Pierwsze 200 wierszy.
A Joint Venture of “অনুবাদে অনুরণন ” & “Team WBMF ”
আমি গো গোয়াং-রিয়ল।
কী?
গনি পাঠিয়েছে।
- আমার ছেলেকে চেনেন? - হ্যাঁ।
গনি?
ও টাকাটা পাঠিয়েছে।
ওকে ছাড়া আমাদের কোম্পানি অচল।
কী কোম্পানি?
আপনি নিশ্চয়ই ওর মামা।
কী বানান আপনারা?
বানাই... জ্যাপিং ব্যাটারি!
টাকা নাকি?
হ্যাঁ।
মাগো!
বড়লোক হয়েছে নিশ্চয়ই।
গুনে দেখি।
ঠিক আছেন?
- প্যান্ট নিয়ে আয়। - আচ্ছা।
দে-গিল, বেরুবি না।
সত্যি করে বলুন...
ধুর।
হাই। কে তুমি?
গনির ভাগ্নে, তাই না?
দেখতে ওর মতো হয়েছ! ভেতরে আসো।
হ্যান্ডসাম ছেলে।
নাম কী?
আমার পদবি ছিল পার্ক, তারপর পাল্টে হয়েছে হাম দে-গিল।
আমার সৎ-বাবা গতবছর মারা গেছে।
তাই নাম আবার পাল্টাতে পারে।
জীবন পরিবর্তনশীল।
তাই নাকি?
তোমাকে কিছু টাকা দিই।
এটা মায়ের কথা শোনার জন্য।
ধন্যবাদ।
আর এটা...
- ভালোমতো পড়ার জন্য। - ধন্যবাদ।
আর এটা...
বন্ধুদের সাথে মারামারি না করার জন্য।
হ্যাঁ। মারামারি করো না।
ভালোমতো খাওয়ার জন্য।
হ্যাঁ। খাওয়ার জন্য।
ট্রাফিক আইন না ভাঙার জন্য।
হ্যাঁ। ভাঙবে না।
ছেলেটা তো দেখি জোচ্চোর!
- আবার দেখা হবে। - ধন্যবাদ!
আচ্ছা, জোচ্চোর কী?
যাবার সময় হয়েছে, বড় বাজি ধরা যাক।
৪০০ কার্ড।
রাতে বাইরে খাবো, শেষ করা যাক খেলা।
নে।
৬০০ বাড়ালাম!
নে।
১০০০ বাড়ালাম!
৮০০ কার্ড ধার দে।
সুদ ৮০ কার্ড, ওকে?
রোবট জোড়া!
শুধু পৃথিবী আর পানি রোবটকে হারাতে পারে!
তোর কাছে সেগুলো নেই!
ধন্যবাদ রে!
দাঁড়া।
বাইরে খেতে মরছিস? এত তাড়া কীসের?
গাধা!
ডাক্তার শামুককে হারাতে পারে না! গাধা!
ওরে গাধা!
পানি তো রোবটকে হারাতে পারে?
ঘাম পানি না!
ঘাম পানি না!
আমার একটা চাই...
হচ্ছেটা কী!
THE HIDDEN CARD Presented by “অনুবাদে অনুরণন ” │ │ “Team WBMF ”
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - আরমান আল মাহমুদ তানজীদ আহমেদ
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - সাইয়েদ সাইফুল্লাহ নাঈম নূরুল্লাহ মাশহুর
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - মুসাফির মেহেদি সোহেল রানা
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - আল মাকসুদ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
- সাবটাইটেল সম্পাদনায় - আরমান আল মাহমুদ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
মরার বউ!
আমার খেলার সময় বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে!
যেতে পারেন না।
একটা প্লেয়ার কম পড়লে, জমে না, তাই না?
নতুন প্লেয়ার নাও তাহলে।
দে-গিল? আমি আসা পর্যন্ত খেলো।
আসি!
কী?
জুয়ায় কোনো ক্লাস না থাকলেও...
একটা বাচ্চার সাথে কীভাবে জিতি?
জোচ্চোর খেলতে পারে?
বদলি জিনিসের কথা ছিল না!
এটা হাতে বানানো!
ওকে। শুধু আমাদের কাছ থেকে খাবার অর্ডার দিবেন, কেমন?
- অবশ্যয়ই! - ডিল।
অসংখ্য ধন্যবাদ, খোকা!
- খোকা... - না!
