لومړۍ 200 کرښې.
রূপান্তরঃ ※আতিকুল গনি রিপন※
তো.... তোমার মেডিকেলের উপরে আসলেই কোন শিক্ষা দীক্ষা নেই?
না, তবে আমার বাচ্চা-কাচ্চা আছে, আর সেখান থেকে অনেক কিছু শিখেছি।
মানে বলছিলাম কি, আমার ছেলের যে বার ঠোঁটে ক্যান্সার হলো, নার্সকে দেখেছি কিভাবে সেবা করতে হয়।
তো এটা আসলে কি? গলার ভিতরে বিশাল এক পাইপ ঢুকিয়ে বসে থাকা?
আবার প্রস্রাব পরীক্ষা, কিছু একটাতে নিয়ে দেখা নির্দিষ্ট কোন কিছুর মাত্রা বাড়ে না কমে।
- জি, আমি বুঝতে পেরেছি। - ইয়াহ, ইয়াহ।
আমি মানুষের সাথে সহজেই মিশতে পারি, আর আপনি চাইলে যাচাই করতে পারেন,
কিন্তু আমি নিশ্চিত এ ব্যাপারে আপনি আমার উপর আস্হা রাখতে পারবেন।
ইয়াহ, আমি খুব দ্রুত শিখতে পারি।
আপনি ল্যাবে একবার কিছু একটা একবার দেখান আমি দ্রুত ধরে ফেলব।
উ-হুম, আমি সবসময় ডাক্তারি পড়তে চাইতাম,
সত্যি বলতে এটা আমার প্রথম পছন্দ ছিল।
কিন্তু বিয়ে-শাদি, ছোট ছোট বাচ্চা-কাচ্চা, আর বুঝেনেই তো, সব মাটি হয়ে গেল।
স্কুলে যখন প্রথম ছিলাম তখন একটা চাকরি পাই,
আরভাইনের ফ্লুয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং কন্সট্রাকশন ফার্মে।
তখন জিওলজির (ভূতত্ত্ব বিদ্যা) নেশা পেয়ে বসে,
- জিওলজি? - ইয়াহ।
তখন মানচিত্র সম্পর্কে শিখলাম, আমার মানচিত্র ভালো লাগে।
ইয়াহ, কিন্তু চাকরিটা হারাই, কারণ....
ছেলেটার গুটি বসন্ত হয়, আর ১০৪˚ জ্বর,
আর আমার সাবেক স্বামী কোন কাজের ছিল না, তাই......
এত কিছু সামাল দিয়ে আর কুলোতে পারি নি।
আহ-হাহ।
আপনার অফিসটা আসলেই সুন্দর।
থ্যাংকস।
দেখ.....
আহ, মারা রে।
ধ্যাত্তরি!
- শুভ সকাল, মিঃ মাস্রি, - শুভ সকাল, রোজালিন্ড।
- আজ কি অবস্থা? - বেশ, ধন্যবাদ, তুমি?
বেশ ভালো, জিজ্ঞাসার জন্য ধন্যবাদ।
শুভ সকাল।
শুভ সকাল।
কি অবস্থা? হাই, ডোনাল্ড।
গত রাতে দেখেছিলেন? চলে গিয়েছিলাম, কিন্তু রেকর্ড করে রাখছি।
- বলবে না কি হয়েছিল। - সেই হয়েছে, ৯টার আগে থেকেই এখানে।
- মনে করিয়ে দাও তো কে। - ইরিন ব্রুকোভিচ।
সড়ক দুর্ঘটনা, বলল তাঁর দোষ না।
আদালত তাঁকে উকিল ধরতে বলেছে।
ইয়াহ, ঠিক আছে?
ইরিন, হাই।
- হাই। - এড মাস্রি।
দুঃখিত, তোমাকে অপেক্ষা করিয়ে রাখলাম।
- ঠিক আছে। - নাও, বসো, বসো,বসো।
ধন্যবাদ।
ওহ।
কোন দিন ভাবিনি এমন জঘন্য কিছু আমার সাথে ঘটতে পারে,
অন্তত এই ফালতু লোকটা আঘাত করার আগ পর্যন্ত।
মনে হচ্ছে সারা শরীর ভুলভাল করে জোড়া লাগিয়ে দিয়েছে।
দুঃখজনক ব্যাপার।
আহ, তো কেউ তোমাকে কফির নেওয়ার কথা বলে নি?
