لومړۍ 200 کرښې.
ভোর ৬ঃ৪২ বাজে।
এটা বেথের বাবার বাসা.
উনি এখন শহরের বাইরে.
আর আজ ইতিমধ্যেই চমৎকার একটা দিন যাচ্ছে.
বেথ.
-রব, কি করছো? -কিছু না.
-হুম, তাহলে থামো. -কিছু না.
-এটা... -থামাও তো.
ও একটা লাজুক প্রকৃতির.
আমি ভালোই দেখতে পাচ্ছি তুমি এটা ইন্টারনেটে ছাড়ছো.
আচ্ছা বুঝেছি, তাহলে ঢাকো। দেখো আমি পরোয়া করি কিনা।
-আমি অন্য কিছুতে আগ্রহী. -যেমন?
হেমন তুমি.
-ওঃ ম্যান. -অল্পের জন্য.
এটা কি আসলেই... আমার ভয় করছে.
-ওখানে যেতে মাত্র ৩০ মিনিট লাগে. -চুপ থাকো, আমি কখনো যাইনি.
তুমি কখনো কনি আইল্যান্ড যাও নি?
ওঃ, তুমি কখনোই কনি আইল্যান্ড যাও নি?
আমি জানি না, আমি শুধু... আমি কখনোই যাইনি.
ওঃ... অনেক মজার জায়গা আমি তোমাকে নিয়ে যাচ্ছি. আমরা যাচ্ছি.
ও খোদা. তুমি এটা নিয়ে এতোই উচ্ছ্বসিত.
-হ্যাঁ, আমার তর সইছে না... -আমাকে দাও ওটা।
এই কি করছো? আরে?
ওঃ বেশ তাহলে গলা থেকে ধরো, ওকে?
এই একভাবেই আমি করতে দেবো.
ওঃ প্লীজ রব এটা অনলাইনে যাচ্ছে না.
তুমি কখনো টুয়েলভ-চেস্ট-হেয়ার ডট কমে যাও নি?
-ওকে, আর কি? -আর কি, কি?
কটন ক্যান্ডি আর টিল্ট-আ-হুইরলস ছাড়া?
-আজকে কি করতে চাও? -সেটা বললে...
-আচ্ছা, এই জিনিসটা কি চালু হয়ে আছে? -দেখো!
সোনামণি, এটা আমার ক্যামেরা না।
জানি না এটা অন করার বোতাম. নাকি জুম করার বোতাম।
আচ্ছা, এই যে এই যে মনে হয় বুঝতে পেরেছি। এটা কি চালু আছে?
ওঃ জোস. তাহলে তোমার গাড়িচাপা পড়ার একটা রেকর্ড পেতে যাচ্ছি.
খুব মজা পাচ্ছো না?
সবাই কখন আসা শুরু করবে?
-দেরি হয়ে যাচ্ছে. -কয়েক ঘন্টা.
-এজন্যই আমাদের জলদি করতে হবে. -আমরা যাচ্ছি কোথায়?
আমরা যাচ্ছি... আমরা একটু কাছে একটা স্টোরে যাচ্ছি!
আমি চাই তুমি তোমার ভাইয়ের ক্যামেরা নিয়ে
ঘুরে ঘুরে সবার সাক্ষাৎকার নাও.
কেন? মানে এটা তো কোন বিয়েসাদি না.
আমি জানি এটা কোন বিয়েসাদি না. বলেছি ওসব জায়গায় যেভাবে হয় সেরকম কিছু.
আমি বুঝলাম না.
আমি বুঝতে...মানে আমি বুঝতে পারছি না কেন আমাকেই এটা করতে হবে.
কারণ মানে, আমি তো... আমি তো এটা কীভাবে চালাতে হয়...
-সেটাই হতে যাচ্ছে মনে হয়. -না, কখনোই না!
-অবশ্যই করবে. তুমি... -তোমার কোন ধারণাও নেই!
ওকে বেশ, তোমাকে একটা প্রশ্ন করি.
আমাকে ভিউফাইন্ডার দিয়ে দেখতে পাচ্ছো?
হ্যাঁ, পাচ্ছি।
ভালো. এখন দেখতে পাচ্ছো আমি এই ব্যাগগুলো একা একা বহন করছি?
তুমি খুবই ভালো করছো.
এইযে, একসাথে দুটাই করা অনুশীলন করো.
-সাবাস! এটা ভালো ছিলো. -ধন্যবাদ।
আমি সারারাত এটা টানছি না।
ও তোমার ভাই.
তাই এটা খুবই জরুরী. এতো প্যারা নেয়া বন্ধ করো.
আমি সেটা বুঝেছি লিলি, কিন্তু এটা খুবই ফালতু একটা কাজ!
-মোটেই না. -অবশ্যই! আমি করছি না!
জেসন, আমি এটা দুই সপ্তাহ ধরে প্ল্যান করছি!
-আমি শুধু চাই তুমি আমাকে সাহায্য করো. -ঠিক আছে জান, জান।
ঠিক আছে? আমি করবো। ব্যাপার না।
আমি আসলেই ওকে খেপিয়ে দিয়েছি.
