لومړۍ 200 کرښې.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
THE SWORD OF ARAMUN
THE SWORD OF ARAMUN
এখন
যেহেতু আরামুন ক্ষমতা ও সত্তা পুনরুদ্ধার করেছে...
সবচেয়ে পবিত্র আরমুনের
আইরুজুর প্রদত্ত বেগুনি রক্ত
আর্থদালের উত্তরাধিকারীর জন্য তার অনন্ত আশীর্বাদের প্রমাণ।
তানিয়া নিরুহা আশীর্বাদ দিয়েছে।
আইরুজুর আশীর্বাদ মহা যাজিকা নিরুহা দিয়েছে।
তানিয়া নিরুহা আশীর্বাদ দিয়েছে।
আরামুনের বেগুনি রক্ত ওদের শরীরে বইছে।
আমি ঘোষণা দিচ্ছি
আরামুন রাজবংশ,
আর্থদালের প্রথম রাজবংশ আজ থেকে শুরু হলো।
তানিয়া নিরুহা।
হুররে!
হুররে!
হুররে!
তানিয়া নিরুহার জয় হোক।
তানিয়া নিরুহার জয় হোক।
তানিয়া নিরুহার জয় হোক।
- মহারাজ। - মহারাজ।
তাগন।
নিরুহা।
মহারাজের ক্ষত বেশ গভীর,
কিন্তু চিকিৎসা পেলে জলদিই সেরে উঠবে।
বেশ, ভালো।
তবে রাজাকে অজ্ঞান হতে অনেকেই দেখেছে।
জনগণের মাঝে খবরটা জানিয়ে দাও
যে রাজা আহত, কিন্তু এখনো বেঁচে আছে, ভালো আছে।
ঠিক আছে, নিরুহা।
আমি আরামুনের সমাধিতে প্রার্থনা করতে যাব।
যাজিকাদের বলো তেল কূপ, ধুনাচি, সুরা আর গ্লাস নিয়ে আসতে।
জি, নিরুহা।
আপনি শ্বেত চূড়া পাহাড়ের হৃদয় সংগঠনের অনেকদিনের স্বপ্নকে সত্যি করেছেন।
কিন্তু এটা মানুষের দীর্ঘস্থায়ী মনভাবকে বদলানোর বিষয়ে।
কোনো সুযোগ রাখা যাবে না।
জড়ের মতো আমাদের আলোড়ন সৃষ্টি করতে হবে।
জি, নিরুহা।
আরামুন হ্যেসুলা।
আসা সিনের দূত
যিনি ইগুতু রূপে এসেছিলেন এবং বাতাসের সাথে স্বর্গে ঊর্ধ্বোত্থিত হয়েছেন।
আরামুন হ্যেসুলা।
আসা সিনের দূত
যিনি ইগুতু রূপে এসেছিলেন এবং বাতাসের সাথে স্বর্গে ঊর্ধ্বোত্থিত হয়েছেন।
আরামুন হ্যেসুলা।
আরামুনের সমাধি কোথায়?
তাহলে ইগুতুদের কী হয়েছে?
শ্বেত চূড়া পাহাড়ের সংগঠন তাহলে ঠিক বলেছিল?
কথা সত্যি তাহলে।
কী হচ্ছে?
ওরা একটা ইগুতুকে রাজা হিসেবে মানতে বলছে?
ওহ খোদা!
আমাদের কি এখন একটা ইগুতুকে রাজা হিসেবে মানতে হবে?
- শ্বেত চূড়া পাহাড় সংগঠন। - এটা কোনো কথা?
- বেগুনি রক্ত... - একটা ইগুতু হবে রাজা?
তাই না?
তারপরও...
ইগুতুদের কী হবে?
সে ইগুতু ছিল?
একটা ইগুতুকে রাজা হিসেবে মানতে হবে?
শ্বেত চূড়া পাহাড়ের সংগঠন তাহলে ঠিক বলেছিল?
