لومړۍ 200 کرښې.
খুব খারাপ হয়েছে। তোমরা তো নতুন পরিবার শুরু করতে যাচ্ছিলে।
তোমরা তো নতুন পরিবার শুরু করতে যাচ্ছিলে।
তোমরা তো নতুন পরিবার শুরু করতে যাচ্ছিলে।
তোমরা তো নতুন পরিবার শুরু করতে যাচ্ছিলে।
যে মানুষটা নতুন পরিবার শুরু করতে যাচ্ছিল
সে কি ৪৪ মিলিয়ন ইউরো চুরি করার কথা ভাববে?
আর সেসব গয়না কেন চুরি করবে যার ব্যাপারে শুধু সে জানতো?
আর সেই ভল্টে কেন চুরি করতে যাবে যার প্রবেশাধিকার শুধু তার কাছে আছে?
ব্যাপারটা অদ্ভুত না?
কোনো বোকাই এমন কাজ করবে।
হ্যাঁ, এটা বোকামি। এর কোনো মানে হয় না।
কিন্তু জানো তো, মাঝেমধ্যে জীবনে...
কিন্তু পুলিশের পাওয়া সেসব প্রমাণ?
কেউ তো বাসার ভেতরেও ঢুকতে পারে?
হ্যাঁ। আমরা তো রাতে এলার্মই অন করি না।
কেউ বাসায় ঢুকে চাবিটা নিয়ে, ওর কোট পরে, গাড়ি নিয়ে বের হতেই পারে।
যা খুশি করতে পারে।
ক্যামিলা, কিছু চোর অনেক পাগল হয়।
সাইকোপ্যাথ টাইপের একদম।
কিন্তু মনে হয় না, কারো মাথা এত খারাপ হতে পারে
যে কারো থেকে ৪৪ মিলিয়ন চুরি করে তার বাসাতেই আসবে রাকে ফাঁসাতে।
মানে, চোরেরা তো চুরি করে চম্পট দেয়।
না।
না, আমার স্বামী রাতে কখনো ফোন অন রাখতো না।
আর না গয়না কখনো ফার্মহাউসে নিয়ে যেত।
ও হাইস্ট মুভি অনেক দেখে, এমন ভুল করার কথা না।
আমারও হাইস্ট মুভি অনেক পছন্দ।
আমি ওকে ৮ বছর ধরে চিনি।
আমি জানি ও খুব ভালো মানুষ।
পুলিশ ওকে সন্দেহ করতে পারে, আমি না।
আমার স্বামীকে ছেড়ে তোমার সাথে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
কিন্তু এখন, এতকিছু হবার পর,
আমি ওকে জেলে একা ছেড়ে যেতে পারব না যেখানে ও কোনো অপরাধই করেনি।
MONEY HEIST BERLIN
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
আপনার বিরুদ্ধে পাওয়া প্রমাণগুলোর ভিত্তিতে,
কমসেকম ১৫ বছরের জেল হতে পারে।
বুঝতে পারছেন আমার কথা?
আপনি কোওপারেট করলে, শাস্তি কমতে পারে।
কিন্তু বেশি সময় নেই আপনার কাছে।
আপনার সঙ্গীদের দেশ ছাড়ার আগে আটকানো লাগবে।
ইন্সপেক্টর, শুনুন। আমি সাহায্য করতে রাজি আছি।
কিন্তু বিশ্বাস করুন, এসবে আমার কোনো হাত নেই।
ঠিক আছে।
সেক্ষেত্রে, কোর্টকে আপনার জামিন নামঞ্জুর করে
হেফাজতে রাখার জন্য বলব।
সাথে আপনার সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত আর
সব ব্যাংক একাউন্ট ব্লক করার ব্যবস্থা করব।
আপনার কারণে আমাদের সার্চ অপারেশন জারি করতে হবে,
কিন্তু কথা দিচ্ছি গয়নাগুলো ফ্রান্সের মাটি থেকে যেতে দিব না।
রাস্তা বন্ধ করো।
চলো। পিছনে চেনগুলো বিছিয়ে দাও।
শান্ত থাকো।
কী করছ তুমি?
পুলিশ আমাদের আটকালে, আমি পিছন দিয়ে বের হয়ে যাব।
সবাই শান্ত থাকো। আমরা কোনো প্রমাণ ছেড়ে আসিনি।
তাই? নিশ্চিত তুমি? হতে পারে ওরা সব জেনে গেছে?
হতে পারে আমরা ক্যামেরায় ধরা পড়েছি?
হতে পারে ওরা আমাদের ভ্যানটা ট্র্যাক করেছে?