জান, আমি তো মজা করছিলাম!
হাড? হাড, শোনো. আমার কাছে তোমার জন্য একটা চাকরী আছে।
আমার যথেষ্ট ভালো একটা চাকরী আছে।
-আমি এঈ সাইন টা বানাচ্ছি, তাই... -হুম, না. আমি দেখতে পাচ্ছি তুমি ব্যস্ত।
কিন্তু এটা ওই সাইনের চেয়েও বেশি জরুরি। ঐসব বিয়েসাদি তে যেমন হয় আর কি।
মানুষজন ক্যামেরার সামনে চারিত্রিক ব্যাখ্যা করে, তাই না?
না।
আচ্ছা তুমি ক্যামেরা নিয়ে ঘুরে ঘুরে ভিডিও করবে।
মানুষজন রবকে শুভকামনা করবে.
জানি না ভাই.
-এটা বেশ গুরু দায়িত্ব. -খুব জরুরী কিন্তু.
তোমার সারারাত এটা করতে হবে...
তাছাড়া মার্লেনাও থাকবে.
-ও আসছে নাকি? -হ্যাঁ, ও আসছে।
-তো তুমি ওরটা করছো. -ওঃ দাঁড়াও.
-তুমি ওর সাথে কথা বলবে... -আমি কখনো ওর সাথে...
-রবের জন্য. -আমি বলিনি আমি এটা করবো.
-আরে চেষ্টা করে দেখো না. -আচ্ছা, আমি কয়েকটা করবো নে.
তুমি আমারটাই করতে পারো...
-প্রস্তুত? -হুম, চলো।
ঠিক আছে।
রব, আমি জানি না তোমাকে আমি কি বলবো ভাই।
জাপানের জন্য শুভকামনা রইলো, লাভ ইউ সো মাচ।
আমি তোমাকে নিয়ে গর্ব করি.
-ব্যস. হয়ে গেলো। -হয়ে গেলো?
-হ্যাঁ, সহজ. -বাঃ বেশ মজা তো.
-উপভোগ করো হাড. -ধন্যবাদ ভাই।
হুম আমি একটা...
এই কি অবস্থা?
হেই গাইজ হেই.
-কি বলবো আমরা? -যা খুশি.
বন ভোয়াজ. রব জাপানী ভাষায় জানি এটাকে কি বলে.
হ্যাঁ, ঠিক আছে...
-হাড, তুমি কি করছো? -আমি রাতটাকে ক্যামেরাবন্দী করছি.
আমি তো জেসনকে করতে বলেছিলাম.
বেশ, জেসন আমাকে করতে বলল. আমি তাই করছি।
আমি ভালোই করছি.
তুমি সিরিয়াসলি করছো তো?
খুবই জরুরী কিন্তু।
না, অবশ্যই. আমি মন লাগিয়ে করছি।
-খুবই মনোযোগ দিচ্ছি. -কথা দিচ্ছো তো?
হুম, তোমারটা এখনি দেবে নাকি?
-ওকে. -হ্যাঁ, দিয়ে দাও.
ওকে.
ওকে, খোলাখুলি ভাবে বলো। কারণ ও যাওয়ার আগে...
-এটাই থাকবে... -ওকে, হাড আমি বুঝেছি।
রবার্ট হকিন্স।
বিশ্বাস হচ্ছেনা তুমি তোমার ভাইকে আমার দায়িত্বে দিয়ে চলে যাচ্ছো।
ওঃ! ধীরে ধীরে আমি কিন্তু আছি এখানে...
আমি জানি আমরা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবার হইনি তবু...
-একদম ঠিক না, কারণ আমি... -ভাইরে.
-ওকে. -ভেবো না, ওকে পরে বাদ দিয়ে দেবো।
আমি তোমাকে নিজের ভাইয়ের মতো মনে করি. আশা করি তুমিও আমাকে তোমার বোনের মতো দেখো।
তাই, আমাদের গিয়ে কল করবে।
এখন যখন এই চাকরিটা পেয়েছো আমাদের খবর নিতে তোমার বেশি খরচা হবে না...
-হাড? -হু.
হুম সরি সরি। তোমার ভালো হচ্ছে। ভালো হচ্ছে।
-খুবই ভালো হয়েছে! -হয়ে গেলো?
আমি মনে করি এটা খুবই ভালো হয়েছে।
হুম কিন্তু তুমি একেবারেই আনমনা ছিলে...
ওকে ওকে। তুমি এটা পারবে।
হ্যাঁ, তুমি পারবে ম্যান।
-কি অবস্থা ম্যান? -কি অবস্থা ভাই?
কি অবস্থা?
এক্সকিউজ মি! হেই মার্লেনা?
-হেই, কি অবস্থা? -হাই হাই।
এই, তুমি জানো আমি পার্টিতে ঘুরে ঘুরে
ভিডিও করছি... রব চলে যাচ্ছে শুনেছো?
-এটা অনেকটা ওর বিদায়ী পার্টির মতো. -হ্যাঁ হ্যাঁ।
তো আমরা টেপ করছি। মানুষজন ওকে নিয়ে কিছু একটা বলছে।
ওঃ না ধন্যবাদ। আমি আসলে রবকে সেভাবে চিনি না।
আমি আসলে লিলিকে হাই বলতে এসেছি। তাই আমি এটায় থাকলেও...
