لومړۍ 152 کرښې.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় শান্ত কুমার দাস
ওকে দাও বল!
ব্যাক আপ ছেলেটাকে দুজনে গার্ড দাও!
ছবির ভিতরে যে জগৎকে দেখো সেটা অতীতকে চিত্রিত করে।
যা তুমি পরিবর্তন করবে তা স্থান ও কালকে প্রভাবিত করে ভবিষ্যতকে নতুন করে লিখতে পারে।
- কিন্তু একটা ব্যতিক্রম আছে। - কী ব্যতিক্রম?
সময়ের ধারার কোনো একটা স্থলে একটা গুরুত্বপুর্ণ বাঁক আছে।
তুমি যদি ঘটনাস্রোতের বাঁক ভুলবশত পরিবর্তন করেও ফেলো,
কিন্তু, সেই সময়কালের মধ্যকার ঘটা ঘটনার পরিণাম পরিবর্তন না হয়....
তাহলে, ভবিষ্যত বদলে যাবে না।
এটা আমার জীবনের সবচেয়ে অবিস্মরণীয় দিন ছিলো।
আমরা ম্যাচ হেরে যাই, আমার প্রথম ভালোবাসাকে হারাই,
এবং শেষে আমার মায়ের সাথে বড়োসড়ো ঝগড়া হয়।
একবার যদি পরিণামের গুরুত্বপুর্ণ বাঁকটা বদলে যায়,
তাহলে হয়তো এরপরের সকল অতীত পুনরায় লেখা হবে।
#০৪ - প্রেমের স্বীকারোক্তি
⏳ খুব একটা সময় লাগলো না বুঝে উঠতে ⌛
⏳ অবচেতন মনের ভিতরে কিছু একটা গেল বদলে ⌛
⏳ তোমার চোখ ⌛
⏳ তার থেকে নেই কোনো পালানোর পথ ⌛
⏳ সময় আগের মতো আর যায় না বয়ে ⌛
⏳ ক্যামেরার ফ্ল্যাশ আগেই যখন সবটা দেয় থামিয়ে ⌛
⏳ তুমি বিনা ⌛
⏳ জানি না পারবো কিনা এ পথে যেতে এগিয়ে ⌛
⏳ কারণ আমি হারাতে চলেছি সজ্ঞান ⌛
⏳ সময়ের কাঁটায় পিছিয়েছি যতক্ষণ ⌛
⏳ অস্তিত্বের দেখেছি প্রত্যাবর্তন ⌛
⏳ লুকিয়েছো কিছু বহু গোপনে ⌛
⏳ তোমার মনে ⌛
⏳ সকল সন্তাপ আর হাসি হবেনা কভুও ম্লান ⌛
⏳ জানি সেই বিজয়ের লগ্নে থাকবে পাশে তুমি আমার ⌛
⏳ ভূতের অর্ণব থেকে উঠে ফিরে এসো সময়ে ⌛
⏳ ফিরে এসো সময়ে ⌛
⏳ ফিরে এসো সময়ে ⌛
⏳ ফিরে এসো সময়ে... ⌛
⏳ 時光代理人 ⌛ ⏲️ - L I N K C L I C K - ⏲️
ভাবতে পারিনি চাপ কাটিয়ে অবশেষে তুমি ফাইনালটা শেষ করবে।
দারুণ খেলেছো তুমি!
তোমরা কিভাবে ডিফেন্স করছিলে?
তোমরা একটা গেঁয়ো স্কুলের নতুন গঠিত হওয়া বাস্কেটবল টিমের কাছে হেরে গেছো!
এই ব্যাক-আপ ছেলেটা কে?
সাব্বাশ, চেন শাও!
পাসটা দারুণ ছিলো!
চেন শাও, ওদিক মুখ করে তাকিয়ে আছো, কেন?
অভিভূত হয়ে গেছো, না?
স্কুল প্রেসক্লাবের রিপোর্টার হিসেবে ছবি তো তুলতে পারবো, তাই না?
