لومړۍ 200 کرښې.
Bengali Subtitle By Mamun Abdullah
ওটা বাছিনি, কারণ আমার ফুসকুড়ি হয়,
তাই ভয়েরটা বেছে নিয়েছি
কারণ, প্রতি বছর আমি হ্যালোউইনের ছুটি কাটাই,
কিন্তু কেউই ভয় পায় না।
আমি বেসবল ভালোবাসি। আমার বেসবল খেলার খুব ইচ্ছা।
হারি জিতি সেটা ব্যাপার না।
আমি পছন্দ করি কারণ, সব খেলায় হেরেছি।
হারতে হারতে আমি ক্লান্ত।
আমি অনেক চেষ্টা করি। যখন বল আমার দিকে আসে তখনই।
খুব চেষ্টা করি ক্যাচ ধরার।
মাঠের বাহিরের সবাই আমার দিকে হা করে তাকিয়ে থাকে...
বলে, বেসবল খেল, বুঝলে?
আর কিছু খেল না।
উনারা চলে এসেছেন।
লুইস?
লুইস?
গুব! অই, আমি করেছি! গুব শেষ করেছি!
উনারা জিনিসটা পছন্দ করবেন!
পাগলা বিজ্ঞানীরা "এডপ্ট নিন" বলে না।
লুইস!
- লুইস, হ্যারিংটনরা এসে গেছেন! - আপনার আগে দেখেছি, মিলড্রেড।
থামো! থামো! থামো।
মনে রাখবে, সোজা হয়ে বসবে। চোখের দিকে তাকাবে।
হাসবে, চুল ঠিক করো...
মিলড্রেড।
আচ্ছা, বেশ, বেশ বেশ।
যাও দেখিয়ে দাও, তুমি কতটা স্পেশাল।
ওহ, হয়ে যদি যায়।
ওরা যদি দত্তক নিয়ে নিত।
তাঁকে আর আমাকে, ম্যাডাম।
মানে, পৃথিবীতে কত কিছু উন্নত করা সম্ভব।
চিন্তা করে দেখুন। চলমান ফুটপাত, উড়ন্ত গাড়ি।
সবই সম্ভব।
উড়ন্ত গাড়ি? এটা তো ভালোই।
শুধু ইগনিগেশন আর বিজ্ঞানে একটু কাজ করতে হবে,
আর আমরা পৃথিবীকে আরও ভালো জায়গা বানাতে পারবো।
এগুলো দারুণ সব বুদ্ধি।
তোমার প্রিয় খেলা কি?
- আবিষ্কারকে খেলার মধ্যে ধরেন? - আসলে...
কারণ আমি এটা চালিয়ে দেখাবো!
- কি এটা? - প্রথমে, একটা প্রশ্ন।
সবচেয়ে বড় সমস্যা কি হয়...
যখন আপনি পিনাট বাটার আর জেলি স্যান্ডউইচ বানান?
- লুইস, মনে হয়... - আলাদা করা।
অনেক বেশি পিনাট বাটার মুখের উপরে আটকে যায়,
চাবাতে অনেক সময় লাগে।
অনেক বেশি জেলি চাপ লেগে বের হয়ে মুখ নোংরা করে ফেলে।
মানুষের হাতের মুঠোয়...
মাখন আর জেলি
নিয়ে আসার জন্য আমি বানিয়েছি এটা।
ডেমোর জন্য আমি একটা রুটি নিব।
সোনা, সমস্যা নেই।
আপনারা দেখতে পারছেন, টোস্টও করা যায়।
আমরা আসলে মাখন খাই না।
লুইস, এসব করার দরকার নেই।
আটকে গেছে!
লুইস, প্লিজ, থাক!
কি হচ্ছে?
মি. হ্যারিংটনের বাদামে এ্যালার্জি আছে!
আমি দুঃখিত।
আমি মুছতে সাহায্য করছি!
সরে যাও!
- উনি ভালো হবেন না? - নিশ্বাস নাও।
আমি দুঃখিত। জানতাম না।
তোমার সাথে পরিচিত হয়ে সত্যিই ভাল লাগল।
এই নিয়ে ভাবার জন্য আমার সময় দরকার।
হাই, বন্ধুরা, সব কিছু...
কি হয়েছে?
মিস ডাফি, ঐ ছেলেটা আমাদের জন্য না।
এখন, আমাদের মাফ করুন।
আমি দুঃখিত এর জন্য। কিন্তু কথা শুনে...