কী করছে ওরা?
- থামো! - ওরা আমাদের থামালে, আমি লাফ দিব।
দেখে ফেলবে ওরা, গাধা! সামনে পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে!
দরজা বন্ধ করো!
ওখানে। ওই বাসার কাছে নামাও ওকে। তাহলে দেখতে পাবে না।
আগুনে ঘি ঢেলো না তুমি!
থামো!
টিনগুলো লুকাও! আমরা একটা পরিবার, যারা ছুটিতে বেরিয়েছে!
দেখে! ওকে মেরে বসবে তো!
মাথা কি ঠিক আছে?
মারার চিন্তা করেছিলেন নাকি?
স্যরি...
আমরা স্প্যানিশ বলি। ফ্রেঞ্চ জানি না।
আমাকে তো মেরেই বসেছিলেন।
মাফ করবেন। আপনাকে দেখিনি, অফিসার।
আমার ছেলের সাথে একটু তর্ক হচ্ছিল।
কী নিয়ে?
খাবার নিয়ে। ও থামতে চাচ্ছিল।
দুই ঘন্টায় দুবার হয়েছে।
জানেন তো!
ছোকরা ছেলেপেলের স্বভাব, সারাদিন খাই খাই করে।
আইডি দেখান আপনাদের।
আর পিছনের দরজাটা খুলুন।
ঠিক আছে।
মার্তিতা, আইডিগুলো আমাকে দাও আর দরজাটা খুলো।
সবাই নিজ নিজ জায়গায় থাকুন।
- কোথায় থেকে আসছেন? - ভার্সিলাস।
কয়েকদিন প্যারিসে ছিলাম, আর গতকাল ভার্সিলাসে।
প্রমাণ করার মতো কিছু আছে?
স্যান্ডউইচ র্যাপিং বা ছবিগুলো ছাড়া?
ঠিক জানি না।
দেখতে হবে।
এক সেকেন্ড, দেখে বলি...
না, এটা না। মেট্রো টিকিট। উম...
হ্যাঁ। এই যে। এটা আছে।
এই দেখুন।
২টা ৪০ এ হোটেল ছেড়েছিলেন?
জি।
স্প্যানিশ পরিবার বছরের এই সময়ে ফ্রান্সে কী করছে?
স্কুল কলেজ নাই নাকি? ছুটি চলছে?
ঠিক ছুটি না।
শ্রদ্ধাঞ্জলি বলতে পারেন। আমাদের মায়ের খাতিরে।
- একটা বিদায় যাত্রা। - তিন সপ্তাহ আগে মারা গেছে সে।
মায়ের স্বপ্ন ছিল পুরো পরিবারকে নিয়ে একটা ট্রিপে যাবার, যা পূরণ হয়নি।
আর এই হলো তোমাদের মা।
ফ্রান্সে, অনুমতি ছাড়া লাশের ছাই কোথাও নিয়ে যাওয়া যায় না।
এটা দেখার পর পুলিশরা টিন নিয়ে মোটেও নাক গলাবে না।
অন্যভাবে বললে, পুলিশের অন্যকিছুতে যায় আসবে না
এমনকি সদ্য আপনজনকে হারানো পরিবার সামনে হলেও।
পেরেনিস না পৌঁছানো অবধি সাথে রাখতে চেয়েছিলাম।
আর তার পরেও।
ফ্রান্সে, অনুমতি ছাড়া কারো লাশের ছাই ছড়ানো যাবে না।
এমনকি, অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়াও বেআইনী।
কারণ সেটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
লাশ পুরানোর পর সেটা থেকে দূষিত গ্যাস তৈরি হয়।
যেমন দাঁতে লাগানো ধাতু বা আর্টিফিশিয়াল হাড় থেকে।
বোঝা গেছে?
এটাই আইন। আপনারা এটা নিয়ে ট্রাভেল করতে পারবেন না।
এটা কেমন কথা?
- ওরা মাকে নিয়ে যাবে? - শুনুন, এর কোনো মানে হয় না।
এটা না স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র? হাহ?
- এমন জুলুম কীভাবে করতে পারে? - শান্ত থাকো। উত্তেজিত হবে না।
লুইস, চুপ করো। বসে পড়ো।
বসো বলছি!
ভস্মাধারটা খুলুন।
আর সাথে টিনগুলোও।
ধরো ওকে!
থেমে যাও!
হাঁটু গেড়ে বসো!
ওটা ফেলো!
না, প্লিজ, না...
ফেলো ওটা!
না! না! না! প্লিজ না!
