Crying Fist (Jumeogi unda)

Crying Fist (Jumeogi unda)

Pobierz napisy Bengali

Informacje o wydaniu

Crying Fist (2005) WEB-DL Bangla Subtitles By Raihan Shekh Jony & Sayed Fahmidul Islam
Komentarz od Sayed_Fahmidul_Islam
🔰🔰কোরিয়ান মুভি সংক্রান্ত নিত্যনতুন খবরা-খবর পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ "কোরিয়ান ফিল্ম ক্রাফট" - এ যুক্ত হোন।🔰🔰

Tagi

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
Opublikowano: 2020-04-07
Pobrania: 27
Dla niesłyszących: No

Podgląd napisów Bengali

Pierwsze 200 wierszy.

বঙ্গানুবাদেঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি) এবং সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম

সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম

ওয়ান, টু, ওয়ান, টু... মাইক্রোফোন টেস্টিং...

হ্যালো!

সবাইকে "শুভ সকাল" জানাই!

১৯৯০ সালের...

...বেইজিং এশিয়ান গেমসে...

...আমি একজন রৌপ্য বিজয়ী ছিলাম।

আমি আপনাদের অতীতের সেই...

...প্রিয় বক্সার, গ্যাং টেই-শিক।

আজ আমি এখানে...

...শুধুমাত্র একটা ঘুষি খেয়ে আপনাদের সমস্ত...

...চাপ দূর করে দিতে এসেছি।

কারো ব্যবসায় মন্দা যাচ্ছে,

যেসব মেয়েরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে আছে,

ভাই ও বোনেরা যারা তাদের প্রেমিক বা প্রেমিকাদের কারণে মনমরা হয়ে আছেন।

অথবা আপনাদের যারা কোনো না কোনো কারণে কারও প্রতি রেগে আছেন,

তারা গ্যাং টেই-শিকের কাছে চলে আসুন।

আমিই হবো আপনাদের মানব বালির বস্তা!

ওই, দাঁড়া!

দাঁড়া, শালা!

গাড়ি থেকে নেমে আয়!

দাঁড়া!

ও পড়ে গেছে। যাও ওকে ধরো।

দাঁড়া বলছি!

CRYING FIST

হ্যালো।

ঠিক আছে।

আমি পৌঁছে যাবো।

কেন যে ওরা সবসময় মারামারি করে...

তোরা তো শেষ।

নর্দমার কীট কোথাকার!

সমস্যাটা কী?

ভিক্টিমের সাথে চিৎকার করে কথা বলছেন কেন?!

ঐ হারামিগুলোকে নিয়ে আপনাদের তদন্ত করা উচিত, এদেরকে নিয়ে নয়।

তুই কি এখানেই বসে থাকবি? গুন্ডা কোথাকার! আমাকেও মার! আমাকেও মার!

- আপনি কি বসবেন? - গুন্ডা বদমাশ!

আমাকেও মার! আমাকেও মার!

দেখুন! ও আমাকে মারতে যাচ্ছে!

সেখানে যখন ছিলাম তোকে তখনই মেরে ফেলা উচিত ছিল আমার!

শান্ত হন!

এদিকে আয়।

এদিকে আয়, হারামি!

মানুষকে মারার ও কে!

মাথার চুলগুলো ধুয়েছিস?

বাড়িতে কি কোনো কিছু চলছে?

এতোসব বাজার-সদাই দেখছি।

আমার ছেলে আজ বাড়ি আসছে।

পরে এসে ঐ বাক্সগুলো নিয়ে যেও।

আমি খেয়ে এসেছি।

দেহের শক্তি বাড়াতে তোর আরো খাওয়া প্রয়োজন।

সাং-হোয়ান কোথায়?

ও খাবে না।

- সাং-হোয়ান! বাইরে আয়! - ওকে একা থাকতে দে।

- কই রে, সাং-হোয়ান। - ওকে বিরক্ত করা বন্ধ কর!

