Pierwsze 200 wierszy.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
আর শোনো।
এই!
ড্রাগন অনেকটা তোমার মতোই।
উম, না। হতে পারে,
কিন্তু ড্রাগনেরা ভিন্ন জগতে বাস করে।
বেশ, ওরা শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
সম্ভব না।
দেখো, তুমি অনেক স্পেশাল।
আমায় ক্ষমা করে দিও।
কিন্তু দিন শেষে, এটাই তোমার জন্য ভালো হবে।
না।
তোমাকে দুই দুনিয়ায় বেঁচে থাকা শিখতে হবে।
দেখার মাধ্যমে।
ঠিক আছে, বাচ্চারা। এখন পানির খাবার বিরতি।
এই, আজ ক্লাস ভালোভাবে থেকে।
কিন্তু মনে রেখো, তোমার ম্যাচে, ব্যাপারটা গতির আকারের নয়।
হুম? ক্লাস শেষে আঙ্কেল তোমাকে বাসায় নিয়ে যাবে।
রাতে দেখা হবে।
মায়া, উঠে আসো।
নমস্কার করো।
তৈরি?
এবার লড়ো!
তুই তো টাট্টুঘোড়ার মতো, হকআই।
চলতে থাক, চলতে থাক, চলতে থাক। আমার পছন্দ হয়েছে।
আমার অনেক পছন্দ হয়েছে, ভায়া। হকআইকে দেখ একবার!
- তোর তীর কোথায় এখন? - পিউ, পিউ।
শক্তিশালী হকআই টাট্টুঘোড়ায় চড়েছে।
ওদের আরও হাসা উচিত। জানিস তো আমরাও মজা পাচ্ছি।
ওহ, ওহ, ওহ, ওহ, ওহ।
- আবার। এনরিক, আবার, ধুর। - দারুণ।
- আরও পয়সা নিয়ে আয়। - ঠিক।
বোরিং লাগছে। দিমিত্রি, চল তাস খেলি।
মনে হচ্ছে আমার উপর খেপে আছ।
জানি দেখে তেমন মনে হচ্ছে না,
কিন্তু তুমি আমাকে ছাড়া পারবে না, বুঝে এসেছে সেটা?
তোমাকে এই স্যুটের ভেজাল থেকে ব্যস বের করতেই চলেছিলাম,
যদি না আকাশ থেকে পড়ার সিদ্ধান্ত নিতে।
- ওহ। - হ্যাঁ।
- ভায়া! - শান্ত হ, ভায়া। শান্ত হ।
ঠিক আছ?
আমার গার্লফ্রেন্ডের জন্য ইম্যাজিন ড্রাগনের টিকেট কিনেছি,
মানে, ক্রিসমাস গিফট হিসেবে, ঠিক আছে?
- হুম। ব্যাপারটা অনেক কিউট। - হ্যাঁ, কিউট।
তারপর আমাদের লড়াই হয়। আর জানো ও আমাকে কী বলেছে?
বলেছে টিকিটগুলো যেহেতু গিফট, তাই ও ওর বোনকে নিয়ে যেতে চায়।
মানে, ভালো দিকটা চিন্তা করো।
তোমার ইম্যাজিন ড্রাগন দেখতে যেতে না।
আমার ইম্যাজিন ড্রাগন অনেক ভালো লাগে।
আরে জানো, ওর তো ওসব পছন্দও না। আমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য ইচ্ছে করে এমন করেছে।
দেখো, মনে হয় তোমাদের দুজনেরই ক্ষমা চাওয়া উচিত।
বলো ওকে তুমি কষ্ট পেয়েছ,
কিন্তু ওটা ওর জন্য গিফট ছিল বলে ভান করার জন্য ক্ষমা চাইবে।
আচ্ছা, দাঁড়াও, আমার একটা কলম লাগবে। ব্যস... ঠিক আছে, ঠিক আছে? আমি আসছি।
হুম। দেখলে? একটু ভরসা,
একটু কথোপকথন, একটু শোনা...
- কী? - মানুষের মৌলিক বিষয়।
- জানিস আমি কী ভাবছি? - জানিস আমি কী ভাবছি? হুম?
তুই একটু বেশি কথা বলিস।
পক, পক, পক, পক।
ও কি সবসময়ই এমন?
