لومړۍ 200 کرښې.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
কখনো ভাবিনি মারগ্রেভে থাকতে আমার ভয় করবে।
কোনো লিড পেয়েছ?
তেমন কাজের কিছু পাইনি এখনও।
আমাদের যা তদন্ত করতে বলা হয়েছে...
সেটা ঠিক মনে হয় না আমার কাছে।
ফিনলের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলেছ?
ও আশেপাশে থাকলে...
আমাকে ওর কাছে ভিড়তেই দেয় না।
রসকো টিলকে ঘুষি মারার পর থেকে, ওকে আর দেখিনি।
আমি আর বেকার এখন একলা।
আজ আবার পলকে ফোন করার চেষ্টা করেছিলাম।
চার্লিকেও।
ওরা ফোন ধরবে না।
ওরা হয় নিখোঁজ বা তার চেয়েও...
বড় কোনো ব্যাপার হবে।
ভাবছিলাম আমাদের এখান থেকে চলে যাওয়া উচিত।
তোমরা যদি এসবের সমাধান করেও ফেলো, ক্লাইনার সাহেবের মৃত্যুর কারণে,
শহরটা আবারও তেমন হয়ে যাবে
যেমনটা আগে ছিল।
আমরা টুপালোয় গেলে বাবা-মা অনেক খুশি হবে।
জানি।
আর শীঘ্রই, আমাদের ফ্রি বেবিসিটিংয়ের দরকারও পড়বে।
তো লোকজনকে সুখবরটা আমরা জানাবো কবে?
জলদিই।
ট্যাক্সি? ট্যাক্সি!
এখানে! হাই।
জার্মানি। নতুন অ্যাডভেঞ্চার, হুম?
এটা অ্যাডভেঞ্চার না।
বরং শাস্তি। জার্মানি অনেক বোরিং।
কিন্তু এবার অন্যরকম হবে।
আমাদের ছেলেদের অবস্থা দেখো!
তোমাদের অনেক কনফিউজড মনে হচ্ছে!
তোমরা ভালো মানুষদের শাস্তি পেতে,
আর খারাপরা যা চায় তা তাদের পেতে দেখেছ,
আর তোমরা কারণটা বুঝে উঠতে পারোনি।
তোমাদের এখন একটা কথা বলব
যার মানে এখন হয়তো বুঝবে না,
কিন্তু আশাকরি, বড় হয়ে, একদিন বুঝবে।
জো, তোমাকে দুনিয়ার সব সমস্যার সমাধান করতে হবে না।
কয়েকটা সমাধান করাই যথেষ্ট।
আর রিচার, তোমার বয়সী তিনজনের সমান শক্তি রয়েছে তোমার মধ্যে।
এই শক্তি দিয়ে কী করবে তুমি, হুম?
তুমি তা-ই করবে যা ঠিক।
টি-শার্টটা তো দারুণ!
আমার অন্যান্য কাপড়ে ওদের রক্ত লেগে গেছিল।
কিছু আমার রক্তও ছিল।
ছুরি। পিস্তল।
কনসোলের মধ্যে আছে।
তো নিউইয়র্ক থেকে কী জানলে?
কাগজেরই আসল খেলা।
কালি পাওয়া সহজ, প্লেট বানিয়ে নেওয়া যায়;
কিন্তু টাকার জন্য সঠিক কাগজ পাওয়াটাই
- মুশকিল ব্যাপার। - আর?
বেশ, দেশে একটা জায়গাতেই তৈরি হতো কাগজ
আর সেটাকে পুরোপুরিভাবে বন্ধ করিয়ে দিয়েছে...
- যদি... - যদি সে বন্ধ না করাতে পারে।
যদি সে বন্ধ না করাতে পারে।
ভেতরকার কোনো লোক হয়তো দুর্নীতিবাজ ছিল যার ব্যাপারে জো'র জানা ছিল না।
হাবাল কারেন্সি ম্যানেজার ছিল, সে টাকা-পয়সা সামলাতো।
মনে হয় সাপ্লায়ারের ওখানকার কারো সাথে কাজ করতো
- যে হয়তো ধরা খেয়েছে। - আচ্ছা।
আর কোনো খবর?
ভেনেজুয়েলার আরেকটা মালের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছিল।
তারপর?
মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছি।
মেকানিকের দোকানে নিয়ে চলো। আমার বেন্টলিটা নিতে হবে।
তার আগে আমাকে এক জায়গায় নামতে হবে।
তুমি গাড়িতেই থাকবে।
ক্লাইনার সাহেবের মারগ্রেভে রক্তের সম্পর্কের
বেশি লোক ছিল না।
ছিল ব্যস ওনার ছেলে আর ভাতিজা।
কিন্তু আমি মনে করি পুরো শহরই ওনার পরিবার ছিল।
আমি জানি উনি আমাদের আপন মনে করতেন।
সৎ মানুষ শেষ হয়ে যায়, কিন্তু কেউ সেটা মনে লাগায় না।
ভালো মানুষদের কেড়ে নেওয়া হয়,
আর কেউ বুঝে না যে ভালো মানুষদের ডেকে নেওয়া হয়
যাতে তারা পাপ থেকে বেঁচে যায়।
যারা ঠিক পথ অবলম্বন করে তারা শান্তিতে থাকে।
তারা মৃত্যুর পরও শান্তিতে থাকে।
এখানে কী করতে এসেছ?
সম্মান জানাতে।
সত্যি? জানো, আমার কী মনে হয়?
আমার মনে হয় তুমিই তাকে মেরেছ।
তুমি যেভাবে তাকে চিঁড়ে ফেলেছ
তোমাকেও যদি সেভাবে চিঁড়ে ফেলি?
হুম?
প্রথমত, আমি তোমার আঙ্কেলকে সম্মান জানাতে আসিনি,
কারণ তাকে কখনো সম্মানের নজরে দেখিইনি।
কিন্তু এই শহরের লোকজন তাকে অনেক মানতো,
তাই আমি মারগ্রেভের চিফ ডিটেকটিভ হিসেবে ওনাকে সম্মান জানাতে এসেছি।
দ্বিতীয়ত।
একটু পিছনে সরো, বাছা,
নাহলে ঐ কবরে দুজন ক্লাইনার থাকবে।
তোমার সাথে পরে দেখা করব, ফিনলি।
উম-হুম।
সাক্ষাৎ বেশ ভালো গেছে নিশ্চয়ই।
চুপ করো।
চলো গিয়ে তোমার গাড়িটা নেওয়া যাক।
আজকালের মধ্যে রস্কো কি তোমাকে ফোন করেছিল?
না, কিন্তু পিকার্ডের আজ ফোন দেওয়ার কথা।
এই, বেন্টলি ম্যান।
স্যরি, বন্ধু, তোমাকে বিকালে আসতে হবে।
এখনও দুইটা জানালা কালো করা বাদ আছে।
ওতেই হবে।
অর্ধেক কাজ করিয়েই নিয়ে যাবে?
রকস্টারদের চারটা জানালা কালো করানোর দরকার পড়ে।
তোমাকে পুরো টাকাই দিব।
যেমন তোমার মর্জি, বন্ধু, আমি গাড়ি নিয়ে আসছি।
টিম, যেখানে তেল পড়েছে সেখানে একটু কিটি লিটার ছিটিয়ে দে তো।
এখন, জাল টাকা ব্যবহার করতে তেমন সমস্যা হচ্ছে না বুঝি।
তোমাকেও কিছু কিনে দিব নাকি?
কিছু জিন্স আর হল এন্ড ওটসের কনসার্টের টিকিট কিনে দিই?
হ্যাঁ, ক্যাপ্টেন ফিনলি বলছি।
আচ্ছা, এক্ষুনি আসছি।
কী ব্যাপার?
আমাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছি।
কোন প্রশ্ন?
স্টিভেনসন দুর্নীতিবাজ ছিল কিনা।
ও অবশ্যই জড়িত ছিল যার জন্য ওর পরিণতিও
- মরিসনদের মতো হয়েছে। - ব্যাপারটা একরকম না।
চিফ মরিসনকে যেভাবে মেরেছিল তার মাধ্যমে খুনি কিছু বলতে চাচ্ছিল।
- এখানে ব্যাপারটা ভিন্ন। - কোভাবে?
বেশ, এর অন্ডকোষ কাটা হয়নি।
প্রথমে এই জিনিসটাই আমার চোখে পড়ে।
একদম। ওরা চায়নি স্টিভেনসন আতঙ্কিত হয়ে পড়ুক।
চেয়েছিল ও সজ্ঞানে থাকুক।
চেয়েছিল ও দেখুক।
টেপ, আয়না।
ওর সামনে ওর বউকে অত্যাচার করে।
আর যেদিকেই তাকাক না কেন ও দেখতে পেতোই। হে খোদা!