- ইয়াহ, আমি ঠিক আছি। - বেশ।
শুন, এটা তোমার সাথে যেই করে থাকুক, সে চরম ভুল করেছে,
আর আমরা দুজন মিলে তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করব।
তো, তুমি পুরো ঘটনাটি খুলে বল তো দেখি, কি ঘটেছিল?
আমি ধীরে সুস্থে যাচ্ছিলাম, আর কোথা থেকে জানি,
তার জাগুয়ার(গাড়ি) তীর বেগে এসে সব তছনছ করে দেয়।
আমার মাজা আর ঘাড়ের হাড়গোড় ভেঙে দেয়।
আমার বীমা করা নেই।
তো এই মুহূর্তে আমার ১৭হাজার ডলার দেনা হয়েছে।
টালমাটাল হয়ে বাচ্চাদের দেখাশোনা করতে পারব না বলে ব্যথার ওষুধও খেতে পারছি না।
ম্যাথিউর ৮ বছর আর ক্যাটির প্রায় ৬......
আর ব্যাথের মাত্র ৯ মাস।
আমি একজন ভালো মা হতে চেয়েছিলাম, চমৎকার মানুষ,
একজন সুনাগরিক।
আমি আমার সন্তানদের ভালো করে বড় করতে চাই, বুঝাতে পারলাম?
ইয়াহ, ইয়াহ, আমি জানি।
১৭হাজার ডলার দেনা?
- আপনার সাবেক স্বামী সহযোগিতা করেনা? - কোন জন?
- আপনার স্বামী একজনেরও বেশি? - জি, দুইজন, কেন?
তো, সেদিন বিকেলে আপনি বেশ হতাশ ছিলেন।
তো আপনি কি বলতে চাচ্ছেন?
হতাশ, তিন-তিনটে বাচ্চা, চাকরি-বাকরি নেই।
- তো একজন ডাক্তার যার জাগুয়ার আছে তাকে কাবু করতে পারলে মন্দ হয় না। - অবজেকশন(আপত্তি জানানো)
-সাসটেইন (আপত্তি গ্রহণযোগ্য নয়) - কি? সে আমাকে ধাক্কা মেরেছে।
- তো আপনি বলছেন...... - নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কোথা না কোথা থেকে এসে ধাক্কা মেরেছে!
জরুরি বিভাগের একজন ডাক্তার, যে সারাদিন মানুষের জীবন বাঁচায়, সে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল?
ঐ অসভ্য বদমায়েশটা আমার ঘাড় ভেঙে ফেলেছে, বাল।
অবশ্যই আপিল করব, অবশ্যই মারার আপিল করব!
ঠিক এই ধরনের ভাষার জন্যই মামলাটা হারতে হয়েছে।
- ওহ, প্লিজ, এটা এর অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। - আমি আগেই বলেছিলাম তোমার ব্যক্তিগত জীবনের প্রভাব পড়তে পারে।
- না, তুমি বলছ আমার সুযোগ আছে! - আমি কখনোই তা বলিনি।
তুমি বলছ আমার ভালো সুযোগ আছে, আমার কোন সুযোগই ছিল না!
- বেশ চল এখানেই মীমাংসা করে ফেলি। - গুল্লি মারি "মীমাংসার"!
ব্যাংকে মাত্র ৭৪ ডলার আছে, আমি মীমাংসা করে চলতে পারব না।
ইরিন, আমি দুঃখিত।
তারা কি উকিলদের বিনয়ী হয়ে ক্ষমা-টমা চাওয়া শেখায় নি?
কারণ তুমি এটার জাত মেরে দিছো।
- হ্যালো? হাই। - হাই, ইরিন।
- সকাল সকাল এসে পড়লে দেখি। - জি।
ওহ, আমার আম্মুটা কোথায় গেল?
আমার ছোট্ট সোনা।
- কি হয়েছে, সর্দি? - একটু সর্দি লেগেছে,
আমি গরম ভাঁপের স্যাকা দিয়েছিলাম কমার জন্য, কিন্তু......
