Pierwsze 200 wierszy.
এতে তোমারও দোষ থাকতে পারে।
তোমাকে বিরক্ত করার পিছনে অবশ্যই কোনো কারণ থাকবে।
দেখো।
কোনো সমস্যা নেই।
ভাগ শালা।
তুমি কিছুই করোনি?
তোমার কোনো ব্যাপারে দুঃখ নেই?
তোমাকে বিরক্ত করার পিছনে বাচ্চার কোনো কারণ তো থাকবে।
"শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড"
স্কুলটা পুড়ে গেলে খুব ভালো হতো।
তাহলে কিছুই বাঁচতো না।
সবকিছু হারিয়ে যেত।
এই, দ্যে-সু!
বাকিরা কোথায়? শুধু তুমিই বেঁচে আছ?
আমিই আছি শুধু।
নিচে? ক্লাসরুমে?
নিচে কেউ নেই। ব্যস আমিই বেঁচে আছি!
শক্ত করে ধরো!
তুমি নিশ্চিত কেউ নেই?
সবাই জম্বি হয়ে গেছে।
ওরা সবাই মারা গেছে।
জোরে টানো, বন্ধুরা।
তোর চোখ আমাকে দিয়ে দে।
কী করছিস? বাল!
তুই মরছিস না কেন?
"আগুন লাগলে দরজা অটোমেটিক খুলে যাবে"
বন্ধুরা!
দরজা খুলে গেছে।
- চলো! - এক, দুই, তিন!
- দেখো! হেলিকপ্টার! - এখানে!
- এই! - এখানে!
এখানে!
আমরা এখানে!
বাঁচান!
ফিরে আসুন!
- বাঁচান আমাদের! - ফিরে আসুন!
- বাঁচান! - ফিরে আসুন এখানে!
- এখানে! - এই!
- কোথায় যাচ্ছেন? - এখানে!
- এই! - ফিরে আসুন!
- এখানে! - বাঁচান আমাদের!
- এই! - চলে যাচ্ছেন কেন?
- এই! - আমরা এখানে!
কোথায় যাচ্ছেন?
আমরা এখানে…
ধুর বাল!
"হোসান হাই স্কুল"
মা…
মা…
ধুর বাড়া!
চলে গেছে।
এ তো জ্বালিয়ে মারছে!
- কে চলে গেছে? - গি-নাম।
এটা ওর ঘ্রাণ।
ওর নিঃশ্বাসের শব্দও শুনতে পাচ্ছি।
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
"হোসান হাই স্কুল"
এখন কী হলো? গি-নাম না চার তলা থেকে পড়ে গেছিল?
হ্যাঁ পড়েছিল। আমিই ফেলেছিলাম।
তাহলে ও আবার ফিরলো কীভাবে?
হয়তো ও মরেনি। বা হয়তো মরেও জিন্দা হয়ে গেছে।
ও মানুষও না জম্বিও না।
টিচার্স রুমের ঐ মেয়েটার কথা মনে আছে?
তোকে মেরে ফেলব!
আমাকে দে, হারামি! তোকে মেরে ফেলব!
- সেও বেশ অদ্ভুত ছিল। - গি-নাম ওর মতোই, তাই না?
আমারও তাই মনে হয়।
হয়তো নাম-রাও ওদের মতোই।
কী করছ, দ্যে-সু?
দেখো একটা "O" খুঁজে পেয়েছি।
শেষমেষ এটা খুঁজে পেলে?
ওর কিছু হবে না।
কী হবে কী হবে না তার কোনো গ্যারেন্টি নেই।
আমরা এখন কোনো কিছুরই গ্যারেন্টি দিতে পারব না।
জানি না আমরা বাঁচব নাকি মরব।
চলো গিয়ে SOS সংকেত বানাই।
বের-সু।
ওন-জোর এমন হলেও কি ওকে ছেড়ে দিতে পারতে?
উপর থেকে এটা ভালোভাবে দেখা যাবে।
ওটা এসে চলে গেল, তাই না? হেলিকপ্টার ছিল?
হ্যাঁ।
হয়তো ওরা উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। চলো ছাদে যাই।
যদি উদ্ধারকাজ শেষ হয়ে গিয়ে থাকে?
কিন্তু ওরা একবারই তো এসেছে।
জানি না ওরা ফিরবে কি না।
মনে হয় না ছাদে যাওয়া ঠিক হবে।
ওরা ফিরলে, দোষ কি নিজের ঘাড়ে নিবে? ফিরলে কী করবে?
- কিছুই না। - এই।
আমরা এমনিতেও ছাদে যেতে পারব না।
ওরে নিয়ে উপরে যাবে কীভাবে?
এই।
- আমাকে রেখে তোমরা যাও। - সত্যি?
হ্যাঁ। তোমরা যাও।
মন থেকে বলছ তো? জানো তো আমি কেমন?
তোমাকে ছেড়ে চলে যাবো কিন্তু।
যাবো নাকি?
নাকি যাবো না?
অত বাহাদুরি দেখাতে হবে না।
তোমার থেকেও বড় পাগল বাইরে অপেক্ষা করছে।
আমি এর কারণে মারা তো যাবো না?
জানি না, বাল।
যাইহোক, আমাদের কোনো সংকেত দেওয়া উচিত।
মানুষ জানবে কীভাবে আমরা এখানে আছি?
এই বিল্ডিংয়ের কি ছাদ নেই? উপরে কি যাওয়া যায় না?
ওরা আমাদের উপরে দেখতে পাবে।
বেশ, ছাদে যাওয়ার জন্য একটা মই আছে, কিন্তু...
মই? মই আছে? কোথায়?
- বাইরে। - বাইরে?
