لومړۍ 200 کرښې.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
গল্পটা...
এক স্পেশাল ছেলের...
...যে নিজেকে দুনিয়ার শেষ প্রান্তে খুঁজে পায়।
কিন্তু আমাদের গল্পের শুরুটা এখান থেকে নয়।
আমাদের ফিরে যেতে হবে...
... গ্রেট কাম্বলের পূর্বের সময়ে।
- ভুলো না কিন্তু... - হ্যাঁ, টার্কি।
- মুয়া! - মুয়া!
কারণ এটা এক ডাক্তারেরও গল্প
যে সুখে শান্তিতে সাধারণ জীবন কাটাচ্ছিল।
তো বলছ তোমার ক্রকোডাইলের নাম ক্রক।
কোনো ক্রকোডাইলের জন্য এ তো দারুণ নাম।
এখান থেকে খুব শীঘ্রই ছাড়া পেয়ে যাবে,
আর উপভোগ করবে এই মিষ্টি আবহাওয়া।
সে এখানকার তৃতীয় সেরা ডাক্তার, তাই না? মজা করছি।
তোমার তাপমাত্রা দেখব।
তোমার লক্ষণগুলো বলো, প্রথম কখন...
এক নজর গার্ডিয়ানদের ডিফেন্স দেখে নেওয়া যাক।
- উহ! ধ্যাত। - শুরু হচ্ছে ক্যাপ্টেনকে দিয়ে।
ভুলে গেছ, তাই না?
কালকে আনবো।
- লাভ ইউ। বাই। - বাই।
ললিপপ খাও মজা করে
পরে দেখা হবে।
কিন্তু এই অসুস্থতা ছিল না সাধারণ।
আসো।
জীবনধারা আর হতো না কখনও স্বাভাবিক।
কতদিন লেগেছে?
সে তিনদিন আগে ভালোই ছিল।
রুমটা সিল করে দাও।
আমরা এমন সংখ্যক প্রাণহানির আশঙ্কা করছি যা ব্ল্যাক প্লেগের পর আর দেখা যায়নি।
আমাদের জীবনকালে এইচ-ফাইভ-জি-নাইন স্ট্রেইন সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভাইরাস।
সেটাই এসে গেছে, সেটাই বাস্তবতা।
যদি প্রার্থনা না করে থাকেন, তবে এটা ভালো সময় শুরু করার।
কিন্তু যেখানে একজন ডাক্তার শহরের ভয়াবহতার সম্মুখীন হচ্ছিল,
সেখানে একজন বাবা দুনিয়াকে ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছিল...
জনমানবহীন স্থানে।
রানি?
রানি?
রানি!
রানি?
ঠিক আছে, ঠিক আছে।
আচ্ছা আসো। আমরা গাড়িতে যাবো, ঠিক আছে?
না, না, না, না, না, না!
সব ঠিক আছে। আমার হাত ধরো। আমার হাত ধরো। আমি তোমাকে ভালোবাসি, ঠিক আছে?
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
ওহ, খোদা!
এমার্জেন্সি কারফিউ জারি করা হয়েছে।
এই! এই!
সামনে থেকে সরুন!
সামনে থেকে সরুন!
সরুন! সামনে থেকে সরুন!
সামনে থেকে সরুন!
সরুন!
তুমি ঠিক আছ। শশ। তুমি ঠিক আছ।
ঠিক আছে। শশ। তুমি ঠিক আছ।
শশ। শশ।
ওহ খোদা!
কিন্তু এটা, এটা তাদের গল্পের শেষ ছিল না।
মাফ করবেন, আপনি কি ডাক্তার?
হ্যাঁ।
মনে হয় আপনার সাহায্য লাগবে আমার।
আজ সকাল থেকে শুরু হয়েছে।
যেখানে পুরো পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল,
তখন সেখানে অন্যকিছু ঘটছিল।
অসাধারণ কিছু।
কেউ জানে না কী আগে এসেছে...
হাইব্রিডরা নাকি ভাইরাস।
কিন্তু এই প্রশ্ন হতে চলেছিল আমাদের জীবনকালের সবচেয়ে বড় রহস্য।
গল্পটা এক স্পেশাল ছেলের...
এক ছেলে যার নাম গাস।
কিছু গল্পের সূচনা হয় শুরুতে।
আমাদেরটা শুরু হয় এখানে।
কী হচ্ছে...
তাদের হাইব্রিড বলে ডাকা হচ্ছে,
জন্ত-মানব শিশুর জন্মের ব্যাখাতীত বিষ্ময়কর ঘটনা...
- অর্ধেক জন্তু। - অর্ধেক মানুষ।
কী আগে এসেছে, ভাইরাস নাকি হাইব্রিড?
এটা ২১ শতকের সবচেয়ে বড় রহস্য।
বায়োলজিস্টরা এখনও হাইব্রিড ও
এইচ-ফাইভ-জি-নাইন ভাইরাসের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজছে।
পিতামাতার নতুন বাধ্যতামূলক হাইব্রিড টেস্টিং আইনের...
বিরোধিতা করছে।
ওখানেই থাকো।
আমি এক্ষুনি আসছি।
পাবা।
কী?
কী বললে?
পাবা?
তুমি গাস, আমি পাবা।
শুভ জন্মদিন! ঠিক আছে, তো খুলো এটা।
দেখা যাক কী আছে। কী মনে হয় কী থাকতে পারে?
বই।
হ্যাঁ। তো দেখা যাক...
