لومړۍ 200 کرښې.
© মালায়ালাম সিনেখোর
হ্যালো।
ম্যাডাম!
ম্যাডাম....
আমি রাস্তায় আছি।
::::K A A P A::::
___অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ___ © আরুশ আরিয়ান।
আসুন।
ফিজিক্যালি, আপনার স্ত্রী পুরোপুরি সুস্থ।
বাকিটা আপনাদের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।
মানসিক স্বাস্থ্যও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।
যতটা শারীরিক সুস্থতা।
ডক্টর শুভ স্যারের সাথে আমার বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
অতীতে বিনুর মানসিক যন্ত্রণা সম্পর্কে উনি আমাকে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
আপনাদের যদি আমার প্রতি আস্থা থাকে
আগামী নয় মাসে এমন অবস্থার পুনরাবৃত্তি হবে না,
আপনারা আপনাদের সিদ্ধান্তে অটুট থাকতে পারেন।
সুতরাং, সিদ্ধান্ত আপনার।
ঠিক আছে।
বিনু, তোমার এসব নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।
তোমার যা ঠিক মনে হবে সেটাই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
তুমি যাই সিদ্ধান্ত নাও না কেন, আমার কোনো দ্বিমত নেই।
ধন্যবাদ প্রিয়।
তোমার এতোটা ফর্মাল হওয়ার প্রয়োজন নেই।
নমস্কার।
আমি স্পেশাল ব্রাঞ্চ থেকে এসেছি।
মানে, পুলিশ।
কয়েক ঘন্টা আগে আমি বেল বাজিয়েছিলাম।
আমার মনে হয় আপনি বাড়িতে ছিলেন না।
না স্যার। আমরা সবেমাত্র বাসায় ফিরলাম।
হ্যাঁ, হবে হয়তো!
এসো, বসো!
কোনো বড় সমস্যা না।
কাজকুট্টম তো বর্তমানে একটা আইটি সিটি, তাই না?
সুতরাং, আমিও এসেছি চেক করতে।
মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে কিনা খোঁজ খবর নিতে।
প্রতিটা ফ্ল্যাটে যেতে হবে আমার।
ব্যশ সেজন্য।
আইন তো সবার জন্য সমান।
আচ্ছা, তুমি এখানে কতদিন হলো?
এখনো এক মাসে হয়নি, স্যার।
- এখানে কোনো সমস্যা হয়েছে? - না স্যার।
আমি প্রতিটা কলামে "কোন সমস্যা নেই" দিয়ে দিয়েছি।
তোমার নাম, তোমার ঠিকানা আর এখানে তোমার একটা স্বাক্ষর লাগবে।
- নাম? - আনন্দ।
আনন্দ, ঠিক আছে।
- পুরো নাম? - আনন্দ অনিরুধ।
অনিরুধ।
- ফ্ল্যাট নম্বর 14(A), তাই না? - হ্যাঁ।
ঠিক আছে, 14(A)।
- তোমার বউ নাকি? - হ্যাঁ।
ওহ না! এটা তো অযুক্তিক প্রশ্ন, তাই না? আইটি সিটির জন্য!
আমি এক পলকেই মানুষ চিনতে পারি।
আমাদের প্রশিক্ষণই এমন হয়েছে।
তোমার নাম কী, মা?
- বিনু। - ঠিক আছে, বিনু।
নামটা ছেলেদের মতো!
- মেয়েদেরও এমন নাম হয়। - হ্যাঁ অবশ্যই।
পুরো নাম?
বিনু ত্রিবিক্রম।
- বুঝিনি? - ত্রিবিক্রম।
ওহ ঠিক আছে।
ত্রিবিক্রম?
বাবা।
বাড়ি কী ম্যানাকাডায়?
সে এখন দেশের বাইরে।
ওহ...
আর বিজু ত্রিবিক্রম?
আমার বড় ভাই।
তখন আমি স্থানীয় পুলিশ বাহিনীর অংশ ছিলাম।
ক্যাপিটাল ক্রাইম পত্রিকার লতিফ সাহেব তোমাদের প্রতিবেশী ছিল, তাই না?
