조선명탐정: 흡혈괴마의 비밀
لومړۍ 200 کرښې.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় Anisur Rahman
𝘍𝘢𝘤𝘦𝘣𝘰𝘰𝘬 𝘗𝘳𝘰𝘧𝘪𝘭𝘦 𝙵𝚊𝚌𝚎𝚋𝚘𝚘𝚔.𝚌𝚘𝚖/𝚖𝚍𝚊𝚗𝚒𝚜𝟺𝟼𝟿
১৭৮৯ সাল,
এক রক্তচোষা দানবের আবির্ভাব হয়
আর প্রতিশোধ নিতে ব্যাপক ধ্বংস চালায়।
এটা ওই দানবেরই কাহিনী।
এটা মানুষের রক্ত পান করতো আর উড়তে পারতো।
প্রচুর শক্তিশালী ছিল আর আঘাতের পরপরই সেরে উঠতো।
শ্রেণীবদ্ধ
এমন একটা দানবকে মারার একটাই রাস্তা ছিল
এটাকে পুড়িয়ে ফেলা।
রক্তে জীবিত, আগুনে মৃত।
রক্ত একে জীবন দিয়েছিল।
আগুন মেরেছিল।
ওইখানে!
এখনই খুজে বের তাকে!
বন-জঙ্গল ঝালাপালা করে ফেল!
- ওখানে! - ধর তাকে!
এদিকে!
ধর!
আটকে ফেল!
ভোরের আগেই তাকে খুজে বের কর।
কোথায় ওটা?
আমি
কে?
সব জায়গায় খোজ!
ভোরের আগেই খুজতে হবে!
জলদি!
তুমি আমাকে চেনো?
খোজ তাকে! জলদি!
এটা কি?
তুমি কে আর আমি-ই বা কে?
ওখানে!
আক্রমণ!
চল!
জ্বি, জনাব!
SECRET OF THE LIVING DEAD
কি খুজছেন আপনি?
এখানে আমাদের করার মত কি কাজ আছে?
একটা রক্তচোষা আছে এখানে।
রক্তচোষা? কি ওটা?
একটা রক্তচোষা দানব!
এই সার্কাস যে গ্রামেই গিয়েছে সেখানে রক্তহীন লাশ পাওয়া গেছে।
এখানে অবশ্যই কোনো রক্তচোষা আছে।
কি সব বকছেন!
আমি শুনেছি আপনারা যে যাদু টা করেন তা খুব বিখ্যাত।
বেশ,
দেখা যাক কি করেন আপনারা।
জ্বি, জনাব! আশা করি আপনি খুশি হবেন।
উল-গিয়ো গার্ডেন
মানিকজোড়
আসল তরবারি?
হ্যাঁ! সে একটা মানুষকে বক্সে ভরে আর আটকে দেয়।
মাথা নষ্ট কাজকারবার।
বাক্সটা খুব ছোট।
তরবারির ঘা থেকে বাচার জন্য রুম আছে।
চিন্তা করো না।
ঘা থেকে বাচার কোনো রুমই নেই!
যাদু শুধু একটা কৌশল। বিশ্বাস করো।
কিন্তু বিশ্বাস হচ্ছে না আমার!
বাচাও! বাচাও!
খুব চিপা এখানে!
আম্মা!
জনাব!
দয়া করে বাইরে বের করুন আমায়!
লুকানোর কোনো জায়গা নেই!
বের কর এসব, শালা!
রক্ত!
মরে গেলো নাকি?
তুমি ঠিক আছো?
সবগুলিকে পাশ কাটিয়ে গেছি।
রক্ত...
রক্ত বেরোচ্ছে তার!
বলেছিলাম বাক্সটা খুব ছোট, শালা...
সিও-পিল!
বাচান! আমার মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছেনা!
ইওন-নিওন!
দয়া করে আমার মেয়েকে খুজে দিন!
কোথায় তুমি আম্মা?
আম্মা! কোথায় তুমি?
আম্মা!
আম্মা!
শয়তান রক্তচোষা!
নিজেকে বাচাতে নিষ্পাপ লোকেদের মেরেছিস!
