لومړۍ 200 کرښې.
নমস্কার
আমি জ্যোতির্ময় সজ্জন
এটা আমার তৃতীয় তেলুগু ছবির বাংলা সাবটাইটেল
ছবি - S/O SATYAMURTY πবাংলাπ সন অব সত্যমূর্তী
অভিনয়ে
আল্লু অর্জুন,উপেন্দ্রা,সামান্থা,নিতিয়া মেনন,রাজেন্দ্র প্রসাধ,প্রকাশ রাজ,ব্রক্ষ্মানন্দম,আলি সহ আরো অনেকে।
আল্লু অর্জুনের একটা ছবির সাব করার ইচ্ছা ছিলো, Race Gurram করতে চেয়েছিলাম..
কিন্ত নতুন বলে এটাই বেছে নিলাম।
মানুষের ভুল হবেই, আমারও হয়েছে। কিন্ত সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, এই অনুরোধই করবো।
তো দেখতে থাকুন রোমান্টিক-ফ্যামিলি-ড্রামা ধাচের সুন্দর এই ছবিটি আমার করা বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে...
কেউ ভাইর বাড়িতে ঢুকে পরেছে, মেরে ফেল ওকে!
শেষ করে দে!
প্রত্যেক মানুষের দুটো প্রশ্ন অাছে।
কোথায় জন্মেছি? কোথায় মরবো?
প্রথম প্রশ্নের উত্তর খোজার প্রয়োজন হয় না।
দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর কেউ খুজতে চায় না।
কিন্ত, আমাকে সেদিন উত্তর খুজতে হয়েছিলো।
মরা অার বাচার দৌড়ে, সেদিন আমার সময় শুরু হয়েছিলো।
এক থেকে দশ!
আমি একা!
আমার সামনে শুধু দুটো উপায় অাছে!
মরো অথবা মারো!
৩ জনকে আমার উত্তর দিতে হবে।
এই বাজীতে আমি ৪ সপ্তাহ আগে ফেসে গিয়েছিলাম!
৫০০০ মানুষের একটি গ্রাম।
৬০০ ভৃত্যের একজন প্রেরনাদায়ক।
একটি মেয়ে যে আমাকে বিয়ে করতে রাজি।
২ একরের একটি জমি যা আমার জীবনকে পাল্টে দিয়েছিলো।
মৃত্যুসীমা ৯ মিনিটে শেষ হবে।
মৃত্যু ১০ মিটার দুরে!
এটাই আমার গল্প!
প্রত্যেক গল্পে একজন হিরো থাকে।
যত কঠিন বাধা সে পার হয়, সে তত বড় হিরোতে পরিনত হয়।
কিন্ত আমার বাবা কোন বাধা ছাড়াই আমাকে বড় করেছিলেন।
সত্যমূর্তী!!
সে ৩০ হাজার থেকে শুরু করে ৩০০ কোটি পর্যন্ত অায় করেছিলেন।
যেমন পানিতে থেকেও মাছের ঠান্ডা লাগে না,
তেমনি টাকাও বাবার কোন ক্ষতি করতে পারে নাই,
সে মানুষদের ভালোবাসতেন,
যারা তাকে মিথ্যা কথা বলতো তাদেরকেও সে টাকা দিতেন।
হ্যালো, আমি বৃন্দাবন বারে আসছি, তোরা সবাই ওখানেই বোস।
নমস্কার স্যার।
বাবা, তুমি এসব ধোঁকাবাজদের কেন টাকা দাও?
তার স্ত্রী অসুস্থ, যশোদা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে না, সে বৃন্দাবন বারে যাচ্ছে সে।
তার বন্ধুদের সাথে।
এরকম কতবার ধোকা খাবে তুমি?
ঔদিন বাবা যে উত্তর দিয়েছিলেন, তা আমি অাজো ভুলিনি।
ছোট থাকতে বাবা প্রায়ই গল্পটা বলতেন, একটা সিংহ ছিলো,
সিংহটা এসেছে এই মিথ্যা বলে একটা ছেলে তার বাবার সাথে মজা করতো,
তার বাবা গিয়ে দেখত, কোন সিংহ নেই,
পরেরবার ছেলেটি জোরে চিৎকার করলো কারন সিংহটা সত্যিই এসেছিলো,
তার বাবা মনে করলো ছেলেটি আবারো মিথ্যা বলছে,
কিন্ত এবার সে ছেলেটি সেখানে পেলোনা!