আমাদের একসঙ্গে খাওয়া উচিত।

আমরা বড় পরিবার নই। ওর বাবা এখানে আছে।

- ওই! সাং-হোয়ান! - চুপচাপ খা তো!

আমি মাত্রই খেলাম...

যখনি খাস না কেন এখনি খেতে বস।

তোর বয়সে থাকতে আমি পাথরও চিবিয়ে খেতে পারতাম।

কোথায় তুই?

তোর জায়গাতেই অপেক্ষা কর।

আমি ফোন রাখছি!

ফোন রাখছি!

এটা বদহজমের জন্য।

আমি তোকে আমার মতো জীবন কাটানোর কথা বলবো না।

কিন্তু...

তোর দাদীর কথা...

...ভাবা উচিত।

নে।

আরও একটা আছে

বড়দের সামনে থাকলে নিজের হাতটা ঢেকে রাখবি।

অন্য বাবা-মায়েরা স্থায়ীভাবে বসবাস করতে সম্মত হন।

আর আমার এখানে কিছু সঞ্চয় আছে...

এই জায়গাতে কিছুদিন কাজ করেছিলাম।

তাই এখানে কিছু টাকা পেতে পারি।

ভালো।

গিয়ে টাকা নিন তাহলে।

স্থায়ী হবি? তোর কি মাথা খারাপ?

তোদের মারামারির জন্য আমাকে টাকা দিতে হবে।

একটা বেকুবের জন্য তুই আমাকে ভাড়া করবি?

না, ওরা এটা শুরু করেছে। কসম খেয়ে বলছি।

পরের বার মারামারি করলে আমাকে ডাকবি না।

নগদ?

এক টাকাও নগদ বহন করে না।

সবাই এখন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে।

আমাকে দেখতে দে।

হ্যাঁ! বয়স্ক লোক, কিম!

তিনি প্রত্যেকের কাছে টাকা ধার দেন...

এবং দৈনিক সুদ সংগ্রহ করেন।

তিনি সম্ভবত প্রত্যেক দফায় কয়েক মিলিয়ন টাকা সংগ্রহ করেছেন।

শুভদিন, স্যার... ধ্যাত্তেরি।

এসব কী হচ্ছে? তোমাকে কে পাঠিয়েছে?

না...

আমাকে যেতে দাও! বাঁচাও!

আমাকে বাঁচাও!

- ওই ব্যাগটা আমাকে দে! - না, এটা না।

আমাকে ওটা দে!

আমাকে শুধু ব্যাগটা দে!

এখানে আয়!

ছাড় বলছি!

দে বলছি!

বাঁচাও!

দে আমাকে।

গ্যাং টেই-শিক সাহেব।

গ্যাং টেই-শিক সাহেব!

কিছু তো বলবেন, তাই না?

আমি একেবারে কিছুই ভুল করিনি।

কিছু না!

ঠিক আছে! এখন চুপ কর!

শালা বেকুব!

তোর জন্য অন্যরা নিজেদের কাজ ঠিকমতো করতে পারছে না।

কারখানার স্থানটি অনুমোদিত এলাকায় নয়...

আপনি কী করতে যাচ্ছেন?

আমার বাচ্চাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার মতো আমার কাছে টাকা নেই।

- গ্যাং টেই-শিক সাহেব! - ঐ শালার জন্য!

বলেছি, চুপ করে বসতে!

এই!

এই! আমাকে মারছিস!

তোমরা সবাই সেটা দেখেছ!

শান্ত হন।

এত জোরে চিৎকার করছিস কেন, শালা বেকুব?

তোর মনে হয় আমি এমনটা করতে চেয়েছি?

তুই জানিস আমার কেমন লাগছে?

আমার মুখ খারাপ করতে বাধ্য করিস না, হারামির বাচ্চা!

আজ কী যে হচ্ছে!