তুমি কী করো, মা?
আমি!
স্যার, আমরা এতোদিন একসাথে ব্যাঙ্গালোরে ছিলাম।
এখন যেহেতু আমার এখানে ট্রান্সফার হয়েছে
- ওর এখানেই চাকরি খুঁজতে হবে। - ওহ ঠিক আছে।
ঘটনাটা ঘটার সময় তুমি কোন ক্লাসে ছিলে?
দ্বাদশ।
ওহ না! আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে।
বিনু ত্রিবিক্রম তার বয়স কত?
২৪।
তোমার?
- ২৮। - ঠিক আছে, ২৮!
এখানে একটা স্বাক্ষর করো।
মা, এখানে একটা স্বাক্ষর করো, প্লিজ।
ঠিক আছে।
আরে, তুমি একটু আসো?
- তোমার বাড়ি কোথায়? - আলুভার কাছেই।
আজ সন্ধ্যায় কাজকুট্টম স্টেশনে আমার সাথে দেখা করো, ঠিক আছে?
কী হয়েছে, স্যার?
স্টেশনে গেলে তারপর জানতে পারবে।
আপাতত, তোমার স্ত্রীর যেন এই বিষয়ে না জানে।
- ঠিক আছে। - হ্যাঁ।
কী বললো তোমাকে?
ফ্ল্যাটের ভাড়া জানতে চায়ছিল।
দাড়া!
দাড়া!
দাড়া!
মার!
মার!
ভাইয়া...
না!
না!
ভাইয়া!
না!
ভাইয়া!
ভাইয়া!
- ঠিক আছে তাহলে। - ঠিক আছে।
আরে, এখানে এসো।
স্যার?
- খাবে? - না।
তোমার স্ত্রী বাড়িতে আছে?
হ্যাঁ।
আশা করি তোমার তাড়া নেই।
না স্যার।
আচ্ছা, তোমাদের প্রথমবার কোথায় দেখা হয়েছিল?
আমরা বেঙ্গালুরুতে একই কোম্পানিতে কাজ করতাম।
কী হয়েছে, স্যার?
কিছু না।
আমি শুধু জানতে চাইছি তুমি তার সম্পর্কে কিছু জানো কিনা।
আপনি কী বোঝাতে চায়ছেন?
তার ইতিহাস!
মানে, তার অতীত!
বাবা,
জানো পাসপোর্ট করার সময় কেন পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক?
অতীত জ্ঞাতার্থে।
তেমনই কাউকে বিয়ে করার আগে তার অতীত জানা জরুরি।
তুমি কী বুঝতে পেরেছো?
- হ্যাঁ। - ঠিক আছে।
তার ভাইয়ের মৃত্যু সম্পর্কে সে তোমাকে কী বলেছে?
বলেছে, তার ভাই একটা দুর্ঘটনায় মারা গেছে।
আমি এই সম্পর্কে ওকে তেমন কিচ্ছু জিজ্ঞাসা করিনি।
দুর্ঘটনা?!
তাকে কুপিয়ে টুকরো-টুকরো করে খুন করা হয়েছিল রে বাব!
- কী?! - তুমি আমার কথা বুঝনি?
মানে, তাকে দাঁ দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে।
এসো।
এসো।
তিরুবনন্তপুরম জায়গাটা এখন অনেক শান্ত হয়ে গেছে।
সেই সময়ে তিরুবনন্তপুরমে অন্ধকার হলে পুরো শহরে লুটপাট শুরু হয়ে যেতো।
গণযুদ্ধ, খুন, সহিংসতা।
আমরা সবে মর্গ থেকে বের হওয়ার সুযোগ পেয়েছি!
তোমার শালাবাবুও তখন এমন বদমাশি করতো!
