لومړۍ 200 کرښې.
নিত্যনতুন সকল মুভির খবরাখবর সবার আগে পেতে যুক্ত হোন আমাদের "PROJAPOTI-MOVIE ZONE" গ্রুপে
আম্মু, ইংরেজিতে 'ভাগ্যবান ব্যক্তি' কাকে বলে?
"অবিবাহিত পুরুষকে"।
ওগো, তাকে দেখো।
একবার তার সম্বন্ধ প্রত্যাখ্যান করেছিলাম।
তখন থেকে নেশা-খোর হয়ে গেছে।
অনেক ভাগ্যবান, এতো বছর আনন্দে কাটাচ্ছে।
ঠোঁটের কী হয়েছে? পুড়লো কীভাবে?
তেমন কিছু না।
বউয়ের বাপের বাড়ি যাওয়ার আনন্দে ট্রেনের ইঞ্জিনে চুমু খেয়েছিলাম।
অফিস থেকে ফেরার সময় সবজি আনতে ভুলবে না।
সবিতা তোমাকে হ্যালো বলেছে।
কোন সবিতা?
কেউ না।
আমার মেসেজ পড়েছো কিনা চেক করলাম।
স্যার, আমার বউ হারিয়ে গেছে।
মশাই, এটা থানা না, পোস্ট অফিস।
ভগবান, আনন্দে তো প্রায় পাগল হয়ে গেছি।
দেখো তাদের, অফিসে যাওয়ার সময় প্রতিদিন বউকে চুমু খায়।
তার মতো করতে পারো না?
কীভাবে খাবো? মহিলাটাকে তো চিনি না।
এই ছিলো তোর মনে?
সোয়ামী, দাম্পত্য জীবনের সুখের জন্য কিছু উপদেশ দেন।
১. ভুল স্বীকার করতে শিখ।
২. দোষ না থাকলেও সব সময় মুখ বন্ধ রাখবি।
জয় সোয়ামী...
-ডিভোর্সের কারন কী? -বিয়ে, স্যার।
দোস্ত, কোনটা ভালো, লাভ ম্যারেজ নাকি অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ?
তোদের দাদা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে গেছে।
সত্যি নাকি দাদি?
হ্যাঁ, কিন্তু কখনোই তা পেতে দিইনি।
অনেক বিরক্ত করছো, গাড়ি চালাতে সমস্যা হচ্ছে।
সমস্যা কী তোমার... আরে সামনে দেখো!
আগেই বলেছিলাম....
ওহ না!
শিট, শিট, শিট।
হায় ভগবান, এক্ষুনি ভেড়ার পালে ঠুকে দিচ্ছিলে।
কতোবার বলেছি গাড়ি চালিয়ো না।
পাশে বসে ঘ্যানঘ্যান করলে তো দূর্ঘটনা ঘটবেই।
তর্ক করোনা।
হায় ভগবান, একজন মানুষকেও ঠুকে দিয়েছি।
ওহ শিট।
ভাই, ঠিক আছেন তো?
কোথাও লেগেছে আপনার? হাসপাতালে নিয়ে যাবো?
নাম কী আপনার?
অনুবাদ আয়োজনে Team PROJAPOTI -টিম প্রজাপতি
এলিজিবেল ব্যাচেলর বুঝলাম, মোস্ট এলিজিবেল ব্যাচেলর মানে?
এর অর্থ- এমন একজন যে পৃথিবীর সবচেয়ে যোগ্য বর।
একা বিয়ের পোশাক পড়ে এখানে কী করছেন?
একা না, ভাই। সাথে ভেড়ার পাল আছে।
ভেড়ার পালের সাথে কী করছেন?
কারণ জানতে হলে আমার গল্পটা জানতে হবে।
কী সেই গল্প?
আপনারা কি বিবাহিত?
-১২ বছর হয়ে গেছে। -তাহলে বলবো না।
কেন?
আমার গল্প দম্পতিদের জন্য বিপজ্জনক, বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দিতে পারে।
সত্যিই? আমাদের ভুল বুঝছেন, ভাই!
আমাদের বিয়েটা দুজনের ইচ্ছাতে। নির্ভয়ে বলতে পারেন।
একজন পুরুষের জীবনের ৫০% হলো ভালো ক্যারিয়ার আর বাকিটা সুখী দাম্পত্য জীবন।
বিবাহিত জীবন সুখকর হতে হলে, ভালো ক্যারিয়ার থাকা প্রয়োজন।
আমার জীবন সরলরৈখিক, বাড়ি-অফিস-বাড়ি।
উনি গণেশ স্যার। আমার অফিসের প্রধান।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টাকা সঞ্চয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ...
