لومړۍ 166 کرښې.
কী করছ?
রোডরানার পাখি ধরার জন্য নতুন ফন্দি আঁটছ নাকি?
তোমার কথার কৌতুকপূর্ণ অর্থ হচ্ছে আমি ওই নেকড়ের মতো ওয়াইল ই?
হ্যাঁ।
আর এটা হচ্ছে পাখি ধরার জন্য নকশা করা একটা ডিভাইস...
যেটা ঝামেলা করে উল্টো আমাকেই শারীরিক আঘাত পৌঁছাবে?
হ্যাঁ।
আচ্ছা, আমি এখানে যা করছি, তা হলো আমি কবে মারা যাবো সেটা বের করছি।
আরও অনেক লোকই এটার ওপর গবেষণা চালাচ্ছে।
তো, এ সব কী?
আমার পারিবারিক আয়ুষ্কালের ইতিহাস, অসুখ বিসুখের প্রবণতা, ইত্যাদি ইত্যাদি।
সেই তো।
কার্ল আংকেল এর মৃত্যুর কারণ ব্যা দ্বা মৃ?
-ব্যা দ্বা মৃ কী? -ব্যাজার দ্বারা মৃত্যু।
কিভাবে?
থ্যাঙ্কসগিভিং ছিল সেদিন।
কার্ল আংকেল বলল, "আমার মনে হয় আমাদের চিমনিতে একটা ব্যাজার আছে।
ফ্ল্যাশলাইট টা দাও তো।"
ওইটুকুই আমাদের সাথে বলা ওনার শেষ কথা।
আমার মনে হয় না তোমার ব্যাজারের বংশধরের মাধ্যমে মরার ভয় করার দরকার আছে।
সেটা সত্যি না।
যুদ্ধ করো নাহয় পালাও প্রবৃত্তি জিনগতভাবে কোড করা।
পালানোর বদলে উনি খালি হাতে বেজি পরিবারের শক্তিশালী...
এক সদস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সাহস দেখিয়েছে।
কে বলতে পারে আমাদের দুজনের এই একই ভুলভ্রান্তি যুক্ত ডিএন এ নেই?
আমরা একটা ব্যাজার ধরে এনে তারপর জানতে পারি।
কিন্তু সত্যি, যদি আমি কার্ল আংকেল এর গুনককে পাত্তা নাও দেই...
বেশি হলে, আমার হাতে ষাট বছর সময় আছে।
এত লম্বা?
ষাট বছর বয়সে আমি মাত্র এখানে থাকবো।
আমার এখানে যেতে হবে।
ওখানে কী?
প্রথম দিককার এককত্বের অনুমান করা হিসাব।
যখন মানুষেরা নিজেদের চেতনাকে মেশিনে স্থানান্তর করতে সক্ষম হবে...
এবং অমরত্ব লাভ করবে।
তাহলে তুমি কদাকার একটা আত্ম...
সচেতন রোবট হওয়ার সুযোগ মিস করার কারণে দুঃখ পাচ্ছ?
এই এতটুকু।
কপাল খারাপ। ডিম খাবে?
তুমি বুঝতে পারছ না, লেনারড। আমি কত কিছু দেখতে পাবো না।
সমন্বিত ফিল্ড থিওরি, ঠাণ্ডা এককীকরণ, কুকুরোপাস।
কুকুরোপাস কী?
হাইব্রিড কুকুর আর অক্টোপাস।
পানিতে মানুষের কাছের বন্ধু।
-কেউ কি এর ওপর কাজ করছে? -আমি করতাম।
আমি নিজেকে এরকম একটা আমার ৩০০ তম জন্মদিতে উপহার দিতে চেয়েছিলাম।
দাড়াও, তুমি কুকুর অপছন্দ করো।
কুকুরোপাস আটটা বল দিয়ে ফেচ খেলতে পারে।
এটাকে অপছন্দ করা যায় না।
S04 E02 - The Cruciferous Vegetable Amplification
কত দেবো?
২৮.১৭ নিয়েছে। ধরো এক পিস ছয় বাক।
এই নাও।
ধন্যবাদ।
কী?
-আচ্ছা বাদ দাও, আমার তরফ থেকে। -ওহ, তুমি আমার থেকে টাকা চাচ্ছিলে?
-তেমন কোনো ব্যাপার না। -না, না, না, না।
ঠিকই তো, আমরা যেহেতু আর প্রেম করছি না, আমার টাকা আমারই দেয়া উচিত।
কী?
