Aadukalam

Aadukalam (ஆடுகளம்)

Pobierz napisy Bengali

Informacje o wydaniu

Aadukalam (2011)
Aadukalam ডিভিডি রিপ (রানটাইম - 2:39:44)
Aadukalam বিসাব বাই রুদ্রাক্ষ স্যানথিল
Aadukalam (சேவல் சண்டை ஒரு பாரம்பரிய விளையாட்டு)
Aadukalam (நான் தனுஷ் அண்ணாவின் ரசிகன்)
Komentarz od Mehdi Rocks
আমার অষ্টম একক বাংলা সাবটাইটেল। রানটাইম- 2:39:44। MLWBD তেই পাবেন। সাবটাইটেল ডেডিকেট করছি- হাসান বিন ইসলাম সুহান ভাইকে। জয়েন করুন আমাদের ফেইসবুক গ্রুপ WBMF : Film Society তে। এছাড়াও সাবটাইটেল সম্পর্কিত গ্রুপ 'সাবটাইটেল বিডি-Subtitlebd.com' তেও জয়েন করতে

Tagi

other
Opublikowano: 2020-08-09
Pobrania: 72
Dla niesłyszących: No

Podgląd napisów Bengali

Pierwsze 200 wierszy.

সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি হাসান বিন ইসলাম সুহান ভাইয়াকে

অনুবাদ ও সম্পাদনায় রুদ্রাক্ষ স্যানথিল

লড়াকু মোরগ!

তাদের জীবন বাচাতে আর স্থান ধরে রাখতে, হিংস্র ভাবে লড়াই করে।

ককফাইটের কলাকৌশল, লড়াকু মোরগকে পালন করার অভিজ্ঞতা,

এসব সম্বন্ধে জানা, শ্রেণিবদ্ধ করাটাকে মানুষ শিল্পে পরিণত করেছে

ককফাইট পুরোনো সভ্যতার সেই নিদর্শন,

যেটার আমাদের তামিলনাড়ুর ইতিহাসে বিশেষ স্থান আছে।

সেই সাঙ্গাম সাহিত্য থেকে আজকের সাহিত্যে,

মোরগ লড়াই নিয়ে অনেক বই লেখা হয়েছে।

থাবা, ধাক্কা, পিছু হটা, নখর ব্যবহার করা,

যদিও, মরতে ধরলেও হার মানত না।

এক্কেবারে মুখোমুখি লড়াই হত,

এই বিশ শতকে,

বিশ্বের বেশিরভাগ সরকার,

হিংস্রতা রুখতে মোরগ লড়াইয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

কিন্তু, মানুষ এখনও এই শিল্পকে বাচিয়ে রেখেছে।

ককফাইটের দক্ষ ব্যক্তিরা, এই শিল্পের কৌশলগুলো গোপনীয় রাখে,

এবং এখনও ঐতিহ্য অনুযায়ী, তাদের শিষ্যদের শেখান হয়।

মোরগ লড়াই শুধু মাত্র মোরগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না।

এটা দুজন মানুষের লড়াই,

এছাড়াও, হিংস্রতা, প্রতিহিংসা আছে।

রক্তের ছোড়াছুড়ি - সব কিছুই আছে।

ককফাইটের প্রতিহিংসার আগুন,কখনও কখনও মানুষের মৃত্যুর মাধ্যমে নিভে যায়। আজকে, গভীর রাতে।

তোমরা গিয়ে বাড়িটা তল্লাশি কর।

ভাই!

রক্তারক্তি অবস্থা!

জানিনা ওর কী হয়ে গেল ভাই!

কি বলছিস তুই?

- ভাইকে জানাব? - না।

দেখ কীভাবে দেখছে। সর

আজকে, রাতে।

বাবা!

কিছু দিন আগে, রবিবার বিকেলে।

শহরের বাইরে, একশ দেড়শ জনের দুইটা গ্রুপ আসে।

তারা ককফাইটের আয়োজন করেছিল

কিন্তু, হঠাৎ করেই পুলিশ রেইড দেয়।

পুলিশ! পালাও!

