لومړۍ 200 کرښې.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
সত্য ঘটনা দ্বারা অনুপ্রাণিত
সাত বছরের সামরিক স্বৈরশাসনের পর ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বরে....
আর্জেন্টিনায় গণতন্ত্র পুনরায় চালু হয়।
আলফনসিন মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য প্রাক্তন কমান্ডারদের...
বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন।
কমান্ডাররা মনে করেন তারা নাশকতার বিরুদ্ধে করা যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন,
তাই তারা শুধুমাত্র সামরিক আদালতে হাজিরা দিতে রাজি হন।
নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সাত মাস পেরিয়ে গেছে,
এবং বিচার আর এগোয়নি।
এমন গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে যে বিচার হতে পারে অ-সামরিক আদালতে।
"এবং যদি তা ঘটে,
তবে ফেডারেল কোর্ট অফ আপিল বিচার পরিচালনা করতে বাধ্য হবে।"
অভিযোগ প্রমাণের ভার থাকবে একমাত্র প্রসিকিউটর জুলিও স্ট্রাসেরার উপর।
🧸 ⭐ ⭐ এটি আমার ❝১২২তম❞ পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল ⭐ ⭐ 🧸
- তো? - ও এসে রুমের দরজা লাগিয়ে দিয়েছে।
- দরজা লাগিয়ে দিয়েছে? - হ্যাঁ।
সবেমাত্র এসেছে।
আসো।
বেশ, এবার বলো।
সে বেতিনা থেকে ওকে গাড়িতে তোলে।
ওরা একটা বারে যায় এবং সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটায়।
- কোন বার? - প্লাস আল্ট্রা। লিবার্টেড এন্ড আর্নালেস রোড।
আর তারপর?
তারপর, আমি চলে আসি।
- তুমি কেন চলে এলে? - হ্যাঁ, আমি ওখানে এক ঘণ্টা ছিলাম।
- আমার ঐ লোকটাকে পছন্দ না। - আমিও করি না।
কী করছো তোমরা? এত ফিসফিস করে কী কথা হচ্ছে শুনি?
- কিছু না তো। - কিছু না তো।
আমরা ভেরোকে নিয়ে চিন্তিত।
কেন?
ওর নতুন বয়ফ্রেন্ড খুব আজব লোক।
- আজব? তুমি কী করে জানো সে আজব? - হ্যাঁ।
এই উপসংহারে কীভাবে আসলে?
আমার সন্দেহ হচ্ছে যে সে একজন গুপ্তচর হতে পারে।
হয়তো তারা ওর মাধ্যমে আমার কাছে পৌঁছাতে চায়।
গুপ্তচর?
এর মানে হলো গোয়েন্দা, মা।
আমি গুপ্তচরের মানে জানি, বাবু।
জাভি, ঘুমাতে যাও।
যাও।
- পাজামা পরে নিয়ো। - ঠিক আছে।
জগার প্যান্ট পরে ঘুমাবে না কিন্তু!
তোমার জবাব শুনতে চাই।
ওরা প্লাস আল্ট্রাতে দেখা করেছে। এটা থেকে কিছু বুঝতে পারছো না?
না।
ওই বারটা গোয়েন্দা বিভাগের অফিসের কাছেই।
মজা করছো নাকি?
তুমি আমাদের মেয়ের পিছু করছো?
- না। - জুলিও।
- তোমার মেয়ের পিছু নেওয়াচ্ছো কাউকে দিয়ে? - জাভিয়ার ওকে রাস্তায় দেখতে পেয়েছিলো।
জুলিও! নিজের ছেলেকে দিয়ে নিজের মেয়ের পিছু নেওয়াচ্ছো?
বললাম তো না।
তুমি একটা পাগল।
আমরা জানি তো সে ওই স্কুলের মেয়েটার কাজিন।
- একজন পাইলটের নাতনী। - একজন অ-সামরিক লোক।
- একজন অ-সামরিক পাইলট! - লাদে তে।
ওগুলো সৈনিকের মতো।
তারা যুদ্ধে লড়েছে। তার দাদা আর তার বাবাও!
তুমি জানো তোমার ছেলে দিন দিন পাগল হয়ে যাচ্ছে?
- কী? - মেকআপ করছিস কেন?
কারণ আমি করতে চাই এবং করতে পারি।
এটাই তো গণতন্ত্র, তাই না?
আমার স্কুলে এটা নিষিদ্ধ।
কীভাবে জানিস? তুই তো মেকআপ করে স্কুলে যাস নি কখনো।
- এখন পর্যন্ত না। - না, না!
- থাম! - আয়, জাভিয়ার, তোকে সুন্দর লাগবে!