ওরা কোনো তথ্য জানার চেষ্টা করছিল।
এর মানে স্টিভেনসন জড়িত ছিল না।
ডউসন নিশ্চয়ই ট্রাকের ছাদে ফুঁটোটা খুঁজে পেয়েছিল,
বুঝে গেছিল আমরা সত্যের খুব কাছে রয়েছি।
আমরা সবাই লাপাত্তা ছিলাম, তাই ওরা তাদের কাছে যায় যাদের থেকে তথ্য পাবার সম্ভাবনা ছিল।
স্টিভেনসন আর হাবার আত্মীয় ছিল।
ওকে রস্কো, আমার আর তোমার সাথে কথা বলতে দেখে।
আমরা ভেবেছিলাম ও ওদের জন্য কাজ করছে
অন্যদিকে ওরা ভেবেছিল ও আমাদের জন্য কাজ করে।
ওকে আমাদের সাথে নিয়ে নিলে, হয়তো এদের দুজনকে বাঁচাতে পারতাম।
তিনজন।
ফিনলি? রিচার? একটু বাইরে আসো।
কী চান আপনি?
তোমাদের দুজনকে বের করে দিচ্ছি।
কীসের ভিত্তিতে?
নিজের কাজ ঠিকমতো করছ না বলে।
কাজটা তোমার হিসেবে অনেক কঠিন এটা মানতে
আর কতজনকে মরতে হবে?
তুমি একটা মহিলা পুলিশকে সামলাতে পারলে না
যে কিনা আমার উপর হামলা করেছিল।
শহরটা দুর্নীতিতে ভরে গেছে, আর যে পুলিশটা এসেছে
তাকেও জোর করছে তেমন হতে?
আমি তোমার উপকার করছি।
তোমার সাথে আরও খারাপ কিছু ঘটুক,
তার আগেই এখান থেকে বিদায় হও হয়তো কোথাও সিকিউরিটি গার্ডের কাজ পেয়ে যেতেও পারো।
তো এখন স্টেশনে গিয়ে, তোমার জিনিসপত্র গুটিয়ে নাও।
যাবার সময় তোমার পিস্তল আর ব্যাজ আমার ডেস্কে রেখে যেও।
আর তুমি।
তুমি তো পুলিশও না।
এক মিনিটের মধ্যে এখান থেকে বের হও
নাহলে জেলে ঢুকিয়ে দিব।
আজকে একজন ভালো মানুষকে দাফন করেছি আরেকজনের বিকৃত লাশ দেখেছি,
সাথে তার স্ত্রীরও।
আমাকে পরীক্ষা কোরো না।
আমার এখন ওয়ারবার্টন কাউন্টিকে ফোন করতে হবে,
যেন সে কিছু কাজের পুলিশ পাঠায়।
তাহলে আরেকজনের মৃত্যু ছাড়াই, সে আমার থেকে মুক্তি পেয়ে যাবে।
প্রমাণ এখন আমাদের নাগালের বাইরে।
ল্যাবে কাজ শেষ হলে হয়তো
জ্যাস্পারের থেকে কিছু জানা যেতে পারে।
এই, এই। এই।
স্টিভেনসনের বাবা-মাকে এখানের ঘটনাটা বলা লাগবে।
পুলিশ না হোক, কিন্তু ও আমার আন্ডারে কাজ করত।
ওদের চোখে চোখ রেখে কমসেকম এটুক বলতে পারি যে
তাদের ছেলে আর বউমা আর এই দুনিয়ায় নেই।
আর নাতি।
হ্যাঁ।
জানি তোমার রাগ হচ্ছে।
আমারও হচ্ছে।
কিন্তু না থাকাকালীন ভুল-ভাল কিছু করে বসো না।
প্ল্যান মাফিক চলবে।
হাবালের বাসায় গিয়ে দেখো কিছু পাও কিনা।
যাবো।
কিন্তু তার আগে, মারগ্রেভের এক পুলিশের সাথে লাঞ্চ করব।
কিছু খাচ্ছ না যে!
খিদে নেই।
স্টিভেনসনের ব্যাপারটা নিয়ে রাগ করোনি?
এটা কেমন কথা?
ছেলেটাকে তখন থেকে চিনি যখন ও খবরের কাগজ বিক্রি করত।
আমার আন্টি ওর বউকে হাই স্কুলে গান শিখিয়েছিল। ব্যাপারটা...
ব্যাপারটা কী?
কেঁদে আসলে কোনো লাভ হবে না।
ওদের জন্য কিছু করতে হলে
খুনিকে বের করে শাস্তি দিতে হবে।
স্টিভেনসন কাউকে জেলে ঢুকিয়ে নিজের শত্রুতে পরিণত করেছে কি?
যেমন মরিসনের ব্যাপারে টিল মনে করে?
হয়তো তোমার এমন মনে হয় না।
টিলের কথার কোনো ভিত্তি নেই।
পার্সেল করে দিব?
No comments yet. Be the first to leave one.