Pierwsze 200 wierszy.
কী?
এই বালের প্রজেক্ট বাটারফ্লাই আসলে কী?
কী?
- বেশ, একটা ঝামেলা হয়ে গেছে। - কী?
একটা মামনীর সাথে ঘাপাঘাপ করতে এসেছিলাম, আর তোমাকে কথাটা জ্বলানোর জন্য বলছি না।
কথাটা বলছি কারণ ও একটা মেটাহিউম্যান ফ্রিক ছিল
যে আমাকে খেলনার মতো করে পুরো ঘর জুড়ে ছুঁড়ে মেরেছে!
ওহ, না!
ও এখন আছে কোথায়?
পার্কিং লটে ভর্তা হয়ে পড়ে আছে।
কিন্তু এখন আমার একটা নতুন গাড়ি লাগবে। আমার গাড়ির হোগা মারা গেছে।
তুমি কি দৌঁড়াচ্ছ?
আমার জিনিসপত্র নিতে ওর অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে যাচ্ছি!
আহ, ধ্যাৎ। ঠিক আছে, আমি আসছি।
তোমাকে তো ঠিকানা দিইনি।
হ্যাঁ, তোমার মাথায় লাগানো চিপের সাহায্যে আমি তোমাকে ট্র্যাক করতে পারি।
দাঁড়াও, ওটার সাহায্যে কি আমার হাত মারা দেখতে পারো?
ওটা তোমার খুলির ভেতর আছে। আমরা কীভাবে...
জানি না, প্রযুক্তি বহুত চুতিয়া জিনিস।
এই, হারকোর্ট, তুমি কি আমার হাত মারা দেখতে চাও? আমাকে ব্যস একবার বললেই হবে।
মনোযোগ দাও, মাথামোটা।
তোমার জিনিসপত্র নিয়ে ওখান থেকে বের হও।
ঠিক আছে। তোমার সাথে বাইরে দেখা করব।
বাল!
নতুন মেয়ে! তুমি গাড়ি চালাবে।
পিসমেকার একটা বাটারফ্লাইকে মেরে ফেলেছে।
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
আহ, ঢুক! বাল হচ্ছে!
হয়ে গেছে।
ওকে ট্র্যাকারে দেখতে পাচ্ছ?
হ্যাঁ, মনে হচ্ছে ও এখনও অ্যাপার্টমেন্টের ভেতর আছে। আমরা প্রায় পৌঁছে গেছি।
ঠিক আছে, ওকে সেখান থেকে বের করো।
হারকোর্ট,
আশাকরি তোমাকে মনে করিয়ে দেওয়া লাগবে না যে এই অপারেশন কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
আমি সামলাচ্ছি ব্যাপারটা। চিন্তা কোরো না, প্রায় পৌঁছে গেছি।
জানো তো... তোমার ঘরে, যা ছিল,
- তা নিরাপদ না। - কী?
- তোমার ঘরে একজন ছিল। - এতে কি নিয়ম ভাঙে?
- তা তো বলিনি। - তুমি করছ কী?
এই অপারেশন রেকর্ডের বাইরে হচ্ছে। আমাদের কোনো নিয়ম নেই,
কিন্তু এটা নিরাপদ না, তাই না? মানে, ওর জন্য।
- আমি জানি না! - না এটা নিরাপদ না।
- কী করছ? - রাস্তা দেখে চালাও।
- আমার কাছে কুকুরও আছে। - ঠিক আছে।
- তোমার কি মনে হয় ওরা নিরাপদ আছে? - কুকুরগুলো কি বড়?
না, ওরা অনেক ছোট, কিন্তু ওদের একজন, এমারসন, ও ছোট ছোট ড্রেসগুলো পড়তে পছন্দ করে।
তোমার কি মনে হয় এতে ও কোনো বড় টার্গেটে পরিণত হবে?
ওরে খোদা!
ধ্যাৎ!
বালটাকে তো আজ ঠুকেই দিয়েছিলাম।
ঘটনাস্থলে পিসমেকারের গাড়ি উপস্থিত আছে।
রেজিস্ট্রেশনে কি নামটা বদলাতে পারবে?
- হ্যাঁ। - ভালো।
মানে কী?
রিপোর্টে বলা হয়েছে "বিস্ফোরণ" ঘটেছে।
তাহলে ইঁদুরটার কিছু হলো না কেন?
আশাকরি সুপারহিরোদের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
এমনিতেই খোলা ঘুরে বেড়ানো ওই উন্মাদ ভিজিল্যান্টিকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছি।
ধ্যাৎ।
কী এটা? পিজ্জা?
অফিসার, ওটা নিচে রাখো।
- কেন? - কারণ মনে হয় ওটা কারো মুখ।
- কী? - মুখ। মানুষের মুখ।
ব্যাকআপ আর মেডিকেল টিম রাস্তায় আছে, ডিটেকটিভ।
তোমার কি এত ধীরে চালাতেই হবে?