তাই স্ট্রিট ফুডই ভালো।
স্বাস্থ্যঝুকি? আমরা এখনও তরুণ।
এরা আমার বন্ধু, সবাই বিবাহিত।
সপ্তাহে এক দিন সিনেমা দেখা আমাদের একমাত্র বিনোদন।
মুভি ৩.২৫ এর উপরে রেট হলে তবেই সেটা দেখি।
চলো তাড়াতাড়ি যাই, বাকিরাও এসে যাবে।
মুভি দেখার পর ল্যাপ ড্যান্সে যাবেই স্যার।
অনিচ্ছা স্বত্বেও তাকে পাহারা দিতে হয়।
-এসব কেন স্যার? -আরে, চলো।
ওহ না!
-সে আমাদের সিইওর মেয়ে। -হার্ষা !
তার মা এক বিদেশীকে বিয়ে করেছে, মেয়েও হয়েছে বাপের মতো।
-আসলে ! -বাবা সেন্ট্রাল পার্কে একটা ফ্ল্যাট কিনেছে,
আমি চাই তোমার কাছে সেই ফ্ল্যাটের চাবি থাক, কিন্তু তুমি আমার থেকে পালাচ্ছো।
চাবি দিয়ে কী করবো?
তোমাকে খুব পছন্দ করি।
লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে এতো ভয় পাও কেন?
এক মিনিট, যাব আর আসব।
-ঠিক আছে যাও। -হ্যাঁ, ধন্যবাদ!
চমৎকার!
কিছু দিনের জন্য ফ্ল্যাটের চাবি রাখতে পার।
স্যার, কী সব বলছেন?
আপনার মেয়ের সাথে ফ্ল্যাটে থাকলে বন্ধুদের কাছে বড়াই করতে পারবো,
কিন্তু আমার পরিবারকে কীভাবে বলবো?
এটা খুবই লজ্জাকর বিষয়।
স্যার, একটা মেয়ের সাথে কিছুদিন কাটানোর অর্থ সম্পর্ক নয়।
সম্পর্ক হলো একটা মেয়ের সাথে আজীবন একত্রিত হওয়ার প্রতিশ্রুতি।
থামো! ঠিকঠাক কারণ বলো।
স্যার! আমার পরিবার আমার বিয়ে ঠিক করেছে।
কী?
কী?
হ্যাঁ, আগামী মাসের ২২ তারিখে।
মরে যাও! বিয়ে করে মরো!
বসো... বসো... চমৎকার!
অভিনন্দন, হার্ষা!
মা, আমার নতুন বাড়ি।
খুবই সুন্দর, আমার ছেলে নিজ বাড়ি কিনেছে।
ওহ, তাহলে সেখানেই সেটেল হচ্ছে?
-বিয়ে ২২ তারিখে। -ওকে।
প্লিজ, বিয়ের হল বুক করেন।
চমৎকার বাবা।
-৩.৫, ৪.৫, এটাই কেন... এটাই। - সবসময় রেট কেন করো?
এই থামো।
-হাই, হার্ষা এটা কেমন? -সুন্দর, ভাবী।
বিয়ের জন্য হাতে একদম সময় নেই,
অনেক কিছু করতে হবে।
পাশাপাশি অনেক কেনাকাটা বাকি।
ভাইয়ের সাহায্য নিন।
তাকে শাড়ি পছন্দ করতে বললে, সেটা বাদে সবই করে।
ওর পছন্দ ভালো না, আমি বেছে নিবনে।
হার্ষা, দেখ কী সুন্দর গহনা!
খুবই সুন্দর।
বিয়ের পর, আমার স্বামী একটাও গয়না কিনে দেয়নি।
তোর বিয়ে তাই কিছু গয়না কিনছি।
ঠিক আছে, ঠিক আছে। কিনে ফেলো, উপভোগ করো।
বাই।
এটা ঠিক আছে।
খুবই টাইট।
সেই লাগছে, ৪.৫ রেট। এটাই কিনে ফেল।
-তাই নাকি? -রেটিং নিয়েই পড়ে থাকো!
