لومړۍ 200 کرښې.
ইসাবে টাইমিংয়ের একটু গড়বড় থাকায় মাঝেমধ্যে ২/১ লাইন একটু আগে-পিছে হতে পারে তবে সেটা অনুপাতে খুবই কম। এই অনাকাঙ্খিত সমস্যার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী🙏
শুভ সকাল।
শুভ সকাল।
কেমন আছো?
ভালো... ঠিক আছি।
ঠিক আছে।
আমি যখন ছোট ছিলাম,
পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত বোর্ডিং স্কুলে পড়েছি।
তখনকার দিনে,
বাড়ি থেকে চিঠি আসত
দুই সপ্তাহে একবার,
ইনল্যান্ড লেটারে লেখা।
তোমাদের প্রজন্ম হয়তো ইনল্যান্ড লেটার চেনেই না।
পরে,
মাসে একবার,
বাড়ি থেকে ফোন আসত,
ল্যান্ডলাইনে।
এই দীর্ঘ অপেক্ষার সময়গুলোতে অস্থিরতা জমে থাকত,
একঘেয়েমি, কষ্ট,
আর রাতের দুঃস্বপ্ন—
সবই তখন ছিল।
কিন্তু এখন তোমাদের কাছে একটা সুযোগ আছে।
তোমার হাতে যে ফোনটা আছে, ফিলিপ...
তোমার বাবার কাছেও ফোন আছে, তাই না?
তবুও মাসে একবারও
ঠিকমতো কথা বলতে
পারো না।
এটা কিন্তু ঠিক না, তাই তো?
একদমই ঠিক না, তাই না?
তাই এটা বদলাতে হবে।
ঠিক?
কিন্তু...
ডাক্তার, আপনি তো জানেন...
ওর স্বভাবটা কেমন।
- হ্যাঁ, জানি। - আসলে আমি...
এটা মেনে নিতে পারছি না।
অ্যান্টনির জেদটা আমি জানি,
মানে...
কীভাবে বলি, তার এই একগুঁয়েমি...
এটা বদলানো যাবে।
বদলাতেই হবে।
- ঠিক আছে? - হ্যাঁ, চেষ্টা করি।
হ্যাঁ, করব। আমরা করব।
উনি তোমাকে ভেতরে ডাকছেন।
ফিলিপ যা ঘটেছে সবই খুব পরিষ্কারভাবে বলেছে।
শুনুন, আপনার একটা ভুলের জন্য
ফিলিপকে কী ট্রমার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, ভাবতে পারেন?
একবার ভাবুন তো,
আপনি যদি সেই জায়গায় থাকতেন?
কতদিন হলো ফিলিপ আপনাকে "বাবা" বলে ডাকে না, অ্যান্টনি?
আপনাকে আঘাত দিতে বলছি না।
এটার সমাধান খুঁজে বের করাটাই সবচেয়ে জরুরি।
ঠিক?
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - F L A M Y T U H I N
তাহলে চলুন বিশ্লেষণ করি
এখন পর্যন্ত যা যা ঘটেছে, সবকিছু বিস্তারিতভাবে।
যেখান থেকে সব শুরু হয়েছিল...
সবকিছুর শুরু।
স্যার, অ্যান্টনি স্যার এসেছেন।
আহ!
স্যার!
আরও কাছে ধরো!
- স্যার! - আহ।
শিভান স্যার যখন ফোন করেছিল তখন আমি বারে ছিলাম।
আমাকে কি মাতাল লাগছে?
না, স্যার।
বসুন!
ও এখানে কী করছে?
- অভিযোগকারীর সঙ্গে এসেছে। - ওর কি আর কোনো কাজ নেই?
ও ওই কলেজে পার্ট-টাইম পড়ে।
- স্যার! - হ্যাঁ, আমার সাথে আসুন।
- কাউকে ঢুকতে দিও না, জনি। - ঠিক আছে, স্যার।
প্লিজ, বসুন।
অনেকক্ষণ অপেক্ষা করিয়েছি?
না, স্যার। খুব বেশি না।
একটা মিটিং ছিল।
আরেকবার জিজ্ঞেস করছি—
আপনি কি সত্যিই মামলা করতে চান?
আপনার মেয়ের কথা অনুযায়ী...
আসলে কিছুই ঘটেনি, তাই না?
আমাকে করতেই হবে, স্যার...
সে... আমার সাথে...
আমি ওকে ছাড়ব না।
আমি রাজীবের সাথে কথা বলেছি।
সে সত্যিই অনুতপ্ত।
নিজের ভুল বুঝেছে।
আর করবে না, নিশ্চিত।
- আমি কথা দিচ্ছি। - এতে হবে না, স্যার!
আমি মামলা করব।
কলেজে জিজ্ঞেস করলেই ওর চরিত্র জানতে পারবেন।
আমি তিন বছর ধরে ওকে চিনি।
হুম... তিন বছর।
- এটা কি তোমার তৃতীয় বছর না? - হ্যাঁ।
তাহলে তিন বছর ধরে চেনা...
আর দুই বছরের সম্পর্ক, তাই তো?
