, তাই একটু-আধটু জানি।
তুমি ঠিক আছ?
ঠিক আছি।
তোমায় কি হাসপাতালে নিয়ে যাব?
আমি ঠিক আছি।
মনে হচ্ছে তোমার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল।
এক মূহুর্তের জন্য আমি বিস্মিত হয়ে গেছিলাম।
এখন আমি ঠিক আছি।
আচ্ছা।
ঐ সংবাদদাতার সাথে দেখা করেছেন? আমাদের দেখা না করে চলে যাওয়াটা কি ঠিক হচ্ছে?
আমি ফোনে এই কথা বলেছিলাম? আমাদের কি ওদের সাথে দেখা করার কথা ছিল?
আপনিই তাড়াতাড়ি আসতে বলেছিলেন কারণ আমাদের কিম উই চানের জন্য একজন সংবাদদাতার সাথে দেখা করার কথা ছিল।
আর?
আমার লোকেশন হয়ত ট্র্যাক হতে পারে তাই আমি যেন ফোন বন্ধ রাখি... এটাই বলেছিলেন।
ওটা আমি ছিলাম না। - কি?
কেউ আমার কণ্ঠস্বর নকল করে তোমাকে ফোন করেছে।
কিন্তু গলার আওয়াজটা একদম আপনার মতো।
সরি।
সরি কেন বলছেন? - কলটা আমাকে সাবধান করার জন্যই করা হয়েছিল, কিন্তু তোমাকে ব্যবহার করেছে।
তো, কেউ একজন আপনি সেজে আমাকে কল করেছিল।
আর লিফটটা ভেঙে রেখেছিল যাতে আমি...
কি প্ল্যান মাইরি!
আমার বাড়িতে চলো। তোমার বাড়িতে থাকাটা বিপজ্জনক।
তুমি তো বাড়িতে একাই থাকো, তাই না? যে কেউ যেকোনো সময়ে তোমার ক্ষতি করতে পারে।
আমার বাড়ির ব্যাপারে কীভাবে জানেন?
তোমাকে বলেছিলাম না? আমি ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করেছি।
ওররে!
এটা পেন্টহাউজ, না?
এসব জায়গায় বড়লোকেরা রাজার হালে দিন কাটায়।
কি সুন্দর ভিউ!
কেউ যদি সারাদিন এই দৃশ্য দেখতে থাকে, পাগল হয়ে যাবে না?
তুমি কাল সারারাত জেগে ছিলে, তাই না?
শুধু ঘন্টা দেড়ঘন্টার মতো একটু চোখ লেগে এসেছিল।
আর মিনিট চল্লিশেক আগে প্রায় মরতে বসেছিলে।
হুম।
তোমার পারসোন্যালিটি ভালো, নাকি তুমি চাপা?
সত্যি বলতে, আমি গান গাইতে চাই।
কিন্তু মনকে সামলে রেখেছি।
জানো তো কীভাবে মদ খেতে হয়, তাই না?
আমি এটায় কিছুটা দিয়ে দিচ্ছি।
আমার কিছু জিজ্ঞেস করার ছিল।
কিন্তু বুঝতে পারছি না কীভাবে জিজ্ঞেস করব।
আপনাকে ফোনে কে হুমকি দিয়েছে আর কেন?
আর এর মধ্যে আমাকে ব্যবহার করার মানেটা কী?
আর আজ, আমাকে ভিন্ন একটা নামে ডেকেছিলেন।
নামটা কি জি ইউন ছিল?
আমি ডেকেছিলাম?
হ্যাঁ, আপনি ডেকেছিলেন।
জি ইয়ন না কি যেন... যাইহোক, আপনি আমাকে ঐ নামেই ডেকেছিলেন।
জিয়ান।
ওহ জিয়ান।
ঐ নামে একটা ছোট্ট মেয়েকে চিনতাম। তাড়াহুড়োয় ছিলাম, তাই হয়তো ভুলে তোমাকে ঐ নামে ডেকে ফেলেছি।
এই নাও। এটা তোমাকে ঘুমাতে সাহায্য করবে।
প্লিজ আমাকে বলেন কী জানেন। আমার জানতে হবে। আরেকটু হলে মারতে বসেছিলাম!
এ ব্যাপারে পরে কথা হবে, আগে গিয়ে ঘুমাও।
যদি বলতে না চান, তাহলে আমি বাড়ি চলে যাচ্ছি।
বলেছিলাম তো, তোমার বাড়ি বিপজ্জনক।
কিচ্ছু হবে না।
কারণ আমি জানি হিলার আমার রক্ষা করবে।
ও আমায় ভাঙা লিফট থেকে বাঁচায়, তো...
তুমি বলেছিলে, হিলারের ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়েছ
তো নিশ্চয়ই জানা আছে ও একজন কুরিয়ার বয়।
ওর জীবনের একটাই লক্ষ্য: টাকা। কাল যদি কেউ আমার চেয়ে বেশি টাকা দেয়, তখন ও তার হয়ে কাজ করবে।
ওর কোনো বিবেক, নৈতিকতা, বিচারবুদ্ধি কিছু নেই। সেকারণেই ও কাজটা করতে পারে।
ওকে বিশ্বাস কোরো না।
কিন্তু তারপরও....
