Cherry

Cherry

د Bengali ژباړه ډاونلوډ کړئ

د خپرونې معلومات

Cherry (2021) Web-dl Bangla Subtitle by Akash Basak
Cherry (2021) Web-dl Bangla Subtitle
Cherry (2021) Bangla Subtitle by Akash Basak
চেরি (২০২১) ওয়েব-ডিএল বাংলা সাবটাইটেল বাই আকাশ বসাক
চেরি (২০২১) বাংলা সাবটাইটেল
د لخوا تبصره Sharingan613
⭕মাতৃভাষায় উপভোগ করুন চেরির বাংলা সাবটাইটেল। রানটাইম - ০২:২১:০২⭕

تګونه

other
په خپور شو: 2021-03-21
ډاونلوډونه: 32
د اوریدلو معیوبیت: No

د Bengali سرليکونو مخکتنه

لومړۍ 200 کرښې.

হেই।

তুমি চাও আমি এখানে বসি?

একটু ধূমপান করতে পারি?

দাঁড়াও।

বলো কোথা থেকে শুনতে চাও?

অনুবাদে- :.:.: A K A S H B A S A K :.:.:

সম্পাদনায়- :.:.: A K T A R H O S S A I N :.:.:

আমার বয়স ২৩ বছর,

আর আমি এখনো বুঝতে পারি না যে, মানুষেরা কী করে।

সবকিছুই যেন ভিত্তিহীন মনে হয় আর...

কোনোকিছুই তাদেরকে একত্রিত করে রাখেনি।

আমি এখানে বড় হয়েছি।

অ্যাপার্টমেন্টগুলো বেশ ভালোই। কয়েকটাতে বারান্দাও রয়েছে।

আর গাছগুলোও বেশ সুন্দর।

অবশ্য এগুলোও বুঝতে পারি না, তবে ভালোই লাগে।

হয়তো ওদের সবাইকেই আমার পছন্দ।

খুব-একটা বাজে অবস্থাতে না থাকলে সে-সব গাছকে আমার কাছে খারাপ লাগার কথা না।

কখনো কখনো মনে হয় আমার জীবনটা নিরর্থক।

এমন নয় যে আমি কোনোকিছুর সৌন্দর্য অনুভব করতে পারি না।

আমি সমস্ত সুন্দর জিনিসকে নিজের অন্তর থেকে দেখি,

আর তারপর তারা আমার অন্তরে এমন অসহনীয় যন্ত্রণা দেয় যে, সেসবের প্রতি আমার বিতৃষ্ণা চলে আসে।

আমার মধ্যে এমন কিছু আছে যা আমাকে সর্বদা দূরে সরিয়ে রাখে...

যতক্ষণ না আমার আশেপাশের সবকিছু থেকে নিজের আগ্রহ হারিয়ে ফেলি।

কোথায় যেতে হবে জানো তো?

তিনবার বাম দিকে যাবে। এটা তোমার ভুল হবার কথা নয়।

আমি তোমার সাথে পরে পার্কিং লটে দেখা করবো। প্রায়, দুই বা তিন মিনিট পর।

আমি বেসবল ক্যাপ পরে রয়েছি।

লাল রঙের স্কার্ফ, সাদা শার্ট ও নীল রঙের হুডি।

জিন্স আর পুরোনো জুতো। সাধারণ পোশাকেই রয়েছি।

স্কার্ফটা আমার মুখের নীচের অর্ধাংশ ঢেকে রাখার জন্য পরেছি।

যদিও এখন আর এতে কোনো লাভ হবে না।

কারণ আমি দীর্ঘ সময় ধরে এসবের সাথে যুক্ত রয়েছি।

আর তাই আমার চেহারার গঠন এখন আর গোপনীয় কিছু নয়।

বেশ, কেউ অ্যালার্ম বাজাবেন না! আমি একজন দাগী অপরাধী! তারা আমাকে মেরে ফেলবে!

হে, ঈশ্বর। এসব কী হচ্ছে?

আমার মুখে এতটাই দুঃখের ঝলকানি ফুটে ওঠে যে, আমি সেটা লুকিয়ে রাখতে পারি না,

তাই আমাকে পাগলাটে হওয়ার ভান করতে হবে, নাহলে সবাই ভাববে আমি একটা কাপুরুষ।

হেই!

মেঝেতে শুয়ে পড়ুন! এক্ষুণি মেঝেতে শুয়ে পড়ুন!

