لومړۍ 200 کرښې.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
THE SWORD OF ARAMUN
HEROINES
পালাও!
আমাদের যেতে হবে। ভাগো।
মহারাজ!
আমাদের আগুনের হাত থেকে বাঁচতে হবে। উঠুন!
উঠুন!
মহারাজ।
অগ্নিঘূর্ণি।
নিরুহা, কোনো জবাব পেয়েছেন?
মোয়া। বার্তাটা পৌঁছে দিয়েছিলে?
জি, নিরুহা।
"যখন শুনবে রাজা তাগন হেরে গেছে, তখন প্রস্তুত থেকো।"
"রাজ মন্দির থেকে ধোঁয়া উঠলে বেরিয়ে পোড়ো।"
এ কথাই বলেছি ওদের।
আর বাবা?
জি, নিরুহা।
উনি কামারশালায় আছেন।
মাফ করবেন, নিরুহা।
রাজা তাগন কি সত্যিই হারবে?
সবকিছুর সিদ্ধান্ত নিবেন আইরুজু।
সিদ্ধান্ত নিবেন আইরুজু।
নিরুহা।
আজ রাত পেরানোর আগেই,
একজনের সাথে আমার দেখা করতে হবে।
নিরুহা।
ফিরে এলে কেন?
তোমাকে ইউন সেওমের কাছে
কেন পাঠিয়েছিলাম জানো না?
তুমি ওকে যা দিতে পাঠিয়েছিলে
তাই দিয়ে এসেছি।
না। তোমাকে বাচাঁনোর জন্য ওর কাছে পাঠিয়েছিলাম।
যাতে তোমার মায়ের সাথে দেখা করে দূরে কোথাও চলে যেতে পারো।
মা'ই আমাকে ফেরত পাঠিয়েছে।
- কেন? - মা দেখেছে
আমার আবেগ ফিরে এসেছে।
আমি ছিলাম শাহাতির সন্তান
কালো জিভ নিয়ে বেড়ে উঠেছিলাম।
ভয়ানক সব প্রশিক্ষণ পেয়েছি, ওষুধ খেয়েছি,
অদ্ভুত সব ঘ্রাণ শুঁকেছি।
যার ফলস্বরূপ, আবেগ ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে শুরু করে।
রাজা তাগনই আমাকে বাঁচিয়েছিল।
সেই জায়গা থেকে পালিয়ে এসে মায়ের সাথে আবার দেখা করেছিলাম,
কিন্তু কিছু অনুভব করতে পারিনি।
না দুঃখ, না কষ্ট, আর না ভালোবাসা।
কোনো আবেগই বেঁচে ছিল না।
কিন্তু একটা জিনিস রয়ে গেছিল।
আবেগ জড়ানো স্মৃতিগুলো।
শাহাতির সন্তানেরা অল্প বয়সেই মারা যায়।
আর বেঁচে গেলেও বড় হয়ে,
বেশিরভাগই আত্মহত্যা করে
আবেগ জড়ানো স্মৃতিগুলো মনে পড়ার কারণে।
আমার অবস্থাও তাই ছিল। মরে যেতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু তোমার বদৌলতে,
আমার আবেগ ফিরে পাই।
আমাকে বাচাঁনোর চেষ্টা কোরো না।
না, আমি তোমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছি না।
আমি নিজের
আবেগকে বাঁচাতে চেষ্টা করছি।
নিরুহা, এখন যাওয়া লাগবে।
কাল অনেক বড় কিছু হবে।
সুযোগ পেলে চলে যেও এখান থেকে।
তোমার ফিরে পাওয়া আবেগ অন্যকোথাও কাজে দিবে।
কী বলছেন?
রাজা তাগন হারবে?
আর্থদাল হারবে?
নিরুহা এই কথা বলেছে?
এখন কী পরিকল্পনা তার?
আমারও বিশ্বাস হচ্ছে না...
কিন্তু তানিয়া তাই বলেছে।
আমাদের তো সৈন্য বেশি।
আর, ওদের তলোয়ারও আমাদের মতো এত ভালো না।
তারপরও,
যদি ইউন সেওম জিতে যায়?
কী করবে তখন?
যাই হয়ে যাক, আমাদের এটা করতে হবে।
না,
নিরুহা যদি আমাদের আটকায়ও, আমি এটা করবই।
কিন্তু...
এটা কি সম্ভব?
একসাথে লড়া যাক।
তাগন আমাদের সবার শত্রু।
কয়টা বাঘ-ভাল্লুক আমাদেরকে তাদের শত্রু ভাববে?
প্রকৃতি কখনো প্রতিশোধ নেয় না।
এটা ব্যস প্রবাহিত হয়।
প্রতিশোধ না নিলেও, শেষে গিয়ে,
প্রকৃতি মা তাগনকে পৃথিবী থেকে ফিরিয়ে নিবে।
এই মানসিকতার কারণে আজ আমরা অল্প কয়েকজনই বেঁচে আছি।
সারামরা প্রতিশোধ নিয়েছে বলে,
ওরা উন্নতি করে গেছে।
আর আমরা বিলুপ্ত হয়ে গেছি।
সারামদের সাথে থেকে থেকে তোমার মাথাতে হার-জিতের ভূত ঢুকে পড়েছে।
আমার উত্তর তবুও একই থাকবে।
আমি যাব না।
নোসুনাহোও...