হ্যাঁ, বাইরে।
শালা পাগলাচোদা। এদিকে আয়।
- কী? কেন? - তোর মাথায় সমস্যা আছে।
- কী? বাইরে? - স্যরি!
এখানে আয় বলছি।
দূরে থাকো!
- তোকে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে বাইরে পাঠাচ্ছি! - বাঁচাও!
এটা অনেক বড়।
এটা কেমন?
- এটা ভেঙে ফেলো। - এখানে একটা বড় আছে।
এটা কেমন হবে?
না চলবে না। রেখে দাও।
এটা চলবে না?
- বড় আর রঙিন কিছু খুঁজো। - এটা নেওয়া যায়?
জুন-ইয়ং, উপর থেকে দেখো তো।
এই, সাবধানে।
কেমন লাগছে?
- প্রথমত… - হ্যাঁ।
"O" টা অনেক সরু হয়ে গেছে।
বলছে "O" টা নাকি সরু হয়ে গেছে। দ্যে-সু, আমাকে ঐ বড়টা দাও।
আরও বড় লাগবে।
নাম-রা, এটা নিয়ে যাবে?
- বন্ধুরা, হাত চালাতে থাকো। - এটা ওখানে যাবে।
এটা এভাবে হবে।
আর "S" টা অনেক ছোট হয়ে গেছে।
- এরকম আরও লাগবে। - এ কয়টাতে হবে?
এই জায়গাটাও পূরণ করো। ব্যস।
এটাও লাগাও।
অনেক কাছাকাছি হয়ে গেছে।
একটু ছড়িয়ে দাও।
এগুলো ছড়িয়ে দাও।
এসে দেখো একবার। সবাই অনেক ভালো কাজ করেছি।
- দেখো। - খুব ভালোমতো বুঝা যাচ্ছে।
- আমরা আসলেই ভালো কাজ করেছি। - তাই না?
একটু বেঁকা মনে হচ্ছে।
"S" টাও একটু ছোট হয়ে গেছে।
আশা…
সবচেয়ে নিষ্ঠুর জিনিস যা হাল ছাড়তে দেয় না।
"উগইয়ং গার্লস মিডিল স্কুল"
"হোসান আর্টস সেন্টার"
মাথায় কিছু কাজ করছে না, কিন্তু ছাড়তেও পারব না।
"ম্যেওনহাক-ডং"
"হোসান হাই স্কুল"
একবার শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে, হোয়াইট ব্লাড সেল সক্রিয় হয়ে পড়ে।
কিন্তু ভাইরাস সেগুলোকে শুষে নেয় আর এক নতুন ভাইরাসে পরিণত হয়।
আস্তে।
জম্বিদের থেকে বাঁচতে চাও?
তাহলে একটু সহ্য করতে হবে।
সাবাস। হয়ে গেছে।
পা ভাঙেনি,
তো এভাবে রাখলে জলদিই ঠিক হয়ে যাবে।
ধন্যবাদ, ডিটেকটিভ।
এত সম্মান দেওয়ার দরকার নেই। আমাকে জে-ইক বলে ডাকতে পারো।
ঠিক আছে, জে-ইক।
যেহেতু আমাদের পরিচয় হয়ে গেছে,
খুলাখুলিভাবে একটা কথা জিজ্ঞেস করব?
হ্যাঁ, অবশ্যই। মন খুলে বলুন।
ঠিক আছে।
- পাগলাচোদা। গাধা কোথাকার। - কী…
এখানে ভাইরাল ভিডিও শুট করতে এসেছিলে?
আস্ত গাধা একটা।
কী? সাবস্ক্রাইব আর লাইক করা লাগবে? জীবনের চেয়ে এসবের মূল্য তোমাদের কাছে বেশি?
তুমি একটা মাথামোটা।
স্যরি, ডিটেকটিভ।
আমাকে ডিটেকটিভ বলতে মানা করেছি। আমার নাম ধরে ডাকবে।
সমস্যা নেই, ডিটেকটিভ।
তুমি আমার ভাই হলে, জম্বিদের আগে আমি তোমার খবর করতাম।
একদম ঠাটিয়ে সোজা করে দিতাম।
কিন্তু কাউকে তো সত্যিটা সামনে আনতে হবে, ডিটেকটিভ।
কী? সত্যি?
এই। তুমি কি সাংবাদিক?
কী!
সাংবাদিকেরা সত্যি উন্মোচন করে না।
তার জন্যই আমাদের মতো লোকেদের পদক্ষেপ নিতে হয়, ডিটেকটিভ।
কী ভুলভাল বকছ! মানে পারোও!
হ্যাঁ।
মনে হচ্ছে আপনাকে কেউ ধোকা দিয়েছে।
ওর সত্যিটা দুনিয়ার সামনে কি ফাঁস করে দিব?
চাইলে আমি আপনার সাক্ষাৎকার নিতে পারি।
- বাদ দাও। - আপনার প্রতিশোধ নেওয়া উচিত।
দেখো।
ডিটেকটিভ হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি।
যে বানচোতেরা বাঁচার জন্য লড়াই করে
বা যাদের মৃত্যুর ভয় নেই তাদের সাথে পেরে ওঠা সম্ভব না।
আমার ব্যস বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তা হচ্ছে।
আমার অনেক ফলোয়ার আছে। ওর সোস্যাল লাইফের বারোটা বাজিয়ে দিতে পারি।
ওয়েস্টাররাবিস।
অরেনজিব্রিস। ওয়েস্টাররাবিস না।
যা-ই হোক। আল-বাল বকা বন্ধ করে ছোঁড়ার জন্য জিনিস জড়ো করো।
কী? কেন?
কেন আবার? এখানে প্রচ্চুর গরম।
রোদে পুড়ে মরতে চাও?
No comments yet. Be the first to leave one.