তুই মোরগ চুরি করছিস কেন?

এই মোরগের জন্যই তো এত ঝামেলা, তাই না?

আজকে একে রান্না করে খাব।

কম্পিটিশন রথিনাস্বামীর জায়গাতে হচ্ছিল।

রথিনাস্বামী! একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর

কিন্তু, সেই পরিবার থেকে আসছে, যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম থেকে ককফাইট লড়ে থাকে।

জমিদার!

তার সাথে কেউ পেরে উঠত না।

তিনি জেতার জন্য সবকিছুই করতে পারেন

আমাকে কখনোই ধরতে পারবে না, চেষ্টা কর।

তোকে ধরতে পারলে, জাহান্নাম দেখিয়ে ছাড়ব।

আমি যদি এখানে নামি.....

আপনারা সবসময়ই জুতা পলিশ রাখেন, আসুন আমাকে ধরুন

সাবধানে রাখ, হারিয়ে ফেলিস না আবার।

সাবধানেই আছে।

রথিনাস্বামী কারও কাছেই কখনো হারেনি।

একজন বাদে, পেট্টাইকারান!

পেট্টাইকারান রথিনাস্বামীর মত ক্ষমতাবান বা ধনী নয়

কিন্তু, গত ত্রিশ বছরে তাদের মধ্যকার ককফাইটে,

রথিনাস্বামী একবারও তাকে হারাতে পারেনি

- ভাই, ওরা আমাদের মোরগ চুরি করেছে। - কি বলছিস তুই?

হ্যা। ওটা একটা আবেগ। জানিনা ওটার কি হয়ে গেল?

থাম!

- কিরে, ধরা খেয়েছিস? - ভাল হয়েছে

গিয়ার বাড়িয়ে জোরে দৌড়া।

- উকিল, স্যার। - বলো দুরাই

-পুলিশ রেইড দিয়ে ভাইকে এরেস্ট করেছে। W1 এ আসুন। - ঠিক আছে।

রবিবারেও আমাদের শান্তিতে থাকতে বা খেতে দিস না।

ঝামেলা করার জন্যই এসেছিস।

এটাতে কী এমন আকর্ষণ আছে?

সাবধানে রাখ।

থাম! ধরতে পারলে পা ভেঙে ফেলব।

বাল! অন্তর্বাস না পড়েই মুখের উপর দিয়ে লাফাচ্ছে।

আরে, তুই কানা নাকি?

- কি হচ্ছে কি? - শুধু মজা দেখুন।

সবসময়ই কাউকে না কাউকে তাড়া করেন। জোরে দৌড়ান, স্যার।

কেউ পেট্টাইকারানকে হারাতে পারত না, তার মোরগের জন্য।

মোরগগুলো কখনই বিক্রি করত না। তার শিষ্যদের দেখাশোনা করতে দিত।

তো, মোরগদের যে ফাইটিং টেকনিক শেখানো হত, তা ওই দলেই সীমাবদ্ধ থাকত।

আর তার সাথে তিন জন আছে।

দুরাই,

থিরুপ্পারানাকুন্দ্রামে বার চালায়।

পেট্টাইকারানের হয়ে লড়া মোরগকে প্রস্তুত করার টাকা সে-ই দেয়।

কারুপ্পু,

যেকোন কম্পিটিশনেই, সে-ই পেট্টাইকারানের হয়ে ফাইট শুরু করায়।

জকি হিসেবে একটা ম্যাচও হারেনি

আইয়ুব,

পেট্টাইকারানের আহত মোরগকে চিকিৎসা দেয়।

নেক্সট রাউন্ডের জয়ের জন্য প্রস্তুত করায়।

জানিনা কেন কাজে গেলাম!

এত গুলো কার্ডের রেশন একা কীভাবে নেবে?

তোমার ছেলেকে সাহায্য করতে বলতে পারো না?

ওকে খুজে পাওয়ার আগেই, আমি এগুলো পৌছে দিতে পারব।

দৌড় শুরু হয়ে গেছে, তোমার ছেলেও দৌড়াচ্ছে।

তোকে ধরলে মেরে দেব

নাহ, সে এখানেই দাড়িয়ে থাকে।

- নমস্কার - আহো, ভাতিজা।

তুমি এখন কম দেখতে পারো, নাকি?