আমি ব্যস চুপিসাড়ে ঢোকার চেষ্টা করছি।
ওহ, না।
ভাবতে পারো এই মাথামোটা একটা বাটারফ্লাইকে ভোগে পাঠিয়েছে?
মানে, মালটা ৪ বছর জেলে ছিল।
আমার বিশ্বাস ও সবকিছুরই হোগা মারবে।
খাবারের বাটি, জাম্বুরা, দই।
খিদে পেয়ে গেল।
দেখো, আমি জানি আমার কথায় তোমার বিশ্বাস হচ্ছে না,
কিন্তু এমারসন সত্যিই কাপড় পরতে ভালোবাসে।
যদি ওকে সকালে নতুন কিছু না পরাও,
তবে তুমি না পরানো অবধি ঘ্যানঘ্যান করতেই থাকবে।
ওকে এসব কাপড়ে কিউট লাগলে কি আদর করো?
হয়তো।
ও আসলে কাপড়গুলো পরতে চায় না,
ব্যস তোমার ভালোবাসা পেতে নিজেকে অপদস্ত করে।
হয়তো ও ব্যস নিজেকে স্মার্ট দেখতে পছন্দ করে।
- ও আছে কোথায়? - এমারসন? ও বাসায় আছে।
তোমার কুকুরের কথা বলছি না! পিসমেকার কোথায়?
ওটা কি, বিড়াল?
জোশ। ভবিষ্যতে বিস্কুট খাওয়া হবে দেখছি।
এটা তো... থাকাই লাগবে।
কী?
সেখানে এখনও কী করছ?
বলেছিলাম তো, দরকারী জিনিস নিতে যাচ্ছি!
বেশ, মেইন গেটের বাইরে অনেকগুলো পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে,
তাই তোমাকে অন্য রাস্তা দিয়ে বের হতে হবে।
বাইরে কি ঈগলিকে দেখেছ?
তোমার ঈগল?
হ্যাঁ, ওকে একটু খুঁজবে কি? ও কি বাইরে আছে?
না, বন্ধু, আমি তোমার ঈগলকে খুঁজব না।
হারকোর্ট, প্লিজ... সাহায্যটা করো।
ব্যস জানালাটা নামাও, হাতটা বের করো, আর একটা প্যাকেট মোচড়াও।
ও মনে করবে তোমার কাছে চিপস আছে। আর সঙ্গে সঙ্গেই এসে পড়বে।
ওকে চিপস কেন খেতে দাও?
জানালার কাছে কি কেউ দাঁড়িয়ে আছে?
চুদসে!
ওর মাথায় ওটা কী ছিল?
সত্যি? আমার কথা তোমার বিশ্বাস হয়নি?
এইযে, ম্যাম? এই বিল্ডিং থেকে বের হবার আর কোনো পথ আছে?
সামনের দরজা দিয়ে আর পাশে আরেক দরজা দিয়ে বের হওয়া যায়।
ঠিক আছে। তোমরা দুজন, আমার সাথে আসো। আর তোমরা দুজন, পাশের দরজায় যাও।
বিল্ডিংয়ের পিছনদিকে বের হবার কোনো রাস্তা নেই,
তো দ্বিতীয় তলায় দেখো কোনো
বারান্দা খুঁজে পাও কিনা, পেলে লাফ দাও।
লাফ দিবে?
ঠিক আছে, পিছনের দিকে চলো, পিছনের দিকে চলো।
- পাঁচ তলায়, তাই না? - হ্যাঁ।
ওরে, আমার বুকটা ধুকপুক করছে! তোমার করছে?
না, আমারটা কাজ করছে না।
চার নাকি পাঁচ তলায় ছিল?
- দেখলে ওকে? - হ্যাঁ।
এই! এই, দাঁড়াও ওখানে!
সং, মাত্রই দেখলাম একজন পাঁচ তলা থেকে ছয় তলায় গেছে।
ও কি মাথায় কিছু পরে ছিল?
বেশ, তা তো দেখতে পাইনি।
তোমরা ছয় তলায় যাও, আমরা ততক্ষণে এই অ্যাপার্টমেন্টটা চেক করি।
- এই, বন্ধু, কী অবস্থা? - উহ...
- ফ্রেডি আছে? - ফ্রেডি কে?
- ফ্রেডি মালমামিমিমিম? - না, কোনো ফ্রেডি ট্রেডি নেই...
না, তোমরা আজকে রান্নাবান্না করছো তাই না?
আমিও সাইন আপ করেছিলাম। তোমরা আমাকে একটা...
হোন্ডার, ফ্লিন্ডার, টিন্ডার, গ্রিন্ডার পাঠিয়েছিলে। ওহ, বাল।
ধুর বাল!
- কী করছ? - ওগুলো উঠাও।
দরজাগুলোর কড়া নাড়ো।
- ভাইরে, প্লিজ? ওগুলো উঠাও! - আচ্ছা, আচ্ছা, আচ্ছা।
ইভান, কী হচ্ছে?