কিন্তু সে পুলিশের সাথে খুব একটা ঝামেলা করতো না।
বিরোধী গ্যাংয়ের সাথে মনে হয় ঝামেলা হয়েছিল তাই ওরা সময়মতো তাকে শেষ করে দিয়েছে।
পরিবারের কোনো সদস্য বিপথগামী হলে আমরা কী করব বলুন তো স্যার?
অতীত তো অতীতই।
আমি তোমাকে এখানে এসব আলোচনা করার জন্য ডাকিনি।
তুমি বেঁচে আছো তাই তোমার সাথে কথাবার্তা হচ্ছে।
আমি জানতাম তুমিও এই বিষয়ে অজ্ঞ।
আমি তোমাকে সাহায্য করতে চাইছি, কারণ তোমাকে নির্দোষ মনে হচ্ছে।
আমি নিশ্চিত, তা নাহলে তুমি বিভ্রান্ত হয়ে যাবে।
কী হয়েছে, স্যার?
কী সমস্যা?
আমি যা বলবো তা তোমার সহ্য হবে কিনা সন্দেহ আছে।
- বাবা। - হ্যাঁ?
কেরালায় 'কাপা' নামে একটা আইন আছে।
একে গুন্ডা আইনও বলা হয়।
দীর্ঘদিন থেকে এই আইন অকার্যকর।
এসব এখন উপেক্ষা করা হয়, সম্প্রতিক এই আইনের অধীনে কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি।
যখন হঠাৎ করে অপরাধের হার বৃদ্ধি হওয়া শুরু করলো
মুখ্যমন্ত্রী অর্ডার, সমস্ত গুন্ডাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
আমরা তদন্ত করেছি আর কেরালার গুন্ডাদের সন্ধান করেছি
তারপর পুলিশের হাতে প্রায় ২৫৫০ জন গুন্ডা গ্রেফতার হয়।
তাদের মধ্যে ২৩৭ জন ছিল
তিরুবনন্তপুরম জেলার।
- তুমি কী জানো? - ওহ...
এদের মধ্যে কয়েকজন পালিয়ে গেছে।
পালানোর কথা শুনেছেন নিশ্চয়? ব্যশ!
গতকাল আমি সেই পলাতকদের মধ্যে একজনের মুখোমুখি হয়েছি।
কপাল গুণে!
নাম...
বিনু ত্রিবিক্রম!
মজা করবেন না, স্যার।
বিনু?! গুন্ডাদের তালিকায়?
হাসি পাচ্ছে!
হজম হচ্ছে না, তাই না?
নাও, নিজের চোখে দেখো।
এইটা হলো কুখ্যাত কাপা তালিকা!
তিরুবনন্তপুরম জেলার সর্বশেষ সংস্করণ।
দেখো।
সাত নাম্বার পৃষ্ঠায়,
ক্রমিক নং- ১১২।
এখন কী আমার কথা বিশ্বাস হয়েছে?
এটা অন্যান্য পলাতকদের নাম।
এসব তোমার প্রয়োজন নেই।
কিন্তু, ডিপার্টমেন্ট যদি তোমাকে নোটিশ পাঠায়,
তাহলে তার সাথে দেখা করতে তোমাকে আত্তাকুলাঙ্গ মহিলা কারাগারের সামনে অপেক্ষা করতে হবে!
তুমি প্রবেশ করতে পারবে না, আর সে বের হতে পারবে না!
কিন্তু, স্যার...
বিনুর নামের বিপরীতে "Son of" লেখা, তাই না?
সে ছেলে নয়। সে তো মেয়ে।
লিঙ্গ পরিবর্তন করা পুলিশের বাঁ হাতের খেলা।
শুধু "S" এর জায়গায় আমি "D" বসিয়ে দিবো।
কিন্তু, স্যার, বিনু
সে একদম নিষ্পাপ।
তেলাপোকা দেখলেও ভয়ে ওর আত্মায় পানি থাকে না!
তুমি কী জানো হিটলারও বিড়াল দেখে ভয় পেতো?
স্যার, আপনি কী চান?
বাবা, তোমার এখন আপাতত বাড়ি ফিরে যাওয়া উচিত।
No comments yet. Be the first to leave one.