অপেক্ষা করো।
- তুমি মাছেদের ভয় পাইয়ে দিবে। - না, পাবে না।
- যদি গর্জন শুনতে পাই... - নিচু হয়ে যাবো।
যদি কারো কণ্ঠ শুনি...
পালাবো।
যদি মানুষ দেখি?
লুকাবো।
তুমি পেরে যাবে।
ব্যাপার না।
আবার চেষ্টা করো।
- না! - এই নাও!
- জানো তো মানুষের শরীরে রক্ত আছে? - হ্যাঁ।
তেমন গাছেদের আছে প্রাণরস।
সাবধানে, গরম হবে।
ব্যাপার না।
তোমার জন্য শব্দটা জোরালো হবে, সোনা। তোমার কানগুলো ঢেকে দিচ্ছি।
এটা একটা পাখি।
অনেক বড় একটা পাখি। ঠিক আছে?
ঠিক আছে, সব ঠিক আছে।
বাবা দুনিয়ার সব বিপদ আপদ দূরে রাখার যতই চেষ্টা করুক...
বাইরের দুনিয়া ভেতরে ঢুকার কোনো না কোনো পথ খুঁজেই নিত।
ঠিক আছে।
এখন থেকে, দিনে আর আগুন জ্বালাবো না।
এটা খুব বিপজ্জনক।
ইয়াহ!
আমি এতে অনেক খাটুনি দিয়েছি।
- একটা ডগ! - হ্যাঁ, একটা ডগ।
তো এর নাম কী দিবে?
ওর নাম দিব...
ডগ।
বেশ, একটা ডগের জন্য এটা পারফেক্ট নাম। হ্যাঁ।
"'আহারে খোকা।"
"বোধহয়, তুমি তোমার মাকে দেখতে চাও।'
'হ্যাঁ, আমি... '"
পাবা!
পাবা!
পাবা!
এই, আমি এখানে।
তোমাকে ধরে ফেলেছি।
এটা মাদার ন্যাচার, গাস, তার পৃথিবীকে ধুচ্ছে।
আমরা হাকের মতো নদীতে কোনো ভেলায় জীবন কাটাতে পারি না?
বেড়ার ভেতর কোনো নদী নেই, গাস, তুমি জানো সেটা।
তো বাইরে গেলে?
বেশ, তোমাকে বলেছিলাম আমরা বাইরে যেতে পারব না।
কেন?
কারণ আমি বলেছি।
বলেছিলে আমি বড় হলে আমাকে বলবে।
জানি আমি কী বলেছিলাম।
তো?
তো কী?
আমার বয়স এখন সাত। তো?
একটা সময়,
পৃথিবীতে খারাপ লোকেরা শাসন করত।
তারা যা চাইত তাই করত, দুনিয়া থেকে শুধু নিত।
ঠিক ঐ পিপড়াদের মতো।
তারা ছিল লোভী প্রাণী,
আত্ম-বিধ্বংসী,
শুধুই নিজেদের কথা ভাবতো।
তার প্রকৃতি সবাইকে অসুস্থ করে ফেলে,
আর যতজনকে পারে দুনিয়া থেকে সরিয়ে ফেলে।
আর তারপর একটা মিরাকেল ঘটে।
তোমাদের সৃষ্টি হয়।
যাদের তারা হাইব্রিড বলে ডাকে।
কেউ জানে তোমরা কোথায় থেকে বা কীভাবে এসেছ।
কিন্তু বেঁচে যাওয়া লোকজন তোমাদের ভয় পেতো।
তারা আরো রূঢ়, ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিল।
তারা তোমাদের পছন্দ করেনি কারণ তোমরা আলাদা।
তাই প্রকৃতি পৃথিবীতে আগুন ধরিয়ে দেয়,
আর সেটা এখনও জ্বলছে।
কিন্তু কিছু খারাপ মানুষ এখনও বাইরে আছে, গাস,
আগুনে পুড়ছে, অপেক্ষায় আছে।
আমার কাজ হচ্ছে ওদের ভেতরে আসতে না দেওয়া।
আর তোমার কাজ হচ্ছে
একটা সম্পূর্ণ জীবন কাটানো।
সুখী হও, সদয় হও।
আজ তাকে দেখেছি।
কাকে?
মামাকে।
সে সুন্দর ছিল, কিন্তু তার আমার মতো শিং ছিল না।
হ্যাঁ, ওটা তোমার মা ছিল না, গাস।
তুমি কীভাবে জানলে?
'কারণ তোমার মা আর নেই, গাস।
তাই আমি জানি।
সেই রাতে, বাবা বুঝে যায় ছেলে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া...
খুব কঠিন।
শুভ জন্মদিন।
ওরে!
এটা কী?
জেনে যাবে।
ওউ!
গিফট দিয়ে ভুল করলাম নাকি?
মামা।
গর্জন...
নিচু হও।
তোমাকে কী বলেছিলাম?!
কী বলেছিলাম?
কী বলেছিলাম?
কেউ তোমাকে দেখে ফেলতে পারতো!
আমি কিছু শুনেছি!
- কী বলেছিলাম?! - ভেবেছিলাম ওটা মামা!
তোমাকে তো বলেছিলাম, মা আর নেই!
ভুলটা আমার। তোমাকে ভয় না পেতে বলেছিলাম।
ভেবেছিলাম তোমার উপর ভরসা করতে পারব।
তুমি পারো!
না, আমাদের একে অপরের উপর ভরসা করতে হবে!
No comments yet. Be the first to leave one.