- বোকা! - চলো।
যথেষ্ট হয়েছে, এখন থাম।
আমি এই পথে যাচ্ছি।
- আমাকে একটা দেবে, বাবা? - অবশ্যই।
- লাঞ্চে যেতে চাও? - আজ যেতে পারবো না।
কোন দিন তা তো বলিনি।
ভেবেছি আজকে যাওয়ার কথা বলেছো।
- যখন তুমি পারবে। - অবশ্যই যাবো।
যখন তুমি পারবে।
- বাই, আজ রাতে দেখা হবে। - ঠিক আছে। বাই।
সুপ্রভাত, ব্রুজো ফোন করেছিলো।
স্যার, মিস্টার ব্রুজোর ফোন এসেছিলো। বলেছেন, জরুরি কথা আছে।
আমি শুনেছি তো। আর আমি যদি তার সাথে কথা বলতে না চাই?
- সেটা করতে পারেন? - অবশ্যই করতে পারি।
- সে আবার ফোন করলে কী করব? - ফোন কেটে দিবে।
- পারবোনা, স্যার। - হ্যাঁ, তুমি পারবে।
করতে পারবে এবং করবেই। এটা একটা অর্ডার।
তুমি ব্রুজোর ফোন কেটে দেবে।
- মনে রেখো, তুমি আমার কর্মচারী। - না স্যার, আমি একজন স্থায়ী কর্মচারী।
আপনি আমাকে বরখাস্ত করতে পারবেন না।
সুজানা।
প্লিজ।
ব্রুজোর ফোন কেটে দিয়ো।
ধন্যবাদ।
- স্যার। - দয়া করে আমার এই মুহূর্তটা নষ্ট কোরো না।
- ব্রুজো। - কী?
সে এখানে আসছে।
- তুমি আমাকে ঘৃণা করো, তাই না? - যদি ঘৃণাই করতাম, তাহলে আপনাকে সতর্ক করতাম না।
ঠিক বলেছো।
শোনো।
আমি এখানে নেই, বেরিয়ে গেছি। তাকে বলবে যে আমি আমার মেয়ের সাথে লাঞ্চে গেছি।
- আমি সামলে নেব। - ধন্যবাদ।
৪ঠা জুলাই, ১৯৮৪, "আর কখনও নয়" কনাডেপ বিশেষ সম্প্রচার
আপনারা এখন নিখোঁজ ব্যক্তিদের উপর...
জাতীয় কমিশনের লেখা একটি প্রতিবেদন দেখতে পাবেন।
তাদের ক্ষত অবশ্যই সাক্ষ্যগুলিতে প্রতিফলিত হবে ...
আর কতক্ষণ বাকি? পাঁচ সেকেন্ডের বেশি নয়। শোনো।
আপনারা যা দেখতে চলেছেন...
তা আর্জেন্টিনার ট্র্যাজেডি এবং সহিংসতার একটি দিক।
এই যে শুরু হয়ে গেছে।
এর অন্য দিক, এর অন্য দিকটি
শুরু হয়েছিল যখন আর্জেন্টিনার উপকূলে ধ্বংসযজ্ঞ এবং সন্ত্রাস শিবির স্থাপন করেছিল,
অ্যান্টোনিও ট্রোকোলি জাতীয় নিরাপত্তা সচিব
দূরবর্তী দেশগুলির সমর্থনে...
তারা মাসেরাকে কথা বলার জন্য আনলো না কেন?
- বক্তৃতা শেষ, এটাই যথেষ্ট। - না!
জাভি, এটা চালিয়ে দিতে পারো, প্লিজ?
এই ধ্বংসাত্মক কৌশল...
- সে কী বলছে? - তুমি কী আশা করেছিলে?
...আমাদের দেশের জন্য জটিল পরিস্থিতি।
আমি খুলছি।
একটি দুর্বল সমাজ যার নেই...
কী বলছে সে? এটা তো একনায়কতন্ত্রের ঘোষণা।
...আর না রাজনৈতিক পরিপক্কতা...
আমি এখনই আসছি!
তোমাদের তো নিখোঁজদের ব্যাপারে কথা বলার ছিলো!
এখন বুঝতে পারছো আমি কী বলতে চাইছি?
...যারা মৃত্যু ও সন্ত্রাসের এক দানবীয় ঘূর্ণিতে জড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে।
আমাদের সমাজ শোকগ্রস্থ ও মর্মাহত,
এবং এই ধ্বংসাত্মক আক্রমণের অবসান চায়...
না, তুমি ভুক্তভোগীদের দোষারোপ দিচ্ছো!
- হেই, কেমন আছো? - তুমি কেমন আছো?
- ভালো, আর তুমি? - আমিও ভালো আছি।
নিখোঁজ ব্যাক্তিরা।
এমন একটি পরিস্থিতি যা অনেক আর্জেন্টিনাবাসীকে প্রভাবিত করেছে,
এটি একটি বিপর্যয়কর এবং অভূতপূর্ব পরিস্থিতি
...যা আমাদের ইতিহাসের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং সমগ্র বিশ্বকে দুঃখ দিয়েছে।
অনেকে তাদের প্রিয়জনকে দেখেছে...