আমি হয়তো তোমার গলা চিঁড়ে ফেলব। হুম?
বা হয়তো ও চিঁড়ে ফেলবে।
কে ও?
ধন্যবাদ।
ওহ, উহ, হ্যাঁ। মাফ কোরো।
কম শুনি, কিন্তু কালা নই।
ওহ, খোদা।
আরও বিস্কিট আনো, প্লিজ। ধন্যবাদ।
উহ...
হ্যাঁ, বেশ, কথা বলে ভালো লাগলো।
ও জিজ্ঞেস করেছে তুই এখানে কী করছিস, ক্লিন্ট বার্টন।
- টাট্টুঘোড়া চালাচ্ছি। - ওর বিশ্বাস অর্জন করো।
"তুই প্রযুক্তির উপর একটু বেশিই নির্ভরশীল।"
বেশ, তীর ধনুক আমার হাতিয়ার, তো...
- না, ও তোর কানের শোনার মেশিনের ব্যাপারে বলছে। - আহ।
"ওটা ছাড়া তুই আরও ভালো চলতে পারি।"
হ্যাঁ, মাঝেমধ্যে আমিও এমনটা ভাবি।
এবার, স্যুটের কথায় আসি।
ও ভুল করে ওটা পরে ফেলেছিল।
ও জানতো না এর মূল্য কী।
ও রনিন না।
ওকে দেখো একবার। বাচ্চা একটা মেয়ে।
আর বদমাশও।
"ও আমার এতগুলো লোক পিটিয়েছে
"আর তুই বিপদে থাকতে তোকে বাঁচাতে এসেছে।
"মনে হচ্ছে এর সাথে ওর কোনো সম্পর্ক আছে।
"আর ও রনিন না তার মানে এই না যে রনিন ফিরেনি।"
ওসব ব্যস গুজব।
"তুই কীভাবে জানলি?"
কারণ ও মারা গেছে।
"তো, ওকে কে মেরেছে?"
"তো রনিন মারা গেছে, আর ওকে যে মেরেছে সেও মারা গেছে।
"অবাক করা বিষয়। তুই কীভাবে জানলি?"
'কারণ আমি সেখানে ছিলাম।
"মিথ্যা বলছিস।"
ঠিক আছে, এসবে কাজ হবে না। উম...
যদি এসবের সাথে তোমার কোনো সম্পর্ক থেকেই না থাকে,
তাহলে স্যুটটা তখন পরতে গেলে কেন?
মায়া, না।
ওহ, খোদা। স্যুটটা পরেছিলাম যাতে
কেউ না জানুক আমি নিলামের সময় সেখানে ছিলাম, ঠিক আছে?
পরার সময় জানতাম না এটা কী, কসম খোদার।
সত্যি বলছি।
কী করছ?
- ব্যাপার না, ঠিক আছে? - আমার কথা শোনো।
শোনো। না, এখন ভয় পাবার সময় না।
আমরা এখান থেকে বের হবো।
তুমি নিজের সাধারণ জীবনে ফিরে যাবে, আমি ফিরে যাবো আমার পরিবারের কাছে।
তোমার ওভার-কনফিডেন্সটা কাজে লাগাতে হবে, ঠিক আছে?
তোমার সেই ওভার-কনফিডেন্সটা, মনে আছে তো?
ঠিক আছে? তো আমার ইশারার অপেক্ষা করো।
- তোমার... - এটা করলে কীভাবে? ক্লিন্ট!
গিয়ে মায়ার সাহায্য কর, ঠিক আছে?
ওকে জ্যান্ত ধরে আন।
ধ্যাৎ!
আরে, ভাই, হাতটা খুললে কীভাবে একটু বললে ভালো হতো, ক্লিন্ট।
ক্লিন্ট?
হকআই, আসো খেলা করি।
আসো খেলা করি।
ওখানে দেখ। চারিদিকে ছড়িয়ে যা।
গুলি করিস না! ওকে জ্যান্ত ধরতে হবে, পাগলাচোদা!
এই, এই, এই, এই!
তুই কোথাও যাচ্ছিস না।
আমি ভালোই সামাল দিচ্ছিলাম।
ঠিক আছে।
আমার কানে শোনার মেশিন ভেঙে গেছে।
চলো, আমাদের যেতে হবে।
কিন্তু মেয়েটার কাছে এখনও আমার ধনুক আছে।
আমাদের একটা গাড়ি লাগবে।
ওহ, আমরা এটা নিয়ে যেতে পারি?