কেমন আজীব হবে ব্যাপারটা। তাই নাহ ধন্যবাদ।
আচ্ছা বেশ। কিন্তু আমাকে সবার কাছ থেকেই নিতে হবে।
তো তুমি কখনো বিয়েসাদিতে গেছো?
না, আমি বুঝেছি তুমি কি করতে চাচ্ছো... তবে আমি আসলেই করতে চাচ্ছিনা।, ধন্যবাদ।
আচ্ছা, আমরা ছোট করে জলদি একটা করে ফেলবো।
ওকে.
হেই রব, আমি মারলেনা।
যতদূর মনে পড়ে, আমাদের দুই তিনবার দেখা হয়েছিলো।
প্রতিবারই আমি একেবারে টাল ছিলাম।
তাই আমি আসলে বুঝতে পারছিনা কি বলবো।
তবে শুনলাম তোমার চাকরীটা জোস!
-তুমি কোনোকিছুর প্রেসিডেন্ট! -ভাইস প্রেসিডেন্ট!
এটাও জোস।
তো শুভ কামনা রইলো।
তুমি আসতে আসতে আমরা নিউ ইয়র্ককে নিরাপদ এবং আনন্দমুখর রাখবো।
-বেশ, খুবই ভালো হয়েছে. -তাই?
তুমি চাইলে আমরা আরেকটা করতে পারি।
আচ্ছা তোমার কার্ড টার্ড কিছু আছে?
আমার একটা এজেন্সি আছে... আমরা একটা জায়গায় ঘুরতে যাচ্ছি।
ওরা এধরণের ভিডিও খুব পছন্দ করে।
-বন্ধন টন্ধন আর কি. -আচ্ছা, আমি আসলে...
-আমি পেশাদার নই. -কি?
-আমি পেশাদার নই. আমার নাম হাড. -হাগ?
না না আমি হাড। আমি রব আর লিলির বন্ধু।
-আমাদের আগে অল্প কয়েকবার দেখা হয়েছে. -ও হ্যাঁ হ্যাঁ।
হুম, তোমার মুখের সামনে ক্যামেরা বলে চিনতে পারিনি।
-এজন্যই... -আচ্ছা, সরিয়ে দিচ্ছি?
-ও হ্যাঁ, কি অবস্থা? আসলেই। -হ্যাঁ.
বেশ, তোমার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
-আমারও. আসলেই খুব ভালো লেগেছে। -তো তুমি এখন কি করছো?
আমি আসলে... দেখি খাবারের কিছু পাই কিনা,
ওটা করায় শুভ কামনা রইলো...
তুমি চাইলে আমি এখনো তোমার এজেন্সির জন্য...
ও সিঁড়ি দিয়ে উঠছে... সবাই প্রস্তুত হও।
কেউ একজন মিউজিকটা কমাবে?
সারপ্রাইজ! সারপ্রাইজ!
না, না , না!
তোমরা এগুলো কখন প্ল্যান করলে?
আস্তে আস্তে। তুমি বোকা। চলো।
-এই কেমন আছো? -এটাও নাও এটা নাও.
-দুঃখিত। হ্যাঁ ধন্যবাদ. -কি অবস্থা?
হেই, হ্যাঁ। এইতো ভালো।
-কি অবস্থা ম্যান? -ভাষণ হবে!
-হ্যাঁ ভাষণ ভাষণ! -ভাষণ! ভাষণ!
-ওঃ, আমি পুরাই হতবাক হয়ে গেছি... -যাক ভালো হলো.
-তা তো হবেই. -পার্টিটা তো সারপ্রাইজই.
সেটাই.
কিন্তু এটা খুবই সুইট অনেক ধন্যবাদ, লিলি?
সবাই মিলেই করেছি। আমি একা না।
সবাইকে ধন্যবাদ. এটা খুবই...
ওঃ, আমার জন্য এটা অনেক কিছু। আমি অনেক খুশি। এইতো। আর কি বলবো?
-দারুণ সময় কাটাও! -হ্যাঁ, পার্টি!
হ্যাঁ!
-হেই ম্যান, সারপ্রাইজ কেমন লাগলো? -হুম, আমি আসলে সেভাবে অবাক হইনি.
হওনি? তোমার অনুভূতি টা বলতে পারবে এখন?
জানি না. আমি আসলে একটু... বোর্ড.
-না, মোটেই না। যাই হোক, অভিনন্দন। -না, ম্যান, আসলেই জোস ছিলো।
তুমি ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে কি করছো?
আমি রাতটা ক্যামেরাবন্দি করে রাখছি।
তুমি জাপানে নিয়ে দেখতে পারবে.
ওঃ, যাতে করে আমি ওখানে গিয়ে
-প্রতি রাতে এটা দেখতে পারি? -জেসন জিজ্ঞাসা করেছে...
-হ্যাঁ, তুমি পারবে. -ওঃ জোস।
No comments yet. Be the first to leave one.