হার্ষা ! সত্যিই ভালো লাগছে।
একটু পড়লেই, লুজ হয়ে যাবে।
এত ভাবার কিছু নেই।
ঠিক আছে, ভালোই।
-হ্যালো! -তুমি হার্ষার বিয়েতে আসবে?
ওর সাথে কথা বলেছি।
সবাই যখন তোমায় খুঁজবে, তখন কী বলবো?
সবসময় তো টাকা কামাতে বলো, তাহলে এখন?
তোদের দুলাভাই বলে আসতে পারবে না...
আর একটা বিষয়...
হ্যালো! বল দোস্ত।
তোর ঠিকানায় একটা পার্সেল পাঠিয়েছি। আসার সময় নিয়ে আসিস।
কীসের পার্সেল?
তুই বাচ্চা এইসব বুঝবি না।
নিয়ে আয় শুধু।
এই... ব্রাশ বউয়ের জন্য নাকি?
-তেমন কিছু না। -গৌতম, তোমার বন্ধু লজ্জা পাচ্ছে।
-আগেই কিনেছি। - সব কিনেছিস?
যা বলেছো সব কিনেছি।
-ভিতরে আসো! -কেমন আছো?
তুমি কেমন আছ?
এটা তোমার ছেলে? অনেক বড় হয়ে গেছে।
বোন? দুলাভাই? কেমন আছো?
- চলে এসেছি। -ভাই আমরা ভালো আছি।
হার্ষা, তোর মামা।
-ভাগ্নে, কেমন আছিস? -মামা !
তোর বিয়ের জন্য চলে এসেছি।
তোর বিয়ে থেকে সোহাগ রাত পর্যন্ত,
সব কিছু সামলে নেব।
আ্যহ?
-এসব কীরকম কথা? - বিয়ের আয়োজনের কথা বলছিলাম।
ওহ! তাই বলো?
কী হয়েছে তোমার? কোলে এসে বসেছো!
বেডরুম পেয়েছো নাকি? যাও এখান থেকে!
হার্ষা, বিয়ের আসবাবপত্র কেনার সময়, শক্ত দেখে খাট কিনবে।
এটাই কিনো।
বিয়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।
সব সেট।
এটাই শেষবার আমি একা ভ্রমণ করছি।
পরেরবার থেকে জীবনসঙ্গী সাথে থাকবে।
দারুণ!
আপনি পাশের সিটের দিকে তাকিয়েই লজ্জা পেয়েছেন।
শিখো উনার কাছ থেকে!
আয়োজন তো ভালোই চলছিল, কেমন হলো বিয়ের অনুষ্ঠান?
সব প্রস্তুত?
একটা জিনিস বাকি রয়ে গেছে।
কী সেটা?
পাত্রী তো ঠিক করতে হবে, তাই না?
বিয়ের সব প্রস্তুতি শেষ, এই দিকে পাত্রীই ঠিক হয়নি?
ওরকম কিছুনা।
বাবা-মা ২০ জন সম্ভাব্য পাত্রীর শর্টলিস্ট করে রেখেছে।
আমাকে শুধু সেখান থেকে একজনকে বেছে নিতে হবে।
এটাও সম্ভব?
আমার পরিবার আমাকে বিশ্বাস করে, আমিও তাদের বিশ্বাস করি।
হ্যাঁ, এটা সম্ভব।
সেই বিশ্বাস নিয়েই এখানে এসেছি।
এক্সকিউজ মি! কার বক্স এটা?
-আমার, স্যার। -এখানে আসো।
-স্যার! -ধন্যবাদ।
-এটা আমার না, স্যার। - যান, কার বাক্স এটা?
আমার, স্যার।
খোলো তাহলে।
আমার না, স্যার।
এক মিনিট! বাক্সটা কি তুমি এনেছো?
-হ্যাঁ। -খোলো তাহলে!
ওকে, স্যার...কী আর পাবেন? মদ-বোতল কিছুই নেই।
তুই এখনো বাচ্চা, এই সব বুঝবিনা, জিনিসটা নিয়ে আয় শুধু।
স্যার, আমি এখনো বিয়ে করিনি।
এখনও বিয়ে করেনি কিন্তু দেখ কী সব কিনেছে।
এই সব আমার না, ম্যাডাম!
এইসব সম্পর্কে কিছুই জানতাম না স্যার।
বিশ্বাস করলাম।
যাও।
সব নিয়ে এসেছে!
হার্ষা !
গাধা!
No comments yet. Be the first to leave one.