গায়ে হালকা জ্বর আছে।
কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নাও।
স্যার, আমি... প্লিজ যাও।
যদি না যাও, আমার চিন্তা হবে।
আমাকে এক্ষুনি একটা কাজে যেতে হবে।
যাও গিয়ে ঘুমাও।
যদি শুনে থাকো, তাহলে এই কথাটা বলতে চাই।
ধন্যবাদ।
আমার বাচ্চাকে আজ বাঁচানোর জন্য।
বুঝতে পারছি না এটাকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজের প্রতিদান বলব,
নাকি কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।
কিন্তু তোমার কাছে আমানতেও চেয়েও বেশি কিছু রাখতে যাচ্ছি।
এছাড়া, তোমার কাছে একটা অনুরোধ রইল।
যদি তুমি অন্য কারো কাছ থেকে কাজের প্রস্তাব পাও,
তখন....
যদি বিপক্ষদলে থাকার সিদ্ধান্ত নাও
আশাকরি আমাকে আগাম জানিয়ে রাখবে।
যেহেতু, আমি তোমার নিয়মিত গ্রাহক।
আমার জন্য অন্তত এতটুকু উপকার করতেই পারো, তাই না?
বিশ্বাস। অন্তত একবার বিশ্বাস করা দরকার।
তারপর অনেক কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারবে।
বাবা এই কথাটা বলেছিল,
যখন আমার বাবা আমার কাছে অগন্তুক ছিল।
তুমি জানো না তাই,
কিন্তু আমি একটা ছোট্ট রোবট।
কিন্তু যদি তোমার আমাকে পছন্দ না হয়.. তাহলে..এখানে। দেখতে পাচ্ছ?
এই দাগটা দেখতে পাচ্ছ?
যদি আমাকে তোমার পছন্দ না হয়, তবে এখানে একটা চাপ দেবে।
আমি এভাবে চলতে শুরু করব
আর হঠাৎ এরকম হয়ে যাব। নড়াচড়া করতে পারব না।
আমি নড়তে পারছি না। একবার চেষ্টা করে দেখবে? দেখো।
তাহলেই, আমার কথা বিশ্বাস করবে।
কোনো লাভ হবে না।
বাচ্চাটা কোনো সুড়ঙ্গ দেখলেই হামাগুড়ি দিয়ে ঢুকে পড়ে।
আর সারাদিন ঐ গর্ত থেকে বের হয় না।
ও কি আমার কথা কিছুই বোঝেনি?
ও সবকিছু শুনতে পায় কিন্তু কথা বলতে পারে না।
এমনকি, আমিও ওর চেহারা এখনো ঠিকমতো দেখিনি।
এখানে খাবার রেখে যায়,
যখন কেউ থাকে না বাইরে এসে, তাড়াতাড়ি খাবার খেয়ে আবার গর্তে ঢুকে পড়ে।
তাহলে, ও ঘুমায় কোথায়?
ঐটাই তো সমস্যা। আরো ঠান্ডা পড়লে তখন কী হবে?
যখন ওকে জোর করে ঘরে নিয়ে যাই
ও এতই ক্ষিপ্র যে...
কাঠবিড়ালির মতো দৌড়ে আবার গর্তে লুকিয়ে পড়ে।
এমন না যে ওকে বুঝি না।
হয়ত শুনেছেন, ওকে যখন এখানে নিয়ে আসা হয়,
আমরা ওর দিকে ঠিকমতো তাকাতে পারছিলাম না।
হাড়গুলো ভাঙা আর সারা শরীর কালশিটের দাগে ভরা ছিল।
লি জাং সান এবং হান ইয়ং ইয়ে উনারা কোনো যদু মধু ছিলেন না।
সফলতার শিখরে ওদের সাথে আরো একজন ব্যক্তি যুক্ত হয়েছিল।
তার নাম কিম হিয়ুন শিক। চেনো? চেনো না?
তোমায় চিনতে হবে।
বাবার সাথে দেখা হওয়ার পরে পুরো দুনিয়াটা কি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠেছিল? একদম না।
জীবনে যখনই বেপরোয়া হয়েছি কেউ না কেউ আমার পিঠে ছুরি মেরেছে,
আর যখনই মনের দুয়ারটা খুলে রাখি, কেউ এসে এক গভীর ক্ষত দিয়ে যায়।
কিন্তু, তবুও ব্যাপারটা ঠিক ছিল।
যদি এমন একজনও থাকে যাকে বিশ্বাস করতে পারবে
তবে যতবারই প্রতারিত হও না কেন, তেমন কষ্ট পবে না।
আর আমি এমনই।
তাই, এখন কাউকে সন্দেহ করার চেয়ে
বিশ্বাস করাই সহজ।
যাওয়া যাক।
মুন হো
আপু, ভেতরে যাও। - কোনো সমস্যা?
ভাইয়ার সাথে কিছু কথা বলতে হবে। চাই না কথাগুলো শুনো। তো, তুমি এখানেই থাকো। ভেতরে আসবে না।
কী করছিস?
এই প্রশ্নটা আমার তোমায় করা উচিত। ভাইয়া, তুমি কী করছ?
কী হয়েছে?
তুমি কি ভেবেই নিয়েছ কখনো মানুষ হবে না? আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলো।
যদি মানুষ না হও, তবে কী তুমি?
কথা এমনভাবে বল যাতে বুঝতে পারি।
আবারো কি এই কাজের জন্য ওকে পাঠিয়েছিলে? এমনিতে তো তুমি নিজের হাত রক্তে রাঙাতে চাও না।
ও কী ব্যাপারে কথা বলছে জানো?
জিয়ানকে হাত লাগানো তোমার ঠিক হয়নি।
সবকিছু শেষ করতে চেয়েছিলে, তাই না?
তো করো। আজ সবকিছু শেষ করে দাও।
তুই কি... এইমাত্র জিয়ান নামটা উচ্চারণ করলি?
এখন বুঝতে পারছি কেন তুমি একটা জীবিত বাচ্চাকে মৃত বলেছিলে।
No comments yet. Be the first to leave one.