لومړۍ 200 کرښې.
ধূমপান ও মদ্যপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর!
বা
বাং
বাংলা
বাংলা সা
বাংলা সাব
বাংলা সাব মে
বাংলা সাব মেকা
বাংলা সাব মেকার
বাংলা সাব মেকার-
বাংলা সাব মেকার- A
বাংলা সাব মেকার- Ak
বাংলা সাব মেকার- Aka
বাংলা সাব মেকার- Akas
বাংলা সাব মেকার- Akash
বাংলা সাব মেকার- Akash A
বাংলা সাব মেকার- Akash Ah
বাংলা সাব মেকার- Akash Ahm
বাংলা সাব মেকার- Akash Ahme
বাংলা সাব মেকার- Akash Ahmed
এটি আমার ৯ম বাংলা সাবটাইটেল। ৬ষ্ঠ ডিরেক্ট বিসাব। (অনুবাদ নয় / ইসাব নেই।) এবারও তেলুগু ফ্রেন্ডদের সহায়তা নেওয়া লেগেছে...
ফিদা (২০১৭) - ভরুন তেজ, সাই পল্লবী... ডিরেক্টরঃ শেখর কাম্মুলা। রিলিজঃ ২১ জুলাই ২০১৭
[ ১৩ কোটি বাজেটে ৯০ কোটি আয়! অলটাইম ব্লকবাস্টার! রিভিউ পজেটিভ! কিন্তু, সাবের অভাবে সবাই দেখতে পারছিলো না। তাই, ডিরেক্ট বিসাব করে ফেললাম। 😊 ]
মেগা প্রিন্স ভরুন তেজ as ভরুন...
[ মুভি, সাব- আপনাকে ফিদা করতে পারবে কি জানিনা... তবে, ভালো লাগবে আশা করি। ]
- ভাইয়া, কী করছিস? - নুডুলস রান্না করছি।
- থাক! তুই-ই রাঁধ! - তুই গিয়ে বুজ্জিকে উঠা!
এই ইডিয়ট! কতবার বলবো? স্কুলে যাবি কখন? শেষ বারের মতো বলছি বুজ্জি...
[ বুজ্জি- তেলুগুতে অনেক সুন্দর একটা ডাক নাম। আর, হ্যাঁ... বুজ্জি হচ্ছে ভরুনের ভাই। (৩ ভাই) ]
[ ছোট-খাটো ইংরেজি বাক্য/কথাগুলোর সাব করলাম না। সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ]
এই! বয়স অনেক হলো... এবার তোকে বিয়ে করতেই হবে!
- আমার একজন ফ্রেন্ড দরকার। - আর, তোর একজন স্ত্রী দরকার।
আমাদের একটা পরিবার দরকার!
এই, ভাইয়া... এই মেয়ের বাবা কৃষক, মা বেঁচে নেই। মনোবিদ্যায় মাস্টার্স... রেণুকা!
ছোট বোন ভানুমতি। কৃষিতে বি.এস.সি ২য় বর্ষ...
মজার ব্যাপার কি জানিস? গোত্রগত বাঁধা নেই...
জন্ম তারিখ সেপ্টেম্বরের ১৫...
- এই! ১৫ সেপ্টেম্বর! - মায়ের জন্ম তারিখ!
তুই দ্রুত গিয়ে যোগাযোগ কর। মিস করিস না! আমি পরে আসবো।
- ঠিক আছে। কিন্তু, তোর পরীক্ষা শেষ হোক। - কোনো দরকার নেই! তোরা যা। আমি পরে আসবো।
দাঁত দিয়ে নখ কাটবি না, বিশ্বাস রাখবি, মেয়ের চোখের দিকে নজর রাখবি।
সিগারেট খাবি না, মেয়েরা অপছন্দ করে। চেহারা এত সিরিয়াস হলে হবে না, একটু হাসবি।
এটা বুজ্জির ট্যাবলেট, ঠিক করে রাখিস।
সাই পল্লবী as ভানুমতি
ট্রেনের জন্য ছেড়ে দিলাম! চিনিস আমাকে? দিতাম এক ঘুষি! চোখে দেখিস না?