ব্যাঙ্ক ডাকাতির একটা বিশেষত্ব হলো অধিকাংশ সময়ই আপনাকে মহিলাদের থেকে ডাকাতি করতে হয়,

তাই বিশেষ কোনো প্রয়োজন না হলে আপনার অভদ্র আচরণ করা উচিত নয়।

ম্যাম, এটা ব্যক্তিগত নয়।

- সমস্যা নেই। - আপনার নাম কী?

- ভেনেসা। - হেই, ভেনেসা। পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো।

আপনার নাম কী?

আপনি বেশ মজার মানুষ, ভেনেসা। এবার, আপনার ড্রয়ারটা খুলুন।

যখন আমি বন্দুক তাক করে, তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম...

তখন আমি কোথাও একটা হারিয়ে গেলাম।

যেন দুঃখের কোনো গহিন অন্ধকারে।

যেন... যেন আমি সবকিছুর সমাপ্তির ব্যাপারে সর্বদাই অবগত ছিলাম।

কিন্তু সেই মূহুর্তটা না আসা অব্ধি আমি সেটা...

উপলব্ধি করতে পারিনি।

স্থানীয় এক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন, এমিলির সাথে আমার প্রথমবার দেখা হয়।

যেটা জেসুইটের অধীনে ছিল। স্কুলটা খারাপ ছিল না। [Jesuits - জেসুইটরা ক্যাথলিক যাজকদের সদস্য হয়। বিশদ জানতে গুগল করুন।]

আর আমি মিথ্যা বলতে চাই না,

তবে আমার মনে হয়েছিল, "ভাই, আমি এই মেয়েটার সাথে আসলেই খাট কাঁপাতে চাই।"

প্রায়, দশবার তোমাকে ডেকেছি।

স্যরি। আসলে আমি জোরে গান শুনছিলাম।

- হেই। - তোমার সোয়েটারটা বেশ পছন্দ হয়েছে।

ধন্যবাদ। এটা কভেন্ট্রি থেকে কিনেছিলাম।

এটা পুরোনো, উদাসীন একটা সোয়েটার।

তুমি আমার ইংরেজি ক্লাসে পড়ো।

জানি। ক্লাসটা খুবই বিরক্তিকর, তাই না?

হ্যাঁ। কিন্তু তুমি তো রোজই আসো।

হ্যাঁ, তা আসি বটে।

বেশ, তাহলে পরে দেখা হবে।

হেই, তোমার বাড়ি কোথায়?

এলবা, নিউ ইয়োর্ক।

জায়গাটা কেমন?

সেই একগুয়ে ঝিল। একগুয়ে শহর। শুধু... একটু বেশিই নিকৃষ্ট।

হাই স্কুলের সময় থেকেই আমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে।

তাই না-কি? খুব ভালো।

হ্যাঁ, ও নিউ জার্সির একটা স্কুলে পড়াশোনা করে।

তার কোনো নাম আছে?

হ্যাঁ। ম্যাডিসন কোওলস্কি।

ও আসলেই খুব সুন্দর।

হ্যাঁ। একটু বেশিই সুন্দর।

এমিলিকে আমি সত্যিই খুব পছন্দ করতাম,

কিন্তু আমি আগেই ম্যাডিসনকে কথা দিয়ে ফেলেছিলাম যে, সেই উইকেন্ডে আমি ওর স্কুলে...

ওর সাথে দেখা করতে যাবো।

ও একটা ডোর্ম রুমে থাকতো, আর ওর বিছানাটা দু'জনের শোয়ার জন্য অনেক ছোট ছিল,

কিন্তু...

অন্তত সেদিন ওর রুমমেটটা বাড়ি চলে গিয়েছিল, কারণ...

ওর দাদী মারা গিয়েছে।

শুনে খারাপ লাগলো।

তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। উনার অনেক বয়স হয়েছিল।

বেশ...

ম্যাডিসনকে আমার তরফ থেকে হ্যালো বলে দিও।

ম্যাডিসন ভাবতো আমি একটা গর্ধব।

চলো।

ও আমায় যেসব পার্টিতে নিয়ে যেতো সেগুলোর অধিকাংশই বিরক্তিকর লাগতো।

বাচ্চাগুলো পাথরে সজ্জিত এক বেসমেন্টের মধ্যে বিয়ার পান করতো।

কোনো এক ধরণের দুর্গন্ধযুক্ত বিয়ার, সঙ্গমের অন্ধকূপ, বালমার্কা রেড-লাইট জেলা।

সবকিছু একদম যেন দমবন্ধকর অবস্থার মতো ছিল।

এসব ছেলেদের সাথেই ম্যাডিসন মেলামেশা করতো।

ওর স্কুলে মাত্র এক মাসই হয়েছিল, কিন্তু কোনো না কোনোভাবে সবাই ওকে চিনতো।

ও সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে পছন্দ করতো, এতে খারাপ কিছু নেই।

তবে পরিস্থিতি ঠিক তখনই উদ্ভুট হয়ে ওঠে যখন আপনি যেই মেয়েটার সাথে পার্টিতে এসেছেন

সে টেবিলের উপর নেচে নেচে সবাইকে আকর্ষিত করছে।

আমার একটা চাকরি ছিল, আর আমি কাজ করতাম যেখানে চাইলে এর থেকে আরও ভালো কিছু করতে পারতাম,

মানে যেকোনো কিছু। কিন্তু...