এত বড় সাহস!
আমার অনুমান ঠিক ছিল।
তর কৌতুহলই তর মৃত্যুর কারণ হবে!
এইবার, আমি তর মাথায় মারবো!
থামো!
বাবা।
বন্ধ করি এসব।
না, বাবা!
তাহলে রক্তচোষা না, পোর্ফেরিয়া রোগী?
রক্তে অক্সিজেন সল্পতার কারনে, হৃদপিণ্ডে ধড়ফড়ানি শুরু হয়,
শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা আর হৃদপিণ্ড স্ফীত হয়ে যায়।
তোমার রক্ত পূর্ণ করতে নিষ্পাপ লোকেদের মেরেছ!
আমার ছেলে নির্দোষ। সব আমার দোষ।
যদিও নিজের ছেলেকে বাচাতে তুমি এটা করেছ,
তোমার পাপ সেই রক্তচোষা জানোয়ার থেকে কম না।
কি করেছ তা জানার পরেও বাচতে ইচ্ছা হয়?
হং তে-মান
কি রক্তচোষা?
আবারও কি সেই কৈশোরকাল পার করছেন আপনি?
উদ্ভট কল্পনা করছেন!
রক্তচোষাদের অস্তিত্ব আছে।
কারন আপনার কোনো কাম-কাজ নেই।
পদ হারিয়েছেন আপনি।
যে মহিলার কাছে আপনি যেতেন, সে ও চায় না।
কিছু করুন!
এমনভাবে বলছো যেন দুনিয়াটা খুব ছোট আর সহজ।
১৭৪২ সালে, পন্ডিত চোই আর তার চাকরকে
নিয়ে একটা প্রতিবেদন বানানো হয়েছিল।
চাকরটা একটা রহস্যময় আলো দেখেছিল।
তারপর কোনো চিহ্ন ছাড়াই চোই উধাও হয়ে যায়।
আর কয়েক বছর আগের সেই অদ্ভুত প্লেগ...
পৃথিবীটা এমন অবিশ্বাস্য ঘটনায় ভরপুর।
কে বলে যে রক্তচোষার অস্তিত্ব নেই?
প্রমাণ আছে আপনার কাছে?
৩০ বছর আগে,
পশ্চিমাদের একটা জাহাজ চায়নার উদ্দেশ্যে রওনা হয় যেটা জেসনের অগভীর জলে আটকা পরেছিল।
তখন রক্তচোষা দেখা যাওয়ার প্রমাণ মিলেছিল।
কি যে বলেন!
আজেবাজে না বকে গোয়েন্দাগিরিতে মন দেন।
বেতন কি দিবেন না আমাকে?
ঘুরাঘুরি বন্ধ করে আপনার সুন্দর বাড়িটায় ফিরে যান।
তারপর আমাকে বিয়ে করতে হবে!
করতে যদি হয়, তবে করবেন না কেন?
কাওকে আগে না দেখে, না ভালোবেসে আমার বিয়ে করার কোনো ইচ্ছে নেই।
তাহলে আপনার বাবাকে এটা বলুন।
- যার সাথে বিয়ে করতে হবে তার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। - তাতে কি?
আপনি ত মনের কথা বলতে খুব পারদর্শী। নিজের বাবার সাথে কথা বলতে পারেন না এ ব্যপারে?
এটা আপনার জীবন!
বলে দেন, করবো না!
বলেন যে ভালোবাসা ছাড়া কোনো অপরিচিত কে বিয়ে করবো না।
বলেছিলাম!
বলেছিলাম যে এটা আমার জীবন, আর আমার সিদ্ধান্ত তিনি নিতে পারেন না।
তারপর?
দুটো থাপ্পড়।
কথায় অবিচল তিনি।
আমি ভেবেছিলাম তিনি একটু অন্যরকম হবে।
মহাশয়!