- আমি খাবার বানিয়েছি। - খিদা লাগেনি।
বেচারা মি. হ্যারিংটন।
- আমি খুন করেছি? - না, না! তুমি করনি।
আমি ফোন দিয়েছিলাম। উনি ভালো আছেন।
শুধু বলতে চেয়েছি তোমার চমৎকার আবিষ্কারের সাহায্যে উনারা স্যান্ডউইচ খেতে পারলেন না।
- হ্যাঁ, আসলেই চমৎকার। - তোমার দোষ নেই।
আমরা আসলে সঠিক দম্পতি খুঁজে পাইনি।
১২৪ নাম্বার।
কি?
আমি এতগুলো দত্তকের ইন্টার্ভিউ দিয়েছি, ১২৪টি।
ওহ, লুইস। তা না।
তুমি আসলে বাড়িয়ে...
বলছ।
আর, আগামী বছরে আমার বয়স ১৩ হয়ে যাবে,
আপনি জানেনই কিশোরদের কেউ দত্তক নিতে চায় না।
আমার কোন ভবিষ্যৎ নেই। কেউ আমাকে চায় না।
এটা সত্য না, লুসি!
নিজের মা'ও চায়নি আমাকে।
চুপ করো। তুমি জানো না।
তাহলে মা আমাকে ফেলে দিয়েছে কেন?
হয়ত তোমার যত্ন নেবার মত অবস্থায় ছিল না।
কখনো ভেবেছ এটা?
আমি নিশ্চিত উনি শুধু তোমার ভালোটাই ভেবেছেন
এভাবে কখনো ভাবিনি।
হয়তো তোমাকে কাছে রাখতে চেয়েছিল, কিন্তু উপায় ছিল না।
আপনি ঠিক বলেছেন।
আমার আসল মা একমাত্র মানুষ যিনি আমাকে সত্যিই চেয়েছিলেন।
থামো। আমি "হয়ত" বলেছি।
আর আমাকে আগে চাইলে, এখনও চান।
কি ভাবছ তুমি?
মা'কে খুঁজতে হবে, মিলড্রেড, খুঁজে পেলে, মা আবার আমাকে নিবে?
আর আমরা আবার পরিবার হয়ে যাব।
আরে, আরে, আরে! লুইস, তুমি পারবে না।
কেউ তাঁকে চিনে না, কেউ দেখেনি তাঁকে।
ভুল। আমি দেখেছি...
একবার
মা এখানে। আমাকে শুধু মনে করতে হবে।
এটাই!
খুব ক্লান্ত।
আজ দুপুর ২'টায় দেখা হবে। আপনারা আসছেন তাই সে খুব খুশি।
এখন, রাখছি।
ইয়েস! এই গুব... মানে, মাইকেল।
- আজকের খেলার জন্য শুভ কামনা। - সহজে জিতব।
ওরা একটুও খেলতে পারে না।
শুধু দোয়া করেন ঘুমিয়ে না পড়ি যেন।
বলতে হবে না। আমি বলছি।
সে রাতভর ফালতু প্রোজেক্ট নিয়ে কাজ করে,
কিন্তু তাই হয়...
যখন রুমমেট বিজ্ঞানের পণ্ডিত হয়।
আহ, চনমনে লাগছে।
বেশ, আইনস্টাইন, তুমি মাইকেলের অনেক সময় নষ্ট কর।
মস্তিষ্কের রহস্য জানতে অনেক সময় লাগল।
কিন্তু কাজ হয়েছে, মিলড্রেড। হেডসেটটা আবার সাজিয়েছি।
স্নায়ুর যন্ত্রগুলো এখন কাজ করবে।
হিপোক্যাম্পাস হ্যাক করতে পারব!
তাই? তাহলে, কি?
এখন পরীক্ষা করতে হবে।
ওহ না! দেরী হয়ে গেল! যেতে হবে!
একটু দাঁড়াও লুইস। দাঁড়াও।
যে কারণে এসেছিলাম ভুলেই গেছি।
জানি আজ তোমার অনেক কাজ আছে।
কিন্তু আজ বিকালে একটা ইন্টার্ভিউয়ের ব্যবস্থা করেছি।
- না থাক। - "না থাক?"
বাবু, এডোপশনের ব্যাপার,
আর ভদ্র ছেলের মত পরিষ্কার হয়ে চলে আসবে।
অনেক হয়েছে ইন্টার্ভিউ, মিলড্রেড। আর রিজেক্ট হতে চাই না।
শোনো, তোমার মন কোথায় পড়ে আছে জানি, কিন্তু...
