لومړۍ 200 کرښې.
বাল, মাদারচোদ...
এমন করিস না।
আপনি শুনছেন, বস?
হ্যালো, বস। বস?
থাম বাল!
বাল। না!
বাল। না!
আমি ক্র্যাশ করতে যাচ্ছি। আবারও বলছি। আমি ক্র্যাশ করতে যাচ্ছি।
সাত মাইল, দক্ষিণপূর্বে।
এয়ারস্ট্রিপ থেকে ৭ মাইল দক্ষিণপূর্বে। আবারও বলছি। আমি ক্র্যাশ করতে যাচ্ছি।
বাল।
বাল, বাল, বাল...
বস?
হ্যাঁ।
লোড করা প্রায় শেষ, বস।
ভালো।
প্লেনের কী করব?
পুতে ফেল।
বেলচা এনেছিস রে, চোদনারা?
তোর সাথে মজা করলাম রে, মানি।
ওহ।
ওরা কারা?
আপনি কি আরও লোক ডেকেছেন, বস?
চুদেছে!
ট্রাকে উঠ সবাই।
চল। চল!
গাড়ি ভাগা।
চল!
চোদিয়ে মর...
তোর মায়েরে চুদি!
শুভ অপরাহ্ন, ভাইলোগ। কী অবস্থা?
গাড়ির ভেতর, একটা ব্যাগ আছে। সেটায় ৭০ হাজার ডলার আছে...
তোমার লোকেদের কাজে আসতে পারে।
নতুন ইউনিফর্ম...
এক রাত মস্তি...
একটা প্লেনও আছে, চাইলে রাখতে পারো।
মিলিটারির অধীনে তোমাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে...
শীঘ্রই তোমাকে নিকটস্থ জেলখানায় চালান করব।
আমার বাবা আমাকে বলতো...
"কণ্ঠ থেকে লাভ কী যদি সেটার ব্যবহারই না করো?"
তাই, আমার কণ্ঠ ব্যবহার করি অনেকগুলো প্রশ্ন করার জন্য।
ছোট থাকতে, টিচার বলেছিল পৃথিবী সবসময় ঘুরে।
আমি তার কথায় বিশ্বাস করিনি
কারণ সে বুঝাতে পারেনি আমরা কেন কোনো নড়াচড়া অনুভব করি না।
উল্টো বলে আমি ক্লাসের মনোযোগ নষ্ট করছি।
সত্যি বলতে, শিক্ষক হিসেবে জঘন্য হলেও তার কথা ঠিক ছিল।
কিছু জিনিস জীবনকে একটা দিকে নিয়ে যায়।
আমাদের অজান্তেই আমাদের জীবনের রূপায়ণ করে।
তবে কিছু মানুষই জানতে চেষ্টা করে সেটা কীভাবে হয়।
কিছু মানুষ তাদের কণ্ঠের ব্যবহার করে...
৯০ দশকের শুরুতে,
আমাডো কারিও ফুয়েন্টেস মাঝারি গোছের নার্কো ছিল।
ফেলিক্স গায়ার্ডোর প্রাক্তন প্রতিনিধিদের একজন,
যে নতুন সব সংগঠন গড়ে যারা শান্তিপূর্ণভাবে কাজ হতো।
আর আমরা বাকিরা, গ্লোবালাইজড ইকোনমির স্বপ্নে মজে ছিলাম
যেখানে আমরা সবাই সমৃদ্ধি অর্জন করতাম।
কারণ সেটাই বুঝে আসতো।
কয়েক বছর পর, সবকিছু উল্টাপাল্টা হয়ে যায়।
আর বিশ্বাস করো, ঐ পরিবর্তনগুলো আমাদের সবাই অনুভব করেছিল।
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
NARCOS MEXICO
একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল কোন অংশটা সবচেয়ে কঠিন।
আমার জন্য সেটা হলো, বলা।
মানে, মনের কথা খুলে বলা...
যে বাসায় বড় হয়েছিলাম...
