لومړۍ 195 کرښې.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
. : : NAANE VARUVEAN : : .
• • • এটি আমার ❝৯৯তম❞ পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল • • •
একদা এক সময়ে, দুজন রাজা বাস করতেন।
এক রাজা ছিলো ভালো, আর অন্য রাজা....
আমাকে জবাব দে। আমি জানি তোদের মধ্যে কে এটা করেছে।
প্রভু?
কাথির?
বল, নয়তো তোদের বাবাকে বলবো যে দুজনে মিলে এটা করেছিস।
জানিস তো তোদের বাবা জানতে পারলে কী হবে?
মা, প্লিজ। বাবাকে বোলো না।
আমি না বললেও, পাড়া-প্রতিবেশীরা তো বলবে।
আমাকে শান্তিতে কেন বাঁচতে দিবি না বল তো?
প্রতিবেশীর ছেলেটাকে একদম বাজেভাবে মেরেছিস তুই!
যদি খারাপ কিছু হয়ে যায়?
না, এবার আর এটা চেপে রাখতে পারবো না।
একমাত্র মার খেলেই তোর শিক্ষা হবে।
এমন কাজ কেন করেছিস? ক্ষমা চা।
ক্ষমা চা আর বল যে আর কখনো এমনটা করবি না।
ক্ষমা চাইবি না কি না?
কাথির, যদি ক্ষমা না চাস, তোকে মেরেই ফেলব।
ক্ষমা চা, ক্ষমা চা...
- মেরো না। - সরে যাও তুমি। ক্ষমা চা।
- ক্ষমা চা, ক্ষমা চা। - মেরো না।
ধ্যাত!
একদম উচ্ছন্নে চলে গেছিস। মুখ পর্যন্ত খুলছে না!
- শুয়োর। - মেরো না গো।
ও তোর সাথেই জন্মেছে। ওকে দেখে শিখতে পারিস না?
- আমার ঘরের কোনো দানাপানি নেই তোর জন্য। - মেরো না...
একটুও শোধরাস নি তুই...!
থাক তুই এখানে। কিছুক্ষণের মধ্যে অন্ধকার ঘনিয়ে আসবে।
সব ভুত-প্রেতরা নেমে আসবে। তুই ওদের সাথেই থাকার যোগ্য।
বেচারা ছেলেটা! দয়া করে ওকে ভেতরে নিয়ে আসো।
ও ছোট মানুষ, ভয় পেয়ে যাবে।
তুমি বুঝতে পারছো না।
ওর গুরুতর কিছু একটা হয়েছে।
সবাই বলে আমাদের ওকে মানসিক হাসপাতালে রাখা উচিত।
নিশ্চয়ই গত জন্মে আমরা কোনো মহাপাপ করেছি, যার জন্য এমন ছেলের জন্ম দিয়েছি।
আমার ভয় হচ্ছে যে ওর প্রভাব প্রভুর উপরেও পড়বে।
ঠিক আছে, নিয়ে এসো।
উদ্ধার করো আমায়।
ওর বাঁধন খুলে নিয়ে এসো।
কাথির!
কাথির!
কাথির!
এখন ওকে কীভাবে খুঁজি?
কাথির!
কাথির!
শিকার করার মধ্যে একটা আলাদা রকমই মজা আছে।
তবে কেবল পঞ্চইন্দ্রিয়বিশিষ্ট একটা নিরীহ পশুকে মারার থেকে....
ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়বিশিষ্ট একটা মানুষকে মারা একইসাথে অর্থপুর্ণ এবং আনন্দের।
সাধারণত, আমি কাউকে এতক্ষণ বাঁচিয়ে রাখি না।
জানি না কেন, তোকে বেশ মনে ধরেছে।
তোর চোখে একটা ব্যাপার আছে।
আশা করি তোকে যেন মারতে না হয়।
দৌঁড়া।
বলেছিলাম না তোকে?
তুই আমার থেকেও ভয়ংকর।
মার!
২০ বছর পরে...
আমার স্বামী কোথায়?
ওকে জানিয়েছি, মা। ও এই এসে পড়লো বলে।
প্রভু না আসলে আমি এই বাচ্চার জন্ম দেব না।
এখন কেমন আছো?
স্যরি, সোনা। আমি সময়মতো আসার চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি।
একটা গুরুত্বপুর্ণ মিটিং ছিলো।
ঠিক আছে, তাহলে।
ভাবছিলাম তোমার কথামতো ওর নাম সাথ্যিয়া রাখবো।
তাহলে ওর নাম আমার ইচ্ছামতো কোকিলা রানি রাখা যাক।
কি বলো? রাখবো?
সাথ্যিয়া!
সাবধানে, মা।
কী হয়েছে?
সাথ্যিয়া? সাথ্যিয়া? কী হয়েছে?
সাথ্যিয়া!
মা...কিছু একটা ঠিক লাগছে না।
কী ঠিক লাগছে না?
সাথ্যিয়া!
সাথ্যিয়া!
মা!
জায়গাটা ভালো মনে হচ্ছে না। এখান থেকে চল।
ওভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছো কেন, গুণা?
আপনার প্রতি আমার ঈর্ষা হয়, স্যার।
কেন?
একজন মানুষের সবকিছু থাকে কীভাবে?
নজর দিও না।
না দেয়ার চেষ্টা করছি, কিন্তু এটা কঠিন।
আপনাকে বোঝে এমন একটা বউ, পরীর মতো একটা মেয়ে,
হিংসা না করে কীভাবে থাকা যায়।
আপনার ছুটি কেমন কাটলো?
খুব সুন্দর।
তবে ফেরার পর থেকে সাথ্যিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে।
বাকি ফাইলগুলো একটু চেক করে দেবে?