- অন্য কোনো রেস্টুরেন্ট নয়! - ঠিক আছে!
শালার পুঁচকে বাঁদর!
ওয়াং তোমার বেতন হেরেছে।
শুধু আমাদের খাবার খাবেন!
এই, ব্যাটা!
আবার দেখা হবে।
তাহলে, তুমিই সেই জোচ্চোর।
শুনেছি তোমার নাম গোয়াং-ছুল।
গোয়াং-ছুল?
গোয়াং-ছুল... ভাই।
জুয়ায়, টাকা হলো রাজা আর ভালো প্লেয়ার শাসন করে।
ধুর।
প্যান্ট ভেজাতে রেডি হও, খোকা।
জি।
৭ জোড়া! আবারও জিতেছে!
প্যান্ট ভিজিয়েছি?
এরইমধ্যে টাকা শেষ?
ফকির হয়ে গেছো?
চুপ করে খেলো।
হ্যাঁ রে!
হ্যাঁ রে?
দেখো। কখনো দেখোনি, তাই না?
দেখো, আবার শুরু করেছে।
পা সরা!
গিয়ে জামা পাল্টা!
ওর দিকে তাকাবি না!
এইযে, ভদ্রলোক।
সৎ পথে উপার্জন করো।
তোর রুমে যা না!
হ্যাঁ, গাড়ি সরাচ্ছি।
এসেছি তো হেঁটে।
আমাকে চেনো?
এই প্রথম দেখছি।
প্রথম কোনো অপরিচিতকে দেখছো?
ঠিক দেখেছি কিনা তা-ই দেখছি।
আসলেই সুন্দর তুমি।
নাম কী তোমার?
আমি হাম দে-গিল।
সরো।
গোয়াং-ছুলের ছোট বোন...
গোয়াং-সুক?
শুরু করবো।
কী?
কী করছো!
ভাই! কিছু করিনি!
ভয়ঙ্কর সুন্দর রে!
শহরে এক সুন্দরীর বাস! অসাম সালা!
কী ভালো!
হারামীর দল!
আমাকে বলদ পেয়েছিস? এটা পাতানো খেলা!
- আমাকে ফাঁসিয়েছিস! - চুপ!
মারা খা! আমার ভাগ্নেকে চিনিস!
সবকটা জেলে পচবি!
তোদের কার্ড পাল্টাতে দেখেছি!
পুলিশ ডাকো!
স্যরি, স্যার!
স্যরি...
বাপের বয়সী লোককেও মারতে হচ্ছে...
ধুর।
এবার শিক্ষা দিতে হবে।
- জাঙ্গিয়া খোলো। - কী?
ল্যাংটা হও।
ছবি তোলার জন্য দাঁড়াও।
প্লিজ! স্যরি!
আরও স্যরি বলবে।
আর করবো না!
রাখো তো।
ঘোস্ট বলছি।
জি, মি. জাং!
না।
দাঁড়ান একটু।
আমি আসার আগে ও ল্যাংটা না হলে, তুই হবি।
জি, বস!
ঠিক আছিস?
হাসছিস?
ওরে কুত্তার বাচ্চা!
জাইঙ্গা খোল নয়তো বিচি ফাটিয়ে দেবো।
বুইড়া শয়তান।
সোজা হয়ে দাঁড়া!
এইতো।
মাথা ওপরে।
ওভাবে না, গাধা!
ঠিক আছে।
এক, দুই...
নানাভাই!
৬০ গ্র্যান্ড হেরেছি।
তোর মায়ের জমানো টাকা। কী করবো রে, দে-গিল?
আগে প্যান্ট পরো।
বাসায় কথা হবে।
চলো।
আয় রে, হারামী!
ছুরি।
তুই তো চাইনিজ ফুডের ছেলেটা। এখানে কী!
ওঠ! হারামজাদা!
কুত্তার বাচ্চা...
চল, দে-গিল!
পালা! জলদি!
$৬,০০০ আছে। এটা নিয়ে পালিয়ে যা!
ও মরেনি। কিছুদিনের জন্য গা ঢাকা দে।
জীবনে এসব হয়ই।
ভাবিস না।
এসব থেকে বেরুতে পারবি।
সব ঠিক হয়ে যাবে। ভালো থাকিস।
ঠিক হয়ে যাবে।
- স্যরি, মা। - সমস্যা নেই।
গোয়াং-সুক।
আবার করবো?
No comments yet. Be the first to leave one.