কাজ ভাল ভাবে করছ তো? - আমি শুধু কাজেই যাই, জ্যাঠা।

কফি খাবে?

- না জ্যাঠা। আমার কাজ আছে। - তোমার কাজ আছে?

- নাগাভালি তোমাকে দেখতে চায় - আমি আসব জ্যাঠা।

- এসো। - ওর পেছনে দৌড়াও। ওকে ধরতে পারব।

জ্যাঠা, নাগাভালিকে বলবেন আমি কালই আসব।

পুলিশ তখনই রেইড দেয়, যখন পেট্টাইকারান আর রথিনাস্বামীর ম্যাচ শুরু হতে যাচ্ছিল।

দেখ, দৌড়ে আসছে।

ভাই, জ্যাঠা দেখে ফেলেছে। জানিনা নাগাভালিকে কী বলবে!

কম্পিটিশন হয়নি আর পুলিশ রেইড দিয়েছে।

আমাদের মোরগও চুরি করেছে

আমি ভাইয়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে চিন্তিত, আর তুই তোর ভালবাসা নিয়ে চিন্তা দেখাচ্ছিস।

তুইও একদিন এই পরিস্থিতিতে পড়লে বুঝতে পারবি।

ওখানেই থাম বলছি! থাম!

ভাই! আমি কি কাউকে মেরেছি?

আমরা ককফাইটের আয়োজন করাতে আমাদের পিছনে লেগে আছে

এটা রথিনাস্বামীর বুদ্ধি।

ভাই, জলে লাফ দে

লাফ দে!

এই সুব্বেইয়া, হেড কনস্টেবল.....

আমাকে লাফ দিতে বলছিস কেন? তুই লাফ দে।

এরপর কাউকে সহজে ছাড়ব না।

কেউ সহজে পার পাবে না। সবাই জেলে যাবে।

আমি যদি রেইড দিতে বলে থাকি, তাহলে কেন তারা আমার লোককে গ্রেফতার করবে?

যদি আমিই এসব করে থাকি, তাহলে আগে কেন এমনটা করলাম না?

আর ফাইটের দরকার নেই। সব চুকিয়ে নিন।

এভাবে বলতে পারো না। আমি বাজি ধরেছি।

আমিই শুধু পরবর্তী ম্যাচের সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

না স্যার, আমি আর লড়তে পারব না।

হেরে যাওয়া দল লড়তে চাইলে, অবশ্যই লড়াই করা উচিত।

নিয়মকে ভেঙে ফেলছো কেন?

কে নিয়ম ভাঙছে?

তারাই তো রেইড দিয়ে মুরগি চুরি করার নতুন নিয়ম বানিয়েছে।

হেরে যাবার ভয়ে পিছপা হচ্ছ?

গলা কাটব! আমরা জিতেছি! কেন হারার ভয় করব?

থাম!

আমি হ্যা বললেই খুশি হবে?

হ্যা, আমি হারার ভয়ে পিছপা হচ্ছি, ঠিক আছে?

ওরা হয়ত হেরে গিয়ে রেকর্ড গড়বে, পিছপা হচ্ছ কেন?

- ওরা সম্ভবত বিরক্ত হয়ে আছে। - বাল!

অভিশাপ বলে কিছুই নেই।

আচ্ছা ভাই, শান্ত হও।

বড়দের সামনে এভাবে কথা বলছিস কেন?

ভাই, আমি যদি বারবার হারতে থাকি;

তাহলে আমি একবার না জেতা পর্যন্ত তাদের ম্যাচ খেলতেই হবে।

আমিই তো বললাম, আমরা আপনাদের সাথে জিততে পারব না, তাই না?

তুমি ভাই ওর বাকি হাসি দেখলে, তাই না?

ওকে হাসতে দে।

লোকে জানে কে কত মেধাবী!

পেট্টাইকারান আর ম্যাচ না খেললে,

বিজয়ীর বেশে অহংকার করবে।

আর সারাজীবন আমিই লুজার হয়ে থাকব?