- কী ব্যাপার? ক্লাস না করে দৌড়িয়ে ট্রেন ধরলি যে? - আপাকে দেখতে আসছে। তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে হবে।
আমেরিকার সম্বন্ধ!
আমেরিকায় আমরা একসাথে থাকবো!
- মানে, আমিও আমেরিকার ছেলেকে বিয়ে করবো। - চলে যা! সবাই আমেরিকা চলে যা!
এখানে কত লোক লাইন দিয়ে থাকে... চোখে দেখিস না! আমেরিকার পাত্রই তোদের দরকার শুধু!
যাকে বিয়ে করবো, তার লেভেল আমাদের চেয়ে বেশি হতে হবে আর টাকা আমাদের চেয়ে বেশি থাকতে হবে। এটাই নিয়ম!
ভানুর ১০ বছর বয়সে তার মা মারা যায়।
বুবু... এদিক আসো! আমার বুবু...
তার হাতেই দুজন বড় হয়েছে।
আমাদের সংস্কৃতি অনুযায়ী, বিয়ের সব কাজ এখানেই হতে হবে...
বুবু, কিছু খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা করো...
- আমরা যৌতুক দিতে পারবো না। - আমিও যৌতুকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ভাবতে হবে না।
আগেই সব বলে নেওয়া ভালো।
আমার মেয়ে।
আমার রেণুকা। মনোবিদ্যায় মাস্টার্স... স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত।
তোমরা কথা বলতে চাইলে, ভেতরে গিয়ে বলতে পারো।
আমিও দেখতে চাই!
- তেলুগু বলতে পারিস না? - হ্যাঁ! হালকা হালকা পারি।
এদিক দিন!
- কেনো? - নখ ঘরের ভেতর ফেলতে হয় না। অশুভ! আমি বাইরে ফেলে দেবো।
- সমস্যা নেই। আমিই বাইরে ফেলছি! - আমি ফেলে দেবো! দিন এদিক একবার...
- নাম কী তোমার? - ভানু!
আমাদের ভাষায় "SHIT"!
- সিগারেট খাবে? - কেনো?
মানে, তোমার প্রোফাইল ফটোতে সিগারেট খাওয়া ফটো দেখে ভেবেছিলাম অভ্যাস হয়তো...
এখানে? ভালো দেখাবে না...
এরকম চুপচাপ বসা থাকার চেয়ে, সিগারেট খেতে খেতে কথা বললেও তো ভালো হতো।
তা ঠিক!
ওহ ম্যান! তারা করছে টা কী! তাদের দ্বারা কি এগুলো হবে?
মানে?
- তারা কি কিস করতে পারবে? - চুপ! ইঁচড়ে পাকা!
স্যরি... আসলে, মেয়েদের সামনে আমি একটু চিন্তিত হয়ে যাই। একটা সিগারেট দরকার শুধু!
তুমি রাজি তো?
এই অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ... মানে, তোমার বাবার চাপে রাজি হলে, আমাকে বলতে পারো। আমি তাকে বলবো।
সম্মতির বিরুদ্ধে বিয়ে করতে চাই না।
সেরকম কিছু না... আমার সম্মতি না থাকলে, বাবাকে অসম্মতির কথা বলতাম।
তুমি তো মাস্টার্স?
- তোমার শখ? - ঠিকঠাক ঘুমানো!
মানে, ঘুমানোর আগে পূজা করা আমার দ্বারা সম্ভব না। আগেই বলে রাখছি... এখানেও এসব করিনি।
অনেক ভালো শখ!
ওয়াও! কী এটা? সাহায্য করো আমাকে!
এটা মহিষ রে.... মহিষ! তোরা দুধ কোথা থেকে পাস?
মুদি দোকান হতে!