কী করেছি আমি?
একটা ইগুতুকে রাজা হিসেবে মানতে হবে?
ধন্যবাদ।
কিন্তু আমি শুনব তাতে যাই হোক।
মানুষজন এমনটা কীভাবে করতে পারে?
কী?
জন্মের পর থেকেই শুনছি ইগুতুরা জঘন্য।
কিন্তু মহা যাজিকার একটা কথায়...
শ্বেত চূড়া পাহাড় সংগঠনের লোকজনই হৈ-হুল্লোড় করেছে।
মাত্রই তো দেখলে।
ওরা আরামুনের মূর্তি বেগুনি রঙ দিয়ে রাঙাচ্ছিল,
কেউ ওদের থামায়নি।
তুমি থামালে না কেন?
বেশ,
আমি তো আর একা এর বিরুদ্ধে নই।
মহারাণী, মহা যাজিকার সাথে আগে থেকেই কি এর পরিকল্পনা করেছিলেন?
না।
মহা যাজিকা তাহলে না জেনেই
এটা করেছে?
তাহলে অপহরণ আর আরামুনের সমাধির ঘটনা
কাকতালীয়!
নাহয় তানিয়া নিরুহা সত্যিই কোনো দেবী!
কী হলো, মহারাণী?
আরোকের কাছে যাব।
ও নিজের লোভ আর আকাঙ্ক্ষার কারণে ব্যর্থ হয়নি।
তুমি টোকা মারতেই,
সেগুলো শুভেচ্ছা আর আশায় বদলে যায়।
আমি ঈশ্বরের কণ্ঠ হিসেবে আগো সম্প্রদায়ের স্বার্থপরতা আর
নোংরা আকাঙ্ক্ষাগুলো উপেক্ষা করে ইনাইশিনগি হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আসা সিনের প্রথম প্রজন্ম শুনবে
দ্বিতীয় প্রজন্মের কথা।
জানি না কোন বংশধর প্রশ্নটা করেছে।
কিছু না, নিরুহা।
আমি বলতে পারব না।
কোনো সমস্যা নেই।
বলো আমাকে।
আসা সিনের বংশধর?
বোকার মতো কথা বোলো না।
দিন শেষে, ক্রীতদাসেরা কীটপতঙ্গের চেয়েও নগন্য।
আমার মতো একজন আসা দিনের বংশধর?
ওকে মিথ্যা কথা বন্ধ করতে বোলো।
ও আর আজেবাজে কথা বললে, খুন করে ফেলব।
ওরা এমনটাই বলেছে।
পরিশেষে, ঈশ্বরের কণ্ঠ ছিল মানুষের কণ্ঠ।
প্রতিটা জীব
চিৎকার করে বলছিল।
বাস্তবে তো
ঈশ্বর কখনো কথাই বলেননি।
কী এটা?
আরামুনকে জ্যন্ত অবস্থায় কফিনে বন্দি করা হয়েছিল।
মরার আগে সে, এটা লিখে গেছিল।
নিরুহা।
পূজার জন্য মন্ত্রিরা এসেছে।
এটা আরামুন হ্যেসুলার অন্তিম দৈববাণী।
"যখন জেলকোভা গাছ ফেটে আমার তলোয়ার উন্মোচিত হবে,
আরামুন তার লক্ষ্য পেয়ে যাবে।"
"যখন জেলকোভা গাছ ফেটে আমার তলোয়ার উন্মোচিত হবে,
আরামুন তার লক্ষ্য পেয়ে যাবে।"
এর মানে কী?
এতবড় একটা কান্ড ঘটার পর ওখানে গেছিলাম সমাধান খুঁজতে।
কী হতে পারে সেটাই ভাবছি
ঠিক হবে নাকি বেঠিক।
মানুষ এমন একটা ব্যাপার মেনে নিলো কীভাবে?
ইগুতুর রক্ত রাতারাতি পবিত্র হয়ে গেল।
আপনি কিছু বলছেন না কেন?