আমার একটা কাজের দরকার ছিল।

বুইড়া ফাতুকের আধা ডজন মেয়ে আর নাতনী ছিল,

আর তারা সবাই তার রেস্টুরেন্টেই কাজ করতো।

জানি না তার কোনো নাতি ছিল কিনা, আর থাকলেও, তারা কেউ সেখানে কাজ করতো না।

তার সমস্ত নাতনিদের কাছে এস্কালেড অথবা ডেনালির গাড়ি ছিল।

কয়েকজন ওয়েটার তাদের সাথে প্রেম করতো।

আর সোনাটা ওর পাছায় ঢুকিয়ে নিলো।

তারপর বালিশের মধ্যে মুখটা গুজে রেখে ওর গায়ে থুতু ফেললাম।

মনে হয় ওর মাথায় সত্যিই গণ্ডোগোল আছে।

ভাবছি ওকে এসব কে শিখিয়েছে।

- হেই। - হেই।

চলো। আমার সামনে করে দেখাও।

আরে, না। বাল, ধ্যাত। ধ্যাত! বাল!

তুমি কি পুরুষ না-কি না?

আরো ওপরে ছোড়ো। ওপরে!

যাতে এর শব্দ ডাইনিং রুম থেকে শোনা যায়, গাধা।

- ওকে বের করো এখানে থেকে। - হ্যাঁ, ঠিক বলেছেন। ওকে বের করো।

চাকরিটা কেবল দু'সপ্তাহই টিকেছিল।

কাজের পর আমি জেমস লাইটফুটের বাড়িতে গেলাম।

প্রাথমিক স্কুল থেকেই ও আমার বেস্টফ্রেন্ড ছিল।

ছোটোবেলাতেই ওর বাবা মারা যায়...

এবং সাথে ওর মা'ও। আর তারপর...

আর তারপর ওর ভাই মানসিকভাবে বিদ্ধস্থ হয়ে যুদ্ধ থেকে ফিরে এলো,

তাই সাধারণত জেমসের আপন বলতে কেউ ছিল না।

হেই, ম্যান।

আমি ছাড়া।

- তুই ঠিক আছিস তো? - হ্যাঁ।

আমার ব্যাঙ্কে একটা দরকার ছিল, তাই জেমস আমাকে সেখানে পৌঁছে দেবে বললো।

সেদিন ভাগ্য আমাদের ওপর সহায় ছিল।

আর রয়ও সাথে এলো।

ও রংমিস্ত্রি ছিল, কিন্তু তখন ওর হাতে কোনো কাজ ছিল না।

কী খবর?

আর রয়ের কাজিন জো'র জন্য জেমস লাইটফুট রয়ের ওপর চেঁচামেচি করছিল,

- কারণ জো বারবার বলছিল... - আমি যাবোই, তাই বকবক বন্ধ কর।

রয়। রয়। ওকে বলেছিলিস? তোর কাজিনকে নৌসেনাতে

- যেতে বারণ কর। - আমি কেন বারণ করবো?

- ও নৌসেনাতে যোগ দিচ্ছে। - নৌসেনাতে যাস না, ভাই।

সেখানে যাওয়ার একটা উপযুক্ত কারণ দে, ঠিক আছে?

নিজের সারাটাজীবন এভাবে অতিবাহিত করতে চাই না।

তুই কেন নৌসেনাতে যেতে চাস?

নিজের সারাটাজীবন এভাবে অতিবাহিত করতে চাই না।

তুই কেবল এদিক-ওদিক গাড়ি নিয়ে চষে বেরিয়ে কীভাবে এত ভালো থাকিস, ভাই?

বুঝি না এভাবে কেন তুই এত ভালো থাকিস।

ও নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাইছে। তাই ওর যেটা ভালো লাগে করতে দে। বাল।

এটা তোর কাজিনের প্রতি তোর ভালোবাসা ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে,

যাকে আমরাও খুব ভালোবাসি।

এবার তুই বলবি, "আমি ওকে মৃত্যুর মুখে পাঠাতে চাই?"