ওরে, এটা সেই সুন্দর!
আমি একটা ৭২ চ্যালেঞ্জারের বারোটা বাজাবো না। চলো।
আজকালকার পোলাপান!
চলো।
জি, হুজুর।
এই, সিটে বসো, তোমাকে গাড়ি চালাতে হবে।
- কী? আমি গাড়ি চালাতে জানি না। - সিটে বসো।
না, তুমি চালাবে। আর আমি ওদের থামাবো।
আমি শুনতে পাচ্ছি না। তুমি চালাবে, ঠিক আছে?
চালু হ। চালু হ!
- আইভান, আমার সাথে চল - চল, চল!
টমাস, মায়ার সাথে যা।
- দেখে! - চল, চল!
চল! চল!
- কয়টা গাড়ি আছে? - চার!
ওদের সামনে যা! সামনে যা!
দাঁড়াও।
থামো, থামো, থামো। এগুলো সাধারণ তীর না।
মানে কী, আমরা... ওহ, খোদা, তো স্পেশাল তীর?
এটা তো মোটেও না...
- এভাবে বোলো না। - এটাও না।
- এটা অনেক বিপজ্জনক। - এটা চলবে?
- আমি এটা চালাচ্ছি। - এই, সাবধানে।
- আমি তো জন্মের পর থেকেই সাবধান। - এগুলো সাধারণ তীর না।
কেট।
- ইচিং, বিচিং, চিচিং... - পেয়েছি তোকে। জলদি চালা, চালা।
চা।
এটা থেকে কিছু যেন বের হচ্ছে।
প্লে-ডোহ তীর?
- সরা এটা মুখের সামনে থেকে। - বাল হচ্ছে।
উহ! কিছুই দেখতে পাচ্ছি না!
ঐ তীর চাকায় মারতে হয়।
ওহ। দারুণ বুদ্ধি। এগুলোতে লেবেল বসালে আমি তেমনটাই করতাম।
আমাদের মুখ ওদের দিকে হলে আরও সুবিধা হতো...
আমাদের মুখ উল্টোদিকে হলে আরও সুবিধা হবে।
হ্যাঁ, আমি... আমি এটাই বলছিলাম!
দাঁড়াও।
সেরেছে...
বাকি চারটা তীর কি এর চেয়েও বিপজ্জনক?
দেয়ালে লাগা তীর? এটার কাজ কী? যে এটা কোনো কাজের না?
- সাবধানে! - দেখে যেতে পারিস না, আহাম্মক!
মেরি ক্রিসমাস!
এটা যেন ভালো হয়। এটা যেন ভালো হয়।
এটা আবার কোন তীর?
স্যরি, সান্টা।
কেট।
নাও, এসিড তীর।
স্টপলাইটগুলো নামিয়ে ফেলো।
কেট ভেতরে ঢুকো!
আমি এটা নিচ্ছি, ধন্যবাদ।
আর গাড়িটার বারোটা বাজা শেষ।
আমি একদম দেখতে পাচ্ছি না। ধন্যবাদ।
দাঁড়াও। থামো, থামো।
ও করছে কী?
ও আমাদের ধাক্কা দিতে চাচ্ছে।
এই, ট্রাকে তীর মারো।
উঁচুতে চালাবে। তীরটা ঠিক ওর উপর লাগবে।
প্ল্যান কী? এটা একটা সাধারণ তীর।
জানি না কী বলছ, কিন্তু ধরে নিচ্ছি তুমি আমার কথা মতো কাজ করবে।
আমি বলা মাত্র চালাবে। তৈরি?
উপরে চালাও।
কাজি...
ওটা দারুণ ছিল!
ধরো এটা। আমাকে কভার দাও।
ইউএসবি তীর? এটা দিয়ে কী করব?
খোদা, আশাকরি এই দেয়ালে লাগা তীর কোনো কাজের হবে।
নড়বে না!
এই তীর কী করতে পারে তোমরা নিশ্চয়ই দেখতে চাইবে না!
আমার বিশ্বাস করো।
No comments yet. Be the first to leave one.