- ঘরে মনে হয় কফের সিরাপ থাকতে পারে। - আহ, বেশ।
- আ.. শুন, আমি আগে-ভাগে তোমাকে বলতে চাই নি, - জি?
- মানে, তুমি দুশ্চিন্তা করবে। - কী?
আমার মেয়ে একটা বড়সড় বাড়ি কিনছে যাতে আমি থাকতে পারি।
আমি তাঁর এখানে চলে যাচ্ছি।
- কবে? - সামনের সপ্তাহে।
- সামনের সপ্তাহে? - জানি, কিন্তু সেটাই আমার জন্য ভালো হয়।
সেখানে নিজের নাতি-নাতনিদের দেখাশোনা করতে পারব; তোমারও ভালো হবে।
এখন তোমার টাকাপয়সা হয়েছে, তুমি কি একটা ভালো আয়া জোগাড় করতে পারবে না?
প্রতিবেশী বয়স্ক মহিলাকে আর বিরক্ত করতে হলো না।
থ্যাংকস।
ম্যাথিউ?
- ক্যাটি, তোরা কি পিছনে? - ইয়াহ।
আয়, ভিতরে আয়।
হেই, ঘরে যা, আর পানি লাগাইছ না।
আচ্ছা!
সোনা, আর অসুখ বাধিয়ো না, প্লিজ।
চল তোমার খাবার বানিয়ে দেই।
এই দেখ পানি!
ধ্যাত্তরি! দুঃখিত, দুঃখিত।
ম্যাথিউ! ক্যাটি! আমরা বাহির হচ্ছি!
তো তোরা কি খাবি অর্ডার কর।
আচ্ছা, আমি ইয়া বড় একটা চিজ বার্গার আর সাথে কোক।
আচ্ছা।
মা, আমি কি একটা বড়সড় চিজ বার্গার....
চিজ আর বান ছাড়া নিতে পারব?
- তুমি বুঝতে পারছ? - জি।
আর তাঁর জন্য এক কাপ চিকেন স্যুপ আর কয়েকটা ক্র্যাকার্স, প্লিজ।
- আর আপনার জন্য? - বেশ, শুধু এক কাপ কফি।
- মা, তুমি কিছু খাবে না? - ও আচ্ছা, উকিল সাহেবে মামলা জেতা উপলক্ষে,
বিরাট খাওয়ার আয়োজন করল, আর আমার পেট এখনো ভরা।
কি হলো?
পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে ফোন করেছিলাম।
জি, আমি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে ফোন করেছিলাম।
চমৎকার ব্যক্তিত্ব, সুরেলা কন্ঠস্বর।
আমার আসলে বিক্রয় কর্মী হিসেবে অভিজ্ঞতা নেই।
আমার আসলে জীবনবৃত্তান্ত তৈরি নেই, তবে আমি...
না, আমার কোন কম্পিউটার দক্ষতা নেই, তবে....
ওহ, আচ্ছা, আমি ভেবেছিলাম এটা কোন স্টোর সেন্টার।
ওকে, তবুও ধন্যবাদ।
আচ্ছা, রাখি।
এড মাস্রি, প্লিজ।
জি, আমি এড মাস্রির জন্য ধরে রাখছি।
সে কি আদৌ অফিসে আসে?
না, কিন্তু আমি হাজার বার ফোন করেছি।
জি, আরেকটা মেসেজ রেখে যাচ্ছি।
ব্রকোভিচ, B-r-o-c-k-o-v-i-c-h.
আমি একজন ক্লায়েন্ট, আমি চাই তিনি আমাকে ফোন করেন, ব্যাস এই সহজ কথাটাই।
ঠিক আছে।
ধ্যাত্তরি যা।
- ব্রেন্ডা! ব্রেন্ডা! - জি?
- এসব এখানে কে রেখেছে? - এই ফাইলগুলোর কথাই তো আপনি বললেন।
আমি তো বলিনি ফ্লোরের মাঝখানে এনে রাখ।
মানে, দেখ আমার অবস্থা, একটা তোয়ালে-টোয়ালে দিবে নাকি?
হেই, হেই...
- সে এখানে কি করছে? - কে?
ডোনাল্ড?