সেখানে রোজ মনে হতো কেউ আমার বুকের উপর পা দিয়ে আছে।
যেন আমি কোনো সরু রশ্মির উপর হাঁটছি, আর যেকোনো সময় সেটা ছিঁড়ে যেতে পারে।
যেকোনো সময়।
কিন্তু কপাল ভালো হওয়ায় আমার একটা ভাই ছিল।
আমরা দুজনেই ছিলাম, তাই একে অপরকে সঙ্গ দিতাম।
১৫ বছর বয়স অবধি তাই হয়েছে।
কিন্তু একদিন এসে বললো, ও চলে যাচ্ছে।
আর্মিতে ভর্তি হতে যাচ্ছিল, আর ল এনফোর্সমেন্ট যাওয়ার ইচ্ছা ছিল ওর।
কিন্তু আসলে ও এখান থেকে বের হতে চাচ্ছিল।
কিছুদিন পরেই, ও এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়।
তারপর আমি একা হয়ে পড়ি,
মেজাজ সবসময় খিটখিটে থাকতো।
আর শুধু মদ খেলেই
মনে হতো বুক থেকে পা'টা সরে গেছে।
এভাবে, মদে আসক্ত হয়ে পড়লাম।
সারাদিন শুধু মদ খেতাম...
মনে হতো মনের কথা বলা খুব সহজ,
কিন্তু... মোটেও সহজ না।
জানি না। ব্যস...
সব বুঝে উঠার চেষ্টা করেছি।
এখনো করছি।
যাইহোক, ধন্যবাদ।
অনেক দিন পর শেয়ার করলে।
হ্যাঁ, তোমার পরামর্শ কাজে লাগিয়ে ফেললাম।
উম।
এখন কেমন লাগছে?
এখন ভালো লাগছে।
- জানতাম ভালো লাগবে। - হ্যাঁ।
অবশেষে আমার বসের সাথে কথা হয়েছে।
- তোমার সাথে দেখা করতে চেয়েছে। - তাই?
বলেছি তুমি খুব বিশ্বস্ত।
ব্যস আমার মান ইজ্জতটা রেখো। ওরা কাজকে খুব প্রাধান্য দেয়।
মাইক, কথা দিচ্ছি, তোমাকে নিরাশ করব না।
তোমার সিডিএলটা এনো।
তোমার মতো পাকা ড্রাইভারকে হাতছাড়া করবে না।
ঠিক আছে। আর কিছু?
কাল ৩টায় আলামেডা আর সান পার্কের পার্কিং লটে দেখা কোরো।
- ঠিক আছে। দেখা হচ্ছে তাহলে। - দেখা হচ্ছে।
এই, মাইক...
ধন্যবাদ।
তোমার ভাই তোমাকে ভালোবাসত, ভাই।
ওতে তোমারও কোনো দোষ ছিল না।
কাল দেখা হবে।
বাপরে! তোমার কাহিনী শুনে মাল খেতে ইচ্ছে করছে, ব্রো।
- তাই? - হ্যাঁ, সত্যি বলছি।
যাক, তোমার ভালো লেগেছে। বানচোতটা অবশেষে দেখা করতে রাজি হয়েছে।
ওগুলোও রেকর্ড হয়ে গেছে। সাবাশ, ওয়াল্ট।
কিন্তু সিডিএল আবার কী জিনিস?
কমার্সিয়াল ড্রাইভার্স লাইসেন্স। ট্রাক ড্রাইভারদের অত্যাবশ্যক জিনিস।
আমাকে একটা বানিয়ে দিতে তো পারবে, তাই না?
এক্ষুনি বানিয়ে দিচ্ছি।
সত্যি, কেউ বিয়ার খেতে চাও না?
আমাকে এখন একটা ড্রাইভিং লাইসেন্স বানাতে হবে।
ডানে যা।
ঐদিকে...
এই, ড্যাজ। ড্যাজ, বাসায় আছিস ভাই?
কে আছে?
ড্যাজ, দরজা খুল ভাই।
আরে ভাই, ড্যাজটা কে?
যা, যা।
টাকা খুঁজ।
এই! মারা খা।
- যা, যা, যা! - যা!
টাকা পেয়ে গেছি! চল যাই! চল, চল, চল!
বের হ, বের হ, বের হ!
চল এখান থেকে বের হই!
চল!
- মরে গেছে। - তুল ওকে।
বাল।
বাল!
ছাড় ওকে। চল যাই, চল!
চল!