লোকটা আমাদের অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে পড়েছে। পুলিশকে ফোন করো।
- পুলিশকে ফোন করব! - সোনা, ও আমার দিকে ছুরি তাক করে আছে।
- তুমি তো ওকে সাহায্য করছ। - এই, এই! শশ, শশ, দুজনেই চুপ করো।
- বেশ, ধন্যবাদ, স্যার। - ব্যাপার না।
- হ্যাঁ, ঠিক আছে। আমি বুঝেছি। - আচ্ছা। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ সময় দেওয়ার জন্য। আপনার রাতটা শুভ হোক।
মনে হয় না ভেতরে কেউ আছে।
ঠিক আছে, পেগি। মনে রেখো, ঐটা থেকে কোনো জবাব মেলেনি।
ও নিশ্চয়ই পেশাদার কেউ। ওর কাপড়-চোপড় দেখেছ, এম্বার!
আচ্ছা। উহ, তো আমার দড়ি, আর সুতা লাগবে।
কেন?
দুর্ভাগ্যবশত, তোমাদেরকে আমার বাঁধতে হবে।
আচ্ছা। ঠিক আছে, শোনো, আমি... খোলাখুলি কথা বলতে চাচ্ছি,
মানে যেমন, একটা মানুষ আরেকটা মানুষের সাথে করে।
আমাকে বাঁধলে আমি ক্লাস্টোফোবিয়ায় মারা যাবো, তো...
হ্যাঁ। হ্যাঁ, অবশ্যই।
ওহ, ধ্যাৎ। মাফ কোরো।
এখানে কেউ নেই।
তাহলে ও অবশ্যই উপরতলায় আছে। চলো।
- যতটুকু পারতাম করেছি... - ধন্যবাদ, বন্ধু। ধন্যবাদ।
খুঁজে এটা পেলাম।
এতেই কাজ হবে।
সিন্ড্রেলা আমার খুব পছন্দ ছিল।
হ্যাঁ, টম কেইফার আর বয়েজ যেন দুধ-চিনির মিশ্রণ।
একদম।
- হ্যাঁ। - হ্যাঁ।
আপনার তারিফ করছি।
ধন্যবাদ, ম্যাম, আপনার ঘুম ভাঙানোর জন্য দুঃখিত।
এই একটা মাত্র অ্যাপার্টমেন্ট গেট খুলেনি।
- বেশি ব্যথা করছে না তো? - না, একদম না।
শেমিজটা দারুণ।
- তাই? - হ্যাঁ।
ইভান বলে এতে নাকি আমাকে মোটা লাগে।
তুমি পায়জামা পরলে বেশি ভালো হবে। আমি ব্যস এটুকুই বলেছিলাম।
বুঝছি না সেটা কীভাবে ভালো হতে পারে। ভাইরে ভাই!
ধন্যবাদ।
নিজের প্রশংসা শুনে ভালো লাগলো।
- তুমি কি মশকরা করছ, এম্বার? - কী?
তুমি কি এখনই ওর সাথে খাট কাঁপানোর স্বপ্ন দেখছ?
কী? না, ও খুব আন্তরিক সেটাই বলেছি, বালটা!
আর দেখলাম আমাদের মধ্যে অনেক মিলও আছে!
- যেমন? - উহ, আমরা দুজনেই সিন্ড্রেলা পছন্দ করি।
সাত বছরে, তুমি একবারও সিন্ড্রেলার কথা বলোনি!
কী? আমি সপ্তাহে নাহলেও একবার তো সিন্ড্রেলার কথা তুলি, ইভান!
তুমি কখনোই আমার কথা শুনো না
কারণ তুমি সবসময় বালছাল ব্যান্ড নিয়ে বকবক করতে থাকো!
ওহ, তো এখন আমার গানের পছন্দকে অপমান করবে? তোমার মনমানসিকতা কত ছোট!
"পাম্পড আপ কিকস," ইভান?
জানো গানটা কীসের ব্যাপারে? খুনের ব্যাপারে!
তুমি একটা খুনি! তুমি আমার আত্মার খুন করছ!
ওহ, তাই? কী মনে হয় আমার আত্মার কেমন লাগে
যখন আমার সামনেই তুমি এই টগবগে, জোশ লোকের সাথে খাট কাঁপাতে চাও?
- আমি ওর সাথে খাট কাঁপানোর চেষ্টা করছি না! - আমার সামনেই তো করলে!
কিন্তু একটা কথা জানো কি, ইভান, হয়তো এখন আমি চাইবো!
কী হবে কে জানে, তাই না?
কারণ আমার হাত-পা বাঁধা। আমি অসহায়। মানে, যেকোনো-কিছু ঘটতে পারে, তাই না?
মানে, সত্যি, কী হবে কে জানে?
ইভারগ্রিন পুলিশ! দরজা খুলুন, নাহলে আমরা ভেঙে ভিতরে ঢুকব!
ধ্যাৎ।
- বাল। - ইভারগ্রিন পুলিশ!
বোকাচোদা!
ঐযে ওখানে।
উহু!
- চুদলো! - ইস!
ওহ, খোদা বাঁচাইছে!
হেই, হেই।
- ওহ! - ইস!
বাল আমার!
No comments yet. Be the first to leave one.