"স্ট্রেসড পেপার"

কিছুদিনের জন্য সিও-জিনকে নিয়ে তোমার মায়ের কাছে চলে যাও।

সোজাসুজি আমাকে ডিভোর্সের কথাই বলছ না কেন?

ধুর...

আমার যে সামান্য সম্মানটুকু আছে তাতে খোঁটা দিও না তো।

সম্মান?

এইসবই কী তোমার সম্মান?

তোমার এই সম্মান তোমাকে কিছুই দেয়নি...

এভাবে বেঁচে থাকার চেয়ে বরং আমাদের পুরোপুরি মরে যাওয়া উচিত!

একেবারে মরে যাওয়া উচিত!

তোমার হাতে মার খেতে খেতে,

সিও-জিনের সামনে...

...পাওনাদারদের কাছে ছোট হতে হতে...

আমি বিরক্ত হয়ে গেছি।

ঠিক আছে, মরে যাও তাহলে।

সিও-জিন!

বিষের দোকানে যা...

গিয়ে ওদের কাছ থেকে সমস্ত ইঁদুর মারা বিষ কিনে নিয়ে আয়!

এখনকার দিনে কে ইঁদুর মারা...

...বিষ বিক্রি করে?

সিও-জিন! কিছু টাকা নিয়ে গিয়ে...

পারলে মাছ মারার বিষ কিনে আন!

শোনো...

কাছে এসো।

কাছে এসো।

আমি আবার নিজের পায়ে দাঁড়াবো।

আমি এখনো মরিনি।

দশ বছর হয়ে গেছে।

চুপচাপ বসে থাকো।

কী করছ তুমি..

ওর এত সময় লাগে আনতে...

অনেকক্ষণ হয়ে গেলো...

এই ওহ ওন-টেই!

টেই-শিক, বন্ধু আমার!

অনেকদিন পর দেখা হলো।

- কী হয়েছে! - তোকে আমি ফোনে পাচ্ছি না কেন?

তুমি কি জানো...

..এই লোক...

- কি? - পাজুতে ভাগ্য তৈরি করেছে?

আমাদেরকে কিছুক্ষণের জন্য একা ছেড়ে দাও।

- তুই কি পাগল? - শান্ত হ!

চল বাইরে গিয়ে কথা বলি।

চল।

আমি তোকে কিছু থাকার জায়গা দেবো।

হেই!

তুই আমাকে কথা দিয়েছিলি...

এই মাসের শেষে প্রথম কিস্তিতে কিছু টাকা দিবি।

তোর এখনি মাথা খারাপ হয়ে গেছে।

শালা মাদার***!

তাহলে এসব প্যাচাল বাদ দিয়ে আমার টাকা পরিশোধ কর...

নয়তো তোকে আমি মেরে ফেলবো।

যা খুশি কর।

আমি সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি।

তুই আমার শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রি করতে পারিস, ব্যস এটুকুই বাকি আছে আমার।

শালা হারামজাদা!

হারামির বাচ্চা!

তুই কি জানিস আমার কাছে...

...ঘুমানোর মতোও কোনো জায়গা নেই?

আমি কোনোমতে রিয়েল এস্টেট এজেন্টের মাধ্যমে এই থাকার জায়গাটা পেয়েছি..

তুই কয়েক মাস এখানে থাকতে পারিস।

থামো!

বামে ঘোরো!

২১ জন ট্রেনিংয়ের জন্য প্রস্তুত!

- এই কয়জনই? - জ্বি!

আমি যা বলতে যাচ্ছি...

তা খুব মনোযোগ দিয়ে শুনবে।

এক,

একজন নিরাপত্তাকর্মী যেটাই বলুক না কেন সেটাই আইন।

দুই,

তোমরা এখানে জেল খাটতে এসেছ...

তাই তোমরা এই সময়টায় কাজ করবে।

তিন,

শাস্তি...

Crying Fist (Jumeogi unda) subtitles in other languages

Komentarze

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left