আমি আবার না গেলে সাথ্যিয়া খাবে না।
শুভ রাত্রি।
ও দেরীতে ঘুমাতে যায় আর সকালে স্কুলের জন্য উঠতে অনেক মুশকিল হয়।
কী হয়েছে, ভুবন? কী ভাবছো?
এই যে.. মেয়েটার বয়স এখন ১২ বছর।
ক'দিনের মধ্যে বড় হয়ে যাবে।
এরপর ও কলেজে যাবে, ওর বিয়ে হবে...আমাদের ছেড়ে চলে যাবে।
এরপর আমরা একা হয়ে যাবো।
যদি চাও, আমরা ওকে বিয়ে না দিয়ে আমাদের কাছে রেখে দিতে পারি।
কী করবো, তাহলে?
এটা তো হবেই।
আমরা দুজন তো আছিই। তাহলে একা হওয়ার প্রশ্ন আসছে কোত্থেকে?
আমাদের আরেকটা বাচ্চা নেয়া উচিত।
ভুবন।
আমরা এ নিয়ে আগেও কথা বলেছি।
আমি আরেকটা বাচ্চা চাই না।
এই জন্মে, আমাদের কেবল একটাই বাচ্চা থাকবে।
আর সেটা সাথ্যিয়া।
আমি সাথ্যিয়ার প্রতি ভালোবাসা অন্য কারো প্রতি ভাগ করে দিতে চাই না।
কেমন?
আর কখনো এ ব্যাপারে কথা বলবে না।
সাথ্যিয়া...
কী হয়েছে, মা?
বাবা..
কী?
কী হয়েছে, মা?
খারাপ স্বপ্ন দেখেছো?
কী হয়েছে, বোকা মেয়ে?
ঠিক আছে, আর ডাকবো না।
কী হয়েছে, ম্যাডাম?
তোমাদের একটা কথা বলবো?
কী বলতে চাও, মা? বলো।
না। আমি আজকে রাতে এখানে ঘুমাতে পারি?
হেই, মোটেও না।
তুই এখন আর ছোট নেই, বড় হয়ে গেছিস।
আমরা খাটে ধরবো কীভাবে? আমি তো গড়িয়ে নিচে পড়ে যাবো।
তুমি তাহলে গড়িয়ে নিচে পড়ে যাও। আমরা এখানেই ঘুমাবো।
আমার চশমাটা ওখানে রাখো।
ছাড়ো!
তোমরা সবসময় এমনটা করো। বাপ-মেয়ে দুজনেই আমায় জ্বালিয়ে মারো।
আমার নিজের জন্য একটা রুম বানানো উচিত ছিলো।
ও গো!
এদিকে একটু আসো।
তোমাকে একটা কথা বলার দরকার।
কী? স্কুলের জন্য দেরী হয়ে যাচ্ছে।
প্লিজ, আসো না।
- দু'মিনিট, সাথ্যিয়া। - ঠিক আছে, বাবা।
পুরোটা সকাল কিছু বললে না। বলো, কী বলবে?
- আমি কাল ওর রুমে ঘুমিয়েছিলাম না... - হ্যাঁ?
ওখানে অদ্ভুত কিছু একটা আছে।
কী?
মনে হচ্ছিলো যেন কেউ আমাকে চেপে ধরেছে।
কী বলছো তুমি?
আমার মনে হচ্ছিলো যেন কেউ...আমাকে চেপে ধরেছে।
আমি উঠার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু পারিনি।
আমি আমার হাত-পা নাড়ানোরও চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু...পারিনি।
হঠাৎ করে...
- আমার পেট ব্যথা করতে শুরু করলো। - হেই, বোকা!
মেয়ের সামনে কখনো এসব কথা বলবে না।
এরকম স্বপ্ন আমিও প্রায়শ দেখি।
একটু পুজা করে ঘুমিয়ে পড়ো। সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
সাথ্যিয়া...
হ্যাঁ, বাবা?
তোমার রুমে সবকিছু ঠিক আছে?
বুঝলাম না, বাবা।
না, মানে...রুমে কোনো গোলমাল কিংবা...?
হ্যাঁ...
বা...
গোলমাল বলতে, বাবা?
কীরকম?
যেমন...
দেয়ালের রং বদলে যাওয়া? খাটের অবস্থান বদলে যাওয়া?
সবকিছু ঠিক আছে, বাবা।
ঠিক আছে।
মনে হচ্ছিলো যেন কেউ আমাকে চেপে ধরেছে।
না...
এখন বললে তারা আমার কথা বিশ্বাস করবে না।
প্লিজ...আমার কথা শোনো।
স্যরি, স্যরি। কাল অবশ্যই বলবো।
না, আমার কথা শোনো।
আচ্ছা, আচ্ছা...
কার সাথে কথা বলছিলে, মা?
কারো সাথে না।
কারো সাথে না?
বাবা তো তোমাকে কথা বলতে শুনলো।
বলিনি তো।
আমি তো খেলছিলাম, বাবা।
ঠিক আছে, অনেক রাত হয়ে গেছে। কাল স্কুলে যেতে হবে। ঘুমাও।
- শুভ রাত্রি। - শুভরাত্রি, বাবা।
প্লিজ।
না...আমি এখন বলতে পারবো না তাকে।
বেশ, বলবো।
কাল বলবোই, কথা দিলাম।
প্লিজ কথা শোনো...
ঠিক আছে, তার সাথে কাল কথা বলবো।
চা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে...
স্যার...
আপনাকে কিছুক্ষণ ধরে দেখছি...
আপনাকে মনমরা লাগছে।
আপনি সবসময়ে হাসিখুশি থাকেন।
আমি আপনার থেকে পজেটিভিটি শিখি।
No comments yet. Be the first to leave one.