তার বাবার সেবারও যেতে হতো, তাই না?
সে কি হারাতো?
আবারো ধোকা খেত!
আবার বোকা হতো!
জীবনের চেয়ে এসবের মূল্য কি বেশি?
কে তোমাকে ধোকা দিচ্ছে তা বের করা বা কাউকে ধোকা দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ না,
শুধু কাজ করে যেতে হবে! এর চেয়ে বেশি কিছু না!
বাবার মতামতগুলো সবসময় এরকমই হতো।
তার কাছে স্ত্রী হলো দায়িত্ব যা ভালোবেসে পালন করতে হবে,
ছেলেমেয়েদের ভার ভালোবেসে বইতে হবে,
কিন্ত কারো প্রতি বাবার কোন রাগ ছিলো না।
২৭ বছর বয়সে আমার এনগেজমেন্ট হয়েছিলো।
পল্লবি! বাবাই পছন্দ করেছিলেন।
তাই, আমারও পছন্দ হয়েছিলো।
তার বাবার চোখ আমাদের সম্পত্তির উপর ছিলো, তো সেও আমাকে পছন্দ করেছিলো।
মেয়েটি আমাকে পছন্দ করেছিলো কিনা বুঝলাম না, কারন সবসময় সে মাথা নিচু করেছিলো।
কিন্ত আমি মাথা উচু করেই ছিলাম আর শেষ ব্যাচেলর ট্রিপে বার্সেলোনা গেলাম।
আমি জানতাম না কষ্ট কি,
কিন্ত বাবার মৃত্যু আমাকে কঠিন দুনিয়ায় ঠেলে দিলো।
দুঃখ আরো অনেকদিন স্থায়ী হলো!
প্রথমে লিপ্ট দিয়ে নিচে নামলাম, এয়ারপোর্ট গেলাম গাড়িতে করে,
ইন্ডিয়া গেলাম প্লেনে করে,
বাবার মৃতদেহ অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামানো হলো,
কোম্পানির শেয়ারও পরতে শুরু করলো।
বাবার অস্থি বিসর্জনের সাথে সাথে, বড়ভাইও তার আস্থা হারিয়ে ফেললো।
সে প্রচন্ড শক পেয়েছিলো।
অাত্মিয়রা বললো সে পাগল হয়ে গেছে।
বাবার মৃত্যুর ১ মাস পর, ঘর বিভিন্ন লোকজনে ভরে গেল।
মানুষগুলো চিন্তা করতে লাগলো আমি বাবার মৃত্যুর পর তাদের ঋন পরিশোধ করতে পারবো কিনা।
ভাবি ও তার বাবা আমাকে অফিসে যেতে বললো।
বাবা বেচেঁ থাকতে অনেকবার গিয়েছিলাম সেই রুমে।
কিন্ত জানতাম না এবার দরজার ওপাশে আমার জীবন পরিবর্তিত করে দেওয়ার মত কিছু অাছে।
পয়দা সাম্ভাশিবা রাও!
খুজলে তার নামের মধ্যেও "পয়সা" পাওয়া যাবে।
বাবা বলতেন তার পকেটও নাকি টাকাপয়সা দিয়ে ভরা।
সে বাবার কোন বন্ধু না, পার্টনারও না।
শুধু চেনাজানা!