- সে এখানে কি করতে আসছে? - সে এখানে কাজ করে।
ইরিন, কেমন চলছে?
তুমি কখনো কল ব্যাক করনি, আমি মেসেজ করার পরও।
করেছিলে নাকি? যাক, আমি জানতাম না।
- ডোনাল্ড হয়ত মনে করেছে তুমি.... - দুইটা ব্যাপার আমাকে বেশ উত্ত্যক্ত করে, মিঃ এড মাস্রিঃ
অবজ্ঞা করা আর মিথ্যা বলা।
- আমি কখনো মিথ্যা বলি না। - তুমি বলছ সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে।
কিন্তু হয় নি, আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম।
- আমি দুঃখিত, আসলেই আমি.... - আমার দয়ার দরকার নেই, ক্ষতিপূরণ দরকার।
আর আমি অপেক্ষা করেছিলাম, কিন্তু যখন তুমি গত ৬বছর যাবত বাচ্চা-কাচ্চার পিছনে ব্যয় করবে,
তখন কাউকে বুঝানো মুশকিল হয়ে পড়বে যে, তোমার টাকার বিনিময়ে একটা বালের চাকরি দরকার।
তুমি কি আমার প্রতিটা কথা বুঝতে পারছ মুটকি, না আমি বেশি তাড়াহুড়ো করে বলেছি?
আমি এসবের জন্য দুঃখিত।
- সত্যিই, কিন্তু আমার কাজের লোক যথেষ্ট আছে.... - ফালতু কথা!
যদি তোমার যথেষ্ট কাজের লোক থাকত তবে তারা ক্লায়েন্টর বাল ফালানি ফোনের জবাব দিত।
আমি বুদ্ধিমান, কঠোর পরিশ্রমী আর যা বলবে তাই করতে পারব,
আর এখান থেকে কাজ ছাড়া আমি যাচ্ছি না।
দেখ, অনুনয় করতে বলো না।
যদি দেখ পারছি না, তাহলে বাদ দিয়ে দিয়ো।
অনুনয় করতে বলো না।
কোন লাভ হবে না বলে রাখলাম।
সব মামলা আমরা নথিভূক্ত করে রাখি।
যাতে প্রয়োজনের সময় সহজে বলতে পারি।
বুঝলে, সব অফিসেই কাজকর্ম প্রায় একই রকম।
এখানে সব ফাইল অক্ষর অনুসারে তালিকাভুক্ত করে রাখি।
- সহজেই তো। - বেশ, আর এটা তোমার ডেস্ক।
আস আমার সাথে, ফটোস্টেট মেশিন কোথায় দেখিয়ে দেই।
সবারই নিজস্ব কোড আছে আর তোমার সেগুলো জানতে হবে।
- আমিও কী একটা পাব? - দেখি কী করা যায়।
- মিঃ মাস্রি? - ইয়াহ?
বলছিলাম কি আপনি কি বলতে পারবেন আমি কাকে বলব......
আমার মাসিক বেতন থেকে সপ্তাহখানেক চলার জন্য কিছু অগ্রিম টাকা দিতে?
ম্যানেজার রোজালিন্ড, সেই বেতনের চেক দেয়, আর বেশ কিছু নগদ টাকাও রাখে।
কিন্তু সে এরমধ্যেই চলে গেছে, শুক্রবারে সে একটু তাড়াতাড়িই চলে যায়।
- ওকে, ধন্যবাদ। - ওহ, দোহায় লাগে, এই যে ধর।
আহ, আছেই দেখি ১০০।
নাও ধর।
তোমার টাকা আমার লাগবে না, মিঃ মাস্রি।
বেতনের চেকের টাকা কে পরিশোধ করে বলে তোমার মনে হয়? নাও ধর।
- সপ্তাহটা ভালো কাটুক। - ধন্যবাদ।
- দেখা হবে। - দেখা হবে, শুভ রাত্রি।
সোমবারে দেখা হচ্ছে।
হেই, হাই, আমার জাদু সোনা। হ্যালো।
কেমন আছো তুমি? ম্যাথিউ? ক্যাটি?
- হেই মম। - হাই, সোনা, আয়।
কেমন আছ? অসংখ্য ধন্যবাদ।
You're welcome.
হেই!
No comments yet. Be the first to leave one.