রাজা কিম-সিন পূর্ণিমা তিথির জন্য অধীর আগ্রহ
পুরো জেসন জুড়েই বিরাজ করছে।
৩০ বছর আগের সেই উৎসব থেকে আরো বড় উৎসব করার জন্য
সকল বয়সের মানুষই দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে।
কিছুদিন আগেই, আমাদের দুর্গ আরোও শক্তিশালী করার জন্য ১০ হাজার লোক কাজ করেছে।
তাদের জন্য পূর্ণিমা তিথির কাজ করাটা অবশ্যই কঠিন হয়ে পরবে।
তাই, আমি তাদের জন্য ছোট্ট একটা পুরস্কার প্রদান করলাম।
তাদের কর হিসেবে শুধু ধান দিলেই হবে।
আর ধনীরা তাদেরকে কাপড়ের যোগান দিবে।
রাজা কিম-সিনের জয় হোক, কিছু বলার আছে আমার।
প্রজাদের জন্য তার ক্ষমা ও দয়া স্বর্গদূতের মতো।
কিন্তু,
যদি ধনীরাও সাধারণ প্রজাদের মতো মূল্য দেয়,
তাহলে তাদের মাঝে পার্থক্যটা কোথায়, মহাশয়?
এতে করে শ্রেণী পার্থক্য ধ্বংস হয়ে যাবে
আর জেসনের মূলনীতি বিপত্তির মুখে পড়বে।
অনুগ্রহ করুন, মহাশয়!
অনুগ্রহ করে আপনার সিদ্ধান্ত বাতিল করুন!
রাজা নিজেও নিজের রাস্তায় চলতে পারেনা।
বিয়ে করতে কোনো শারীরিক সমস্যা আছে নাকি?
ধুর ব্যাটা!
মাফ করবেন।
কে?
গরম চালের চা এটা।
ধন্যবাদ।
দারুণ সুগন্ধ আছে এতে।
খুব ভালোভাবে বানিয়েছি।
নিজের পরিচয় দিয়ে নিই।
আমি ইয়ন-মি মহল্লা প্রধানের মেয়ে।
কিভাবে আপনার সাহায্য করতে পারি?
কিছুদিন আগে,গাংহোয়া হল মেরামতের সময়,
হঠাৎ করেই ছাদ ধ্বসে পরে আর বহুও কর্মী মারা যায়।
মৃতদের মাটিচাপা দেওয়ার সময় দুটো লাশ পাওয়া যায়।
একটা কংকাল আর আরেকটা পোড়ানো।
যাইহোক, পোড়ানো টা পুরোপুরি ঝলসে যায়নি।
শুধু তাই না!
যখন তারা খবরটা জানাতে যায়,
লাশটা উধাও হয়ে যায়!
শুধু পোড়ানো লাশটাই উধাও হয়েছিল!
তার কিছুদিন পরেই আরেকটা ঘটনা ঘটে।
ওটা সম্পূর্ণ অদ্ভুত।
কেও বলে যে একটা অদৃশ্য আগুন একটা লোককে পুড়িয়ে মেরেছে।
সে মারা গিয়েছিল কিন্তু মৃত ছিল না।
সে বেচেঁ থাকার পরেও বেচেঁছিল না।
আবার কেও বলে যে এটা গাংহোয়া হলের আগুনে যারা মরে গিয়েছিল তাদের প্রতিশোধ।
৩০ দিন পরেই পূর্ণিমা তিথির অনুষ্ঠান শুরু হবে।
রাজসভা থেকে এর প্রস্তুতির জন্য বাবাকে বলা হয়েছে।
যাইহোক, তিনি অসুস্থ আর এতগুলো সমস্যা দেখতে পারবেন না।
আমি এখানে এসেছি আমাদের সেই রহস্যগুলোর সমাধান করে দিতে।
এটা অতটা সহজ হবে না।
পেশাদারী খুনগুলো সহজে সমাধান হয়না।
আমি শুনেছি জেসনের মধ্যে আপনিই সেরা।
আম সেরা না।
সেরাদের সেরা!
দুঃখিত, নিজেকে এভাবে ছাড়া অন্যভাবে পরিচয় দিতে পারিনা।
সামান্য অভিমানী।
হ্যাঁ।
থাকার জায়গার ব্যাপারে কথা বলি।
দুই রুম নাকি থাকার রুমের সাথে একরুম?
No comments yet. Be the first to leave one.