তার বাবার মৃত্যু ভৈযাগে খুব সকালে হয়েছিলো।
সন্ধ্যায় বিমানের টিকিট সস্তা থাকায়, সে ভৈযাগ পৌছতে সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলো।
সবাই সকালে হাটতে যায় ৬ টায়, কিন্ত সে যায় সকাল ৫ টায়।
সাস্থের কারনে না, লোন চাওয়া মানুষদের থেকে দুরে থাকতে।
১০ বছর আগে, তার স্ত্রী তাকে না জানিয়ে ৫ জোড়া সোনার বালা কিনেছিলো,
কিছুদিন পর সোনার দর ৫০০ টাকা কমে যায়,
টাকা হারিয়ে রাগ করে সে তার স্ত্রীর সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়,
সোনার দর অারো কমে যায়,
দুজনের মধ্যে দূরত্বটাও বাড়তে থাকে,
তাদের মধ্যে দূরত্বটা কোন ফাটল ছাড়া দেয়ালের মতো শক্ত হয়ে যায়।
কিন্ত এরকম একটা লোককে বাবার মৃত্যুর পর আমার সাথে দেখা করতে অাসতে দেখে আমি অবাক হয়েছিলাম।
হয়তোবা ৫ বছর পর অবস্থা ভালো হয়ে যাবে।
কিন্ত এখন জমানো টাকা আর লোন পুরোপুরি সমান।
বেচার জন্যও কোন জমিজমা নেই।
প্রায় ৬০ টি জমি অাটকা পরেছে।
বাড়ি, গাড়ি, পলিসি, আমানত, সোনা, ছবিগুলো,
এমনকি সব কিছু বেচে দিলেও, লোন পরিশোধ করা কঠিন হবে।
সবকিছু বেচে রাস্তায় গিয়ে দাড়াও,
এ ঝামেলা থেকে মুক্ত হবার এটি একটি পথ।
তোমার যা অাছে তার মধ্যে শেয়ারই এমন একটা জিনিস যার কোন মূল্য নেই।
শেয়ার বাজার পরে যাবার পর, এগুলো শুধু বাজে কাগজ।
তো, তুমি আর তোমার ভাই শেয়ারগুলো রাখো,
আর সব সম্পত্তি তোমার মা বা ভাবির নামে ট্রান্সফার করে দাও,
যদি কেউ লোনের ব্যাপারে জানতে চায়, তাদেরকে বলো সব শেয়ার বেচে দিতে।
তাদেরকে সরাসরি বলে দাও এর থেকে বেশি তুমি আর কিছু করতে পারবে না।
বলে দাও তারা কেস করলেও তোমার বাবার লোনের ক্ষেত্রে এর থেকে বেশি করা সম্ভব না।
শোধাক্ষমতা দাবি করো, নিজেকে IP হিসেবে ঘোষনা করো।
এসব নতুন কোন ব্যাপার না।
অনেক মহৎ লোক অনেকবার করেছেন এসব।
২-৩ বছর চুপ থেকে নিজের ব্যবসা শুরু করে দাও।
এসব করলে বাবার অসম্মান হবে।
সে বেচেঁ তো নেই, না?
বুঝতে পারলাম না, তোমার সমস্যাটা কি?
যারা বাবাকে বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলো তাদের ধোকা দেওয়াটা কি ঠিক হবে?
পরিবারের যারা তোমাকে বিশ্বাস করে তাদের ধোকা দেওয়াটা ঠিক হবে?
যাহোক আমি মানতে পারবো না, স্যার।
ভ্যালু?
অদৃশ্য ভ্যালুর জন্যে, তুমি তোমার পরিবারকে রাস্তায় দাড় করাবে?
লোন পরিশোধ করা ন্যায়, স্যার।
ধোকা দেওয়াটা বুদ্ধি, স্যার।
আমি সেরকম করলে বাবা সমাজে একজন ক্রিমিনাল হয়ে যাবে।
যদি কেউ তাকে মনে করে, তাহলে তাকে অবশ্যই একজন মহৎ লোক হিসেবে মনে করবে।
যদি এসব পেপারে সাইন করে তুমি সব লোন শোধ করার দায়িত্ব নাও,
তাহলে তোমাকে আমি একজন বোকা হিসেবেই ভাববো।
৩০০ কোটি! একটা সাক্ষরে তুমি সব হারাবে, আনন্দ।
জুবিলি হিলসে থাকবে না আমেরপিটে?
মার্সিডিজে ঘুরতে চাও না প্রখর রৌদ্রে হাটতে চাও?
স্টার হোটেল না সিংগারা ছামুসা?
তোমার একটা সাক্ষর ঠিক করবে।
সাক্ষর করার আগে আরেকবার ভাবো।
সে সব অদরকারি জিনিস রেখে, যা যা দরকার তা দিয়ে দেছে!