ও বলছে, ওর যদি মেয়েদের বিশেষ অঙ্গগুলো থাকতো, তাহলে ও বাকী জীবন ফ্রিতে খেতো।
হ্যাঁ, কিন্তু তখন তুমি নিজের সাথেই কথা বলতে পারতে না।
আমার টাকা একটু কম আছে।
-কত আছে? -একেবারেই নেই।
-এভাবে খালি হাতে কিভাবে ঘুরে বেড়াও? -আমি সুন্দর, হয়ে যায় কোনোভাবে।
আচ্ছা ঠিকাছে, তুমি পরে দিয়ে দিয়ো। শেল্ডন, ছয় বাক।
ওহ, না, ধন্যবাদ। আমি আজ রাতে পিজা খাবো না।
কিন্তু আজকে বৃহস্পতিবার। বৃহস্পতিবার রাত পিজা নাইট।
আমার জন্য না।
বৃহস্পতিবার এখন ক্রুসীফেরাস গোত্রীয় শাকসবজির রাত।
আজকে বেছেছি, ব্রাসেলস স্প্রাউট।
সত্যি? তুমি শেল্ডনিয়ান ক্যালেন্ডার পাল্টে দিচ্ছ?
একটু তো কষ্ট করতেই হবে।
-কী জন্য? -না, জানতে চেয়ো না।
দুঃখিত, দুঃখিত, দুঃখিত।
সাইবারনেটিক্সের সাথে আমার চেতনা সংযুক্ত করা পর্যন্ত বাঁচার জন্য...
আমার নিজের ডায়েট পাল্টাতে হবে।
-সাইবারনেটিক্স রোবট টাইপ কিছু, তাই না? -ঠিক।
তুমি কি নিজেকে রোবটে রূপান্তর করতে চাচ্ছ?
মূলত, হ্যাঁ।
আচ্ছা আমার প্রশ্ন হচ্ছে, তুমি কি এখনো সেটা করো নি?
প্রশংসাবাদ, কিন্তু দুঃখজনকভাবে, না।
এছাড়া, আমি হৃদয় এবং রক্তনালী শক্তিশালী করার জন্য...
প্রস্তুত করা সুস্বাস্থ্যমূলক শরীর চর্চা করার পরিকল্পনা করেছি, অর্থাৎ, দৌড়ানো।
দাড়াও, সোনা... তুমি কি আগে কখনো দৌড়েছ?
অবশ্যই, জ্বালাতন করা লোকজন, কুকুর, রাগী মুরগি থেকে দৌড়েছি...
আর একজন অধ্যবসায়ী পিটি শিক্ষকের থেকে পালিয়েছি যার আমাকে...
ঝুঁকে থাকার শাস্তি দেয়ার সংকল্পের ফলে আমার মেরুদন্ড বেকে গেছে।
ঠিক বলেছ, পেনি দৌড়ায়।
-তোমরা একসাথে দৌড়াতে পারো। -চমৎকার আইডিয়া।
আমরা যদি কথা বলতে থাকি...
তাহলে মনে হবে যেন সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে।
না, মোটেই না।
এই, ও কিভাবে জানে যে আমি দৌড়াই?
ও তোমাকে ওর গাড়ি থেকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখে।
হায় খোদা, কি ভয়াবহ।
একদম।
ও বলছে ও নাকি থামবে না।
হ্যাঁ, তাহলে ডাক্তার দেখাও, আর কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলতে হয় বের করো।
হচ্ছে টা কী?
কী সমস্যা?
আমার নাভি থেকে তলপেটের নিচে ডান পাশ পর্যন্ত ব্যাথা করছে।
আমার মাথা ঘোরাচ্ছে, জ্বর আসছে।
মনে হচ্ছে আমার কলেরা হয়েছে।
প্যাসাডিনায় কলেরা নেই।
ঠিক গত গ্রীষ্মের মতো যখন প্যাসাডিনায় ম্যালেরিয়া ছিল না।
যদি কলেরা না হয়, তাহলে ছোটখাটো একটা ইন্টারনেট সার্চের পর...
অন্য ব্যাখ্যাগুলো হচ্ছে, যেগুলো কম থেকে কম সম্ভাবনার মতো সাজিয়েছি...
হারশপ্রাং অসুখ, বাজে খাদ্য গ্রহণ, ৩০ ফুট লম্বা ফিতাকৃমি...