শুনেছি কারও কাছ থেকে।
না, স্যার।
এটা সত্যি যে সে আমাকে প্রোপোজ করেছিল।
আমি না বলার পর থেকেই সে আমাকে ফলো করতে শুরু করে।
এই...
রিয়া,
তানভি আর অ্যাঞ্জেল...
ওরা কারা?
ওরা আমার বন্ধু, স্যার।
ওদের জিজ্ঞেস করলে সত্যিটা জানতে পারবেন।
প্রথম ওরাই
রাজীবের সাথে তোমার সম্পর্ক নিয়ে স্টেটমেন্ট দিয়েছে।
আমি রাজীবকে জিজ্ঞেস করলেও সে সেটা স্বীকার করেছে।
না, স্যার...
- সে কখনোই এটা বলবে না। - সেটা আমি জানি না, দীপ্তি।
ওরা বলেছে তোমরা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে
রাজীবের বাসায় পার্টিতে গিয়েছিলে। তারপর...
না, স্যার, আমরা সারাদিনই কলেজে ছিলাম।
কলেজ শেষে আমি ওয়াশরুমে গিয়েছিলাম, তখনই...
স্যার, প্লিজ কলেজে খোঁজ নিন।
সত্যিটা জানতে পারবেন।
আমি কলেজে খোঁজ নিয়েছি...
অকারণে মিথ্যে বলছো কেন, মা?
তোমার মা পাশে আছে বলেই?
ম্যাডাম...
আমার কথা শুনুন।
আপনার মেয়ে কলেজ গেট পর্যন্ত গিয়েছিল, ঠিক।
তারপর সেখান থেকে অটো নিয়ে রাজীবের বাসায় গেছে।
আমি নিজে অটো ড্রাইভারের সাথে কথা বলেছি।
না, মা। আমি সেদিন ক্লাস করেছি।
আচ্ছা... কী যেন...
সিজো কে?
সে আমার বন্ধু, স্যার।
ওহ! তাই নাকি...
ম্যাডাম,
এই পার্টির সময়,
রাজীব আর দীপ্তি একসাথে রাজীবের রুমে গিয়েছিল।
কেন, জানি না।
- তারা দু’জন একাই ছিল। - স্যার!
স্যার, প্লিজ, থামুন স্যার।
স্যার, প্লিজ।
এটাই তার বন্ধুরা বলেছে!
রুমে গিয়ে রাজীব দেখে সিজোর মেসেজ
দীপ্তির ফোনে।
রাজীব তাকে তৎক্ষণাৎ জিজ্ঞেস করে।
এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়...
তারপর দীপ্তি সত্যিটা স্বীকার করে।
কোন সত্যি?
দীপ্তির সাথে সিজোর সম্পর্ক ছিল।
কতদিন ধরে?
এক বছর।
মানে,
একসাথে দু’জন।
স্যার, বিষয়টা এমন না...
সিজোর সাথে সম্পর্ক নেই এটা অস্বীকার করছো?
এখনই বলো, তোমার সিজোর সাথে কিছু নেই!
বল!
হে ঈশ্বর...
তোমাকে কাঁদানোর জন্য বলিনি, মা।
তদন্তে তোমার বন্ধুরা এটাই বলেছে।
তাদের মতে, রাজীবের সাথে ঝামেলার পর
তুমি রাগের মাথায় মিথ্যা মামলা করেছো।
শোনো...
আপনার নাম কী?
- রেবতি। - আচ্ছা...
রেবতি...
আপনি, আমি
আর বিদ্যা
আমরা সবাই সাধারণ মানুষ।
কিন্তু রাজীব,
আর তার বাবা মুরালি ক্ষমতাবান মানুষ।
আমরা যদি তাদের বিরুদ্ধে যাই,
তারা এসবকেই আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করবে।
বাইরে যে মেয়েটা আছে, তার নাম কী?
আইরিন।
আচ্ছা, আইরিন।
তার কথা সহজে বিশ্বাস কোরো না।
এদের মতো মানুষের সবসময় আলাদা উদ্দেশ্য থাকে।
বিদ্যা, মনে নেই গায়ত্রীর কী হয়েছিল?
কেস হেরে যাওয়ার পর
আইরিন তাকে মাঝপথে ছেড়ে দেয়।
শেষে
রেবতি...
তাই বলছি,
দীপ্তির ভবিষ্যৎ ভাবা উচিত না?
মা...
তোমাকে এভাবে কাঁদতে দেখে কষ্ট লাগে।
আমার মনে হয়, কেসটা না এগোনোই ভালো।
তোমার দিকেও কিছুটা দোষ আছে, তাই না?
শুধু আমার কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিও না।
ভেবে চিন্তে ঠিক করো।
সব ঠিক হয়ে গেছে, স্যার।
ওরা মামলা করছে না।
খুব ভালো।
এখন তোমার সাথে কেউ আছে?
না, আমি রুমে আছি।
সমঝোতার অঙ্ক কত?
এই কেসে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি, স্যার।
মুরালিকে জানিয়েছো?
না।
- একটা কাজ করো... - জি?
সমঝোতার জন্য
চার বলো...
না, পাঁচ বলো।
তাহলে মুরালির সাথে এখনই যাও,
No comments yet. Be the first to leave one.