আমি এটা মানতে পারব না!

বার বার একই কথা বলো না।

আমি কি জানিনা যে কি করতে হবে?

এবার হারার ভয়ে পুলিশ ডেকেছে, এরপর মানুষ মারবে।

তাড়াহুড়োতে কিছু করবে না। আমিই ওর সাথে কথা বলব।

আমি আপনার কথানুযায়ী ওর সাথে ঝামেলা করব না।

কিন্তু, আপনাকেও যদি অগ্রাহ্য করে,

নিজের মোরগ থেকে নিজেরই বিশ্বাস উঠে গেছে। তাই এমন করছে।

তাই, তার সাথে ফাইট করাটাও নিরাপদ নয়।

ওগো!

আমি এই ম্যাচ খেললে, ঝামেলা পড়ে যাব।

তাই বলে কি আমাদের অপমানিত হতে হবে, ভাই?

মৃত্যু হলেও, গৌরব জয়ের মাঝেই নিহিত।

পেট্টাইকারান খেললে, সব কিছু মোরগ লড়াইয়ে শেষ হবে। না মানলে ওকে ছাড়ব না।

- তুই জিতেছিস? - যাও তো মা। যাও।

তোমার ছেলেকে দেখো! আবার হেরে এসেছে!

ওর বিরুদ্ধে জিততে চাইলে, চুরি যাওয়া মোরগ ফিরিয়ে আন।

- আমাদের মোরগ রথিনাস্বামীর বাড়িতে নেই। - 'পুলিশ কোয়ার্টার ওথাকাডি'

- ওর প্রত্যেক কলিগের বাড়িতে যা। - হেড কনস্টেবল রমেশের বাড়ি!

কিজা স্ট্রিট, থিরুপারানকুন্ড্রাম।

আরামান্দাইয়ান হাউজ।

হ্যালো!

মোরগ আরামান্দাইয়ান হাউজ কিংবা কোয়ার্টার কোথাও নেই।

-আমরা খুজলাম। -আচ্ছা, কেটে দে

আরামান্দাইয়ান হাউজ কিংবা কোয়ার্টার কোথাও নেই

ওরা রথিনাস্বামীর বাড়ি যাচ্ছে।

একটা মোরগই তো হারিয়েছে। এত উদ্বিগ্ন হচ্ছ কেন? বাড়ি যাও।

এত হালকা ভাবে নিচ্ছেন কেন?

তেরটা ফাইট জিতেছে! এত সহজে ছাড়ব?

মেলা স্ট্রিট, আয়ান কোট্টাই

রাথিনাস্বামীর বাড়ি।

রেইলওয়ে কোয়ার্টার।

থাংগাপান্ডির বাড়ি।

- হ্যালো, - আমি সুন্দর বলছি, ভাই।

- রেইলওয়ে কলোনির থাংগাপান্ডি থেকে। - কে?

থারাপাদি তে যে কাউন্সিলরকে মারা হয়েছিল, তার ভাই;

বাড়িতে নতুন খোয়ার এনেছে। মনে হয়, সেখানেই আছে

আমাদের মোরগ কোন মুরগির সাথে থাকলে, মুরগিটাকে মেরে ফেলবি।

থাম, একা যাস নে।

- উনি গেলেই ভাল হত না? - না।

বললাম কারণ, তুই ভয় পেতে পারিস।

ভাই, এখানে থাক। আমি একাই যাচ্ছি।

তোকে একা যেতে দেয়ার জন্য আমাকে পাঠায় নি, তাই না?

ভাই, মুরগির সাথেই আছে।

ইতোমধ্যে ডিমও পেড়েছে!

ঠিক আছে। ভাইকে জানানোর পরই উঠিয়ে নেই।

কে আপনি? এখানে কি করছেন?

এই! চিৎকার করলে গলা কেটে দেব।

হুট!

এই! কারুপ্পু!

বল।

পেয়ে গেছি। সব উঠিয়ে নেব?

Aadukalam subtitles in other languages

More Bengali subtitles for Aadukalam

Komentarze

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left