চেন শাও, ফ্ল্যাশ ব্যবহার কোরো না।
লং ইয়াং থেকে ড্রিবলিং চার্জ করা হয়েছে।
লু গুয়াং, আমি কি অতীত বদলে দিলাম?
একবার যদি পরিণামের গুরুত্বপুর্ণ বাঁকটা বদলে যায়,...
নতুন ছেলে, ওখানে দাঁড়িয়ে থেকো না।
আমাদের দলে একজনের ঘাটতি আছে। তুমি আমাদের সাথে খেলবে?
...তাহলে হয়তো এরপরের সকল অতীত পুনরায় লেখা হবে।
লু গুয়াং! লু গুয়াং! এখনো আছো ওখানে?
কী হলো ওর?
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকে ও বোবা হয়ে রয়েছে।
উত্তেজনার চোটে ওর সেরেব্রাল থ্রম্বোসিস হলো না তো?
- চেন শাও। - ছোঁবে না আমাকে!
ক্যাপ্টেন, আমি দুঃখিত,
আমাকে একলা ছেড়ে দিন, প্লিজ।
লু গুয়াং! কোথায় তুমি? কিছু তো বলো!
থামো!
বোকাচন্দ্র!
কোথায় ছিলে তুমি?
আমি ছবি থেকে প্রায় বের হতে যাচ্ছিলাম।
ক্লায়েন্ট যে কথাগুলো বলতে বলেছেন সেগুলো একটা নোটে লেখা ছিলো।
চিয়াও লিন সেটা কোথায় রেখেছিলো জানা ছিলো না।
এখন খুঁজে পেয়েছি।
একবার নিজের অবস্থা দেখো।
এবার নিশ্চয়ই বোকামির পরিণাম কী হবে সেটা বুঝেছো, না?
কী?! তুমি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার সাথে মজা করছিলে!
আমি তোমার মতো নই।
আগের ঘটনার বাঁক ঠিকই তোমার কারণে পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু তার শেষ পরিণাম বদলায়নি।
কেন?
হেই, চেন শাও, ম্যাচ জেতার পর আর তোমার ক্যামেরা লাগবে না?
এতটাই উত্তেজিত ছিলাম যে খেয়ালই ছিলো না।
এরপর কি আমরা অন্যান্য দলের সাথে খেলবো?
এর মানে কি এই বাস্কেটবল হলটাও আর ভাঙা হবে না?
আজ, তোমরা জেতো কিংবা হারো,
উপরমহল সিদ্ধান্ত নিয়েছে এটা ভেঙে স্কুল ভবন বানাবে।
সর্বোপরি, যা গুরুত্বপূর্ণ তা হল পড়াশোনা, শখ নয়।
এরপর আমরা কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলবো, না?
- হ্যাঁ, একদম ঠিক বলেছো। - আরো কয়েকটা ম্যাচ জিতলে,
আমাদের স্কুল অবশ্যই আমাদের স্কুলের দল গড়তে সমর্থন করবে!
হ্যাঁ!
হয়তো তারা আমাদের বাস্কেটবল হলটা সংস্কারে সাহায্য করবে।
কাঠের মেঝে হবে এবং হেডলাইট লাগানো হবে।
ওয়াও! একদম স্বপ্নের মতো!
চমৎকার!
হয়তো তাদের সত্যটা বলে দেয়া উচিত।
তারা এখন নয়তো পরে এটা জানতেই পারবে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, কোচ।
বলেছি তো আমাকে স্যার ডাকবে, স্যার।
তোমার হয়েছেটা কী আজ?
- বাস্কেটবল হলের এবার কিছু হবে না। - হ্যাঁ।
- তোমরা দারুণ খেলেছো! - হ্যাঁ।
পাসটা দারুণ ছিলো।
চেং শাওশি, তোমার মিশনের কথা ভুলে যেও না।
শক্তি সঞ্চয় করো।
একটা বার্তা দেয়ার কাজ এতটা কঠিন হতে পারে?