টাকা ভাগ কর।
ক্যাপ্টেনের জন্য দুই বান্ডিল রেখে দিস।
যে ছেলেটা মরল ওখানে ওর কী করবে?
লুইস মারা খেয়েছে।
কী, রোজেলিও?
ওর কোনো পরিবার আছে?
একটা গার্লফ্রেন্ড আছে বোধহয়।
চিহুয়াহুয়াতে।
ওকে কিছু টাকা দিয়ে দিস।
ঠিক আছে।
আমাদের নদীর ওপারের বন্ধুরা
শীঘ্রই কিছু খারাপ খবর পাবে,
যখন আমরা ওদের এক এক করে ঠাপানো শুরু করব।
এল পাসোর পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে জানানো হয়েছে। কাল সকালে আমরা একটা ব্রিফিং দিব।
- আজ সব ঠিক ছিল? ভালো গেছে? - জি, স্যার।
- ঠিক আছে, সাবাশ। গিয়ে আরাম করে নাও। - স্যার...
আমাডো কারিও ফুয়েন্টেসের ব্যাপারে ওয়ার ট্রান্সক্রিপ্টে কিছু পাওয়া গেছে?
না। না, অনেকদিন ধরেই কিছু পাওয়া যায়নি।
তোমার লোক উধাও হয়ে গেছে, ওয়াল্ট।
মনে হয় তোমার এত বেশি নজরদারির কারণে
ও চিহুয়াহুয়ার কোনো পাহাড়ে লুকিয়ে পড়েছে।
হ্যাঁ, হয়তো।
এই, মিলস, তোমার কাছে কিছু কয়েন হবে?
"সোশ্যাল রিইন্টিগ্রেশন এন ফোর প্যারেল, চিহুয়াহুয়া"
- ড্যানি? - এই!
এই, কাজ কেমন গেছে?
উহ, ডিপার্টমেন্টের মিটিং কখনো শেষ হবে না।
- স্যরি অ্যাশট্রের মতো গন্ধ করছে। - উম।
এই, আমি কিছু বলিনি।
এই দেখো।
জোগাড় করেছি!
ওরে বাপরে, দেখো কত চকচকে আর গোল গোল।
তিন চারটা লোড হয়ে যাবে, আরামসে।
আমরা দুইটা ড্রায়ার এক সাথে চালাতে পারব।
হ্যাঁ, কোনো প্যারাই নাই। তোয়ালেও ধুয়ে নেওয়া যাবে।
উফ! আমার হিরো! ফাটিয়ে দিয়েছ।
- তোমার চিঠি এসেছে আজ? - না, কিন্তু মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
সত্যি করে বলো তো, মেইলবক্স কতবার চেক করে দেখেছ?
কপালে যাই লেখা থাকুক না কেন আমি মেনে নিব।
ওহ, হ্যাঁ, তোমার তো বুকের পাটা অনেক বড়।
তোমার আন্ডারকভার মিশন কেমন গেল?
খারাপ না, ব্যস সিগারেট অনেক খেতে হয়েছে।
ওহ, তাই? তোমাকে?
কাহিনীগুলো কি খুব ডিপ্রেশিং?
গত সপ্তাহের মতো অতটাও না। কিন্তু আমি জলদিই গ্রেফতার করে ফেলব।
হুম।
যে লোকটার জন্য কাজ করছ ওর জন্য কি খারাপ লাগে...
কী যেন নাম? মাইক না কি?
বেশ, ও ছোট বাচ্চা না। ও নিজের পথ নিজে বেছে নিয়েছে।
হ্যাঁ, মারা খাক মাইক আর ওর পথ।
একদম।
এই, আজ রাতে আবার তোমার ভাইয়ের ব্যাপারে কথা বলেছ?
বলেছি, কিন্তু কিছুটা বানানো ছিল।
৬০টা যোগ করে ক্লোজ কর...
আরে দেখ কে এসেছে!
ওরে, ভাই...
জেলে রেজার টেজার পাওয়া যায় না নাকি?
এই, আমার কি তোকে নিতে যাওয়া লাগতো?
কাউকে তো লাগতো।
- আর? - আর?
তো, বানচোত...
এত সময় লাগল কেন? তিন মাস জেলের ভেতর ছিলাম।
পরিস্থিতি জটিল ছিল।
No comments yet. Be the first to leave one.