অথবা, দুর্ঘটনাবশত ক্রিস্যান্থেমাম ফুল খেয়ে ফেলা।
ক্রিস্যান্থেমাম ফুল দুর্ঘটনাবশত কবে খেলে তুমি?
সম্ভাবনা আছে, যে ঘুমের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে কোনো ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে...
এমন ফুলের দোকানে চলে গেছিলাম যেটার মালিকেরা সজাগ ছিল না।
ওহ, খোদা, আমার পেট।
অ্যাপেন্ডিক্স বের করেছ কখনো?
করি নি। ভেবেছিলাম করবো, কিন্তু কার এত সময় আছে?
তোমাকে হাসপাতাল নিয়ে যাই চলো।
তাহলে এভাবেই শেষ হচ্ছে সবকিছু।
কি নির্মম উপহাস।
যেইমাত্র আমি আমার শরীরকে সংরক্ষণ করার অঙ্গীকার করলাম...
আমার অ্যাপেন্ডিক্স, একটা অকেজো অঙ্গ আমার সাথে প্রতারণা করলো।
তুমি কি অ্যাপেন্ডিক্সের আসল উদ্দেশ্য জানো, লেনারড?
-না। -আমি জানি।
তারপরও আমি শেষ, আর তুমি বেঁচে থাকবে।
জীবন অদ্ভুত সব খেলা দেখায়, তাই না?
ওহ, খোদা, মনে হচ্ছে ফেটে যাবে।
অথবা, ব্রাসেল স্প্রাউটের জন্য হতে পারে।
-শুভ রাত্রি। -শুভ রাত্রি।
অ্যাপেন্ডিসাইটিস, একটুতেই ভয় পায় ব্যাটা।
পেনি, পেনি, পেনি।
আসছি, আসছি।
এই, সুন্দর হাঁটু।
ধন্যবাদ, আমার মায়ের থেকে পাওয়া।
আর ফ্ল্যাশ শার্ট টা কী? কারণ তুমি অনেক দ্রুত দৌড়াবে?
না, ফ্ল্যাশ শার্টের কারণ আজকে শুক্রবার।
কিন্তু অনিচ্ছাসত্ত্বেও মিলে গেলে ভালোই লাগে।
-হৃদপিণ্ডের গতি মনিটর? -নেই।
-পদক্ষেপ গণনার যন্ত্র? -নেই।
-আইপডের সাথে যুক্ত জুতার টেলিম্যাটিক্স সংযোগ? -উম, না।
তুমি করো টা কী?
বাহিরে গিয়ে কি খরগোশের মতো তিড়িং বিরিং করতে থাকো?
না, ক্ষুধার্ত হওয়া পর্যন্ত দৌড়াই, তারপর ভালুকের থাবা পেস্ট্রির জন্য থামি।
-তুমি এটা কেন করছ? -দৌড়ানোর আগে পেশী স্ট্রেচ করে নেয়া ভালো।
ঠিকাছে।
পায়ের আঙ্গুল ধরে শুরু করা যাক।
তুমিও করো।
করছি তো।
ওহ, ওয়াও, খুবই ভালো।
আচ্ছা, এটা করতে পারবে?
সেটা আমরা কখনোই জানতে পারবো না।
আচ্ছা, তাহলে, দৌড়ানো শুরু করা যাক।
-আচ্ছা। -আচ্ছা, চলো।
আমি বায়োমেকানিক্স সম্পর্কে পড়ছি।
আমার ধারণা তুমি অবাক হবে আমার...
-হায় ঈশ্বর, তুমি ঠিক আছ? -মনে হচ্ছে।
-তোমাকে ওঠাই এসো। -ধন্যবাদ।
ওহ, শেল্ডন!
যদি শুনে ভালো লাগে তো...
বৃহস্পতিবার আর কোনো ক্রুসীফেরাস গোত্রীয় সবজির রাত না।
এটা আমার মুরগির তরকারী।
-হাওয়ারড, তোমার চিংড়ির বিরিয়ানী। -ধন্যবাদ, স্যার।
-পালং পনীর, পেনির জন্য। -ধন্যবাদ।
আর রাজেশ খুত্রপালী...
যার নিজের দেশ থেকে এসব সুস্বাদু খাবারের জন্ম...
একটা চিকেন ম্যাক নাগেটের লার্জ অর্ডার।
-এই, আমার ভাগ কতো? -বারো বাক।
-শুক্রবারে বেতন পাওয়ার পর দেই? -নিশ্চয়ই।
No comments yet. Be the first to leave one.