- আমি যাব। - কেন?
আমার মেয়েটাকে
ভালো লাগে।
যদি আমাদের বংশ পরিচয় বাঁচানোর কথা ভেবে থাকো...
না। তেমন কিছু না।
ব্যস ওকে ভালো লাগে। ওর সাথে থাকতে চাই।
তোমারও আমাদের সাথে আসা উচিত।
আমাদের সাথে লড়তে বলছি না।
সাহায্য করো।
নাহলে রোটিপকে বলে দিব
যে তুমি ওর বুদ্ধি মতো চলছ।
কয়টা বাঘ-ভাল্লুক আমাদেরকে...
তাদের শত্রু ভাববে?
সায়া মারা গেছে?
হ্যাঁ।
তাগন ওর জন্য কোনো শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করেনি
আর লাশ এখানে ফেলে দিয়েছে।
সায়া কোথায় গেছে?
হয়তো মহা যাজিকার সাথে দেখা করতে।
কেউ যদি ওকে দেখে ফেলে তখন তো বিপদ...
সব গোপন রাস্তা তার চেনা আছে,
তাই সমস্যা হবে না।
তাকে ফিরিয়ে আনব?
না, সেটা অনেক বিপজ্জনক।
তাগন ফেরার আগেই আমাদের শ্বেত চূড়া পাহাড়ে যেতে হবে।
প্রস্তুত হয়ে আমার সাথে গিতগাংয়ে দেখা কোরো।
জি।
সায়া বেঁচে আছে?
এখন কী করবে?
সায়াকে খুঁজতে হবে।
আর...
ওদেরকেও।
যা চেয়েছিলাম এনেছ?
আশা করি ওকে খুঁজে পাবে।
খুঁজে পেলে জানিও।
আর কোনো খবর না পেলে
ভেবে নিব মারা গেছ।
নেয়ানথাল?
তোমার সাথে লড়তে চাই না।
ব্যস কিছু জানার ছিল।
সায়া কি বেঁচে আছে?
সায়া?
দেখা হয়ে ভালো লাগলো, আসা হোনের সন্তান।
ওদের সাথে তোমার দেখা হয়েছিল?
সেটা তোমার লক্ষ্য ছিল।
ভেবেছিলাম
আমার মায়ের ব্যাপারে বলতে এসেছ।
কী বলছিল ওরা?
আমি এই হারের মালিক হয়ে থাকলে আমাকে ওদের সাথে যেতে বলেছিল।
নতুন চাঁদ ওঠার পর আমাকে শ্বেত পাহাড়ে গিয়ে দেখা করতে বলেছিল।
যাবে তুমি?
নিশ্চিত না।
সবার নজরে যেহেতু মরেই গেছি, যেখানে খুশি যেতে পারি।
কিন্তু জানা নেই
কোথায় যাব
কোন পরিচয়ে বাঁচব।
আমি কি আদৌও এর মালিক?
দেখা হয়ে ভালো লাগলো, আসা হোনের সন্তান।
আসা হোন...
আমার মা...
কেন তাগনের হাত থেকে আমাকে বাঁচায়নি?
ভয় পেয়েছিল?
নাকি...
ইউন সেওম বেশি প্রিয় ছিল?
সবাই নিজ নিজ জগতে বাস করে।
কে জানে আসা হোনের মধ্যে তখন কী চলছিল।
নিজেই ঠিক করো।
তবে বেদনাদায়ক কিছু
না হলেই হবে।
ভবিষ্যতের ক্ষেত্রেও তাই।
নিজেই ঠিক করো।
ঠিক করো কীভাবে বাঁচতে চাও,
কোন পরিচয়ে বাঁচতে চাও...
আর এর মালিক হতে চাও কি না।
শুধু নিজের ইরাদার সাথে।
সায়া?
সায়া কী হয়েছিল? তুমি বেঁচে আছ?
আর্থদাল জুড়ে আঁকাআঁকিগুলো তুমি করিয়েছ, তাই না?
কী করার চেষ্টা করছ?
হ্যাঁ।
তুমি গোসাল না। বেঁচে আছ যখন আর সমস্যা নেই।
ইউন সেওমের জন্ম হয়,
তারপর লার্কে যায়,
সেখানে আসা সিন ও কানমুরেইকে পায়।
ওর জীবনী এঁকে কী করার কথা ভাবছিলে?
যখন তাগন হারবে,
আমি আর্থদালের দায়িত্ব হাতে নিব।
তাগন হারবে?
হয়তো ইতোমধ্যে হেরেও গেছে।
তাহলে দূত কোথায়?
ওদের অবস্থা এতও খারাপ
যে একজন দূতকেও পাঠাতে পারেনি।
তো,
আর্থদাল দখলে নিয়ে ইউন সেওমের হাতে তুলে দিবে
আর ইনাইশিনগিকে আরামুন বানাবে?
তাহলে আঁকাআঁকিতে আমাকে টানতে গেলে কেন?
কেন?
- সায়া। - শুরু থেকেই...
আমাদের দেখা হবার প্রথম দিন থেকে আজ অবধি...
শুধু আমাকে ব্যবহারই করেছ।
হ্যাঁ, করেছি।
শুরুতে তোমাকে ব্যবহার করেছি,
কিন্তু এখন ইউন সেওমকেও ব্যবহার করছি।
শুধুই কি ইউন সেওম?
No comments yet. Be the first to leave one.