মূল্যবান জিনিস ফেলে দেওয়ার একটা অভ্যাস অাছে তার।
তোর মেয়ে মূল্যবান কিনা ভেবে দেখবি।
এটা বলার জন্য এটা সঠিক সময় কিনা জানিনা...
যদি এখন না বলি... তুমি আবার আশায় থাকতে পারো...
সামনের মাসে বিয়ে হয়ে যাওয়ার কথা ছিলো....
তোমার মাকে বলে দিও যে এনগেজমেন্ট বাতিল হয়ে গেছে।
২ মাস অাগে আমার হাতে অাংটি পড়াবার সময় সে তার মাথা উচু করে নাই,
ভেবেছিলাম লজ্জা পেয়েছে।
আমার সাথে এনগেজমেন্ট বাতিল করার সময়ও সে তার মাথা নিচু করেই রেখেছিলো,
এ ব্যাপারটা আমি ঠিক বুঝলাম না!
সে পুরো সম্পত্তি তাদের দিয়ে দিলো।
এখানে থাকার জন্য অাছেই বা কি?
সে তার বাবার মৃত্যুর শক থেকে বের হতে পারবে না।
তার ছোটভাই যে শক দিয়েছে তা থেকে তোমার পরিবার বের হতে পারবে না।
আমার কথা শোন, মেয়েকে নিয়ে আমার সাথে চলো।
ডিবোর্সের জন্য আবেদন করি, তোমার সামনে এখনো অনেক জীবন পরে রয়েছে।
এখানে বসে তা নষ্ট করবে কেন?
চুপ করে আছো কেন?
নান্দু, বাবা চলে যাচ্ছেন, তাকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে অাসো।
আমি যেতে পারবো?
কফি খাবে?
আমি খাবো।
মাথাটা অনেক ব্যথা করছে।
এসব অদরকারি উপদেশ শুনে।
আমরা এড়াতে পারবো না। আমাদের এখানেই থাকতে হবে।
যদিও তার যাওয়ার সুযোগ হয়েছিলো, তবুও সে আমাদের সাথে থেকে গেলো।
এরকম মহৎ মহিলার জন্য কি করতে পারবো আমি?
শুধু ধন্যবাদ দিলে কিছু হবে না।
কাকু!
যদি কোন কষ্ট ছাড়া আমি ওকে বড় করতে পারি,
তাহলে ভাবীকে বড় ধরনের ধন্যবাদ দিতে পারবো।
5 সিরিজের গাড়িতে পা রাখার বেশি যায়গা থাকে না।
জলদি 7 সিরিজ নিয়ে নিস।
ঠিক অাছে, দাদা।
কোটি টাকার লটারিতে লাখ টাকার ট্যাক্স দিতে হয়।
এজন্য বলা হয় সুখ আসে ডিসকাউন্ট নিয়ে।
কিন্ত দুঃখ আসে বোনাস নিয়ে।
এরকম!
আমার ভাইঝির ঘরটা পছন্দ হয় নাই।
কাকে বলবে সে তা জানে না।
ভাবীরও পছন্দ হয় নাই।
কিন্ত সেও খুলে বললো না।
মায়ের এসব বিষয়ে মাথাব্যথা নাই।
তাই, কোন সমস্যা নাই।
ভাই শুধু তার সেক্রেটারি জনের সাথে কথা বলে।
ভাই শুধু তাকেই দেখে।
জনও এক মাস আগে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে।
ভাইকে দেখানোর জন্য একজন মনোবিজ্ঞানী দরকার।
এতে অনেক খরচ হবে!
চুপ করে আছো কেন, সোনা?
বাড়িটা ভালো লাগে না।
আমারো ভালো লাগে না।
ভালো না!
কিন্ত এখানে আমাদের এক বছর থাকতে হবে। কেন?
কারন...
হায়দ্রাবাদে ১০০ বাচ্চাকে বাছাই করা হয়েছে।
টিভি চ্যানেল বাচ্চাদের নিয়ে একটা রিয়েলিটি গেম শো বানাবে।
গেম?
No comments yet. Be the first to leave one.