তোমাকে অতীত থেকে ফিরে এসে ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হবে।
তাই তো করছি।
এটাই আমার ভবিষ্যৎ।
আমি স্যরি।
লুইস, বাবা?
ড. ক্রাংকেনহর্ন, জানি ইন্টভেন্টকো ল্যাবে আপনার অনেক কাজ।
বিচারক হিসাবে এখানে আসায় আমরা গর্বিত।
আমিও অনেক খুশি, মি. উইলস্টিন, কে জানে,
আপনার কোন ছাত্র ইন্টারগ্রেটেড সার্কিট কিংবা ইন্টারগ্রেটেড সার্কিট ফেলে।
ওহ, না এক কথা কতবার বলি। আমি ল্যাব থেকে বেশি বের হই না তো।
এটা বো টাই? আমার বো টাই পছন্দ।
আট দিন আমি ঘুমাইনি!
তাহলে আপনাকে কফি এনে দিব?
না! আমি কফি প্যাচ বানিয়েছি। প্রতি প্যাচে ১২ কাপ কফি হয়।
ওটা দিয়ে যতদিন খুশি জেগে থাকা যায়।
স্যরি। কে ও?
আমাদের সেরা ছাত্রী, স্টানলি পুকস্কি।
এত কিউট! ওর গুলুমুলু গাল কামড়ে খেতে ইচ্ছা করছে।
এমন পোশাক পরেছ কেন, পুকস্কি?
এটা আসলে টোগা, স্যার।
কোচ, আপনি আসায় খুশি হয়েছি। তা এখানে কি মনে করে?
বিজ্ঞান মেলায় বিচার ছাড়া আর কি করতে আসব?
বিজ্ঞান মেলায় আপনি কীভাবে কোয়ালিফাই হলেন?
ব্যায়াম করে।
স্টানলি, আগ্নেয়গিরি।
দেখুন মাউন্ট ভিসুভিয়াসের আশ্চর্য ক্ষমতা!
অন করার সুইচ কাজ করে না।
ড. ক্রাংকলেনহর্ন।
বেরিয়াম, কোবাল্ট, আইনস্টাইন, কোল-এইড!
মহিলা কি বলল কিছুই বুঝি নাই তবে তোমার প্রোজেক্ট কাজের না!
এবার গিয়ে ২০ পাঁক দৌড়ে আসো! যাও! যাও! গুলুমুলু! পালাও!
- কোচ! - আমি দেখছি কিন্তু।
এরপরে লিজির আছে বিষ পিঁপড়ার খামার।
একদম ঠিক।
লিজি বলেছিলে বিষ পিঁপড়া মানুষকে কামড়ায়।
শুধু শত্রুদের।
আচ্ছা সামনে যাই। সাবাস, লিজি!
ওকে আরও ঘাঁটালে তাহলে কপালে খারাবি আছে।
জায়গাটা সুবিধার না।
তুমি কোন বোলার হ্যাট পরা লম্বা লোককে দেখেছো?
- কি? - অই, অই, প্রশ্ন শুধু আমি করব।
- আচ্ছা, বাই। - আচ্ছা, আচ্ছা।
বলতাম না কিন্তু তুমি জোর করায় বলছি শোনো।
গোয়েন্দা উইলবার রবিনসন। T.C.T.F.
- সেটা আবার কি? - টাইম কন্টেনিয়াম টাস্ক ফোর্স।
আমি তোমায় বাঁচাতে এসেছি।
এবার বলো, লম্বা, বোলার হ্যাট পরা কেউ এসেছিল?
না, কেন?
তোমার কারণে আমি চাকরী হারাব। তাঁকে ডাকাতির সন্দেহ করছি!
কি চুরি করেছে?
- টাইম মেশিন। - কি?
আমার গোয়েন্দার থেকে জেনে এই সময়ে তাঁকে খুঁজতে তোমার কাছে এসেছি।
আমি? আমি কেন?
HQ সেটার কারণ খুঁজে পায়নি।
"HQ," মানে "হেডকোয়ার্টার।"
আমি মানে জানি।
সাবাস। বুদ্ধিমান ছেলে। সেকারণেই তো আপাতত জানে বেঁচে গেছ।
এখন তুমি বিজ্ঞান নিয়ে পড়ে থাকো আর "অপরাধী" আমি সামলাচ্ছি।
- "অপরাধী" মানে... - আমি মানে জানি!
আচ্ছা, মি. বিজ্ঞানী।
টুপি পরা লোক।
No comments yet. Be the first to leave one.