আমার ছোট ভাই এসে "ওকে" করবে!
সেও এসে দেখলে... ২য় অভিমত!
২য় অভিমত?! ভেবেছে কী আমাদের! দরকার নেই এই সম্বন্ধ! চলে যেতে বল তাদের!
অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ, তার উপর আবার শর্ত! আপা... তুই "না" করে দে!
তুই চুপ করে খা! তার আর কেউ নেই তো... তাই হয়তো বলেছে।
বিয়ের আগে সব যাচাই করে নেওয়াই তো উচিৎ!
যাচাই করবো আমরা, তারা না...
তুই "না" করে দে... এরচেয়ে ভালো সম্বন্ধ পাওয়া যাবে দেখে নিস!
আমরা এখনো তো সম্মতি দিইনি, দেখা যাক... ছেলেটি আসুক!
কী চিন্তা করছিস? সারাজীবন ঐ ৩ জনকে ভাবতে ভাবতেই যাবে!
তার উপর আমেরিকা! কী করে, কী খায়- কে জানে!
সিনেমায় দেখিসনি এসব? নিজের চিন্তাও করিস না!
- একবার ভেবে দেখ...! আমি বলবো বাবাকে? - ঘুমা তুই এখন! বাবা তো বললোই ছেলেটি আসুক!
- কেমন লোক জানিস না! কোনো ফিলিং হলো না... কিভাবে করবি বিয়ে? - চুপ! ঘুমা এখন!
টিকটিকিতে ভয়?.... মজা দেখাবো! আসো!
[ ২য় অভিমত = কোনো ব্যাপারে ঘনিষ্ঠ কোনো ব্যক্তির মতামত নেওয়া এবং তার মতামতকে গুরুত্বের সাথে দেখা। ]
গ্রামের কৃষক পরিবার দেখেছিলাম, এতটা স্মার্ট হবে নাকি?
এত হ্যান্ডসাম নাকি? সম্ভবই না...
কিন্তু, পাত্রীর বোন আসবে বলেছিলো। সেও তো হতে পারে...
বড় ভাই তো এভারেজ। যাই হোক, একবার চেষ্টা করেই দেখি!
পাত্রের ছোট ভাই
স্যরি... তেলুগু অনেকদিন পড়িনি। আর তুমি উপর-নিচ করে ধরছিলে, পড়তে সমস্যা হচ্ছিলো।
আমার নাম ভরুন।
স্যরি, এখানে গাড়ি চালানোর অভ্যাস নেই। আমেরিকায় অনেক দ্রুত গাড়ি চালানো অভ্যাস। তাই...
- এইটা ভারত, জনাব! - আমি চালাবো?
আমি ভরুন। তুমি?
পাত্রীর ছোট বোন।
এভাবে কথা বলছো কেনো? তুমি কি আমার উপর রেগে আছো? কোনো সমস্যা?
এটা আমাদের রাস্তা, আমরা গাড়ি চালাই, ভালো-খারাপ আমরা দেখবো।
- তোমার কোনো সম্পর্ক আছে এটার সাথে? - উহু! - নেই তো? ঠিক করে বসো!
দেশ নিয়ে খারাপ মন্তব্য করাই লাগবে এদের...!
তোমার বোনও কি তোমার মতো নাকি?
এই যে! আমার আপার ব্যাপারে কিছু বলো না! সে খাঁটি সোনা!
হাসির কী পেলে তুমি? (ধমকের সুরে) পাত্রী দেখতে আসাকে মজা ভেবেছো তোমরা? কত ঝামেলার ব্যাপার জানো?
কে আসবে, কী চাবে... ফুল, মিষ্টি, শাড়ি...
আসার সময় ঘুমের সুযোগ থাকে না, যাওয়ার পর বিয়ের সিদ্ধান্ত কী নেবে- ভেবে ঘুম হয় না!
এ পর্যন্ত কতজন দেখতে এসেছে? তুমি এত গুছিয়ে বলছো...