কিন্তু তার আগে তোমাকে...
...লু হংবিনকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে হবে।
আমার পায়ের শক্তি খেলতে খেলতেই শেষ হয়ে গেছে।
এই উঁচু রাস্তায় জীবন দিয়ে সাইকেলটা টানতে হচ্ছে।
কেন আমাকে সবসময় একা কষ্ট পেতে হয়?
চেন শাও, তুমি ক্লান্ত হলে আমাকে নামিয়ে দাও।
আমি পায়ে হেঁটে যেতে পারবো।
চিন্তা কোরো না। আমি নিয়ে যাচ্ছি।
তোমাকে বেশ কর্মচঞ্চল দেখাচ্ছে।
ভালো।
ক্লায়েন্টের কথাগুলো এবার তাকে বলো।
লু গুয়াং, পূর্বজন্মে তোমার কাছে আমার কি কোনো ঋণ ছিল যা শোধ করিনি?
আচ্ছা, তুমি বাস্কেটবল যখন এতই ভালো খেলতে পারো,
তাহলে আগে কেন এটা দেখাওনি?
আমি আরো তোমাকে ব্যাক-আপ বানিয়ে ভেতরে ভেতরে দুঃশ্চিন্তায় ছিলাম।
ক্যাপ্টেন, আপনাকে কিছু বলার আছে...
ভাইয়া!
ভাইয়া!
আবার বাস্কেটবল খেলার জন্য লুকিয়ে বেরিয়েছিলে?
তুমি আর কলেজে যেতে চাও না?
হায় ঈশ্বর, তোমার পায়ের কী হয়েছে? ভেঙে গেল নাকি?
থাম।
বড় ভাইকে এভাবে শাপ-শাপান্ত কীভাবে করতে পারিস?
বাস্কেটবল খেলে না জ্ঞান প্রাপ্ত হয় আর না কোনো লাভ হয়।
কী হবে বাস্কেটবল খেলে?!
সে ক্লায়েন্টের প্রথম প্রেম এবং আমাদের পরবর্তী মিশনের লক্ষ্য।
তুমি বলার আগেই, আমি এটা ক্লায়েন্টের হৃদয়ের ধুঁকপুকানি থেকে বুঝে গেছি।
তুমি আমার ভাইয়ের সাথে বাস্কেটবল খেলো?
কে তুমি?
তোমাকে আগে কখনো দেখিনি।
চেন শাও? হেই, তোমার চশমা কোথায়?
চশমা না থাকায় তোমাকে চিনতেই পারিনি।
আসলে, ম্যাচ চলার সময় একজনের পায়ের নিচে পড়ে ওটা ভেঙে গেছে।
আহারে!
একজন খোঁড়াচ্ছে, আরেকজনের চশমা ভেঙেছে। তোমরা খেলছিলে নাকি কুস্তি করছিলে?
বেশ, অনেক হয়েছে, বোন আমার।
এবার থামবি? একদম মায়ের মতো তুই।
হেই, চেন শাও, স্মৃতি হিসেবে আমাদের একটা ছবি তোলো তো।
স্মৃতি হিসেবে?
আজকে কি এমন বিশেষ দিন?
আমি আজ অনেক খুশি।
একটা খুশির দিন স্মৃতি হিসেবে বাঁধিয়ে রাখার জন্য যথেষ্ট!
বোন, বই পড়তে পড়তে কি তোর হাসি সব গায়েব হয়ে গেছে?
একটু হাসতে পারিস?
লিউ মেং, একটুখানি হাসো, কেমন?
তিন,
দুই,
এক।
বলো খোঁড়া!
নাও, তোমরাও একসাথে ছবি তোলো।
কিসের জন্য?
ও আজ স্ম্যাশ থ্রো এবং থ্রি পয়েন্ট থ্রো করেছে!
No comments yet. Be the first to leave one.