একটা মজার গল্প বলব?
কীসের গল্প?
আজকের ঘটনার পর আমার ১১ জনের সাথে সাক্ষাৎ হয়।
মন্ত্রী, যাজক, চিকিৎসক, রক্ষী, এমনকি ক্রীতদাসও।
সবার মুখেই একটা প্রশ্ন।
কী প্রশ্ন?
"মানুষ কীভাবে
রাতারাতি
এমন একটা ব্যাপার
মেনে নিলো?"
এটাই সেই প্রশ্ন।
আপনাকে নিয়ে ১২ জন হলো।
শ্বেত চূড়া পাহাড় সংগঠন ছাড়া,
অনেকের মনেই এই প্রশ্ন জেগেছে।
আর কারা এত বড় একটা ব্যাপার রাতারাতি মেনে নিলো?
তা তো জানি না।
পঙ্গপাল পাখিদের চেয়ে ভিন্ন হয়।
তাদের কোনো নেতা থাকে না, তবুও তারা চলতে থাকে।
কাউকে ধরে যফি জিজ্ঞেস করেন, "এদিকে কেন যাচ্ছ?"
প্রত্যেকে একই উত্তর দিবে।
কী সেটা?
"তা তো জানি না।"
"সবাই তো এদিকেই যাচ্ছে।"
এর মানে কী?
উনি বলতে চাচ্ছেন তানিয়া নিরুহা আমাদের পঙ্গপাল বানিয়েছে ছেড়েছে।
হায়রে খোদা!
অবাক হয়েছিলে নিশ্চয়ই।
- এখন কেমন লাগছে? - হ্যাঁ।
আমি ঠিক আছি।
ভয় পেয়েছিলে?
পেয়েছিলাম।
আমিও ভয় পেয়েছিলাম।
তুমিও ভয় পেয়েছিলে, মা?
মনে হয়েছিল নিজ হাতে গড়া এতকিছু
এক নিমেষেই শেষ হয়ে যাবে।
জীবনে কখনো এতটা ভয় পাইনি।
কিন্তু সব ভালোয় ভালোয় মিটে গেছে।
তানিয়া নিরুহা আমাদের বাঁচিয়েছে।
- আরোক। - হ্যাঁ, মা।
কেউ আমাদের বাঁচতে পারে না।
কেবল আমরাই আমাদের বাঁচাতে পারি।
কিন্তু এখন থেকে,
আমার বেগুনি রক্ত আর লুকাতে হবে না।
আরোক, আমরা এটা নিজেদের ক্ষমতায় অর্জন করিনি।
হবু রাজার কখনো পাওয়া জিনিসের জন্য কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত নয়।
তোমাকে চিন্তা করতে হবে।
কে তোমাকে সেটা দিলো, কেন দিলো,
আদৌও সেটা তোমার কি না।
তানিয়া...
তুমি ঠিক কাজটাই করেছ।
ওটা ঠিক বলে করিনি।
আমি সাহস করে এমনটা
কেন করেছি জানো?
আরামুন ইগুতু, আর তুমিও। সেজন্য।
তানিয়া।
থেমে যাও।
এটা আরামুনের অন্তিম দৈববাণী।
তো?
এর অর্থ কী?
জানি না।
যদি দৈববাণী মোতাবেক
জেলকোভা গাছ ফেটে সত্যিই তলোয়ার উন্মোচিত হয়
আশাকরি বুঝবে তুমিই আরামুন।
তুমি এসবে বিশ্বাস করো?
তানিয়া, তোমাকে বলেছি।
যেকেউ আরামুন হতে পারলেও,
আমি কখনোই হতে পারব না।
ইনাইশিনগি।
আরামুনের একমাত্র শত্রু।
কী মনে হয় এই ভূমির সমস্যার কারণ কী?
ইনাইশিনগি।
- আমি কেন? - আর আরামুন হ্যেসুলা।
No comments yet. Be the first to leave one.