কী করছিস, ভাই?

- তোর মাথায় কী চলছে এসব? - আমি ইতিমধ্যেই সই করে ফেলেছি, ভাই। এখন আর কথা বাড়িয়ে লাভ নেই।

আমি জেমসের কথাগুলোর কেবল অর্ধেকের মানে বুঝতে পারছিলাম।

লক্ষ্য করলাম হাত নাড়ানো অবস্থায়,

ওকে কতটা অসহায় লাগছিল,

আর হয়তো সেটার সম্ভাব্য কারণ এই যে জীবনভর কেউই ওর কথায় পাত্তা দেবে না।

গাড়িটা অকেজো নয়।

অকেজোই, ভাই। এটা আর চালানোর মতো অবস্থাতে নেই।

এক কাপ পানি ঢাললেই ইঞ্জিনটা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যাবে।

আমায় এক কাপ পানি এনে দে।

ব্যাঙ্কে আমার একটা সমস্যা হয়েছিল।

তারা একটা ভুল করে ফেলেছিল, আর আমি সেটার সমাধান করতে গিয়েছিলাম।

তো আপনারা আমাকে এই ওভারড্রাফটা পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু এটা তো সঠিক নয়।

আমি আগেই সমস্ত দেনা শোধ করে দিয়েছিলাম।

নিন।

এটা নতুন ওভারড্রাফট নোটিস।

কিন্তু এটা অসম্ভব। গতবারের ডিপোজিটের পর থেকে আমি এক নয়া-কড়িও তুলিনি।

সেই ডিপোজিটের ফলে আপনার অ্যাকাউন্টে ১০ ডলার জমা হয়েছিল।

তাই আপনার অ্যাকাউন্টে আরও একটি অতিরিক্ত ওভারড্রাফট চার্জ নেওয়া হয়েছে

যার ফলে আপনার অ্যাকাউন্ট পুনরায় ঋণের খাতায় চলে গেছে।

কিন্তু সমস্ত দেনা শোধ করার পরও আপনারা কীভাবে আমার কাছে

অতিরিক্ত ওভারড্রাফট চার্জ করতে পারেন?

- সময় মতো টাকা জমা দেননি বলে। - না, কিন্তু আমি এখানে নগদে টাকা শোধ করেছিলাম।

- সময়মতো জমা পড়েনি, স্যার। - আমি নগদ অর্থ দিয়েছিলাম। ঠিক এখানে দাঁড়িয়েই।

সময়মতো জমা পড়েনি।

নেক্সট।

তোর গাড়ির জন্য খারাপ লাগছে, ভাই।

এটা এমনিতেও অকেজো ছিল।

তোর টাকা ফেরত পেয়েছিস?

না।

জেমসের বাড়ির দিকে রওনা দেয়ার সময়, রয় ওর জয়েন্ট ধরালো,

কয়েক টান দিতেই, মনে হলো যেন আমরা পুনরায় সবকিছু জয় করে ফেলেছি।

পরের দিনটি সুভাসময় বসন্তের দিন ছিল, চারিদিকে আর্দ্র পল্লবের সুভাস ভাসছিল।

তাই শ্যেকার স্ট্রিটে আমার কয়েকজন বন্ধুদের সাথে দেখা করতে গেলাম।

ওরা আমার থেকে জ্যানাক্সের কয়েকটা বড়ি চেয়েছিল, যেই ঔষুধটা আমি...

প্যানিক অ্যাটাকের জন্য খাচ্ছিলাম।

- মজা কর, ভায়া। - গিলে ফেল।

- এরপর কী করবি? - আমরা ম্যাগি নামের মেয়েটার

- বাড়িতে পার্টি করতে যাচ্ছি। - জোশ। আমি সেখানে আসতে পারি?

হ্যাঁ, অবশ্যই। এটা চেখে দেখতে চাস...

আর বিনিময়ে, ওরা আমাকে এক্সট্যাসি দিলো।

ওরে বাল, এক্সট্যাসি তো খাবোই।

তুমি কি সে'ই?

- হেই। - হেই।

- তুমি এখানে-- - ম্যাগিকে চেনো?

- কী? - ম্যাগিকে চেনো?

হ্যাঁ, অল্প-সল্প।

দুনিয়াটা আসলেই ছোট।

হায় ঈশ্বর।

- কী? - তোমার চক্ষুতারকাগুলো বেশ বড়।

হ্যাঁ, আসলে একটু আগে আমি এক্সট্যাসি নিয়েছি।

কেমন লাগলো?

تبصرې

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left