তাদেরকে বাড়ি থেকে জোর করে নিয়ে যেতে, যারা আজ পর্যন্ত ও নিখোঁজ রয়েছে।
আমার মেয়ে লরা এস্টেলা কার্লোটোকে...
তার সহযোগীসহ অপহরণ করা হয়েছিলো।
ওর বয়স ছিল ২১ বছর।
ও ১০ সপ্তাহের গর্ভবতী ছিল৷
ওকে অপহরণ করার পর, আমরা কোনো অজানা প্রেরকের কাছ থেকে ওর সম্পর্কে একটি চিঠি পেয়েছিলাম,
তাতে লেখা ছিল যে সে এখনও গর্ভবতী
এবং সে তার বাবাকে এবং আমাকে বার্তা পাঠাচ্ছিলো...
যাতে আমরা তাকে খুঁজে পেতে পারি যখন সে জন্ম দেবে।
সেই মুহুর্তে, প্রত্যেক মায়ের মতো,
আমিও ওকে খুঁজলাম, ওর সম্পর্কে খোঁজখবর নিলাম।
আমরা প্রতিদিন আশা করতাম...
যে একদিন ও বাড়ি ফিরবে।
আমি হেবিয়াস কর্পাসের আবেদন করি। মামলা দায়ের করি...
ব্রুজো ভেতরে আছে।
বন্ধু,
ভিতরে আসবে প্লিজ?
হ্যাঁ, অবশ্যই।
এই নাও।
ধন্যবাদ।
দয়া করে বসো।
শোনো ব্রুজো, আমি তোমার সাথে তর্ক করছি না। আমি তোমাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করি।
আমাকে নিয়োগের জন্য ধন্যবাদ,
কিন্তু আমি কিছু কাজ করতে প্রস্তুত নই। বুঝেছো?
আমি কী করতে প্রস্তুত নই জানো?
- আমি বুঝতে পারি, জুলিও। - লোকটা বোকা।
এটা ভাবছো না?
আমি এমন বোকা হব না যে,
সরকার বিশ্বাস করে না এমন কিছুকে রক্ষা করতে দাঁড়িয়ে পড়বো।
- জুলিও। - কী?
আমরা কি হঠাৎ করেই স্বপ্নের দেশে চলে গেছি?
হঠাৎ করেই সব স্বৈরশাসককে কারারুদ্ধ করা হবে।
কে তাদেরকে কারাারুদ্ধ করবে? মার্টিন কারাদাখিয়ান?
তুমি কি সত্যিই মনে করো যে সামরিক আদালত জেনারেল ভিদেলাকে কারাগারে পাঠাবে?
তারাও এর শামিল ছিলো, ব্রুজো।
বিচার যদি অ-সামরিক আদালতে চলে?
আমাকে পাগল বলা হয়, কিন্তু আমি নই।
এটা হবেই না? এটা কে ঘটতে দেবে? ট্রোকোলি?
কাল রাতে তার কথা শুনেছিলে? বাদ দাও।
তোমার কথা শেষ?
বসো দয়া করে! বসো, জুলিও।
তুমি কি জানো যে বিচারকরা বিচারে সম্মত হলে, তুমি প্রত্যাখান করতে পারবে না?
আমি আমার কাজের দায়িত্ব খুব ভালো করেই জানি।
আমি একজন অভিশংসক।
আলোচনা কেমন হলো?
আমি এটা নিয়ে কথা বলতে চাই না, সিলভিয়া।
- তাদের বিচার হবে, তাই না? - আমি এটা নিয়ে কথা বলতে চাই না, সিলভিয়া।
তাহলে তারা বিচার করবে।
তারা করতে পারবে না।
হ্যাঁ, তারা পারবে।
তুমি তো জানো যদি বিচারকরা বিচার করতে চান, তাহলে বিচার হবে।
তারা তাদের করতে দেবে না।
তুমি সেটা জানো না।
আমরা এই ব্যাপার নিয়ে কথা বলাটা বাদ দিতে পারি?
- কোন ব্যাপারে কথা বলতে চাও তুমি? - কোনো ব্যাপারে না।
আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না।
দয়া করে আমার মেজাজ খারাপ কোরো না।
- আমি বুঝতে পারছি না তুমি এমন... -সিলভিয়া।
-...কারণ তুমি ভয় পাচ্ছো... - প্লিজ।
- ...যে এটা হবে না। - সিলভিয়া।
কিংবা ভয় পাচ্ছো যে এটা হবে।
মাঝে মাঝে মনে হয় তুমি খুব ভয় পেয়েছো।
অবশ্যই আমি খুব ভয় পেয়েছি।
অবশ্যই।
- তুমি কিসে ভয় পাচ্ছো? - সবকিছুতে, সিলভিয়া! সবকিছুতে!
No comments yet. Be the first to leave one.