ওকে ছেড়ে দিন! ও বাচ্চা! ও নাদান!
- সব ঠিক আছে। - মা...
যা দেখতে চান দেখুন।
যা সার্চ করতে চান করুন, কিন্তু আমাদের ছেড়ে দিন।
একটা বাচ্চার উপর গুলি চালিয়েছেন।
ও দৌড় দিলো কেন?
ও নিজেই ঝুঁকি নিয়েছে।
আপনারা নিজেদের গাড়িতে যান।
আর এখান থেকে যান।
কি অভিনয়টাই না দেখালে!
অস্কার পাক্কা।
পেনেলোপে ক্রুজ ফেল!
কেইলা আর ব্রুসকে ফোন করো।
ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও,
তারপরও প্যারিসের ভিয়েনত অকশান হাউসের ডাকাতি
এখনো নিশ্চিত করেনি কতৃপক্ষরা।
জানা গেছে নেভিয়ার শহরে বিলাশবহুল এক বাসায়...
চুরির সময় বয়স্ক দম্পতি ও তাদের জামাইয়ের হত্যা হয়েছে।
স্বাক্ষীদের মতে, চোর ছিল দুজন যুবক-যুবতী,
যারা ভিক্টিমদের উপর ২০ বারেরও বেশি গুলি চালায়।
- হ্যাঁ? - এখনো বাসে আছ?
হ্যাঁ বা নাতে উত্তর দাও।
হ্যাঁ।
সার্চ অপারেশন জারি করা হয়েছে।
পুলিশদের থেকে জানলাম
ওরা রাস্তা সব ব্লক করে রেখেছে।
মাত্রই একটা পার করলাম। আমাদের কোথাও থামা লাগবে।
তাই জলদিই বাস থেকে নেমে পড়ো মানে পরের স্টপে।
- হ্যাঁ। - জঙ্গলের ভেতর চলে যাবে।
রাত হলে, তাঁবু খাটিয়ে ঘুমিয়ে পড়বে।
সকাল হতেই, ব্যাগপত্র গুটিয়ে হাঁটা ধরবে।
কিন্তু রোডে যাবে না। জঙ্গলের ভেতরেই থাকবে।
- বোঝা গেছে? - হ্যাঁ।
আমরা আগামী তিনদিন ক্যাম্পিং সাইটে থাকব
আর পরিস্থিতি ঠান্ডা না হওয়া অবধি অপেক্ষা করব।
- সেখানে থাকা কি ঠিক হবে? - হ্যাঁ।
কোথায় গিয়ে লুকানোর চেয়ে পালিয়ে বেড়ানো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
ওরা রাস্তাঘাট চেক করবে, স্থানীয় লেক না।
আর আমরা দেখা লুকাবো।
জানি আমার উপর রেগে আছ, কিন্তু আমরা কথা তো বলতে পারি।
কী ছিল ওটা?
দাঁত দেখলাম বোধহয়, হাসতেই যাচ্ছিলে।
আরে কেইলা, আমরা হাঁটতে হাঁটতে কথা তো বলতে পারি।
শোনো, ব্রুস।
আমরা একটা কাজে এসেছি।
আর আমরা বন্ধু বা স্কুলের দোস্ত না।
তাই এখন আর নাটক করার প্রয়োজন নেই।
হাসি-ঠাট্টারও প্রয়োজন নেই।
আর হাঁটতে হাঁটতে কথা বলারও না।
এই কাজটা শেষ হলেই, আলবিদা।
বেশ, কিন্তু আমি চুপ থাকব না।
কী বলব বুঝছিও না।
মাথাটা খারাপ করে দিয়েছে।
তার চেয়ে চুপ থাকি।
থামো!
তোমরা ভেতরটা সামলাও। আমি বাইরেরটা দেখছি।
- কোনো সাহায্য লাগবে? - না, লাগবে না।
আমি একটা চক্কর দিয়ে আসছি।
আমার স্বামীকে ছেড়ে তোমার সাথে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
আমি জানি ও খুব ভালো মানুষ।
শুভ সন্ধ্যা, স্যার।
যদি কতদিন থাকবেন বলতেন,
আমাদের জন্য সুবিধা হতো।
আমি অনন্তকাল থাকব।
- ধন্যবাদ। - অবশ্যই।
আমি কি হাউসকিংপিকে পাঠাবো?
বিছানার চাদর বদলাবার জন্য?
"ডু নট ডিস্টার্ব" এর সাইনও ঝুলিয়ে রেখেছেন অনেকক্ষণ যাবত।
No comments yet. Be the first to leave one.