নিজে দেখে "হ্যাঁ/না" করে দিলেই হতো! তা না, ভাইয়ের কাছে শুনে সিদ্ধান্ত নিবে!
ভাইকেও দেখানো লাগবে! তার মাথায় কিছু নেই?
আমাকে যা বলার বলো, ভাইয়ার ব্যাপারে কিছু বলবে না! খাঁটি সোনা সে!
হয়তো চিন্তায় পড়ে ২য় অভিমত এর কথা...
তোমাকে গলা টিপে মেরে ফেলতে ইচ্ছা হচ্ছে...!
এরকম '২য় অভিমত' ব্যক্তি আমার গাড়িতে! এটা আমার দুর্ভাগ্য দুর্ভাগ্য দুর্ভাগ্য!
তোমার সাথে যেতে আমারও ভালো লাগছে না। আমি নেমে যাচ্ছি! গাড়ি থামাও...
ভাইয়া তোমাদের বাড়িতে কেনো যে থাকতে গেলো? কোনো হোটেলে থাকলে ভালো হতো!
- সাধারণভাবে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো। সেই থাকতে রাজি হয়েছে! - আমি নেমে যাচ্ছি, প্লীজ।
- গাড়ি থামাও! - বাবা মেরে ফেলবে!
- কেনো? - পাত্রপক্ষকে অপমান করা হবে না?
পেছন থেকে অটোতে তোমাকে ফলো করবো, তোমার বাবাকে কিছু জানাবো না।
- এ ঘটনার জন্য বিয়েতে "না" করে দেবে? - পাত্রী দেখা আমাদের কাছেও মজার ব্যাপার না!
আমার আসার ব্যাপারে রাজি হয়েছে মানে, আমার ভাইয়াকে তোমার আপা অনেক পছন্দ করেছে।
তুমি চিৎকার করার পর ঠান্ডা মাথায় ভেবেছো... পরবর্তীতে ভাবার পর চিৎকার করবা। ওকে?
- টাকা নেই। - কেনো? (টাকা কিসের?)
জ্ঞান দিচ্ছো না? ফ্রিতে আমি কিছুই নিই না!
রেণুকে আমার অনেক পছন্দ হয়েছে!
আমি সত্যিই তাকে পছন্দ করি!
তুই গিয়ে জাস্ট 'ওকে' বলবি!
কিন্তু, আমাকে দিয়ে 'ওকে' বলানোর জন্য এত নাটকের কী দরকার ছিলো?
আমরা কত ঘনিষ্ঠ তা তাদের জানা দরকার... তাই না?
কিন্তু, তার বোন মনে হলো উন্মাদ টাইপের! রাস্তায় আলাপ হলো। আর, আমরা এখানে আছি কেনো?
- কোনো হোটেলে থাকলে ভালো হতো না? - তারা অনেক অনুরোধ করলো! কিছুতেই যেতে দিলো না!
জাস্ট যাবি আর 'ওকে' বলবি। চিন্তা করিস না... ঠিক আছে?
আমি আপনাকে 'ওকে' করবো, এটা বাজে কথা! আসলে, আপনারই আমাদেরকে 'ওকে' করতে হবে!
সে সবসময় কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকে! আমাদেরকে সময় দিতে পারেনা, ছুটির দিন ছাড়া।
আপনি তার খেয়াল রাখলেই হবে, বাকিটা আমরা দেখবো...
ঘরের কাজ আমরা দুজনে করবো... তাইতো বুজ্জি?
আপনি চাইলে চাকরি করতে পারেন, পড়াশোনা করতে পারেন...
সে আপনাকে অনেক পছন্দ করেছে। অনেক বলেছে আপনার ব্যাপারে! আপনারা দুজন সুখে থাকবেন, ভাবী।
ভাবী বলে ডাকতে পারি?
তোমার ব্যাপারে কিছু বললে না?
আমার ব্যাপারে বলার কিছু নেই, আমি জাস্ট এভারেজ...
সে স্পেশাল!
সে-ই আমার আদর্শ!
পুরো বুঝতে পারিনি। কিন্তু, সব ঠিকঠাকই আছে মনে হচ্ছে...
আপাকে রাজি করিয়ে ফেললো! এত ভালো কি তারা? বিশ্বাস নেই! যাচাই করতে হবে!
এই, ভাইয়া! পরিচিত করিয়ে দিই আমার ভাবীর সাথে, রেণুকা।
ভাবী, পরিচিত করিয়ে দিই আমার ভাইয়ের সাথে, রাজু।
কী ব্যাপার ফুফু?
দ্রুত বাজারে গিয়ে ডিম আর সবজি নিয়ে আয়।
তাড়াতাড়ি যা! শুনতে পাচ্ছিস না নাকি? তাড়াতাড়ি যা...!
যাচ্ছি, যাচ্ছি!
আমি বাজারে যাচ্ছি। তুমি যাবে?
- বাজার... যাবে? - আমাকে আসতে বলছো?
কাল নামিয়ে দিলি, ভুল বুঝতে পেরে আজ আসতে বলছো? তাই না?
জনাব... তা নয়! তোমার জন্যই যেতে হচ্ছে। তাই বললাম!
হাই লেভেল তো তোমাদের! খাতির যত্ন করতে হবে। ডিম ফুরিয়ে গেছে, তাই ফুফু ডিম কিনতে পাঠালো।
- একটু কাজ ছিলো... - গ্রামটা তো ঘুরে দেখতে পারো?
- এভাবে যাবে? - কেনো? সমস্যা কী?
- আমেরিকায় হাফ প্যান্টেই চলাফেরা করো? - হাফ প্যান্ট না, শর্টস! গ্রীষ্মকালে।
- এভাবেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তোমার কোনো সমস্যা? - আমার কোনো সমস্যা নেই!
গ্রামের মেয়েরা হজম করতে পারবে না! তোমার পা দেখে...!
- কী করো আমেরিকায়? - ডাক্তার হবো শীঘ্রই!
সবার একইরকম চিন্তা-ভাবনা, হয় ডাক্তার, না হয় ইঞ্জিনিয়ার!
এখানে পড়ালেখা করে, তারপর আমেরিকা চলে যায়! টাকা, টাকা!
- তুমি পছন্দ করো, টাকা? - ডিম কি ফ্রি'তে দেবে?
- মানে, টাকা ছাড়া ডিম কি কিনতে পারবে? - কী উদাহরণ রে বাবা!
- সিনেমা দেখো? - অনেক কম!
- পাওয়ার স্টারের? - গাব্বার সিং দেখেছি।
সর্দার?
না! প্রথমটা। (গাব্বার সিং এর ডায়লগ বলে...) ঐটা!
ওটা ২০১২ সালের! তোমার ভাই দেখে?
- সে একদমই দেখে না! - এ কেমন কথা? সিনেমা দেখে না!
আমার আপা তো সিনেমার পাগল!
ভাবীর সমস্যা কী? সে ইচ্ছামতো দেখতে পারবে, চিন্তার কী আছে?
ঠিক আছে, কিন্তু... রক্তে পাওয়ান বা মহেশ বাবু থাকলে, ব্যাপারটাই অন্যরকম হতো!
দুজন একসাথে সিনেমা দেখলে...
তার দুর্ভাগ্য! কী করা যাবে?!
মদ্যপানের অভ্যাস, গার্লফ্রেন্ড?
কেনো?
তোমার আপা বিয়ে করবে আমার ভাইয়াকে। নিতে হলে, তার ইন্টারভিউ নিও!
কিন্তু, মদ খেলেই খারাপ ছেলে। গার্লফ্রেন্ড থাকলেই এ ও হয়ে যাবে, এসব ভুল ভাবনা।
মানে, এ ও হয়ে যাওয়া গার্লফ্রেন্ড আছে তোমার?
No comments yet. Be the first to leave one.